ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

যে আইনে বাতিল হতে পারে গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৪ এএম
সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে নৈতিক স্খলনের অভিযোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কারের পর তার সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে আইনি প্রশ্ন। দল থেকে বহিষ্কারের পর জামায়াত নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) চিঠি দিলেই তার সংসদ সদস্য পদ সরাসরি বাতিল হবে কি না, নাকি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে এ নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সংবিধান কিংবা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল থেকে বহিষ্কৃত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংসদ সদস্য পদ বাতিলের সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। ফলে বিষয়টি নিষ্পত্তিতে ‘সংসদ সদস্যপদ বিরোধ নিষ্পত্তি আইন-১৯৮০’ অনুসরণ করতে হবে।

সংবিধানের ৬৬, ৬৭ ও ৭০ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যের পদ শূন্য হওয়ার বিভিন্ন শর্ত উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে সদস্য নিজে পদত্যাগ করলে কিংবা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংসদে ভোট দিলে আসন শূন্য হওয়ার বিধান রয়েছে। তবে কোনো দল তার সদস্যকে বহিষ্কার করলেই সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে এমন বিধান নেই।

গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে বিরোধ তৈরি হলে বিষয়টি প্রথমে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে উত্থাপন করতে হবে। ‘সংসদ সদস্যপদ বিরোধ নিষ্পত্তি আইন-১৯৮০’-এর ৩ ধারা অনুযায়ী, বিরোধের বিষয়ে স্পিকার ৩০ দিনের মধ্যে একটি লিখিত বিবরণী প্রস্তুত করবেন। এতে বিরোধের বিষয়, সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য এবং বিরোধের পক্ষগুলোর বিস্তারিত তথ্য থাকবে।

এরপর স্পিকার ওই বিবরণী নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠাবেন। অর্থাৎ শুধু রাজনৈতিক দল থেকে ইসিতে চিঠি পাঠালেই কমিশন সরাসরি সংসদ সদস্য পদ বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে না; স্পিকারের মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ইসিতে পাঠানোর প্রয়োজন হবে।

স্পিকারের পাঠানো বিবরণী পাওয়ার পর আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন কার্যক্রম শুরু করবে। কমিশন ১৪ দিনের মধ্যে বিবরণীর অনুলিপি বিরোধের উভয় পক্ষকে পাঠাবে এবং তাদের লিখিত বক্তব্য দাখিলের সুযোগ দেবে।

এরপর কমিশন শুনানির জন্য নির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থান নির্ধারণ করবে। উভয় পক্ষ সরাসরি অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করতে পারবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ দাখিল ও সাক্ষী জেরার সুযোগও থাকবে।

আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী, এ ধরনের বিরোধ নিষ্পত্তিতে নির্বাচন কমিশন দেওয়ানি আদালতের মতো বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। প্রয়োজনে কাউকে সমন জারি করে হাজির করা, শপথের মাধ্যমে সাক্ষ্য নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় নথি তলব করার ক্ষমতাও কমিশনের রয়েছে।

আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী, স্পিকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নথি পাওয়ার পর সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে বিরোধের বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত বা মতামত স্পিকারের কাছে পাঠাতে হবে।

শুনানি শেষে কমিশন যদি গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে সাতক্ষীরা-৪ আসন শূন্য ঘোষণার পর পরবর্তী সাংবিধানিক ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হবে।

বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে দল থেকে বহিষ্কারের পর সংসদ সদস্য পদ নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নজির রয়েছে।

২০০০ সালে তৎকালীন বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামানকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়। পরে তৎকালীন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বিষয়টি স্পিকারের কাছে উত্থাপন করেন। স্পিকারের রেফারেন্সের পর নির্বাচন কমিশন শুনানি করে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল করে।

