ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

ডিজিটাল বাংলাদেশের গল্পগুলো রাহিতুলের বইয়ের পাতায়

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০২১, ১২:০৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রটাই তার জগত। লেখালেখারি মাধ্যমে তিনি পাঠকদের জানিয়ে থাকেন এই জগতের নানান জানা-অজানা কথা, কখনো সংবাদপত্রে লিখে, কখনো বই লিখে। বলা হচ্ছে, এই সময়ের তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক লেখক রাহিতুল ইসলামের কথা, যার চিন্তার সবটা জুড়েই আছে তথ্য ও প্রযুক্তি খাত। ইতোমধ্যেই রাহিতুলের ১০টি বই প্রকাশিত হয়েছে। তার বেশির ভাগ বই-ই লেখা তথ্যপ্রযুক্তির জগত ঘিরে।

সম্প্রতি কথা হয় রাহিতুলের সঙ্গে। তিনি এই তথ্যপ্রযুক্তির জগতে পথচলা নিয়ে বলেন, ‘আইটি সাংবাদিকতা করতে এসে দেখলাম, এই শিল্প খাত নিয়ে মানুষের মধ্যে খুব একটা সচেতনতা তৈরি হয়নি। তাইতো আমি এই বিষয় নিয়ে লিখতে শুরু করি। সাংবাদিকতার বাইরে এসে আমি এখন মৌলিক লেখার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। কয়েকটি বই লিখেছি, আরও কিছু লিখছি। এবারের বইগুলোর নাম- ‘তথ্যপ্রযুক্তির নায়কেরা’ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ‘কল সেন্টারের অপারাজিতা।’

নতুন বইগুলো সম্পর্কে রাহিতুল জানান, ‘দেশের তথ্যপ্রযুক্তিতে অবদান রেখেছেন এমন ১০ জন নিয়ে লেখা হচ্ছে ‘তথ্যপ্রযুক্তির নায়কেরা’। এই দশজন ব্যক্তি হচ্ছেন তারাই, যাদের হাত ধরে আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ। যারা আজকের এই ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতির হাল ধরেছিলেন, যাদের অবদানে এগিয়ে যাচ্ছে ভবিষ্যতের ডিজিটাল বংলাদেশ; তাদের গল্প দিন দিন যেন হারিয়ে যাচ্ছে।

রাহিতুল আরও বলেন, ‘এই বইটি পড়ে তরুণ প্রজন্ম জানতে পারবে কীভাবে এই খাত এতদূর এগিয়েছে, কীভাবে আমরা পেয়েছি আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ। ১০ জনের গল্প নিয়ে তৈরি এই বইটি হবে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের একটি ঐতিহাসিক দলিল।’

রাহিতুল ইসলামের আগের বইগুলো হচ্ছে ‘বিষণ্ন কাঁটাতার’, আউটসোর্সিং ও ভালোবাসার গল্প, কেমন আছে ফ্রিল্যান্সার নাদিয়া?, চরের মাস্টার কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার, ভালোবাসার হাট বাজার, ফ্রিল্যান্সার সুমনের দিনরাত, কীভাবে গড়বেন ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার, হ্যালো ডাক্তার আপা ও Freelancing and A Tale of Love (আউটসোর্সিং ও ভালোবাসার গল্পের ইংলিশ অনুবাদ) ইত্যাদি।

এর মধ্যে ‘আউটসোর্সিং ও ভালোবাসার গল্প’ ও ‘চরের মাস্টার কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার’ উপন্যাসটি অবলম্বনে একই নামে তৈরি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং টেলিফিল্ম বিভিন্ন মহলে বেশ সাড়া ফেলেছে। এ ছাড়া ‘কেমন আছে ফ্রিল্যান্সার নাদিয়া?’ হ্যালো ডাক্তার আপা ও ভালোবাসার হাট বাজার অবলম্বনেও টেলিছবি নির্মাণের কাজ এরই মধ্যে শুরু হয়েছে।

লেখক রাহিতুল ইসলাম পেয়েছেন বিভিন্ন স্বীকৃতি ও সম্মাননা। তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সাংবাদিকতায় অবদান রাখার জন্য মুঠোফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আইটেল মোবাইল রাহিতুল ইসলামকে দিয়েছে বিশেষ সম্মাননা। সাংবাদিকতার পাশাপাশি লেখক হিসেবে নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি।

তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বইয়ের লেখক হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন রাহিতুল ইসলাম। ‘আউটসোর্সিং ও ভালোবাসার গল্প’র লেখক হিসেবে তাকে দেওয়া হয়েছে জাতীয় ফ্রিল্যান্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০১৯। রাহিতুল ইসলামের আগামী দিনের লক্ষ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি আমার লেখার মাধ্যমে বাংলাদেশের আইসিটি ইন্ডাস্ট্রি কথা দেশ ও দেশের বাইরের মানুষদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।’

যশোর সদরে রাহিতুল ইসলামের জন্ম, সেখানেই তার বেড়ে ওঠা। কাজ করছেন একটি জাতীয় দৈনিকে আর এখন তার সবটুকু সময়ই শুধু তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংবাদ সংগ্রহ ও এই ক্ষেত্রে নিত্যনতুন গল্পকে নিজের লেখনিতে তুলে ধরা।

কেইউ/টিআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যে কারণে মদ নিষিদ্ধ
মানব সমাজে মদের প্রচলন বহুকাল থেকেই। কিন্তু মহান আল্লাহ তায়ালা মদকে হারাম অর্থাৎ নিষিদ্ধ করেছেন। কারণ ইতিহাসে আছে বহু কীর্তিমান জাতির বিপর্যয় ডেকে এনেছে মদ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তারা আপনাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলুন, উভয়ের মধ্যে আছে মহাপাপ ও মানুষের জন্য উপকার। কিন্তু তাদের পাপ উপকার অপেক্ষা  বেশি।’ (সুরা : বাকারাহ, আয়াত : ২১৯) মুসলমানদের জন্য মদ ইসলামী শরিয়তে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোরআন ও হাদিসের একাধিক বর্ণনায় মদপান থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  মহান আল্লাহ তা’আলা বলেন, ‘হে বিশ্বাসীগণ! মদ, জুয়া, পূজার বেদি ও ভাগ্যনির্ণায়ক শর হচ্ছে শয়তানের অপবিত্র কাজ। সুতরাং তোমরা তা বর্জন করো, যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও।’ (সুরা : মায়িদাহ, আয়াত : ৯০) মদপানকারী ও মদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ওপর আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আল্লাহর অভিশাপ মদের ওপর, তা পানকারীর ওপর, যে পান করায় তার ওপর, যে বিক্রি করে তার ওপর, যে তা নিষ্কাশন করে এবং যার আদেশে নিষ্কাশন করে তার ওপর আর যে ব্যক্তি তা বহন করে এবং যার কাছে পৌঁছে দেয়, সবার ওপর।’ (সুনানে আবি দাউদ) এ ছাড়া মদপানে রয়েছে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি। তার মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত মদপানে ফুসফুসের স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য নষ্ট হয়। শ্বাস-প্রশ্বাসের ওপর এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। যেমন নাইট্রিক অক্সাইড শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করা ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়া থেকে শ্বাসতন্ত্রকে রক্ষা করে। কিন্তু মদ পান করলে শরীরে এই বর্ণহীন গ্যাস নাইট্রিক অক্সাইডের উৎপাদনের পরিমাণ কমে যায়।  ‘চেস্ট’ জার্নালে প্রকাশিত হয় গবেষণা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গবেষণার প্রধান যুক্তরাষ্ট্রের লোয়োলা ইউনিভার্সিটি শিকাগো স্ট্রিটচ স্কুল অফ মেডিসিন’য়ের সহকারী অধ্যাপক মাজিদ আফসার বলেন, মদ ফুসফুসের মধ্যকার স্বাস্থ্যকর ভারসাম্যকে নষ্ট করে। ২০০৭ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সংগ্রহ করা ১২ হাজার ৫৯ জন ব্যক্তির তথ্য পর্যালোচনা করেন গবেষকরা। এছাড়া মদ পানের পর ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত একজনের রক্তে এর উপস্থিতি থাকে। শ্বাস-প্রশ্বাস ও মুত্রে ১২-২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত এবং চুলে সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত এর উপস্থিতি থাকে। (তথ্যসূত্র: