ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বর্জ্য পোড়ানোর ছবি পাঠালে পাবেন পুরস্কার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:২১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সরকার দেশের বায়ুদূষণ কমাতে যত্রতত্র বর্জ্য পোড়ানোর ঘটনা বন্ধ করতে উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে বর্জ্য পোড়ানোর ছবি ও তথ্য সংগ্রহে সাধারণ জনগণের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় মাসে সেরা ১০টি বর্জ্য পোড়ানোর ছবি পুরস্কৃত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা দীপংকর বর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যানবাহনের ধোঁয়া, ইটভাটার নির্গমন, কলকারখানার ধোঁয়া এবং বর্জ্য পোড়ানোর কারণে দেশের বায়ুর মান ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। এর ফলে শ্বাসতন্ত্রসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বায়ুদূষণের উৎস চিহ্নিত ও নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। বর্জ্য পোড়ানো বায়ুদূষণের অন্যতম প্রধান উৎস হওয়ায়, এর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য যেসব স্থানে বর্জ্য পোড়ানো হয়, সেসব এলাকার সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করতে বর্জ্য পোড়ানোর ছবি [email protected] ই-মেইল ঠিকানায় পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। ছবি পাঠানোর সময় প্রেরকের নাম, মোবাইল নম্বর, ছবির অবস্থান ও সময় অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

প্রতি মাসে প্রাপ্ত ছবির মধ্যে থেকে যাচাই-বাছাই করে সেরা ১০টি ছবি নির্বাচন করে পুরস্কৃত করা হবে। সরকারের এই পদক্ষেপ বায়ুদূষণ রোধে জনসাধারণকে সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিচ্ছে এবং পরিবেশ রক্ষায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন / বায়দূষণে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় বছরে অকালমৃত্যু প্রায় ১০ লাখ মানুষের
দক্ষিণ এশিয়ার ইন্দো-গাঙ্গেয় সমভূমি ও হিমালয়ের পাদদেশ অঞ্চল (আইজিপি-এইচএফ) জুড়ে বায়ুদূষণ এখন জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির জন্য এক ভয়াবহ কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বব্যাংকের এক নতুন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এ অঞ্চলের বাংলাদেশ, ভারতসহ পাঁচটি দেশের প্রায় ১০০ কোটি মানুষ প্রতিদিন অস্বাস্থ্যকর বাতাসে শ্বাস নিচ্ছে। এর ফলে প্রতিবছর প্রায় ১০ লাখ মানুষ অকালমৃত্যুর শিকার হচ্ছে এবং অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এ অঞ্চলের মোট জিডিপির প্রায় ১০ শতাংশে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিশ্বব্যাংক তাদের ‘আ ব্রেথ অব চেঞ্জ: সলিউশনস ফর ক্লিনার এয়ার ইন দ্য ইন্দো-গাঙ্গেয় প্লেইনস অ্যান্ড হিমালয়ান ফুটহিলস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে এ অঞ্চলের বায়ুদূষণের জন্য পাঁচটি মূল কারণকে দায়ী করা হয়েছে। এ গুলো হলো- রান্না ও ঘর গরম রাখতে কাঠ বা কয়লার মতো কঠিন জ্বালানি পোড়ানো, শিল্পকারখানায় ফিল্টার ছাড়াই জীবাশ্ম জ্বালানি ও বায়োমাসের অদক্ষ ব্যবহার, পুরনো ও ত্রুটিপূর্ণ ইঞ্জিনের যানবাহনের কালো ধোঁয়া, কৃষি জমিতে ফসলের অবশিষ্টাংশ পোড়ানো এবং সার ও পশুবর্জ্যের অব্যবস্থাপনা এবং  যত্রতত্র ও অবৈজ্ঞানিকভাবে বর্জ্য পোড়ানো। আরও পড়ুন তাপমাত্রা নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস তবে বিশ্বব্যাংক বলছে, এই সমস্যার সমাধান অসম্ভব নয়। বায়ু নির্মল করতে প্রতিবেদনটিতে মূলত ‘চারটি আই’-এর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- তথ্য (ইনফরমেশন)- নির্ভরযোগ্য উপাত্তের মাধ্যমে সঠিক পরিকল্পনা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা। প্রণোদনা (ইনসেনটিভস)- মানুষকে পরিবেশবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন বিকল্প বেছে নিতে উৎসাহিত করা। প্রতিষ্ঠান (ইনস্টিটিউশনস)- জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে আইন মানা এবং সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া। অবকাঠামো (ইনফ্রাস্ট্রাকচার)- নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বৈদ্যুতিক পরিবহন ও উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ পরিবেশ অর্থনীতিবিদ মার্টিন হেগার বলেন, পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তির আর্থিক যুক্তি এখন অনেক শক্তিশালী। সরকারগুলোর উচিত পরিবার ও কৃষকদের এই প্রযুক্তি গ্রহণে সহায়তা করা। প্রতিবেদনটিতে আরও জানানো হয়েছে, বিদ্যুৎচালিত রান্না, আধুনিক বয়লার ব্যবহার এবং বৈদ্যুতিক পরিবহনের প্রসার ঘটানো গেলে দূষণ উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব। দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিবেশ বিষয়ক প্র্যাকটিস ম্যানেজার অ্যান জিনেট গ্লাউবার সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, লাখো মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সমন্বয় ও ধারাবাহিক সহযোগিতা এখন সময়ের দাবি। আরটিভি/এআর 
বায়দূষণে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় বছরে অকালমৃত্যু প্রায় ১০ লাখ মানুষের
ইতিহাসের দ্বিতীয় উষ্ণতম বছর হতে চলেছে ২০২৫
জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ গতি এখন আর কোনো ভবিষ্যতের শঙ্কা নয়, বরং চোখের সামনে ঘটে যাওয়া এক বাস্তব ট্র্যাজেডি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জলবায়ু পরিবর্তন পরিষেবা (সি৩এস) সতর্ক করে জানিয়েছে, ২০২৫ সাল যৌথভাবে ২০২৩ সালের মতো ইতিহাসের দ্বিতীয় উষ্ণতম বছর হিসেবে স্থান করে নিতে চলেছে। যা রেকর্ড ভঙ্গকারী ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর ২০২৪ সালের ঠিক পরেই থাকবে। এই তথ্য প্রকাশিত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।  সংস্থাটি জানিয়েছে, যদি এই পূর্বাভাস নিশ্চিত হয়, তবে জলবায়ু ইতিহাসের এক চরম মাইলফলক স্পর্শ করবে বিশ্ব। শিল্প বিপ্লব পূর্ববর্তী সময়ের পর এই প্রথমবার বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা টানা তিন বছর (২০২৩, ২০২৪, এবং ২০২৫) ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমা অতিক্রম করবে।  আরও পড়ুন ধেয়ে আসছে শৈত্যপ্রবাহ, তাপমাত্রা নেমে গেছে ১১ ডিগ্রিতে সি৩এস–এর জলবায়ু কৌশলগত প্রধান সামান্থা বার্গেস এই ধারাবাহিক রেকর্ডকে জলবায়ু পরিবর্তনের গতি বৃদ্ধির প্রতিফলন বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রশমিত করার একমাত্র উপায় হলো দ্রুত গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস করা। ২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বনেতারা এই উষ্ণতা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার অঙ্গীকার করেছিলেন। কিন্তু একের পর এক উষ্ণতম বছরের রেকর্ড সেই অঙ্গীকারের ব্যর্থতাকেই প্রকট করে তুলছে।  বিজ্ঞানীরা বলছেন, জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো থেকে সৃষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণই এই অস্বাভাবিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ। মানবজাতি এখন এক ত্বরান্বিত জলবায়ু সংকটের মুখোমুখি, যেখানে কার্বন নিঃসরণ কমানোর কোনো বিকল্প নেই। এদিকে চলতি বছর নভেম্বর মাস ছিল ইতিহাসের তৃতীয় উষ্ণতম নভেম্বর, যার গড় বৈশ্বিক তাপমাত্রা ছিল ১৪.০২°সে. যা শিল্প বিপ্লব পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে ১.৫৪° সে. বেশি।  যদিও চলতি বছর ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত কপ৩০ জলবায়ু সম্মেলনে সরকারগুলো কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য কোনো উল্লেখযোগ্য নতুন পদক্ষেপে সম্মত হতে ব্যর্থ হয়। আরটিভি/এআর 
ইতিহাসের দ্বিতীয় উষ্ণতম বছর হতে চলেছে ২০২৫
শোষণের বদলে কার্বন ছড়াচ্ছে আফ্রিকার বনগুলো
