ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

ন্যায়বিচার নিশ্চিতে প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে: আইনমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রান্তিক ও অসহায় মানুষের দোরগোড়ায় আইনি সহায়তা পৌঁছে দিতে প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেছেন, প্যারালিগ্যাল সেবার নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত আগামী দিনের কার্যক্রমের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেবে। এ ক্ষেত্রে সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকে (এনজিও) সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জনবান্ধব বিচারব্যবস্থা বিনির্মাণে প্যারালিগ্যাল অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলনে বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের সহযোগিতা বিভাগের প্রধান মাইকেল ক্রেজজা ও বাংলাদেশে জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি আদালত ও কারাগারের ওপর চাপ কমাতে প্যারালিগ্যালরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন, যা এরই মধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার মাধ্যমে প্রান্তিক ও অসহায় মানুষের জন্য আইনি সহায়তা আরো সহজলভ্য করা সম্ভব হবে।

এ উদ্যোগে সহযোগিতার জন্য জার্মান সরকার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জিআইজেডের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আইনি সেবা সহজীকরণ এবং প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার এ যাত্রায় তাদের অব্যাহত সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।

সম্মেলনে প্যারালিগ্যাল সেবার ভবিষ্যৎ কাঠামো নির্ধারণে নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এতে প্যারালিগ্যালদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি, সরকার ও এনজিওর যৌথ অংশীদারত্ব, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, সেবার মানদণ্ড নির্ধারণ এবং টেকসই অর্থায়নের মতো বিষয় গুরুত্ব পায়।

দুদিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর। এতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিচার বিভাগের প্রতিনিধি, লিগ্যাল এইড সংস্থা, নাগরিক সমাজ ও উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এছাড়া মালাউই, ফিলিপাইন ও কিরগিজস্তানের বিশেষজ্ঞরা নিজ নিজ দেশের বিচারব্যবস্থায় প্যারালিগ্যাল সেবা অন্তর্ভুক্ত করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মোংলায় নৌপরিবহনমন্ত্রীকে সোনার চাবি উপহার
বাগেরহাটের মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের অভিষেক অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে সম্মাননা স্মারক হিসেবে একটি ‘সোনার চাবি’ উপহার দেওয়া হয়েছে।
মোংলায় নৌপরিবহনমন্ত্রীকে সোনার চাবি উপহার
মালয়েশিয়া যেতে যে ৫১ কেন্দ্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন কর্মীরা 
মালয়েশিয়ায় কাজ করতে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য দেশের ৫১টি মেডিকেল সেন্টারকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব কেন্দ্রের নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়ার ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এফডব্লিউসিএমএস)। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এফডব্লিউসিএমএসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকায় অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম ও ঠিকানা পাওয়া গেছে।  ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অনুমোদন পাওয়া কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে— মতিঝিলের এশিয়া ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল সেন্টার, মেডিনেট মেডিকেল সার্ভিসেস ও রামিন হেলথ সেন্টার। ফকিরাপুলে রয়েছে ওয়াদি হেলথ চেকআপ, মেডিফ্লাই হেলথ সার্ভিসেস; পুরানা পল্টনে ইবনে ওমর মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইউনিটি মেডিকেল চেকআপ সেন্টার, এ এফ মেডিকেল সেন্টার, স্টার মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক, আনাস মেডিকেল সেন্টার লিমিটেড ও আল-জামী ডায়াগনস্টিক সেন্টার। নয়াপল্টনে অনুমোদন পেয়েছে— আইডিয়াল ডায়াগনস্টিক, সানলাইট ডায়াগনস্টিক, রিলায়েন্স ল্যাব, প্রাইম ডায়াগনস্টিক, হিউম্যান ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল সেন্টার ও ওয়ান প্লাস মেডিকেল সেন্টার। বিজয়নগরে রয়েছে পারফেক্ট মেডিকেয়ার ও কমফোর্ট মেডিকেল চেকআপ সেন্টার। এছাড়া বনশ্রীর ফেমাস স্পেশালাইজড হাসপাতাল, রামপুরার