
জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের (এনআইসিটিএফ) নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতারা ঢাকায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) কর্মসূচিতে তারা জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ এবং দেশের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতের উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
এনআইসিটিএফের উপদেষ্টা ও লেখক ড. মারুফ মল্লিক এবং সভাপতি প্রকৌশলী রাফেল কবিরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি জান্নাতুল হক শাপলা ও হাসিবুর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক মামুন অর রশীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জুবায়ের রিয়েল, যুগ্ম সম্পাদক ফুয়াদ হাসান, গণমাধ্যমবিষয়ক সম্পাদক ইয়াসির ওয়ারদাদ তন্ময় এবং আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মো. মোশারেফ হোসেন সিকদারসহ অন্য নেতারা।
গত ২১ অক্টোবর ফোরামটির ১০৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। প্রকৌশলী রাফেল কবিরকে সভাপতি করে গঠিত এ কমিটির প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে অধ্যাপক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানকে। উপদেষ্টাদের মধ্যে আছেন লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মারুফ মল্লিক। কমিটিতে দেশে ও বিদেশে কর্মরত আইসিটি পেশাজীবী, উদ্যোক্তা, গবেষক, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও তরুণ প্রযুক্তিবিদদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ড. মারুফ মল্লিক জানিয়েছেন, দেশের আইসিটি খাতকে ফ্যাসিবাদী প্রভাবমুক্ত করে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা ফোরামের অন্যতম লক্ষ্য। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের আইসিটি রপ্তানি আয় ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনেও কাজ করতে চায় সংগঠনটি।বাংলাদেশ সংবাদ বিশ্লেষণ
তিনি বলেছেন, এ লক্ষ্য অর্জনে প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করা, পেশাজীবীদের দক্ষতা বাড়ানো এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও দক্ষ কর্মীদের জন্য আরও সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।
এনআইসিটিএফ সভাপতি প্রকৌশলী রাফেল কবির জানিয়েছেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে আইসিটি খাতের পেশাজীবীদের সংগঠিত করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে ফোরাম। দেশীয় প্রযুক্তিশিল্পকে শক্তিশালী করা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করাও সংগঠনটির গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার।
ফোরামটি সফটওয়্যার, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা ও অন্যান্য প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে কাজ করতে চায়। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে সংগঠনটি।
তবে পাঁচ বছরের মধ্যে ১০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি, গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ, উন্নত ডিজিটাল অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। নবগঠিত কমিটির মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়নের উদ্যোগ জোরদার করার প্রত্যাশা করছে ফোরামটি।
আরটিভি/এসআর
-1792844086-411619_1792844141.jpg)