একসময় বিশ্ব জলবায়ু রক্ষার ক্ষেত্রে যে বনভূমিকে প্রকৃতির আশীর্বাদ এবং একটি জীবনদায়ী ‘কার্বন সিঙ্ক’ হিসেবে গণ্য করা হতো, সেই আফ্রিকার বনগুলোই এখন শোষণের বদলে কার্বন ছড়াচ্ছে। বন উজাড় এবং বনের অবক্ষয়ের কারণে এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনটি ঘটেছে, যা বিশ্বজুড়ে জলবায়ু বিজ্ঞানীদের কপালে ভাঁজ ফেলেছে। সায়েন্টিফিক রিপোর্টস জার্নালে প্রকাশিত নতুন এক গবেষণা অনুযায়ী, আফ্রিকা মহাদেশের এই বিপরীতমুখী যাত্রা আন্তর্জাতিক জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রার জন্য এক মারাত্মক হুমকি। খবর আনাদোলু এজেন্সির। গবেষকদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০০৭ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে আফ্রিকার বনভূমিতে বছরে ৪৩৯ মিলিয়ন টন জীবভর বৃদ্ধি পেয়েছিল। কিন্তু এরপরই শুরু হয় বিপর্যয়। ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে এই মহাদেশ বছরে গড়ে ১৩২ মিলিয়ন টন জীবভর হারিয়েছে এবং ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে প্রতি বছর ৪১ মিলিয়ন টন জীবভর হ্রাস পেয়েছে। এই পরিসংখ্যান স্পষ্ট প্রমাণ করে যে, বনভূমি এখন আর কার্বন ধরে রাখতে পারছে না, বরং নিজেই কার্বন নিঃসরণের প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে। আরও পড়ুন আফ্রিকার তিন দেশে এইচআইভি প্রতিরোধে টিকাদান শুরু এই ক্ষতির প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আর্দ্র প্রশস্তপত্রী বনগুলিতে। কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, মাদাগাস্কার এবং পশ্চিম আফ্রিকার কিছু অঞ্চলে বন উজাড়ের মাত্রা এতই তীব্র ছিল যে, তা মহাদেশের সামগ্রিক ভারসাম্য নষ্ট করে দিয়েছে। যদিও সাভানা অঞ্চলের ঝোপঝাড় কিছুটা কার্বন শোষণে সাহায্য করেছে, তা মোট বন উজাড়ের ক্ষতি পূরণের জন্য যথেষ্ট ছিল না। ঐতিহাসিকভাবে আফ্রিকার বনভূমি বৈশ্বিক কার্বন নির্গমনের প্রায় ২০ শতাংশ শোষণ করে পৃথিবীকে শীতল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। গবেষকরা তাই এই পরিস্থিতিকে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে মন্তব্য করেছেন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা চলমান ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশনস (এনডিসি) সহ গ্লাসগো লিডারস ডিক্লারেশন অনুযায়ী বন ধ্বংস বন্ধে আরও শক্তিশালী বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। আরটিভি/এআর 
শোষণের বদলে কার্বন ছড়াচ্ছে আফ্রিকার বনগুলো
পৃথিবীকে বাসযোগ্য করতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের
পৃথিবীকে বাসযোগ্য করতে সুষ্ঠু ও টেকসই পরিকল্পনার বিকল্প নেই। এমনটা জানিয়ে পরিবেশ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এজন্য সবার আগে প্রয়োজন সবার সমন্বিত উদ্যোগ।  সোমবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীর একটি মিলনায়তনে ছওয়াবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্ট্যাটাস ও ক্লাইমেট চেইঞ্জ ইন বাংলাদেশ: এ হলিস্টিক ফ্রেমওয়ার্ক ফর এডাপটেশন প্ল্যানিং’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ কথা বলেন।  তারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ভুমিকম্প নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে। যেকোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় টেকসই প্রস্তুতি প্রয়োজন। প্রাকৃতিক এসব দুর্যোগ থেকে বাঁচতে যেমন সচেতন থাকতে হবে। তেমনি টেকসই অবকাঠামো নির্মানে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।  আরও পড়ুন সিইসির সঙ্গে বিএনপির বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা বৈঠকে পরিবেশ রক্ষায় সরাকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমন্বিতভাবে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের দায় কম হলেও এর ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়। এজন্য সবাইকে সচেতন হয়ে কাজ করতে হবে। গোলটেবিল বৈঠকে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক সোলায়মান হায়দার, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপা’র সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুর রব, ছওয়াবের চেয়ারম্যান এস এম রাশেদুজ্জামান, ডিরেক্টর মোহাম্মদ আফতাবুজ্জামান, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলীসহ অনকেই উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/আরএ