একইভাবে, ২০১৫ সালে হজ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তৎকালীন মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হলে বিষয়টি স্পিকারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে যায়। ইসিতে শুনানি শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগেই লতিফ সিদ্দিকী নিজে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে জামায়াতের পদক্ষেপের পর নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, বিষয়টি তারা পর্যবেক্ষণ করছে। জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, স্পিকারের মাধ্যমে সংবিধানের ৬৬(৪) অনুচ্ছেদ বা সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক চিঠি ইসিতে এলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ফলে জামায়াতের বহিষ্কারাদেশের পরই গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হচ্ছে এমন সিদ্ধান্তে যাওয়ার সুযোগ নেই। বরং বিষয়টি স্পিকারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো এবং এরপর নির্ধারিত বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা রয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে, সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ষড়যন্ত্রকারী ও ধান্দাবাজরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে বলে মনে হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। পোশাকশিল্পে অস্থিরতা, বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সোমবার (২ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। পোস্টে শফিকুর রহমান বলেন, পোশাকশিল্পে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের মতো উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটছে। কোনো মালিক কিংবা শ্রমিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না। তিনি বিশ্বাস করেন, কোনো শ্রমিকই এ ধরনের কাজে জড়িত হবেন না। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে প্রায় ৬০০টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শীত মৌসুম সামনে রেখে পোশাকশিল্পে যে সম্ভাবনা তৈরি হয়, তা ধ্বংস করার পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ পরিস্থিতিতে মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আন্তরিক ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান জামায়াত আমির। আরটিভি/এমএম
পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে, সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের
পদ হারালেন কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির ও নায়েবে আমির
রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম।
পদ হারালেন কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির ও নায়েবে আমির
শিক্ষাঙ্গনগুলো জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার কেন্দ্রে পরিণত হোক: ডা. শফিকুর
বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতীতে শিক্ষাঙ্গনগুলো গণরুম, গেস্টরুম কালচার ও অপসংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু ছিল। আমাদের শিক্ষাঙ্গনগুলো জ্ঞান চর্চা এবং গবেষণার কেন্দ্রে পরিণত হোক। আমরা এগুলাকে স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে চাই। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকে আয়োজিত পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবিতে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ কর্মসূচিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াতে আমির বলেন, আগস্টের পর বাংলাদেশের পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে। তার ধারে কাছেও অন্যরা আসতে পারে নাই। ​কেন ছাত্রশিবিরকে এতো ভালোবাসে ছাত্রজনতা? তার একমাত্র কারণ হচ্ছে— ছাত্রশিবিরের জ্ঞানকে, শিক্ষাকে, প্রজ্ঞাকে সম্মান করে। ইবিতে নির্বাচনে হলে কি চিত্র হতো? নিশ্চয় একই চিত্র দেখা যেত। ষড়যন্ত্র করে এখানে নির্বাচন দেওয়া হয়নি। ডা. শফিকুর বলেন,​যে সমস্ত জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন হয়েছে, সব জায়গা থেকে সারা জীবনের জন্য গণরুম বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। ​এখন ছাত্র-ছাত্রীরা শান্তিতে, মেধার ভিত্তিতে— তারা হলে সম্মানের সহিত নিরাপত্তা ও গৌরবের সাথে থাকতে পারে। এখন তারা লেখাপড়ায় মনোযোগ দেয়, কারণ মিছিলে যাইতে কাউকে বাধ্য করা হয় না। শফিকুর রহমান বলেন, সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চাই যেখানে সুশিক্ষা হাতে নিয়ে আমাদের সন্তানেরা একদিন এক মুহূর্তও বেকারের দুঃখ বুঝবে না, বরঞ্চ দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করবে— সেই শিক্ষাটাই আমরা আমাদের সন্তানদেরকে দিতে চাই।​যারা এটা চায় না, তারাই গণভোটের পুনরাবৃত্তি মানতেও চায় না। অন্যায় ও আধিপত্যবাদের কাছে তারা কখনো মাথা নত করবেন না এবং মাথা সোজা করেই এ জাতি সামনে এগিয়ে দাঁড়াবে। আরটিভি/এসআর  
শিক্ষাঙ্গনগুলো জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার কেন্দ্রে পরিণত হোক: ডা. শফিকুর
‎জামায়াত ছাড়লেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।  শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এ ঘোষণা দেন তিনি। অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ‎চট্টগ্রাম দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী। তিনি পেকুয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রোকন সদস্য এবং রাজাখালী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি ছিলেন।  ২০১৬ ও ২০২১ সালের রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি দুইবার জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ‎ফেসবুক পোস্টে হুমায়ুন কবির লেখেন, ‘আজকে থেকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বিদায় নিলাম। রাজাখালী জামায়াতে ইসলামী ন্যায়-ইনসাফ টাকার বিনিময়ে প্রতিষ্ঠা করেছে। টাকার বিনিময়ে বিক্রি হওয়া ব্যক্তিরা ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবে।’ ‎  ‎জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বলেন, দলীয় রাজনীতির কঠিন সময়ে যখন অনেকে ভয়ে নিজেদের জামায়াত পরিচয় প্রকাশ করতেও অনাগ্রহী ছিলেন, তখন ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে সংগঠনের হয়ে মাঠে সক্রিয় ছিলাম। ওই সময়ে আমাকে সামনে রেখেই রাজাখালীতে জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে। আজ আমাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। তাই স্বেচ্ছায় জামায়াতের রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছি। ‎  ‎তিনি আরও বলেন, আমি জনগণের মনোনীত রাজাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইনশাআল্লাহ। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি। ‎‎অন্যদিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, হুমায়ুন কবিরের দল ছাড়ার বিষয়টি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হতে পারে। সংগঠনের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জেলা আমির অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী এবং সাংগঠনিক সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসাইন ও আল আমিন মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ, অর্থ বা প্রভাবের কোনো বিষয় নেই। ‎ ‎ তিনি বলেন, ‘সংগঠনের পক্ষ থেকে যোগ্যতা, সাংগঠনিক অবস্থান, জনসম্পৃক্ততা ও নির্বাচনী সার্বিক সক্ষমতাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করেই প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নিয়ে কারও কোনো অভিযোগ বা বক্তব্য থাকার কথা নয়।’ আরটিভি/এসআর
‎জামায়াত ছাড়লেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির
তাহসিফের মৃত্যুতে জামায়াতের বিবৃতি
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মৃত্যুতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যর্থতার জবাবদিহিতা দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তাহসিফের মৃত্যুতে জামায়াতের বিবৃতি
আরও পড়ুন
বাস-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পেলেন সোনাবাড়ীয়ার শতাধিক মানুষ
এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য, চিরকুটে শিক্ষককে দায় দিয়ে না ফেরার দেশে শিক্ষার্থী
কলারোয়ায় রাস্তা দখল করার ‘খেসারত’ দিলেন ৯ ব্যবসায়ী