ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

শরীরের রক্ত প্রবাহের শিরা ব্লক করে দেয় অপূর্ণ ঘুম

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০১৯, ০৭:১৭ পিএম
আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০১৯, ০৭:২৬ পিএম

ভালো ঘুমের প্রচলিত উপকারী দিকগুলো কম-বেশি আমরা সবাই জানি। এবার ভালো ঘুমের আরেকটি উপকারী দিক উঠে এলো এক গবেষণায়। ওই গবেষণা বলছে, প্রতি রাতে ৬ ঘণ্টার কম ঘুমালে শুধু আপনার হার্টই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বরং সারা শরীরে সমস্যা দেখা দেবে। তার মানে প্রতিদিন ভালো ঘুম হলে এ ধরনের সমস্যায় পড়তে হবে না।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, রাতে কম ঘুমালে হার্টে যেমন প্লেক হয়, তেমনি এটা সারা শরীরেই হতে পারে। প্লেক হলো ফ্যাট, কোলেস্টেরল, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য উপাদান দিয়ে তৈরি যা ধমনি বা শিরার রক্তপ্রবাহের পথ সরু বা বন্ধ করে দেয়।

আগে যত গবেষণা হয়েছে সেগুলোতে দেখানো হয়, কম ঘুমালে হার্ট ব্লক হয়ে যায়। কিন্তু এই প্রথম কোনও গবেষণায় দেখানো হলো, ঘুমের কারণে পুরো শরীরের শিরা বা ধমনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস ইউনিভার্সিটির জিন মেয়ার ইউএসডিএ হিউম্যান নিউট্রিশন রিসার্চ সেন্টারের নিউট্রিশন অ্যান্ড জেনোমিক্সের পরিচালক জোসে ওরদোভাসও এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন। এই গবেষণা প্রতিবেদনের অন্যতম একজন লেখক তিনি। গত সোমবার আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজির জার্নালে গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।

যেভাবে গবেষণাটি করা হয়

সব মিলিয়ে ৪ হাজার স্প্যানিশ নারী ও পুরুষ নিয়ে এই গবেষণা পরিচালনা করা হয় যাদের গড় বয়স ছিল ৪৬। এদের কারোরই আগে কোনও হার্টের অসুখ ছিল না। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের একটি করে ডিভাইস দেয়া হয়। মূলত ওই ডিভাইসের মাধ্যমেই তাদের ঘুম সম্পর্কিত সব ধরনের তথ্য সংগ্রহ করে গবেষকরা। অংশগ্রহণকারীদের রাতে কতবার ঘুম ভেঙেছে কিংবা কতবার নড়াচড়া করেছে তার ভিত্তিতেই ভালো ঘুমের হিসাব করা হয়েছে।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে একটি গ্রুপ প্রথম গ্রুপ- যারা ৬ ঘণ্টার কম ঘুমিয়েছে, দ্বিতীয় গ্রুপ- যারা ৬-৭ ঘণ্টা ঘুমিয়েছে, তৃতীয় গ্রুপ- যারা ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমিয়েছে এবং চতুর্থ গ্রুপ- যারা ৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ঘুমিয়েছে। এদের প্রত্যেকের গবেষণার শুরুতে একবার পরীক্ষা করা হয় এবং গবেষণা শেষে আরেকবার করা হয়।

দুইবারের এই পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণসহ অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করে গবেষকরা দেখতে পান, যারা প্রতি রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান তাদের চেয়ে ৬ ঘণ্টারও কম সময় ঘুমানো ব্যক্তিদের হৃদরোগসহ পুরো শরীরের শিরাগুলো সরু হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি ২৭ শতাংশ বেশি। এছাড়া যাদের ভালো ঘুম হয় তাদের চেয়ে যাদের বার বার ঘুম ভাঙে তাদের এ ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩৪ শতাংশ বেশি।

অপূর্ণ ঘুমের প্রভাব

বার বার ঘুম ভেঙে গেলে এটা আমাদের শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অপূর্ণ ঘুমের কারণে উচ্চরক্তচাপ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়া, ওজন বেড়ে যাওয়া, দ্রুত মেজাজ বদলে যাওয়া, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি, স্ট্রোক এবং কয়েক ধরনের ক্যানসার হতে পারে।

কীভাবে ভালো ঘুম হবে?

আপনি কীভাবে ভালো ঘুমাবেন, সেটা সম্পূর্ণ নিজের ওপর নির্ভর করে। ভালো ঘুমের অভ্যাসটি নিজের মস্তিষ্কে গেঁথে ফেলতে হবে। তবেই নিয়মিত ভালো ঘুম সম্ভব।

প্রথমেই ভালো ঘুমের পরিবেশ তৈরি করুন। এরপর প্রতিদিন ঘুমানোর একটি রুটিন তৈরি করে ফেলতে হবে। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে গেলে আপনার মস্তিষ্ক বুঝে যাবে ঠিক কোন সময়টায় আপনি ঘুমান। এতে ওই নির্দিষ্ট সময়েই আপনার ঘুম আসবে।

