ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ভেতরে বর্জ্য কেন্দ্র, বিপন্ন বন ও বন্যপ্রাণী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৪ পিএম
গাজীপুর ভাওয়ালে জাতীয় উদ্যানের ভেতরে বর্জ্য কেন্দ্র । ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুর সিটি করপোরেশন ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ভেতরে একটি বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নির্মাণ করছে। সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতরে এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণকে ঘিরে পরিবেশবিদ, বন বিভাগ ও আইনবিদদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বন বিভাগের দাবি, এই কেন্দ্র চালু হলে বন, বন্যপ্রাণী ও পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে অবস্থিত ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান দেশের অন্যতম সংরক্ষিত শালবন। প্রায় ৫ হাজার ২২ হেক্টরজুড়ে বিস্তৃত এই বন হরিণ, বুনো শূকর, বেজি, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও সরীসৃপের আবাসস্থল। একই সঙ্গে এটি ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্য রক্ষা এবং কার্বন শোষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বন বিভাগের নথি অনুযায়ী, গত বছরের মার্চে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের একটি বর্জ্যবাহী গাড়িকে বনের ভেতরে বর্জ্য ফেলতে গিয়ে আটক করা হয়েছিল। তখন আর এমন কাজ না করার লিখিত অঙ্গীকার দেওয়া হলেও পরে আবারও একই ধরনের কার্যক্রম শুরু হয়।

চলতি বছরের ১১ এপ্রিল গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নিয়োগ দেওয়া শ্রমিকরা বনের সীমানাপ্রাচীরের কাছে নির্মাণকাজ শুরু করেন। বন কর্মকর্তারা অনুমোদনের কাগজপত্র চাইলে তারা তা দেখাতে পারেননি। এরপরও কাজ চলতে থাকে।

আরও পড়ুন

নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরদিন রাতে যন্ত্র দিয়ে বনের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়। পরে বন বিভাগ নির্মাণকাজ বন্ধের চেষ্টা করলে ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক ও রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে যৌথ পরিদর্শনে সংরক্ষিত বনের একটি অংশে আগুন লাগানোর ঘটনাও ধরা পড়ে।

বন বিভাগের দাবি, এই প্রকল্পের জন্য বন বিভাগ কিংবা পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, প্রধান বন সংরক্ষক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লিখিতভাবে জানানো হলেও নির্মাণকাজ বন্ধ হয়নি।

বর্তমানে প্রায় ৭ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে নির্মাণাধীন এই কেন্দ্রের উচ্চতা প্রায় ২৫ ফুট। এটি চালু হলে একসঙ্গে প্রায় ২ হাজার টন বর্জ্য রাখা যাবে বলে জানা গেছে।

এদিকে পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বিষয়টি উচ্চ আদালতে নিয়ে যায়। আদালত গত ৪ মে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ভেতরে সব ধরনের নির্মাণকাজ এবং আগামী ছয় মাস সেখানে বর্জ্য ফেলা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

সংগঠনটির প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, জমিটি ব্যক্তিমালিকানাধীন হলেও জাতীয় উদ্যানের ভেতরে হওয়ায় এর ব্যবহার আইনের মাধ্যমে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। তাই সেখানে বর্জ্য কেন্দ্র নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই।

অন্যদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা খানম বলেন, শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য পর্যাপ্ত জমি পাওয়া যাচ্ছে না। তাই নতুন বর্জ্য কেন্দ্র নির্মাণে তারা সমস্যায় পড়ছেন।

এ বিষয়ে ভাওয়ালের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম কে এম ইকবাল হোসেন চৌধুরী সতর্ক করে বলেন, জাতীয় উদ্যানের ভেতরে শিল্পপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, গৃহস্থালি ও পোল্ট্রির বর্জ্য নিয়মিত ফেলা হলে পরিবেশ ও বাতাস মারাত্মকভাবে দূষিত হবে। বন্যপ্রাণী এসব বর্জ্য খেয়ে অসুস্থ হবে, এমনকি মারা যেতে পারে। এটি বনের জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি।