রয়টার্স) গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজ নামের বৈশ্বিক উদ্যোগের গবেষণা থেকে জানা গেছে, মদ মানেই ক্ষতি। মদের কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই। মদ পান করলে ক্ষতি হবেই। গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজ নামের বৈশ্বিক উদ্যোগের গবেষণায় এটি প্রমাণিত হয়েছে। আমেরিকার ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর হেলথ ম্যাট্রিকস এই বৈশ্বিক উদ্যোগের প্রধান কার্যালয় হিসেবে কাজ করেছে। গবেষণায় অর্থায়ন করেছে আমেরিকার বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। (তথ্যসূত্র: পার্সটুডে) এনএইচ/টিআই
যে কারণে মদ নিষিদ্ধ
নববর্ষে যে দোয়া পড়বেন
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। এরপরই বিদায় নেবে ২০২১ সাল। বিশ্ববাসী বরণ করে নেবে নতুন বছর ২০২২ সাল। করোনা মহামারি থেকে মুক্তি প্রার্থনা, সবার জীবনে সফলতা, সমৃদ্ধি এবং বিগত বছরের পাপ মোচনে দোয়া প্রার্থনা করে শুরু করতে পারেন নতুন বছর। কারণ, একমাত্র আল্লাহই পারেন আমাদের মনোবাসনা পূরণ করতে।  সারাবছরের কল্যাণ ও নিরাপত্তার জন্য আল্লাহর সাহায্য চেয়ে যে দোয়াটি বেশি বেশি পড়বেন, তা হলো- اللَّهُمَّ أَدْخِلْهُ عَلَيْنَا بِالأَمْنِ ، وَالإِيمَانِ ، وَالسَّلامَةِ ، وَالإِسْلامِ ، وَرِضْوَانٍ مِنَ الرَّحْمَنِ ، وَجَوَار مِنَ الشَّيْطَانِ উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা আদখিলহু আলাইনা বিল-আমনি, ওয়াল ইমানি, ওয়াস সালঅমাতি, ওয়াল ইসলামি, ওয়া রিদওয়ানিম মিনার রাহমানি, ওয়া ঝাওয়ারিম মিনাশ শায়ত্বানি।’ (আল-মুঝাম আল আওসাত) অর্থ : হে আল্লাহ! আমাদের ঈমান ও ইসলামকে নিরাপদ করুন। আমাদের সুরক্ষা দিন। শয়তানের কুমন্ত্রণার মোকাবিলায় আমাদের সাহায্য করুন। দয়াময় রহমানের কল্যাণ দান করুন। (মু’জামুস সাহাবাহ : ০৩/৫৪৩; আল-ইসাবাহ : ০৬/৪০৭-৪০৮)   এনএইচ /টিআই  
নববর্ষে যে দোয়া পড়বেন
২০২১ সালে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১০৫ জন, আক্রান্ত ২৮৪২৯
২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০৫ জন। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৮ হাজার ২৬৫ জন।   এ ছাড়া রাজধানীসহ সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত কারও মৃত্যু হয়নি। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিবৃতির তথ্যমতে, বর্তমানে রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি থাকা মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৫৯ জন। তাদের মধ্যে রাজধানীর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৩১ জন এবং অন্যান্য বিভাগের হাসপাতালে ২৮ জন। নতুন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া চারজনের মধ্যে ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ঢাকার বাইরের হাসপাতালের কেউ ভর্তি হননি। এনএইচ/টিআই
২০২১ সালে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১০৫ জন, আক্রান্ত ২৮৪২৯
২০২১ সালকে বিদায় জানাতে গুগলের ডুডল
আর কয়েক ঘণ্টা পরই নতুন বছরের শুরু। বিদায় নিচ্ছে ২০২১ সাল। সবারই ভালো-মন্দ মিলিয়ে কেটেছে বিদায়ী বছর। বৈশ্বিক মহামারি বিবেচনায় হয়েতো ভালোর তুলনায় মন্দর পাল্লাই ভারী ছিল বেশি। অতীতের বছরের শোক-দুঃখ, ব্যথা-বেদনা ভুলে সবাই-ই ব্যস্ত পুরনোকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে। তোড়জোড়ে প্রস্তুতিও চলছে। পুরোনো বছরকে বিদায় জানাতে ভোলেনি গুগলও। ২০২১-কে বিদায় জানাতে বিশেষ ডুডল প্রকাশ করেছে গুগল। বিভিন্ন দিবস ও স্মরণীয় ঘটনার দিনে বিশেষ ডুডল প্রকাশ করে গুগল। বছরের শেষ দিনও এর ব্যক্তিক্রম হয়নি।  