লিডিং হেলথ চেকআপ লিমিটেড ও ডায়নামিক ল্যাব এবং পশ্চিম রামপুরার ডেল্টা হেলথ কেয়ার ও পিওর হেলথ মেডিকেল সেন্টার তালিকায় রয়েছে। বনানীতে গ্লোবাল মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সারা মেডিকেল সেন্টার ও সারা হেলথ কেয়ার; কাকলীতে পুষ্প ক্লিনিক; চেয়ারম্যান বাড়িতে এলবি হেলথকেয়ার ও সানমুন মেডিকেল সেন্টার এবং প্রগতি সরণিতে ইনডেক্স ডায়াগনস্টিক সেন্টার অনুমোদন পেয়েছে। উত্তরা ও আশপাশের এলাকায় রয়েছে দক্ষিণখানের জান্নাহ মেডিকেল সার্ভিসেস, উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের মাইল্যাব মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আব্দুল্লাহপুরের আইচি হাসপাতাল এবং গাজীপুরের শাহিদা খাতুন ডিজিটাল মেডিকেল সেন্টার। ধানমন্ডির গ্রিন রোডে ল্যাব সায়েন্স ডায়াগনস্টিক, ক্যান্টনমেন্টের মানিকদীতে ইশতিয়াক মেডিকেল সেন্টার ও ট্রু হেলথ মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মাটিকাটায় মেডিপ্যাথ মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং কাফরুলে স্মার্ট মেডিকেল সেন্টারও তালিকাভুক্ত হয়েছে। অন্যান্য অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে— নিউ ইস্কাটনের ইউনিকেয়ার মেডিকেল সার্ভিসেস, মগবাজারের গ্রিনল্যান্ড মেডিকেল সেন্টার, কাকরাইলের কেয়ার ওয়েভ, মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল, তেজগাঁওয়ের জারা হেলথ কেয়ার, তেজগাঁও বিমানবন্দর সড়কের এভারগ্রিন মেডিকেল সেন্টার এবং কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের ওয়ার্ল্ড হরাইজন মেডিকেল সার্ভিসেস। এছাড়া বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সুরক্ষা মেডিকেল সেন্টার, উত্তর বাড্ডায় ল্যাব কোয়েস্ট লিমিটেড, মাদানি অ্যাভিনিউয়ে স্ট্যান্ডার্ড মেডিকেল সেন্টার এবং ডিআইটি অ্যাভিনিউয়ে ভিটা হেলথ মেডিকেল অনুমোদিত কেন্দ্রের তালিকায় রয়েছে। এফডব্লিউসিএমএস জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত মেডিকেল সেন্টারগুলো সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকারি সংস্থার নিবন্ধিত। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার প্রতিষ্ঠান বেস্টিনেট এসডিএন বিএইচডির নির্ধারিত নিরীক্ষা প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করেছে তারা। মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য ইলেকট্রনিক ভিসা উইথ রেফারেন্সের (ই-ভিডিআর) আবেদন প্রক্রিয়ায় এগোনোর আগে আগ্রহী কর্মীদের এসব অনুমোদিত কেন্দ্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে মেডিকেল অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত করা এবং বিভিন্ন পদ্ধতিগত জটিলতা কমানোর দাবি জানিয়ে আসছিল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো। এর মধ্যে নতুন এ তালিকা প্রকাশ করা হলো। এর আগে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফি সর্বোচ্চ ৮,০০০ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। একইসঙ্গে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও চাকরিপ্রার্থীদের হয়রানি না করতে মেডিকেল সেন্টারগুলোকে সতর্ক করেছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।  গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেন ৬২টি রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধিরা। তাদের পক্ষে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ ফজলুল ইসলাম ইয়াসিন। তিনি মেডিকেল অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত করার পাশাপাশি বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) জন্য যৌক্তিক প্রসেসিং ফি নির্ধারণের আহ্বান জানান। আরটিভি/এসআর  
মালয়েশিয়া যেতে যে ৫১ কেন্দ্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন কর্মীরা 
জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশে সব খুন-অন্যায়ের বিচার করা হবে: আইনমন্ত্রী
বিগত ফ্যাসিস্ট সময়ের সব খুন ও অন্যায়ের বিচার করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান। 
জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশে সব খুন-অন্যায়ের বিচার করা হবে: আইনমন্ত্রী
দেশের সব কারাগারের জন্য জরুরি নির্দেশনা, মানতে হবে ৭ দফা
