ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪০ এএম
ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ব্যস্ত একজন কর্মী। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম আগামীকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে। এ কর্মসূচির প্রচারণায় দেশের মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা ও গির্জার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

এ লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।

গত ৮ অক্টোবর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি থেকে এ-সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ১২ অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী একযোগে সব এলাকার থানা ও পরিবারের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। এজন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড থানা তথ্যভাণ্ডারের তথ্য সংগ্রহ নির্দেশিকা, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

চিঠিতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে প্রচারণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ে মসজিদগুলোতে এবং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে মন্দির, প্যাগোডা ও গির্জায় সংযুক্ত বার্তা পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

প্রচারণার জন্য তৈরি বার্তায় বলা হয়েছে, সরকারের প্রশিক্ষিত ও পরিচয়পত্রধারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করবেন। এসব তথ্যের ভিত্তিতে কোন পরিবারের সহায়তা বেশি প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করা হবে। তাই পরিবারগুলোর প্রকৃত আর্থ-সামাজিক অবস্থা তুলে ধরে সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

মসজিদে জুমার নামাজের আগে তিন মিনিটের ঘোষণায় পরিবারের প্রকৃত তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক লেনদেন থেকে সতর্ক থাকার বার্তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কেউ টাকা চাইলে তা বিশ্বাস করা যাবে না। তথ্য প্রদানের জন্য কোনো অর্থের প্রয়োজন নেই।

অন্যদিকে, মন্দির, গির্জা ও বিহারে দুই মিনিটের ঘোষণায় প্রকৃত তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী প্রতিবেশীদের খোঁজ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তথ্য সংগ্রহের সময় কেউ বাদ না পড়েন। কেউ অর্থ দাবি করলে ১০৯৮ নম্বরে জানানোর কথাও প্রচারণার বার্তায় উল্লেখ রয়েছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের চিঠির অনুলিপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতীয় যুব দিবস আজ
দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা ও কর্মক্ষমতাকে কাজে লাগানোর প্রত্যয় নিয়ে আজ ১ নভেম্বর পালিত হচ্ছে জাতীয় যুব দিবস। দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আত্মকর্মসংস্থানে উৎসাহ এবং তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়। এবারের আয়োজনে চাকরি মেলা, যুব পুরস্কার প্রদানসহ নানা কর্মসূচি রাখা হয়েছে। যুব দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য- ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’। দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি বলেন, যুবসমাজ একটি জাতির প্রাণশক্তি এবং উন্নয়নের প্রধান নির্ধারক। দেশের সব বড় গণতান্ত্রিক অর্জনে তরুণরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি বলেন, যুবসমাজকে দক্ষ ও উৎপাদনশীল মানবসম্পদে পরিণত করা গেলে স্বনির্ভর, উন্নত ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত হবে। তিনি আরও বলেন, সংগঠিত, দক্ষ ও অঙ্গীকারবদ্ধ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। তরুণদের মানসম্মত শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, জাতীয় সংকট উত্তরণ এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বলেন, প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন বর্তমান বিশ্বে যুবসমাজের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তরুণদের আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ হতে হবে। এবারের জাতীয় যুব দিবসের অন্যতম আকর্ষণ চাকরি মেলা। এতে ৫৫টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। মেলার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার কর্মপ্রত্যাশী তরুণের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সারা দেশে ১২ হাজার পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরসহ সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি পালন করছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, র‌্যালি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম, খাল খনন, রক্তদান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং যুবঋণ বিতরণ। এ ছাড়া সফল তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্মাননা এবং প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণের আয়োজনও রয়েছে। বর্তমানে বেকারত্ব, দক্ষতার ঘাটতি, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো এবং কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা যুবসমাজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এসব মোকাবিলায় কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ, শ্রমবাজারের চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা অর্জন এবং উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা বাড়ানো জরুরি। তরুণদের শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে। তাদের মেধা, উদ্ভাবনী শক্তি ও নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে পারলে দেশের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে। জাতীয় যুব দিবস সেই সম্ভাবনা ও দায়িত্বের কথাই নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। আরটিভি/টিআর
জাতীয় যুব দিবস আজ
জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী
স্বাধীনতা অর্জন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় দেশের যুবসমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী
দেশের তরুণদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা
জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে এ ঘোষণার কথা জানান তিনি। আগামীকাল ১ নভেম্বর দিবসটি উদ্‌যাপিত হবে।
দেশের তরুণদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা
ইলিশ শিকারে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে মধ্যরাত থেকে
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে আজ (শনিবার) মধ্যরাত থেকে সাগর ও নদীতে শুরু হচ্ছে জাটকা আহরণে নিষেধাজ্ঞা। আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে এই ৮ মাস মেয়াদি নিষেধাজ্ঞা। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং মৎস্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ২৫ সেন্টিমিটারের ছোট ইলিশ (জাটকা) আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এর আগে ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে প্রজননক্ষম ইলিশ রক্ষায় ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’ বাস্তবায়ন করা হয়। এসময় ডিমওয়ালা ইলিশ থেকে নিঃসৃত ডিমের পরিস্ফুটনের মাধ্যমে উৎপাদিত ইলিশের পোনা তার বয়সের একটি নির্দিষ্ট সময় (৫-৮ মাস) পর্যন্ত দেশের উপকূলীয় নদ-নদী ও মোহনাসমূহে বিচরণ করছে।  আর এসময় ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই নিষিক্ত ইলিশের পোনা রক্ষা করা অত্যাবশ্যকীয়। এসব পোনা নিরাপদে বেড়ে উঠতে পারলেই ভবিষ্যতে দেশের ইলিশ উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। এ উদ্দেশ্যে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (সংশোধিত) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৮৫ অনুযায়ী, উল্লিখিত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে অনধিক দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তর সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতায় কঠোরভাবে এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করবে। আরটিভি/এসআর
ইলিশ শিকারে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে মধ্যরাত থেকে
কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ‘শারীরিক সম্পর্ক’, চাকরি গেল সেই এএসপির
কনস্টেবলের স্ত্রী সঙ্গে পরকীয়া ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দিনাজপুর সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) কাজী মিজানুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে তাকে অবসরে পাঠানোর বিষয়টি জানা যায়। বিভাগীয় মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে তার পরিচয় হয়। পরে ওই নারীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় করা মামলার আদালতের পর্যবেক্ষণেও তাদের স্বেচ্ছায় শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি উঠে আসে বলে বিভাগীয় নথির সারসংক্ষেপে উল্লেখ রয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সম্পর্কের সূত্র ধরে কাজী মিজানুর রহমান ওই নারীকে এক বান্ধবীর বাসায় নিয়ে যান এবং ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক করেন। পরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে শারীরিক সম্পর্ক করেন। তাদের পরকীয়া সম্পর্কে জড়ানো ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ও ছবি ওই কনস্টেবল পাওয়ার পর তাদের পারিবারিক সম্পর্ক নষ্ট হয়। একজন পুলিশ কর্মকর্তার এমন কর্মকাণ্ডে বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে বিভাগীয় তদন্তে উল্লেখ করা হয়। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়।  বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ ও রাষ্ট্রপতির ২৫ অক্টোবরের অনুমোদনের পর এ আদেশ জারি করা হয়। আরটিভি/এসআর
কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ‘শারীরিক সম্পর্ক’, চাকরি গেল সেই এএসপির
আরও পড়ুন
নারীর সচ্ছলতা ও স্বনির্ভরতাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: মাহদী আমিন
ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে ফের সুযোগ পেলেন ছাত্রলীগ কর্মী
পরিবারভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার গড়ছে সরকার
‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’