ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

যেসব প্রতীকে হবে ইউপি নির্বাচন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকবে না দলীয় প্রতীক। তাই নির্বাচনে ইউপি চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত সাধারণ সদস্য ও সাধারণ সদস্য আসনের জন্য প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে ইসি।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন। তবে আজ বুধবার প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চেয়ারম্যানদের জন্য ২০টি, সংরক্ষিত আসনে ১০টি এবং সাধারণ সদস্য প্রার্থীর ১২টি প্রতীক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

কোন পদে থাকছে কী প্রতীক

চেয়ারম্যান পদের জন্য বরাদ্দ ২০ প্রতীক : কম্পিউটার, কলার ছড়ি, ঘণ্টা, ঘোড়া, চিংড়ি, জগ, টেবিল, টেবিল ঘড়ি, টেলিফোন, দালান, দোতলা বাস, পাগড়ি, বেবি টেক্সি, ময়ূর, মোবাইল ফোন, মোটরসাইকেল, মোড়া, রেল ইঞ্জিন, সোফা ও হাঁস।

সাধারণ আসনের বরাদ্দ ১২ প্রতীক: উট, কাপ-পিরিচ, ঘুড়ি, জাহাজ, টর্চ লাইট, টিউবওয়েল, ট্রাক্টর, তালা, ফুটবল, বৈদ্যুতিক পাখা, বৈদ্যুতিক বাল্ব এবং মোরগ।

সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বরাদ্দ ১০ প্রতীক: আলমারি, কলস, ড্রেসিং টেবিল, পালকি, ফলের ঝুড়ি, মাইক, সেলাই মেশিন, সূর্যমুখী ফুল, হরিণ এবং হেলিকপ্টার।

এদিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০২৬-এর সংশোধনীতে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে দেশে-বিদেশে প্রার্থীর নিজের ও নির্ভরশীলদের সম্পদের হিসাবও দিতে হবে।

বিধিমালায় বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান নির্বাচনের ক্ষেত্রে ২৫ হাজার টাকা এবং সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৫ হাজার টাকা জামানত দিতে হবে। প্রদত্ত ভোটের ১৫ শতাংশের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাতিল হবে।