দেশের কারাগারগুলোর অভ্যন্তরে সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার, প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং প্রতিটি স্তরে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সাত দফা কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে কারা অধিদপ্তর। ইতোমধ্যে এসব নির্দেশনার অন্তত ৯০ শতাংশ বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল মেসবাহুল আলম সেলিম বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  তিনি জানান, নির্দেশনাগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের জন্য অধিদপ্তরের অপারেশনাল শাখাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সারাদেশের কারাগারগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ডেপুটি জেলারসহ অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই এই পদক্ষেপগুলোর ইতিবাচক সুফল দৃশ্যমান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে কারাগারগুলোতে দায়িত্ব পালনে অবহেলা, শৃঙ্খলাহীনতা এবং বিদ্যমান নিয়মকানুন সঠিকভাবে অনুসরণ না করার কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কারা অধিদপ্তরের ৭ দফা নির্দেশনার মূল দিকসমূহ লক-আপ পরবর্তী কার্যক্রমে কঠোর নিয়ন্ত্রণ: উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত জরুরি ক্ষেত্র ব্যতীত লক-আপের পরবর্তী কার্যক্রম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ ও নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। যেকোনো ব্যতিক্রমী ব্যবস্থার ক্ষেত্রে জেলারের লিখিত অনুমোদন, নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারে তা বাধ্যতামূলকভাবে নথিভুক্ত করতে হবে। ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি নজরদারি: প্রতিটি কারাগারে ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি নজরদারি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সম্ভব হলে পৃথক পর্যবেক্ষণ কক্ষ স্থাপন এবং নিরবচ্ছিন্ন মনিটরিংয়ের জন্য প্রশিক্ষিত ও আইটি-দক্ষ কারারক্ষী নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অননুমোদিত অনুপস্থিতিতে শূন্য-সহনশীলতা: নিরাপত্তার ত্রুটি রোধে প্রহরীদের দায়িত্বের স্থান থেকে অননুমোদিত অনুপস্থিতির ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া নির্ধারিত স্থান ত্যাগ করলে তাৎক্ষণিকভাবে লিখিত রিপোর্ট এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা: অবহেলা বা অনুপস্থিতির ঘটনা গোপন করা, রিপোর্ট করতে বিলম্ব করা কিংবা দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তাদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। পুনঃপ্রশিক্ষণ ও শাস্তিমূলক বদলি: দায়িত্ব পালনে বারবার অবহেলাকারী প্রহরীদের জন্য পুনঃপ্রশিক্ষণ, কাউন্সেলিং ও অনুপ্রেরণামূলক ব্যবস্থার বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনিক স্বার্থে বা দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের আন্তঃকারাগারে বদলি কিংবা বিভাগীয় ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে। প্রতিকূল আবহাওয়ায় বিশেষ নিরাপত্তা: বৃষ্টি ও বজ্রপাতসহ যেকোনো প্রতিকূল আবহাওয়ায় প্রহরীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে নিজ নিজ নির্ধারিত স্থানে দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। নিয়মিত ও আকস্মিক পরিদর্শন: কারাগারের সুপারিনটেনডেন্ট, জেলার ও অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত তত্ত্বাবধান এবং আকস্মিক পরিদর্শন পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা নিরাপত্তা চৌকি, সিসিটিভি মনিটরিং ও প্রহরীদের দায়িত্ব সরাসরি পরীক্ষা করবেন। আগস্টে জারি করা এই নির্দেশনায় কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছিল যে, কারাগারের অভ্যন্তরে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা পুরো কারা প্রশাসনের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পারে। এই ধরনের নিরাপত্তা ত্রুটি প্রতিরোধ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে অবিলম্বে এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে কারা অধিদপ্তর। আরটিভি/এসআর  
দেশের সব কারাগারের জন্য জরুরি নির্দেশনা, মানতে হবে ৭ দফা
গণহত্যায় জড়িতদের বাংলাদেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
গণহত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের বাংলাদেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 
গণহত্যায় জড়িতদের বাংলাদেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আরও পড়ুন
জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশে সব খুন-অন্যায়ের বিচার করা হবে: আইনমন্ত্রী
দেশে ৪৬ লাখের বেশি মামলা, বিচারক মাত্র ২৩০০: আইনমন্ত্রী
বিচার ব্যবস্থাকে মানুষের আস্থার জায়গায় আরও সুদৃঢ় করতে চাই: আইনমন্ত্রী
দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে আগে রাজনৈতিক নেতাদের দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে: আইনমন্ত্রী