এছাড়া শোয়ার ঘরের তাপমাত্রা একটু কম রাখা, লাইট বা আলোর পরিমাণ কমিয়ে দেয়া, ঘুমানোর আগে গোসল করে নেয়া এবং একটু নরম সুরের গান শোনা হয়তো আপনার ভালো ঘুম এনে দিতে পারে। এজন্য এগুলো চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কখনও ব্যায়াম করতে ভুলবেন না। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের তথ্য বলছে, দিনে ১০ মিনিটের মতো হাঁটা, সাইকেল চালানো কিংবা অন্য ধরনের ব্যায়ামের কারণে আপনার ঘুমের মান অনেক বেশি ভালো হতে পারে।

সূত্র: সিএনএন

ডি/এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
বরিশাল নগরীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পাওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সারিয়া আক্তার (১৪) নামের এক পরীক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরে দুপুরে নিজ বাড়িতে সে  আত্মহত্যা করে। আত্মহননকারী সারিয়া আক্তার নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা বরিশাল কলেজের সাবেক ভিপি শাহীন হাওলাদারের মেয়ে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জিপিএ-৫ না পেয়ে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের লাশ সংরক্ষণ কক্ষে রাখা হয়েছে। এজে
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জেএসসি পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বছর ২ লাখ ৭০ হাজার ৯৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ১৩১ জন। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, এ বছর বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বোর্ডে এবার ফলাফলে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৮৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং মেয়েদের পাসের হার ৮৮ দশমিক ৪১ শতাংশ। এ বছর এক হাজার ৯২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তিনি আরও জানান, কুমিল্লা বোর্ডের ৬টি জেলার মধ্যে কুমিল্লা জেলার ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাশ করেছে যা বোর্ডের মধ্যে সেরা। এজে
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
নবগঠিত ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত জেএসসি পরীক্ষার প্রথম ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে পাশের হার ৮৭ দশমিক ২১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ৯০৩ জন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের হাতে ফলাফল তুলে দেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শামসুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর কিরীট কুমার দত্ত, কলেজ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, উপ-সচিব মশিউল আলম, মনিরুজ্জামান ও সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহসিনা বেগম। ময়মনসিংহ বোর্ডে ২০১৯ সালে জেএসসি পরীক্ষায় এক হাজার ৪৮৪ টি স্কুলের এক লাখ ৬১ হাজার ৩৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক লাখ ৪০ হাজার ৭১৭ জন পাস করেছে।  বিভাগের মধ্যে পাসের হার শেরপুর জেলায় ৯০ দশমিক ০৫ শতাংশ, জামালপুরে ৮৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৮৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ও নেত্রকোনায় ৮৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। পরীক্ষার ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। একটি স্কুল থেকে তিনজন পরীক্ষার্থী ছিল তাদের কেউ পাশ করেনি।  জেবি
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এবছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৯৪.১০ শতাংশ। এর মধ্যে মেয়েদের পাশের হার ৯৪.৮৭ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৩.৩০ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টায় রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯৪.৫৭ শতাংশ। ২০১৭ সালে ছিল ৯৫.৫৪ শতাংশ। এবারে পাশের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪.১০ শতাংশ। এবছর মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে ৭ হাজার ২৭৮ জন ছেলে এবং ৯ হাজার ২০০ জন মেয়ে শিক্ষার্থী। শুধুমাত্র রাজশাহী জেলায় মোট ২ হাজার ৬৪৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবারের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬৮৩ জন। এদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৮৬ জন। এজে
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি (পিইসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এসব তথ্য তুলে ধরে বলেন, প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন, ইবতেদায়িতে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। এবার সমাপনীতে মোট ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৫১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৩ জন পাস করেছে। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১০ লাখ ৭২ হাজার ১৫৪ জন ছাত্র ও ১২ লাখ ৭১ ৫৮৯ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন। এদের মধ্যে ছাত্র এক লাখ ৪১ হাজার ৪৫১ ও ছাত্রী এক লাখ ৮৪ ৬৩৭ জন। অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার তিন লাখ চার হাজার ১৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ৫৭ হাজার ৯৩৬ জন। এদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা এক লাখ ৫০ হাজার ৮৩৫ জন ও ছাত্রী এক লাখ ৪১ হাজার ৪০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৫৬৮৫ জন ও এক হাজার ১৯২ জন ছাত্রী। ফল বিশ্লেষণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, এবার ইবতেদায়ি পরীক্ষায় ছাত্রদের সংখ্যা বেশি হলেও গড় পাসের দিক থেকে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। সর্বোচ্চ পাসের হার বিবেচনায় ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় দেশের আট বিভাগের মধ্যে রাজশাহী বিভাগ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এ বিভাগে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮১ শতাংশ। নওগাঁ জেলায় পাসের হার শতভাগ। তিনি আরও বলেন, এবার সারাদেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ২৪০ জন এবং ডিআরভুক্ত হয়ে ২১৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে ১৯৭ জন পাস করেছে। তার মধ্যে ছাত্র ১১৪ জন এবং ছাত্রী ৮৩ জন। এ স্তরে পাসের হার ৯২ দশমিক ০৬ শতাংশ। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির, মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা। পি
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
আরও পড়ুন
বেশি ঘুমে বহু ক্ষতি আছে মৃত্যুঝুঁকিও
ঘুম না এলে কী করবেন?
ঘুম যদি ভালো না হয়…
শীতের সকালে ঘুম কাটানোর উপায়