পৃথিবীকে বাসযোগ্য করতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের
টাঙ্গুয়ার হাওরের জলাভূমি ও জীববৈচিত্র্য উন্নয়নে ৪৪ কোটি টাকা বরাদ্দ 
বাংলাদেশের অন্যতম দ্বিতীয় বৃহৎ জলাভূমি সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরের জলাভূমি ও জীববৈচিত্র্য উন্নয়নে ৪৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এই হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন বাস্তবায়ন করবে পরিবেশ অধিদপ্তর। আর ২০২৯ সাল পর্যন্ত মেয়াদের এ প্রকল্পটির অর্থায়ন করেছে ইউএনডিপি।  প্রকল্পের আওতায় গড়ে তোলা হবে ৮০০ হেক্টর পাখির আবাসস্থল, ৪০০ হেক্টর জলাভূমি ও ৩০০ হেক্টর নলখাগড়া সৃজন এবং ২০ হেক্টর বিল পুনরুদ্ধার। এছাড়াও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে হাওর রক্ষায় স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করা হবে। জলাভূমি উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে নিয়োগ করা হবে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। কমিউনিটি বেজড ম্যানেজমেন্ট অফ টাঙ্গুয়ার হাওর ওয়েটল্যান্ড ইকোসিস্টেম প্রকল্পের আওতায় হাওরপাড়ের জনগোষ্ঠীর মাঝে হাওরের জলাভূমি রক্ষায় এ প্রকল্প কর্মশালার মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে বলে জানান, প্রকল্প পরিচালক শাহেদা বেগম। জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া জানান, টাঙ্গুয়ার হাওরকে রক্ষায় শুধু সরকারের দায়িত্ব রয়েছে, এমনটা চিন্তা করলে কোনোদিনই হাওর রক্ষা সম্ভব না। যত দিন যাচ্ছে ততই হাওরের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে, সম্পদ নিঃশেষ হচ্ছে। হাওরকে ঘিরে যাদের জীবন-জীবিকা নির্ভর করছে, তারা সচেতন ও সক্রিয় না থাকলে হাওরের আরও ক্ষতি হবে। তবে হাওর পাড়ের জেলে ও কৃষকদের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ থাকতে হবে। এদিকে, টাঙ্গুয়ার হাওর সুরক্ষা আদেশে জেলার দুই উপজেলার ৪টি ইউনিয়নকে আওতাভুক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো- মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ও বংশীকুন্ডা দক্ষিণ এবং তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর (দক্ষিণ) ও শ্রীপুর (উত্তর)। যা টাঙ্গুগুয়ার হাওর, মোয়াজ্জেমপুর, কিসমত মেন্দাতা, জগদীশপুর, লামাগাঁও ও রাঙ্গাছড়া পূর্ব মৌজার অন্তর্গত। আরও পড়ুন জাতীয় নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: নৌবাহিনী প্রধান পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার মহাপরিচালক মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।  প্রজ্ঞাপনে কমিটির দায়িত্ব, কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ, টাঙ্গুয়ার ও হাকালুকি হাওর জন্য প্রতিপালনীয় নির্দেশনা এবং স্বল্প (২ বছর), মধ্য (৫ বছর) ও দীর্ঘমেয়াদী (১০ বছর) পরিকল্পনা সুনির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে।  এছাড়াও প্রজ্ঞাপনে জেলা প্রশাসককে সভাপতি করে হাওর সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে।  কমিটির অন্যান্যরা হলেন- সদস্য সচিব বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (মহাপরিচালক কর্তৃক মনোনীত), সদস্য জেলা পুলিশ সুপার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক, জেলা প্রশাসক কর্তৃক মনোনীত স্থানীয় পরিবেশবাদী/হাওর সংশ্লিষ্ট বেসরকারি সংগঠন/ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি (১ জন)।  আরটিভি/আইএম
টাঙ্গুয়ার হাওরের জলাভূমি ও জীববৈচিত্র্য উন্নয়নে ৪৪ কোটি টাকা বরাদ্দ 
আরও পড়ুন
বায়ুদূষণে বিশ্বের শীর্ষে ঢাকা
বায়ুদূষণে আজ বিশ্বের দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকা
বায়ুদূষণের তালিকায় আজ চতুর্থ ঢাকা, বাতাস খুবই অস্বাস্থ্যকর
বায়ুদূষণের শীর্ষে দিল্লি, ঢাকা কত?