মোবাইল, ল্যাপটপ কিংবা কমপিউটারের মতো ডিভাইসে  আজ গুগল খুললেই চোখে পড়বে উৎসবের মেজাজ। দেখা যাচ্ছে টুপি ও লাইটে সেজেছে গুগল। মাঝে রয়েছে ক্যান্ডি। জি অক্ষরের মাথায় আছে পার্টি ক্যাপ। ও অক্ষরে রয়েছে ক্যান্ডি। বেলুন, লাইট, রঙিন রিবন ঝুলছে গুগলের মাথায়। গুগল লোগো-তে ক্লিক করলে খুলছে একটি পেজ। যেখানে সবাইকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে গুগল। আর ২০২১ সালের সব গুরুত্বপূর্ণ খবরের দেখা মিলছে এই পেজে।  গুগল বিভিন্ন উৎসব ও দিবসে বিশেষ ডুডল প্রকাশ করে। বিখ্যাত ব্যক্তির জন্মদিন কিংবা মৃত্যুদিন উদযাপন করতে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের স্মরণ করিয়ে দিতে উদ্যোগ নেয় গুগল। শেষ বড়দিনে সাজতে দেখা গিয়েছিল গুগলকে।  টিআই
২০২১ সালকে বিদায় জানাতে গুগলের ডুডল
জুমার দিন যখন দোয়া কবুল হয়
ইসলামের দৃষ্টিতে পবিত্র জুমা ও জুমাবারের রাত-দিন অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে।  জুমার দিনের সওয়াব ও মর্যাদা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মতোই। মুসলমানদের জন্য এই দিন অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনের কিছু সময়ে আল্লাহ বান্দার দোয়া কবুল করেন বলে হাদিসে এসেছে। তবে জুমার দিনে দোয়া কবুলের বিশেষ সময় কোনটি— সেটা নিয়ে মতানৈক্য থাকলেও দোয়া কবুল হওয়ার ব্যাপারে কারো দ্বিমত নেই। নিম্নে সংক্ষেপে কয়েকটি সময় তুলে ধরা হলো— জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, জুমার দিনে এমন একটা সময়ে রয়েছে, যাতে আল্লাহর বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায় আল্লাহ তাই দেন। অতএব তোমরা আছরের শেষ সময়ে তা তালাস করো। (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৮, নাসাঈ, হাদিস : ১৩৮৯) আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন—  জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, সেই সময়টায় যদি কোনও মুসলিম নামাজ আদায়রত অবস্থায় থাকে এবং আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ অবশ্যই তার সে চাহিদা বা দোয়া কবুল করবেন এবং এরপর রাসুল (সা.) তার হাত দিয়ে ইশারা করে সময়টির সংক্ষিপ্ততার ইঙ্গিত দেন। (বুখারি, হাদিস : ৬৪০০) আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) বর্ণনা করেন, শুক্রবারে আছরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দোয়া কবুল হয়। বিখ্যাত সিরাতগ্রন্থ যাদুল মাআ’দ-এ বর্ণিত আছে, জুমার দিন আছরের নামাজ আদায়ের পর দোয়া কবুল হয়। (যাদুল মাআ’দ : ২/৩৯৪) আবু দারদা ইবনে আবু মুসা আশআরি (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি জুমার দিনের বিশেষ মুহূর্তটি সম্পর্কে বলেছেন, ইমামের মিম্বরে বসার সময় থেকে নামাজ শেষ করা পর্যন্ত সময়টিই সেই বিশেষ মুহূর্ত। (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৯) আসরের শেষ সময় অর্থাৎ সূর্য ডোবার আগমুহূর্তে। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন—  জুমার দিনের বারো ঘণ্টার মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যদি কোনও মুসলিম এ সময়ে আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করে, তাহলে মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাকে দান করেন। এ মুহূর্তটি তোমরা আসরের শেষ সময়ে অনুসন্ধান করো। (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৮) আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, জুমাবারে এমন একটি সময় আছে, যেটাতে বান্দা আল্লাহর কাছে কোনও দোয়া করলে আল্লাহ তাকে তা দিয়ে থাকেন। (মুসান্নাফ, হাদিস : ৫৫৮৮) এসএস/টিআই
জুমার দিন যখন দোয়া কবুল হয়
আরও পড়ুন
আজ বই বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
ফোনালাপ ফাঁস, আমীর খসরুর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
হচ্ছে না বই উৎসব
বইমেলা শুরু ১ ফেব্রুয়ারি, এবার স্টল ভাড়া কিস্তিতে