ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

‘প্রতিটি পূজামণ্ডপ সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩২ এএম
সিসি ক্যামেরার আওতায় পূজামণ্ডপ। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ বলেছেন, মহালয়াসহ দুর্গাপূজা চলাকালীন এবং প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রতিটি পূজামণ্ডপ সিসি (ক্লোজসার্কিট) ক্যামেরার আওতায় থাকবে এবং মণ্ডপের ইনচার্জগণ বডিওর্ন ক্যামেরা নিয়ে ডিউটি করবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, দুর্গাপূজা চলাকালে পোশাকে ও সাদা পোশাকে পুলিশের পাশাপাশি সোয়াট, ক্রাইসিস রেসপন্স টিম, কুইক রেসপন্স টিম, ক্রাইম সিন ভ্যান ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে।

তিনি বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ের প্রথম হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তাই এবারের এই উৎসব আমাদের জন্য অগ্নি পরীক্ষা। ঢাকা মহানগর এলাকার প্রতিটি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনের লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক থেকে দায়িত্ব পালন করবে।

পূজা উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন, পূজামন্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকতে হবে। পূজা কমিটির সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক ও দর্শনার্থী সবার ওপর নজর রাখতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা- ৯৯৯ অথবা নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

ডিএমপি কমিশনার আশা প্রকাশ করে বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আসন্ন দুর্গাপূজা উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে নিরাপদে উদযাপিত হবে।

যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ডিএমপির নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

এ সময় সভায় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) মো. আবুল বাশার তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস্, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট) মোহাম্মদ শামসুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) ও অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোহাম্মদ ওসমান গণিসহ পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