এদিকে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যয়ের সীমা বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা এবং সদস্য পদপ্রার্থীর ব্যয় দুই লাখ টাকা করা হয়েছে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশকে ২৪৬০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে এডিবি
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিক ও শক্তিশালী করতে ২০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এ ঋণের পরিমাণ দুই হাজার ৪৬০ কোটি টাকা। এ ঋণের মাধ্যমে ঢাকার আশপাশের উপশহরীয় এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্কের নির্ভরযোগ্যতা, দক্ষতা ও সহনশীলতা বাড়ানো হবে। এর ফলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গৃহস্থালিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এডিবির ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ‘পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট’ বা বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক উন্নয়ন প্রকল্পটি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডকে (বিআরইবি) সহায়তা করবে। প্রকল্পের আওতায় ঢাকার আশপাশের দ্রুত বর্ধনশীল শিল্প ও শহরাঞ্চলে সেবা দেওয়া ১৩টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পিবিএস) বিদ্যুৎ বিতরণ অবকাঠামো উন্নত করা হবে। এডিবির সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ‘ইন্টিগ্রেটেড গ্রোথ নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ সেবা প্রদানে বাধা সৃষ্টিকারী বিভিন্ন সমস্যা- যেমন সাবস্টেশনে অতিরিক্ত লোড, পুরোনো অবকাঠামো, বিদ্যুৎ অপচয় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়তা করা হবে। বাংলাদেশে নিযুক্ত এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর চিংফেং ঝাং বলেন, বাংলাদেশ যখন একটি অধিকতর সমৃদ্ধ, সহনশীল এবং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য আধুনিক বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থা অপরিহার্য হয়ে উঠবে। তিনি আরও বলেন, এ প্রকল্পটি উন্নত প্রযুক্তি, শক্তিশালী অবকাঠামো এবং দুর্যোগ-সহনশীলতা বৃদ্ধির পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ঢাকার আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ প্রবৃদ্ধি-কেন্দ্রিক এলাকাগুলোর বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে ভবিষ্যতের উপযোগী করে গড়ে তুলবে। এর ফলে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী তাদের অগ্রগতির জন্য প্রয়োজনীয় নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে। প্রকল্পটির আওতায় ৫২টি সাবস্টেশনে এক হাজার ১৫০ মেগাভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপন করা হবে এবং বিদ্যমান ১২টি সাবস্টেশনের সক্ষমতা ১১৫ মেগাভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার বাড়ানো হবে।  এছাড়া, নেটওয়ার্কের নির্ভরযোগ্যতা, দক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই হাজার ৬০০ কিলোমিটারেরও বেশি ওভারহেড (উপরিভাগের) ও আন্ডারগ্রাউন্ড (ভূগর্ভস্থ) বিতরণ লাইন নির্মাণ বা উন্নয়ন এবং ইনসুলেটেড কন্ডাক্টর স্থাপন করা হবে।  সিস্টেম পরিচালনার আধুনিকায়নের লক্ষ্যে প্রকল্পটি নদী-পারাপারের উপযোগী সঞ্চালন কাঠামো ও সুইচিং স্টেশন নির্মাণ করবে এবং দ্রুত ত্রুটি শনাক্তকরণ ও সেবা পুনরুদ্ধারের জন্য ৯০০টি ‘ফল্ট লোকেটর সেট’ (ত্রুটি শনাক্তকারী যন্ত্র) স্থাপন করবে। ২০২২ সালে বাংলাদেশ শতভাগ বিদ্যুতায়ন অর্জনে সক্ষম হলেও, দ্রুত নগরায়ণ ও শিল্পায়নের ফলে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিদ্যুৎ নেটওয়ার্কের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে। এই প্রকল্পটি ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বিতরণ ব্যবস্থার সক্ষমতা জোরদার করার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ-সহনশীল ও স্বল্প-কার্বন নিঃসরণকারী উন্নয়নের লক্ষ্যে সহায়তা করবে। এই প্রকল্পের জন্য এডিবির বিশেষ ‘রেজিলিয়েন্স ফাইন্যান্সিং’ বা দুর্যোগ-সহনশীলতা বিষয়ক অর্থায়নের পরিমাণ ১৪ দশমিক ৬৫ কোটি ডলার।  এর আওতায় পরিবেশবান্ধব ‘গ্যাস-ইনসুলেটেড সুইচগিয়ার’ প্রযুক্তির মতো অভিযোজন-সহায়ক ব্যবস্থার জন্য সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে; যা উন্নত বিতরণ দক্ষতা ও কারিগরি অপচয় হ্রাসের মাধ্যমে বার্ষিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ প্রায় ২০৩৭৫১ টন (কার্বন-ডাই-অক্সাইড সমতুল্য) কমাতে সহায়তা করবে। প্রকল্পটি ডিজিটাল সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন, সাইবার নিরাপত্তা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ-সহনশীল কার্যক্রম পরিচালনা, পরিবেশগত ও সামাজিক সুরক্ষা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিআরইবি ও পিবিএস -গুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। পিবিএস-গুলোর আর্থিক স্থায়িত্ব জোরদার করার মাধ্যমে এটি বেসরকারি খাতের অধিকতর অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়তা করবে।  এছাড়া প্রকল্পটি নারী ও মেয়েদের চাহিদার প্রতি সংবেদনশীল বিভিন্ন কার্যক্রমকে উৎসাহিত করবে, যার মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং কর্মক্ষেত্রের পরিবেশের উন্নয়ন। এডিবির এই সহায়তার পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ১০৭.৯৫ মিলিয়ন ডলার এবং বিআরইবি-র পক্ষ থেকে ১৪১.৩৯ মিলিয়ন ডলারের সহ-অর্থায়ন যুক্ত রয়েছে। এছাড়া, এডিবির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ‘রিপাবলিক অফ কোরিয়া ই-এশিয়া অ্যান্ড নলেজ পার্টনারশিপ ফান্ড’ থেকে প্রাপ্ত ১ মিলিয়ন ডলারের কারিগরি সহায়তা অনুদান প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন, আর্থিক স্থায়িত্ব বিষয়ক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তির বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। আরটিভি/এসআর  
বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশকে ২৪৬০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে এডিবি
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা রাখতে চিঠি, জানা গেল কারণ
নিবন্ধিত হজযাত্রীদের সুবিধার্থে আগামী ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার ও শনিবার) সারা দেশে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সব শাখা খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) হজের নিবন্ধনের অর্থ সময়মতো জমা নেওয়ার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বরাবর এই সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৭ সালের হজযাত্রীদের প্রাথমিক নিবন্ধনের নির্ধারিত শেষ দিন ২৪ সেপ্টেম্বর। কিন্তু এর পরদিনই সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুরু হওয়ায় নিবন্ধনপ্রত্যাশীদের যথাসময়ে অর্থ জমা দিতে কিছুটা জটিলতা তৈরি হতে পারে। এই সুনির্দিষ্ট কারণে ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর সাপ্তাহিক ছুটির দুই দিন সারা দেশের হজের নিবন্ধনের অর্থ গ্রহণকারী ব্যাংকগুলোর নির্ধারিত শাখাগুলো সম্পূর্ণ সচল রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন বলে জানায় মন্ত্রণালয়। চিঠিতে আরও বলা হয়, ওই দুই দিন অফিশিয়াল সময়সীমা শেষ হওয়ার পরও যতক্ষণ পর্যন্ত টাকা জমাদানকারী হজযাত্রী বা তাদের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত হজের অর্থ গ্রহণ করার জন্য যেন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। আরটিভি/এসআর  
শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা রাখতে চিঠি, জানা গেল কারণ
মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক দাতব্য, জনহিতকর ও মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।
মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক
সরকারি সব কমিটি পুনর্গঠনের উদ্যোগ, সরানো হচ্ছে আওয়ামীপন্থীদের
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিঠি পাওয়ার পর অনেক জায়গায় ইতোমধ্যে সরকারি কমিটি পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।
সরকারি সব কমিটি পুনর্গঠনের উদ্যোগ, সরানো হচ্ছে আওয়ামীপন্থীদের
আরও পড়ুন
আইসিসির সব সদস্যকে পদত্যাগের আহ্বান ট্রাম্পের
স্পিকারের কাছ থেকে চিঠি পেলে গাজী নজরুলের বিষয়ে ব্যবস্থা: ইসি সচিব
পেছাচ্ছে ইউপি নির্বাচন, জানা গেল নতুন সম্ভাব্য সময় 
বাংলাদেশ-চায়না রিনিউয়েবল এনার্জি কোম্পানিতে চাকরি, বেতন প্রায় ১ লাখ