ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

২৮ নভেম্বর : ইতিহাসে আজকের এই দিনে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ নভেম্বর ২০২৩, ০৩:২৩ এএম
১৯১২ সালের এই দিনে তুরস্কের নিকট থেকে আলবানিয়া স্বাধীনতা লাভ করে

আজ মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৩। একনজরে দেখে নেওয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি:

১০৯৮ - সিরিয়ায় খ্রিস্টানদের হাতে ৭০ হাজার মুসলমান নিহত হয়।

১৪৪৩ - সেকেন্দার বেগ তার বাহিনী নিয়ে মধ্য আলবেনিয়ার খ্রুজ অঞ্চল জয় করেন ও প্রথমবারের মতো আলবেনিয়ার পতাকা উত্তোলন করেন।

১৫২০ - প্রথম ইউরোপীয়ান নাবিক হিসেবে ফার্ডিনান্ড ম্যাগেলান আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে প্রবেশ করেন।

১৬৬০ - ইংল্যান্ডে রয়াল সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৬৭৬ - ভারতের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত তখনকার দিনের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পন্ডিচেরি বন্দর ফরাশিরা দখল করে নেয়।

১৮১৪ - কলকাতার চাঁদপাল ঘাটে ভারতের প্রথম প্রাটস্ট্যান্ট বিশপ টমাস ফ্যানশ মিডলটন পদার্পণ করেন।

১৮১৪ - লন্ডনের টাইমস পত্রিকা প্রথম স্বয়ংক্রিয় মেশিনে ছাপা হয়।

১৮২০ - সমাজতাত্ত্বিক ফ্রেডরিখ এঙ্গেলসের জন্ম।

১৮২১ - স্পেনের নিকট থেকে পানামা স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯১২ - তুরস্কের নিকট থেকে আলবানিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬০ - মৌরিতানিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের নিকট থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৭১ - ইরানের তিনটি দ্বীপ আবু মুসা,তাম্বে বোযোর্গ,তাম্বে কুচাক থেকে বৃটিশ দখলদার সেনারা চলে যাবার পর ইরান ঐ তিনটি দ্বীপের ওপর নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করে।

জন্ম:

১১১৮ - প্রথম ম্যানুয়েল কম্নেনস, তিনি ছিলেন বাইজেন্টাইন সম্রাট।

১৬২৮ - জন বুনয়ান, তিনি ছিলেন ইংরেজ প্রচারক ও লেখক।

১৭৫৭ - উইলিয়াম ব্লেক, তিনি ছিলেন ইংরেজ কবি ও চিত্রকর।

১৭৯৩ - কার্ল জোনাস লাভ আল্মকভিস্ট, তিনি ছিলেন সুইডিশ কবি, সুরকার ও সমালোচক।

১৮২০ - সমাজতাত্ত্বিক ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস জন্ম গ্রহণ করেন।

১৮৮০ - আলেকজান্ডার ব্লক, তিনি ছিলেন রাশিয়ান কবি ও নাট্যকার।

১৮৮১ - স্টিফান য্বেইগ, তিনি ছিলেন অস্ট্রিয়ান লেখক, নাট্যকার ও সাংবাদিক।

১৮৮৭ - আর্নেস্ট রহম, তিনি ছিলেন জার্মান সৈনিক ও সহ-প্রতিষ্ঠিত স্টুর্মাবটেইলুং এর।

১৮৯৪ - রসায়নবিদ ড. পুলিন বিহারী সরকার জন্ম গ্রহণ করেন।

১৯০৭ - আলবার্তো মোরাভিয়া, তিনি ছিলেন ইতালীয় সাংবাদিক ও লেখক।

১৯৩১ - গোলাম রহমান, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিশু সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

১৯৪৩ - রফিকুন নবী, তিনি খ্যাতনামা চিত্রকর, তিনি কার্টুনিস্ট।

১৯৫০ - রাসেল অ্যালান হাল্স, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী।

১৯৬২ - জন স্টুয়ার্ট, তিনি আমেরিকান কৌতুকাভিনেতা, অভিনেতা ও টেলিভিশন উপস্থাপক।

১৯৬৭ - আন্না নিকলে স্মিথ, তিনি আমেরিকান মডেল ও অভিনেত্রী।

১৯৬৯ - নিক নাইট, তিনি সাবেক ইংরেজ ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার।

১৯৭৫ - তাকাশি শিমডা, তিনি জাপানি ফুটবলার।

১৯৭৭ - ফেবিও গ্রসও, তিনি ইতালিয়ান ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৮৩ - নেলসন ভাল্ডে্য, তিনি প্যারাগুয়ের ফুটবলার।