সভায় রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধিগণ, ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রোহিঙ্গা সংকট এখন বৃহত্তর নিরাপত্তা উদ্বেগের সঙ্গে জড়িত: ঢাকা
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, দীর্ঘায়িত রোহিঙ্গা সংকট এখন আর শুধু মানবিক উদ্বেগের বিষয় নয়, এর সঙ্গে বৃহত্তর নিরাপত্তা ও অনিয়মিত অভিবাসনের বিষয়ও জড়িত। সেই সঙ্গে তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আরও জোরালো আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশবিষয়ক যুক্তরাজ্যের অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) চেয়ার ও এমপি আফসানা বেগমের নেতৃত্বে সফররত একটি প্রতিনিধিদল মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক জোরদারে এপিপিজির অব্যাহত আগ্রহের প্রশংসা করেন। প্রতিনিধিদলে হাউস অব লর্ডসের সদস্য শওকত আদম এমপি ও লর্ড কুরবান হুসেইনও ছিলেন। এ সময় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংহতি ও সংস্কার উদ্যোগে যুক্তরাজ্য সরকারের সমর্থনের বিষয়টি তুলে ধরেন হুমায়ুন কবির। যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট, বাংলাদেশ ও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে এপিপিজির ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের অগ্রগতি ও বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরতে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের সঙ্গে আরও বেশি সম্পৃক্ততা তৈরিতে এপিপিজির সহযোগিতা চান। প্রতিনিধিদলটি বুধবার রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবে উল্লেখ করে এপিপিজির প্রতিনিধিরা রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের দুর্দশা মোকাবিলায় তাদের সমর্থনের কথা জানান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং রোহিঙ্গাদের নিজভূমিতে টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় সোচ্চার থাকার আশ্বাস দিয়েছে প্রতিনিধিদলটি। আলোচনায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংসদীয় সহযোগিতা ও বিনিময় জোরদার গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক সংহতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অভিবাসন, দক্ষ জনশক্তি কাজে লাগানো এবং মানবাধিকারের মতো পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতবিনিময় করে এবং সংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় চ্যানেলের মাধ্যমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে। আরটিভি/এসআর
রোহিঙ্গা সংকট এখন বৃহত্তর নিরাপত্তা উদ্বেগের সঙ্গে জড়িত: ঢাকা
দেশে শব্দদূষণ কমাতে ১ লাখ ৩৯ হাজার মানুষ প্রশিক্ষিত
দেশে উচ্চশব্দের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে সরকারি প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৪০ জন সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ পেয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের (ঢাকা মহানগর) পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ বাসস-কে জানান, প্রকল্পের শুরু থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সচেতনতামূলক কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫০ হাজার শিক্ষার্থী, ৭২ হাজার ২০০ জন পরিবহনচালক ও শ্রমিক, ৮ হাজার ১৪০ জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ১ হাজার ৯২০ জন কারখানা ও নির্মাণশ্রমিক, ১ হাজার ৮০০ জন সাংবাদিক এবং ৫ হাজার ৫৮০ জন পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, ইমাম, শিক্ষক ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি রয়েছেন। ফরিদ আহমেদ জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা এখন শব্দদূষণ সম্পর্কে সচেতন এবং তারা তাদের পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদেরও সচেতন করছেন। তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা তাদের সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শব্দদূষণ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করছেন এবং ইমামরা মুসল্লিদেরকে এ বিষয়ে সচেতন করছেন। শহরাঞ্চলে শব্দের মাত্রা কমাতে পরিবেশ অধিদপ্তর ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশগ্রহণমূলক প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করছে। অতিরিক্ত যানবাহনের হর্ন ও পরিবেশগত শব্দ নিয়ন্ত্রণে দেশব্যাপী উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক প্রচার, অংশীজনদের প্রশিক্ষণ, নীরব এলাকা ঘোষণা ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। শব্দদূষণ প্রতিরোধ ও কমাতে তাদের ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে এসব জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি প্রকল্পের অন্যতম প্রধান কার্যক্রম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ফরিদ আহমেদ জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আরো ৩৬ হাজার ১২০ জনকে শব্দদূষণের ব্যাপারে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে মানুষকে অবহিতকরণ ও দায়িত্বশীল আচরণে উৎসাহিত করতে প্রকল্পের আওতায় ব্যাপক প্রচার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমও গ্রহণ করা হয়েছে। প্রচারণার অংশ হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের পাশাপাশি রেডিওতে নিয়মিত শব্দদূষণবিষয়ক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।  ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া, মোবাইল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শব্দদূষণবিষয়ক টেলিভিশন বিজ্ঞাপন (টিভিসি), খুদে বার্তা ও বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হচ্ছে। শারীরিক সচেতনতামূলক উপকরণের মাধ্যমেও প্রকল্পটির জনসম্পৃক্ততা আরও জোরদার করেছে। শব্দদূষণ বিষয়ক সচেতনতামূলক বার্তা প্রচারের জন্য মোট ১২৮টি বিলবোর্ড ও ২১০টি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।  এছাড়া ৭ লাখ লিফলেট, ৭ লাখ অন্যান্য উপকরণ ও ১ হাজার প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল ছাপিয়ে বিতরণ করা হয়েছে। সচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সারা দেশে প্রায় ২ হাজার ৫০০টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। ৭ হাজার ২৯৭টি মামলার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ ১ কোটি ৮ লাখ ১৩ হাজার ১৫৭ টাকা জরিমানা আদায় করেছে এবং ৬ হাজার ৯৮৬টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করে ধ্বংস করেছে। প্রকল্পের আওতায় জনসচেতনতামূলক বেশকিছু উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে। শব্দদূষণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ২০২৩ সালের ১৫ অক্টোবর ঢাকায় ‘এক মিনিট নীরবতা’ পালন করা হয়। নির্ধারিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিত করতে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পরিবেশ সচেতনতামূলক কার্যক্রমে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে ডিওই ‘যুব উৎসব’ উদযাপনের অংশ হিসেবেও বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। ফরিদ আহমেদ বলেন, প্রশিক্ষণ, গণমাধ্যমে প্রচারণা, জনসম্পৃক্ততা ও আইন প্রয়োগের মাধ্যমে প্রকল্পটি জনসচেতনতা আরো বাড়াতে এবং বাংলাদেশের সর্বত্র শব্দদূষণ কমাতে সহায়ক আচরণ গ্রহণে মানুষকে উৎসাহিত করতে কাজ করছে। আরটিভি/এসআর
দেশে শব্দদূষণ কমাতে ১ লাখ ৩৯ হাজার মানুষ প্রশিক্ষিত
সেবামূলক সরকারি প্রতিষ্ঠানে চালু হবে ‘মিট দ্য প্রেস’: জহির উদ্দিন স্বপন
সরকারের আওতাধীন সব জনসেবা বিভাগ ও দপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ‘মিট দ্য প্রেস’ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জহির উদ্দিন স্বপন এমপি।
সেবামূলক সরকারি প্রতিষ্ঠানে চালু হবে ‘মিট দ্য প্রেস’: জহির উদ্দিন স্বপন
দেশের ২২ জেলায় গড়ে তোলা হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবা নিশ্চিত করতে চলতি অর্থবছরেই দেশের ২২ জেলায় সরকারি উদ্যোগে ‘শিশু স্বর্গ’ গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। 
দেশের ২২ জেলায় গড়ে তোলা হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
টয়োটা তুশো করপোরেশনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
আদালত থেকে আবারও পালালেন সেই আসামি
ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৪৭
ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তিন ডিসি বদলি