তিনি আরও বলেন, গভীর নলকূপ স্থাপনের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যেতে পারে, যা শালবনের জন্যও ঝুঁকি তৈরি করবে। বন বিভাগের আশঙ্কা, বর্জ্য কেন্দ্র চালু হলে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের বাস্তুসংস্থানে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ বিশ্ব গন্ডার দিবস
আজ ২২ সেপ্টেম্বর বিশ্ব গণ্ডার দিবস।
আজ বিশ্ব গন্ডার দিবস
আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস
বাঁশের বহুমুখী ব্যবহার, পরিবেশগত গুরুত্ব ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) পালিত হচ্ছে বিশ্ব বাঁশ দিবস।
আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস
আজ নীল আকাশের জন্য পরিচ্ছন্ন বায়ুর আন্তর্জাতিক দিবস 
বায়ুদূষণ রোধ এবং নির্মল বাতাসের গুরুত্ব সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা বাড়াতে আজ ৭ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নীল আকাশ দিবস।
আজ নীল আকাশের জন্য পরিচ্ছন্ন বায়ুর আন্তর্জাতিক দিবস 
তিন মাস পর আজ খুলছে সুন্দরবন
তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ (১ সেপ্টেম্বর) থেকে আবারও উন্মুক্ত হচ্ছে সুন্দরবন। ফলে আজ থেকেই জেলে ও পর্যটকরা সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন। একই সঙ্গে সুন্দরবনের পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে বন বিভাগ। মাছ ও বন্যপ্রাণীর বংশবৃদ্ধি, বিচরণ ও প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে প্রতিবছর ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে প্রবেশ, মাছ ধরা, কাঁকড়া আহরণ, মধু সংগ্রহ ও পর্যটন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। এ সময় মানুষের আনাগোনা কম থাকায় বনজসম্পদের ওপর চাপও কমে আসে। পাশাপাশি সুন্দরবনকেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধও কমে। টানা তিন মাস পর্যটক, জেলে ও বাওয়ালিদের আনাগোনা ছিল না সুন্দরবনে। নৌযানের বাড়তি শব্দও ছিল না। ফলে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ এই বন নিজের স্বাভাবিক ছন্দে বেড়ে ওঠার সুযোগ পেয়েছে। এ সময়ে বনের চরে নির্ভয়ে ঘাস খেয়েছে হরিণের পাল, খালপাড়ে রোদ পোহাতে দেখা গেছে কুমিরকে। গাছের ডালে ডালে পাখির কলকাকলি এবং বনের গহিনে বাঘের বিচরণে প্রাণ ফিরে পেয়েছে সুন্দরবন। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত তিন মাসে সুন্দরবনে ৬৩টি অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে বন অপরাধের ঘটনায় ৩৯টি মামলা হয়েছে এবং ৩৭ জনকে আটক করা হয়েছে। আরও পড়ুন বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত ৩১ প্রজাতির বন্যপ্রাণী, হালনাগাদ হচ্ছে রেড লিস্ট অভিযানে ১২টি ট্রলার, ৫০টি নৌকা, ৫৫টি মাছ ধরার জাল, ২৮ বোতল ও দুই লিটার তরল বিষ এবং হরিণ শিকারের ৬ হাজার ২৯০টি ফাঁদ জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৮৬ কেজি বিষযুক্ত মাছ, ৭৩৬ কেজি কাঁকড়া, ১ হাজার ৫৬২টি চারু, ২ হাজার বড়শি, ১৭০ কেজি মধু এবং দুই বস্তায় থাকা পাঁচ কেজি শুঁটকি মাছ উদ্ধার করা হয়। বন বিভাগ জানিয়েছে, গত বছরের নিষেধাজ্ঞার সময়ের তুলনায় চলতি বছর একই সময়ে বন অপরাধের পরিমাণ কমেছে। বাগেরহাট সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময়ে সুন্দরবনের নদী-খালে মাছের পরিমাণ বেড়েছে। বাঘ, হরিণসহ বন্যপ্রাণীর অবাধ বিচরণ ও প্রজননের সুযোগ তৈরি হয়েছে। কৃত্রিম শব্দদূষণ, অতিরিক্ত পর্যটন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ কমে যাওয়ায় বনের গহিন এলাকায় উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক পরিবেশও ফিরে এসেছে। তিনি বলেন, সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় বন বিভাগ আগের চেয়ে আরও বেশি সক্রিয় ও প্রযুক্তিনির্ভর হয়েছে। দুর্গম বনাঞ্চলে নিয়মিত বিশেষ অভিযান ও স্মার্ট টহল জোরদারের পাশাপাশি আকাশপথে ড্রোনের মাধ্যমেও নজরদারি করা হচ্ছে। এতে হরিণ শিকারি ও বিষ প্রয়োগকারী অসাধু চক্রের তৎপরতা অনেকটাই কমেছে। উল্লেখ্য, সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার সুপারিশ অনুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে প্রবেশ বন্ধ রাখা হতো। পরে ২০২২ সালে মৎস্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে নিষেধাজ্ঞার সময় বাড়িয়ে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট করা হয়। এ সময়ে কর্মহীন জেলেদের মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তাও দেওয়া হয়। আজ (১ সেপ্টেম্বর) থেকে সুন্দরবন উন্মুক্ত হলেও বন ও বন্যপ্রাণীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দর্শনার্থী, জেলে ও বনজসম্পদ আহরণকারীদের সতর্কতা ও নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আরটিভি/জেএমএ 
তিন মাস পর আজ খুলছে সুন্দরবন
বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত ৩১ প্রজাতির বন্যপ্রাণী, হালনাগাদ হচ্ছে রেড লিস্ট
বিগত কয়েক শ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত ৩১ প্রজাতির বন্যপ্রাণী চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। অবৈধ শিকার, বন উজাড়, দ্রুত নগরায়ণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাবই এই বিলুপ্তির প্রধান কারণ।  রোববার (৩০ আগস্ট) সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে  এ তথ্য জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। সংসদে উত্থাপিত প্রশ্নে মন্ত্রী জানান, বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া ৩১টি প্রজাতির মধ্যে রয়েছে ১১টি স্তন্যপায়ী প্রাণী, ১৯টি পাখি এবং ১টি সরীসৃপ। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) ২০১৫ সালের সমীক্ষার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, বিগত কয়েক শতকে এসব বন্যপ্রাণী দেশের পরিবেশ ও প্রকৃতি থেকে সম্পূর্ণ হারিয়ে গেছে। আইইউসিএন ২০১৫ সালের ওই রেড লিস্টে দেশে মোট ১ হাজার ৬১৯টি বন্যপ্রাণী প্রজাতি চিহ্নিত করেছিল। যার মধ্যে রয়েছে ৪৯টি উভচর, ১৬৭টি সরীসৃপ, ৫৬৬টি পাখি, ১৩৮টি স্তন্যপায়ী, ২৫৩টি স্বাদু পানির মাছ, ১৪১টি ক্রাস্টেশিয়ান (কাঁকড়া-চিংড়ি জাতীয়) এবং ৩০৫টি প্রজাপতির প্রজাতি। দীর্ঘ এক দশক পর ২০২৬ সালে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বন্যপ্রাণীদের রেড লিস্ট হালনাগাদ করার কাজ শুরু করেছে, যা বিপন্ন প্রজাতির বর্তমান চিত্র স্পষ্ট করবে।  আরও পড়ুন দেশের পর্যটন খাত ঘিরে সরকারের মহাপরিকল্পনা, আসছে নতুন নীতিমালা বন ও পরিবেশ মন্ত্রী জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও পরিচালনায় গতি আনতে এ বছর একটি পৃথক ‘ওয়াইল্ডলাইফ কমিশন’ গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া বন্যপ্রাণী সম্পর্কিত অপরাধ দমন, অবৈধ পাচার রোধ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বন অধিদপ্তরের অধীনে ‘ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিট’ কাজ করে যাচ্ছে। প্রকৃতি রক্ষায় চলমান সরকারি পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, বাঘ, এশীয় হাতি ও গাঙ্গেয় ডলফিনসহ বিপন্ন প্রজাতির সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ২০১৫ সালের ১০৬টি থেকে বেড়ে ২০১৮ সালে ১১৪টি এবং ২০২৪ সালে ১২৫টিতে উন্নীত হয়েছে। এই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের জুন মেয়াদে একটি বিশেষ হাতি সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। অতিবিপন্ন শকুন রক্ষায় সুন্দরবন ও সিলেট অঞ্চলে ৪৭ হাজার ৩৮০ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে নিরাপদ অঞ্চল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণে শেরপুর, কক্সবাজার, রাঙামাটি ও রাজশাহীতে চারটি নতুন বিভাগীয় কার্যালয় অনুমোদনের কথাও জানান পরিবেশ মন্ত্রী। আরটিভি/এআর   
বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত ৩১ প্রজাতির বন্যপ্রাণী, হালনাগাদ হচ্ছে রেড লিস্ট
আরও পড়ুন
রেললাইনে হাঁটার সময় হঠাৎ চলে আসে ট্রেন, অতঃপর...
যুবককে পিটিয়ে হত্যার মামলা নিতে নারাজ দুই থানার পুলিশ
৮ দিন পর উৎপাদনে ফিরল রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট
আগুনে পুড়ে ছাই ৪২ ঘর