১৯৮৭ - কারেন গিলান, তিনি স্কটিশ অভিনেত্রী।

মৃত্যু:

১০৫৮ - পোল্যান্ডের ডিউক কেজিমিয়ের্জ মৃত্যুবরণ করেন।

১৬৮০ - গিয়ান লরেনযো বিরনিনি, তিনি ছিলেন ইতালিয়ান ভাস্কর ও পেইন্টার।

১৬৯৪ - মাৎসু বাসো, তিনি ছিলেন জাপানি কবি।

১৮৭০ - জন ফ্রেদেরিখ বাজিল, তিনি ছিলেন ফরাসি চিত্রশিল্পী ও সৈনিক।

১৯৩২ - অভিনেতা সুরেন্দ্রনাথ ঘোষ (দানীবাবু) মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৪৫ - ডুইট এফ. ডেভিস, তিনি ছিলেন আমেরিকান টেনিস খেলোয়াড় ও রাজনীতিবিদ।

১৯৫৪ - এনরিকো ফের্মি, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইতালিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান পদার্থবিদ ও অধ্যাপক।

১৯৬০ - রিচার্ড রাইট, তিনি ছিলেন আমেরিকান বংশোদ্ভূত ফরাসি লেখক ও কবি।

১৯৬২ - সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার কৃষ্ণচন্দ্র দে মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৬৮ - এনিড ব্ল্যটন, তিনি ছিলেন ইংরেজ লেখক ও কবি।

১৯৭১ - ওয়াসফি তাল নিহত হন, তিনি ছিলেন জর্দানের বাদশা।

১৯৮৯ - ফকির শাহাবুদ্দীন, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম এটর্নি জেনারেল।

১৯৯৯ - আবদুর রাজ্জাক, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক।

২০১০ - লেসলি নিলসেন, তিনি ছিলেন কানাডিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান অভিনেতা ও প্রযোজক।

