
কলকাতার কলেজ স্কয়ার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ১১তম বাংলাদেশ বইমেলা। যার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) ভারতীয় সময় বিকেল ৪টায়। মেলার প্রস্তুতি প্রায় সম্পূর্ণ।
উৎসব প্রিয় ও বইপ্রেমী কলকাতার মানুষ এখন শুধুই ঘড়ির কাঁটা গুনছেন কতক্ষণে উদ্বোধন হবে ১১তম বাংলাদেশ বইমেলা।
বইমেলা উপলক্ষে প্রতিদিনই দুপুর একটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত থাকছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ মেলা চলবে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
বাংলাদেশ সরকারের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ও বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সম্মিলিত উদ্যোগে কলকাতার কলেজ স্কয়ার প্রাঙ্গণে এবারের ১১তম বাংলাদেশ বইমেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক, তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক দেবাশিস কুমার ও বিধায়ক বিবেক গুপ্তা।
বাংলাদেশের বিভিন্ন সৃজনশীল ও স্বনামধন্য প্রকাশনা সংস্থা এই মেলায় অংশ নিচ্ছে। মেলায় প্রতিদিন বাংলাদেশের বই বিক্রির পাশাপাশি সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে।
এ বারের ১১তম বাংলাদেশ বইমেলায় অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ৬৫টি প্রকাশনা সংস্থা। একই সঙ্গে থাকবে ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক স্টলও।
‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু’ স্টলে বঙ্গবন্ধুর লেখা ও তাকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন বই প্রদর্শন করা হবে, যদিও সেটি বিক্রির উদ্দেশ্যে নয়। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন ছবিও সেখানে প্রদর্শনী করা হবে। পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্রও চলতে থাকবে। এতে যারা বঙ্গবন্ধুকে জানতে চান, যারা তাকে নিয়ে গবেষণা করতে চান, তারা উপকৃত হবেন বলে জানায় আয়োজকরা।




