ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

আন্দোলন চলাকালে সংঘর্ষে আহত রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম
আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলন চলাকালে রাজধানীতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের পর রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে যমুনার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিল ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শুক্রবার বিকেলে তারা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করেন।

ইনকিলাব মঞ্চের নেতাদের দাবি, জুমার নামাজের পর সেখানে সমাবেত হলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও গুলি ছোড়ে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হন। এ ছাড়া সংঘর্ষে আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শুক্রবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে ইনকিলাব মঞ্চ জানায়, সংগঠনের নেত্রী জুমা ও শান্তাকেও আঘাত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

আরেকটি পোস্টে সংগঠনটি জানায়, আপাতত কোনো জমায়েত করা হবে না। আহতদের চিকিৎসা শেষে আমরা আবার রাজপথে ফিরব। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাইকে নিরাপদে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

এ ঘটনায় রাজধানীতে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আসিফ ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব ও সম্পদের তথ্য চায় দুদক, বিএফআইইউকে চিঠি
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব ও সম্পদ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ও নথি সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) চিঠি দিয়েছে দুদক। চিঠিতে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. জাহেদ কালামের স্বাক্ষর রয়েছে। 
আসিফ ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব ও সম্পদের তথ্য চায় দুদক, বিএফআইইউকে চিঠি
গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আলামিনের মায়ের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা মো. আলামিনের অসুস্থ মায়ের খোঁজ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আলামিনের মায়ের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
মক্কা-মদিনার নিরাপত্তাকে সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে: চরমোনাই পীর
মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তাকে সব ধরনের রাজনৈতিক বিরোধ ও সংঘাতের ঊর্ধ্বে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। তিনি বলেছেন, হারামাইন তথা মক্কা ও মদিনা বিশ্বের শতকোটি মুসলমানের প্রাণস্পন্দন ও চূড়ান্ত সীমারেখা। মক্কা ও মদিনা কোনো রাষ্ট্রীয় রাজনীতির বিষয় নয়। ফলে পবিত্র দুই নগরীর নিরাপত্তাকে সব রাজনৈতিক বিরোধ ও সংঘাতের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন চরমোনাই পীর। মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সংবাদে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গতকাল মক্কা-মদিনায় যখন সতর্কতামূলক সাইরেন বেজেছে, তখন গোটা মুসলিম উম্মাহ থমকে গিয়েছিল। হারামাইন তথা মক্কা ও মদিনা বিশ্বের শতকোটি মুসলিমের প্রাণের স্পন্দন। এটি আমাদের চূড়ান্ত সীমারেখা। মক্কা ও মদিনা সব রাষ্ট্র-রাজনীতির ঊর্ধ্বের বিষয়। চরমোনাই পীর বলেন, স্বস্তির বিষয় হলো, হুতিদের পক্ষ থেকে মক্কা-মদিনার নিরাপত্তার প্রতি কোনো ধরনের হুমকি সৃষ্টি না করার বার্তা পাওয়া গেছে। এই অবস্থানের ওপর তাদের অটল থাকতে হবে। একই সঙ্গে সৌদি সরকারের প্রতিও আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেহেতু ইসলামের প্রধান দুই পবিত্র স্থানের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সৌদি সরকার পালন করছে, সেহেতু এমন কোনো রাজনৈতিক বিরোধে জড়িয়ে পড়া উচিত নয়, যাতে পবিত্র দুই শহরের প্রতি কোনো ধরনের হুমকি তৈরি হয়। তিনি আরও বলেন, শুধু নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই নয়, মক্কা-মদিনা ও জাজিরাতুল আরবের শান ও মর্যাদা রক্ষা করাও সৌদি সরকারের দায়িত্ব। হারামাইনের নিরাপত্তার সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, হারামাইনের নিরাপত্তার প্রশ্নে আমরা, বাংলাদেশের জনগণ আপনাদের পাশে আছি এবং থাকবো। আরটিভি/এসআর  
মক্কা-মদিনার নিরাপত্তাকে সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে: চরমোনাই পীর
মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টা, জামায়াত আমিরের তীব্র নিন্দা
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠীর হামলার চেষ্টার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টা, জামায়াত আমিরের তীব্র নিন্দা
বিদ্যুতের সুইচ ভারতের হাতে, যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারে: রিজভী
ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ না পাওয়া এবং ভারতের আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের শঙ্কার কথা তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ভারতের ঝাড়খণ্ডে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সুইচ রয়েছে, তারা যে কোনো সময় তা বন্ধ করে দিতে পারে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘পতিত স্বৈরাচারী খুনি হাসিনা ভারতের ইন্ধনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত’- এর প্রতিবাদে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। রুহুল কবির রিজভী বলেন, ১৭ বছরের রাজনৈতিক সংকট, ব্যাংক লোপাট ও গুম-হত্যার অন্ধকার অধ্যায় পেরিয়ে ২৪-এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলো সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। অথচ দেশের বিরোধী দল ও পার্শ্ববর্তী একটি বিশেষ গোষ্ঠী প্রতিনিয়ত সরকারের সমালোচনা ও চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। পররাষ্ট্রনীতির প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সংবর্ধনা জানানো হলেও সেখানে সাইডলাইনে বসানোর পরিকল্পনা ছিল। কারণ হিসেবে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং বিমসটেকের প্রধান হিসেবে তাকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে সাইডলাইনে না গিয়ে তারেক রহমান দেশের মর্যাদা রক্ষা করেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের চরম সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, ‘যেদিন প্রধানমন্ত্রী ব্রিকসে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন, তার পরদিনই প্রচার করা হলো আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিট নষ্ট হয়ে গেছে। এই পাওয়ার প্ল্যান্টের ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসে। অথচ এর সুইচ রয়েছে ভারতের ঝাড়খণ্ডে। তারা যে কোনো সময় তা বন্ধ ও চালু করতে পারে।’ তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘এ ধরনের পরিস্থিতির পেছনের রাজনৈতিক সমীকরণ বুঝতে কি পিএইচডি ডিগ্রির প্রয়োজন হয়?’ শেখ হাসিনাসহ ১৪০০ ছাত্র-জনতার ওপর নির্যাতন ও হত্যাকারীদের ভারতে আশ্রয় দেওয়ার কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, বহু অপরাধী ভারতে পালিয়ে রয়েছে। পূর্বে একটি ঘটনায় সাবেক এক সেনা কর্মকর্তাকে শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়া হলেও এখন ১৪০০ মানুষকে হত্যা করা খুনিদের কেন ফেরত দেওয়া হচ্ছে না—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে চরম প্রশ্ন জেগেছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে রিজভী দাবি করেন, এই সংকট বর্তমান সরকারের তৈরি নয়; এটি বৈশ্বিক পরিস্থিতির ফল। সরকার বিকল্প হিসেবে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমার থেকে গ্যাস আনার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এমনকি চলমান সংকটের মধ্যেও দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শেখ হাসিনার আমলের চেয়ে আড়াই থেকে তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও সংলগ্ন এলাকায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনার ইঙ্গিত করে রিজভী বলেন, একটি পক্ষ ১৯৭১ সালের পরাভূত শক্তির প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছে এবং মধুর ক্যান্টিনকে ‘বিশ্রাম মঞ্জিল’ বানাতে চাইছে। তাদের হুঁশিয়ার করে দিয়ে তিনি বলেন, এই দেশের মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ জনগণ যে কোনো চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষা করবে। আরটিভি/এসএস
বিদ্যুতের সুইচ ভারতের হাতে, যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারে: রিজভী
আরও পড়ুন
গুলিবিদ্ধ রাজুর পেট থেকে বের হচ্ছিল রক্তমাখা ভাত, ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীর বর্ণনা
ক্ষমা পেলেন আন্দোলন করে শাস্তি পাওয়া এনবিআরের ২০ কর্মকর্তা
ভারতজুড়ে ফের আন্দোলনে নামার হুমকি সিজেপির
‘২৪-এর আন্দোলন ফাইনাল যুদ্ধ নয়, এটা ছিল যুদ্ধের রিহার্সেল’