২০১৪ - চেস্পিরিটো, তিনি ছিলেন মেক্সিক্যান অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বশেমুরবিপ্রবিতে বছরজুড়ে যা ছিল আলোচনায়
২০২৩ শেষ হয়ে ২০২৪ সালের ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে। বিগত ২০২৩ সালে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) ঘটে গেছে নানা ঘটনা। এর মধ্যে কিছু সুখস্মৃতি, কিছু বেদনাদায়ক। সবকিছু মিলিয়ে তুলে ধরা হলো ২০২৩ এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।  জানুয়ারি বছরের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ জন শিক্ষার্থী জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপে মনোনীত হয়। প্রতিষ্ঠার একযুগ পরে বশেমুরবিপ্রবি পায় প্রথম কোষাধ্যক্ষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. মোবারক হোসেন এই পদে নিয়োগ পান। জানুয়ারি মাসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে কোনো বিভাগ মেয়েদের জন্য কমন রুম চালু করে। বাংলা বিভাগের এই উদ্যোগ ভূয়সী প্রশংসা পায়। ক্যাম্পাসে ইতিবাচক সংবাদের পাশাপাশি নেতিবাচক সংবাদও প্রকাশিত হয়, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংরক্ষিত হয় শৌচাগারে। ২৪ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শিক্ষার্থী হিসেবে ১৫তম সহকারী জজ নিয়োগে উত্তীর্ণ হন আইন বিভাগের আনিচ মুন্সী।  ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে নিয়োগের নামে টাকা আত্মসাতের ঘটনায় খবর প্রকাশিত হয়। মাস্টাররোল কর্মচারীদের নিয়োগের নামে আকাশ শিকদার ও তার সিন্ডিকেট এই বাণিজ্য করেন। ১৩ই ফেব্রুয়ারী বশেমুরবিপ্রবি ও আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। দীর্ঘ প্রতিরক্ষার পরে চালু হয় কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া।  মার্চ এত এত খবরের মধ্যে মার্চের শুরুতে ঘটে বেদনাদায়ক ঘটনা, ভালোবেসে বিয়ের এক বছরের মাথায় পারিবারিক কলহের জেরে ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নোভা ইয়াসমিন। ৪ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয় ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মত আয়োজিত হয় স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন "বাঁধনের" আয়োজনে ৫ দিনব্যাপী বইমেলা। ৮ জানুয়ারি বিশ্ব নারী দিবসে ঋতুস্রাবকালীন নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ভলিন্টিয়ার ফর বাংলাদেশের উদ্যোগে স্থাপিত হয় প্যাড ব্যাংক। প্রকাশিত হয় পরিবহন খাতে অতিরিক্ত বিল দেখিয়ে টাকা ভাগাভাগির খবর। আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ৩ কোটি টাকার অডিট আপত্তি দেখানো হয়। দেশব্যাপী ১২টি আইসিটি পার্ক স্থাপনের লক্ষ্যে বশেমুরবিপ্রবিতে উদ্বোধন করা হয় নলেজ পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন।  এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত কমিটিহীন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বশেমুরবিপ্রবি শাখা, কমিটি গঠনের লক্ষ্যে কেন্দ্র থেকে নোটিশ দিয়ে ছাত্রলীগের পদপ্রার্থীদের সিভি আহ্বান করে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ। ছাত্রী হলে মেয়েদের পোষাক পরিহিত চোর আটকের ঘটনা ঘটে মাসের শেষের দিকে। মে মাসের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হয় ৪ শিক্ষার্থী, তদন্ত কমিটির দীর্ঘসূত্রিতায় এই পদক থেকে বঞ্চিত হয় কৃষি অনুষদ। মার্ক টেম্পারিং এর অভিযোগ উঠে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৎকালীন সভাপতি ড. মো. আবু সালেহ ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মো. হাসিবুর রহমানের বিরুদ্ধে। তেল ক্রয় না করেও ভুয়া ভাউচারে টাকা উত্তোলনের অভিযোগ উঠে বাস চালক আতিকুর রহমান ঝন্টুর বিরুদ্ধে, প্রেসক্লাব থেকে অডিও রেকর্ড প্রকাশের পরে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি।  জুন নিজ ক্যাম্পাসে বিয়ের গায়ে হলুদ হয় এনিম্যাল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন (এএসভিএম) বিভাগের শিক্ষার্থী মিমের। জুলাই তীব্র শিক্ষক সংকটে একাডেমিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়। শিক্ষক-কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান বশেমুরবিপ্রবির সাবেক ৩ শিক্ষার্থী। খবর প্রকাশিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত একমাত্র ইনস্টিটিউট নিয়ে, বঙ্গবন্ধুর নামে গড়া এই প্রতিষ্ঠানটি ধুঁকতে থাকে অবহেলায়। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স এসোসিয়েশনের নির্বাচনে মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন ডেপুটি রেজিস্ট্রার (একাডেমিক) নজরুল ইসলাম হীরা।  আগস্ট শোকের মাসের শুরুতেই ঘটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি ভয়াবহ ঘটনা, লেকের পানিতে ডুবে প্রাণহানি ঘটে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের দুই শিক্ষার্থী হিয়া ও ঋতুর। শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আমরণ অনশন করে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা, একাত্মতা ঘোষণা করে বশেমুরবিপ্রবি প্রেসক্লাব। প্রথমবারের মত ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের উদ্বোধন হয়। বিজিই বিভাগ থেকে বৃক্ষরোপণের পুরস্কার হিসেবে বঙ্গবন্ধু কর্ণারের ঘোষণা দেওয়া হয়।  সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল তৈরির জন্য ভেঙে ফেলা প্রধানমন্ত্রীর নামফলক, শেখ হাসিনা চত্বর নামে পরিচিত ফলকটি ভাঙার ঘটনায় তদন্তে গড়িমসি করে প্রশাসন। মার্ক টেম্পারিং ঘটনা ধামাচাপা দিতে তৎপরতা দেখা যায়, কোর্স শিক্ষক পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হালিমা খাতুন ও তৎকালীন ইইই (সি) বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ শাহজাহানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠে। ল্যাব, শ্রেণি সংকটসহ পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধার দাবিতে ৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন করে ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থীরা।  অক্টোবর মাসের শুরুতে বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতির ঘোষণা দেয় বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি। ফার্মেসী বিভাগের আন্দোলনে বন্ধ হয় প্রশাসনিক কার্যক্রমও। বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় জায়গা করে নেয় বশেমুরবিপ্রবির দুই শিক্ষক। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপে ১১ জন শিক্ষার্থী মনোনীত হন। প্রতিষ্ঠার একযুগ পরে প্রথমবারের মত উপ-উপাচার্য নিয়োগ পায় বশেমুরবিপ্রবি, হযরত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুল আলমকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।  নভেম্বর জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড পায় বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থী রিয়াজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের নবম ব্যাচের (২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) শীত বরণ উৎসব "উষ্ণতার খোঁজে নবনীতক" অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার হলে অসদুপায় অবলম্বনের কারণে মনোবিজ্ঞান বিভাগের ৪ শিক্ষার্থী হয় সাময়িক বহিষ্কার।  ডিসেম্বর সাহসী ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার পুরস্কার পান বশেমুরবিপ্রবি প্রেসক্লাবের সভাপতি কে. এম ইয়ামিনুল হাসান আলিফ, ইউনিভার্সিটি জার্নালিস্ট ফোরাম (ইউজেএফ) কর্তৃক এই পুরস্কার দেওয়া হয়। দুর্বৃত্তদের হামলায় বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থী আহসান উল্লাহ গুরুতর আহত হয়। হাজবেন্ড্রি কাউন্সিল বাতিলের দাবিতে প্রাণিসম্পদ সচিবের কুশপুত্তলিকা দাহ করে ভেটেরিনারি বিভাগের শিক্ষার্থীরা, দেওয়া হয় মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুমকি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন চীফ ইঞ্জিনিয়ার এস এম এস্কান্দার আলী।
বশেমুরবিপ্রবিতে বছরজুড়ে যা ছিল আলোচনায়
বিচ্ছিন্নতার যুগে দারুণ এক মেলবন্ধনের গল্প
শীতের ভোর। কুয়াশা কেটে সূর্যের মিষ্টি রোদের আভাটা সবে শরীরে লাগতে শুরু করেছে। ধোঁয়া উঠতে শুরু করেছে গ্রামীণ মাটির চুলায়। তা ঘিরে বসে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। বলছিলাম নোয়াখালির সূবর্ণচরের চরবাটা গ্রামের কথা। এখানে শীতের সকালগুলো এমনই। আধুনিকতার ছোয়া লাগলেও শীতের সময় গ্রামীণ আবহটা বেশ ভালো টের পাওয়া যায় এখানে। বাড়ির মুরুব্বি থেকে শিশুরা সবাই একসাথ হয়ে ধোয়া উঠা চুলার পাশে বসে অপক্ষায় থাকে গরম চিতই পিঠার জন্য। অবশ্য যে আধুনিকতার কথা বলছিলাম সেই আধুনিকতায় যৌথ পরিবারের এমন দৃশ্যগুলো এখন খুব একটা দেখা যায় না। জীবন, জীবিকার টানে পরিবারগুলো খণ্ড খণ্ড। কখনও দেখা হয় কখনও দেখা হয় না। পাশের বাড়ির আত্মীয়র খোঁজটাও এখন আর নেওয়া হয় না ব্যস্ত জীবনে।  সেই ব্যস্ত জীবনের পাশ কাটিয়ে দারুণ এক উদাহরণ এই গ্রামেই মিলেছে। এই গ্রামেরই হাজী নজির আহম্মদের বংশধররা ধরে রেখেছে দারুণ এক সংস্কৃতি। বিচ্ছিন্নতার এই যুগে এটিকে আপনি দারণ এক পারিবারিক মেলবন্ধন বলতে পারেন। বছরের একটা দিন ঘটা করে আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বংশের সবাই একত্রিত হন একই স্থানে।  দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন শত কর্ম ব্যস্ত মানুষটাও। প্রিয়জনদের সাথে খোশ গল্প আড্ডায় কাটিয়ে দেন একটা দিন। হয় নানান স্মৃতি রোমন্থন। সেখানে বার বারই ফিরে আসে ফেলা আসা সেসব ঐতিহ্যের কথা। শিশু কিশোররা নানানভাবে জানতে পারে তাদের শিকড়ের কথা। পরিচিত হয় নিজেদের চাচাতো, খালাতো কিংবা ফুফাতো ভাই-বোনদের সাথে। এমন আয়োজনেই গিয়েছিলাম। সচোখে দেখা মিলেছে খুব কাছের আত্মীয়দের এখানে এসে নতুন করে পরিচিত হতে। পুরনো স্মৃতি রোমন্থনে চোখের কোনে পানি জমতে।
বিচ্ছিন্নতার যুগে দারুণ এক মেলবন্ধনের গল্প
এক বছরে ডেঙ্গুতে ১৭০৫ জনের মৃত্যু
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। ডেঙ্গু রোগের ধরন শনাক্তের পর থেকে এ রোগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হারে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে বিদায়ী বছর। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭০৫। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০৬ জন।  রোববার (৩১ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ জন। আর ঢাকার বাইরে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭১ জন।  এ ছাড়া সারদেশে বর্তমানে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৭২৫ জন রোগী। এর মধ্যে ঢাকায় ২৯৫ এবং ৪৩০ জন রোগী ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৩ লাখ ২১ হাজার ১১৭ জন। অন্যদিকে, চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছেন ৩ লাখ ১৮ হাজার ৭৪৯ জন।
এক বছরে ডেঙ্গুতে ১৭০৫ জনের মৃত্যু
চিকিৎসক সমাবেশে বক্তরা / শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রেখেই আজকের উন্নত বাংলাদেশ
সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রেখেছি বলেই আজকের এই উন্নত বাংলাদেশ সম্ভব হয়েছে। তাই এবারের নির্বাচনেও আমরা শেখ হাসিনার প্রতি আস্থাশীল।  আমরা অসাম্প্রদায়িক ও শান্তি নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই।  রোববার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘শেখ হাসিনায় আস্থা’ শীর্ষক চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত আমাদের বাংলাদেশ সবসময় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ হিসেবে থাকবে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ শুধু যুদ্ধের ইতিহাস নয়, তার চেয়েও বিশাল কিছু। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস আজও রচিত হয়নি। ১৯৯১ ও ২০০১ সনের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং এর কথা উল্লেখ করে তিনি আগামী নির্বাচনে সকলকে ভোট কেন্দ্র গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগের আহবান জানান।  সমাবেশের প্রধান অতিথি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ডা. শারফুদ্দিন আহম্মেদ বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবাইকে ভোট কেন্দ্রে যেতে হবে। সকলে মিলে ভোট কেন্দ্রে গেলেই ভোট বিরোধী ও দেশ বিরোধীরা ১% এ পরিনত হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তি তথা শেখ হাসিনা হবেন ৯৯ শতাংশ।  এসময় তিনি কোভিড ভ্যাকসিন বিনামূল্যে সরবরাহ থেকে শুরু করে অথ্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মানসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা ক্ষেত্রে অবদানের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন।  সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীলের সঞ্চালনায় চিকিৎসক সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নিজামূল হক ভূঁইয়া, সম্প্রীতি বাংলাদেশের যুগ্ম আহ্বায়ক বিশিষ্ট চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. উত্তম বড়ুয়া, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. রেজাউল আমিন টিটু, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. রাহাত হোসেন, প্রামাণ্যচলচ্চিত্র নির্মাতা, সাইফ আহম্মেদ, বঙ্গবন্ধু গবেষক আফিজুর রহমান, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ডা. অনুপম সাহা প্রমুখ।
শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রেখেই আজকের উন্নত বাংলাদেশ
থার্টি ফার্স্ট নাইট সম্পর্কে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ
ইংরেজি নতুন বর্ষকে বরণ করার লক্ষ্যে প্রতিবছরই বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালন করা হয় থার্টি ফার্স্ট নাইট। এ রাতকে ঘিরে পশ্চিমাদের আয়োজনের কোনো শেষ নেই। পুরোনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন জমকালো উৎসব পালনের মাধ্যমে ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টা নাগাদ উৎযাপিত হয় এই রাতটি। থার্টি ফাস্ট নাইট নিয়ে বাংলাদেশি ইসলামি ব্যক্তিত্ব, আলোচক ও সামাজিক সক্রিয় কর্মী শায়খ আহমাদুল্লাহ যুবক ও অভিভাবকদের উদ্দেশে আবেগঘন ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। ভিডিও বার্তায় শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, যে জাতিকে ২শ’ বছর গোলাম বানিয়ে রেখেছে ইংরেজরা। আমরা তাদের কালচারকে টাকা-পয়সা দিয়ে আমদানি করে প্রোমোট করি, সেটাকে আমরা ডেভেলপ করি। এর চেয়ে দুর্ভাগ্য আমাদের কী হতে পারে? নতুন বছরের সূচনা যদি আমাদের আনন্দের কারণ হয়, ঠিক একই সময়ে একটি বছরের বিদায়ও হয়ে যাচ্ছে। যুবকদের কাছে আমার প্রশ্ন- তুমি কি বিদায়ী বছরে কেঁদেছো? যদি না কেঁদে থাকো তাহলে তোমার বিবেকের কাছে প্রশ্ন করো- যে নতুন বছরের জন্য আনন্দ করছো, ঠিক তার আগ মুহূর্তে একটি বছর চলে গেলো তোমার জীবন থেকে; তখন কী তুমি কেঁদেছিলে? তিনি বলেন, তাহলে যার বিদায়ে আমার কান্নার কারণ হয় না, তাহলে আগমন কেনো আমার আনন্দের কারণ হতে পারে? যুবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এই বিজাতীয় অপসংস্কৃতি তোমার না। এটা প্রকৃতি পূজারী পেগানদের কাছ ধার করে খ্রিস্টানরা নিয়েছে। আমাদেরকে আল্লাতায়ালা নিজস্ব সংস্কৃতি দিয়েছেন। আমরা অনেক সমৃদ্ধ; কোনো কিছুর অভাব নাই। আমাদেরকে দুটো উৎসব দেওয়া হয়েছে- ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। এই দুটি উৎসবকে পৃথিবীর সমস্ত উৎসবের চেয়ে অনেক বেশি নির্মল, আনন্দদায়ক, সমৃদ্ধ, পবিত্র। অন্য কোনো উৎসবে এটা পাবে না। তিনি বলেন, তোমার সমস্ত উৎসবের মধ্যে ভোগ আছে, উচ্ছৃঙ্খলতা আছে, উন্মাদনা আছে, অশ্লীলতা আছে, বেহায়াপনা আছে, অপব্যায় আছে; কিন্তু ঈদুল ফিতর-ঈদুল আজহাতে তুমি এগুলো দেখবে না। ঈদুল ফিতর-ঈদুল আজহার চেতনা কী? চেতনা হলো- তুমি আনন্দদিত হও, গরিবদের মুখে হাসি ফোঁটাও। ঈদগাহে যাও নামাজ পড়ো। শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ইসলাম বলছে- তুমি আনন্দ করবা ঈদগাহে গিয়ে, ভালো কথা। তার আগে তুমি গরীবের বাসায় গিয়ে হাসির ব্যবস্থা করো। তারপরে তুমি হাসো। তুমি হাসতে চাও, গোস্ত খেতে চাও; তবে তোমার গোস্তের একটা অংশ দিবে গরিবদের। তাদের মুখে হাসি ফোঁটাবে। তারপরে তুমি হাসবে। তিনি বলেন, আল্লাহ যে উৎসব আমাদের দিয়েছে, সেখানে ভোগ আছে, ত্যাগ আছে, সেখানে নৈতিকতা আছে। তুমি যে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে নামছো; এখানে পশুদের মতো উন্মাদনা আছে, মাতলামি আছে, উচ্ছৃঙ্খলা আছে। এখানে মানবজাতির কোনো কল্যাণ দেখাতে পারবে না। যখন আকাশে ফানুস উড়িয়ে টাকা উড়াচ্ছে; তখন ওই বাড়ির ছাদ থেকে নিচে তাকালে দেখতে পাবে কোনো বনি আদম শুয়ে আছে। তার এই শীত নিবারণের কোনো কাপড় নাই। তিনি আরও বলেন, প্রতিবছর থার্টি ফার্স্ট নাইটে ফানুসের আগুনে বিভিন্ন জায়গায় আগুনের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সারাবছরের মধ্যে এইদিনে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত সময় পার করে। প্রতিবছর থার্টি ফার্স্ট আসার আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় যেনো ফানুস উড়ানো না হয়। তারপরও সে নির্দেশনা উপেক্ষা করে এগুলো করা হয়। শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, আমাদের দেশে ধর্মের নামে, রাজনীতির নামে, বিনোদনের নামে যে পরিমাণ শব্দ সন্ত্রাস হয়; পৃথিবীর কোনো সভ্য সমাজে এমন হয় না। আপনি অবাক হবেন, যেসব যুবকরা নিজেদেরকে বিজ্ঞানমনস্ক মনে করে, সেই সমস্ত যুবকরা যখন এইসব কাজে লিপ্ত হয়; তখন আমার কাছে অবাক লাগে এইসব শিক্ষা যাচ্ছে কোথায়? তিনি বলেন, এই কারণে সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। যেনো থার্টি ফার্স্ট পার্টির নামে কোনো উচ্ছৃঙ্খলা করতে না পারে। সমাজের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। সচেতন হতে হবে।  
থার্টি ফার্স্ট নাইট সম্পর্কে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ
আরও পড়ুন
৩১ ডিসেম্বর : ইতিহাসে আজকের এই দিনে
রোনালদোর আল নাসরের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
আমার পরিবার এই জাতিকে দিতে এসেছে, নিতে নয় : ভূমিমন্ত্রী
৩০ ডিসেম্বর : ইতিহাসে আজকের এইদিনে