ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

সরকারকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভূতে ধরেছে: গোলাম পরওয়ার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৪ পিএম
জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাকার দক্ষিণে বিক্ষোভ করে জামায়াতে ইসলামী; এতে নেতৃত্ব দেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। । ছবি: সংগৃহীত

সরকারকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভূতে ধরেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলের আগে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এ বিক্ষোভের আয়োজন হয়।

গোলাম পরওয়ার বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভূতে ধরেছে বলেই সরকার একের পর এক গণবিরোধী কাজ করছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সরকার গণভোটের রায় মেনে নেয়নি। সংসদে জুলাই সনদ অধ্যাদেশ, সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশসহ গুরুত্বপূর্ণ সব অধ্যাদেশ বাতিল করেছে।

তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি সরাসরি জনগণের ওপর প্রভাব ফেলে। কিন্তু সরকার ক্ষমতা গ্রহণের ৭ মাসের মধ্যে ৩ বার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। ফলে, দ্রব্যমূল্যসহ সবকিছুর দাম বৃদ্ধি হয়ে জনগণকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, বেগম জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন আমরা তাকে রাষ্ট্র পরিচালনায় সহযোগিতা করেছিলাম। কিন্তু তখনও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী টুকুর ব্যর্থতায় সরকারকে বেকায়দায় পড়তে হয়েছে। এখনও আবার তাকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়ে জনগণকে দুর্ভোগের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জনগণ এখন আর বলেন না, বিদ্যুৎ যায় আর আসে। জনগণ বলে, টুকু যায় আর আসে।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা থেকে দেশকে রক্ষা করতে বিরোধীদলের সাথে আলোচনা করে করণীয় নির্ধারণ করতে হবে। নতুবা জনগণ যেভাবে লংমার্চে রাজপথে নেমে এসেছে, পরে দেখা যাবে গ্রামগঞ্জ থেকে মানুষ লংমার্চ নিয়ে ঢাকার দিকে ছুটছে। তখন কিন্তু গদি রক্ষা করা যাবে না।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দিয়ে পালিয়ে যাবে’
সরকারকে উদ্দেশ্য করে  বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, ওই সাপই একদিন ছোবল দিবে। ছোবল দিয়ে সাপ কিন্তু পালিয়ে যাবে। কিন্তু পড়ে থাকবে আপনাদের লাশ।
‘সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দিয়ে পালিয়ে যাবে’
পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে, সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ষড়যন্ত্রকারী ও ধান্দাবাজরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে বলে মনে হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। পোশাকশিল্পে অস্থিরতা, বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সোমবার (২ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। পোস্টে শফিকুর রহমান বলেন, পোশাকশিল্পে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের মতো উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটছে। কোনো মালিক কিংবা শ্রমিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না। তিনি বিশ্বাস করেন, কোনো শ্রমিকই এ ধরনের কাজে জড়িত হবেন না। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে প্রায় ৬০০টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শীত মৌসুম সামনে রেখে পোশাকশিল্পে যে সম্ভাবনা তৈরি হয়, তা ধ্বংস করার পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ পরিস্থিতিতে মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আন্তরিক ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান জামায়াত আমির। আরটিভি/এমএম
পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে, সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের
পদ হারালেন কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির ও নায়েবে আমির
রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম।
পদ হারালেন কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির ও নায়েবে আমির
শিক্ষাঙ্গনগুলো জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার কেন্দ্রে পরিণত হোক: ডা. শফিকুর
বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতীতে শিক্ষাঙ্গনগুলো গণরুম, গেস্টরুম কালচার ও অপসংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু ছিল। আমাদের শিক্ষাঙ্গনগুলো জ্ঞান চর্চা এবং গবেষণার কেন্দ্রে পরিণত হোক। আমরা এগুলাকে স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে চাই। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকে আয়োজিত পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবিতে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ কর্মসূচিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াতে আমির বলেন, আগস্টের পর বাংলাদেশের পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে। তার ধারে কাছেও অন্যরা আসতে পারে নাই। ​কেন ছাত্রশিবিরকে এতো ভালোবাসে ছাত্রজনতা? তার একমাত্র কারণ হচ্ছে— ছাত্রশিবিরের জ্ঞানকে, শিক্ষাকে, প্রজ্ঞাকে সম্মান করে। ইবিতে নির্বাচনে হলে কি চিত্র হতো? নিশ্চয় একই চিত্র দেখা যেত। ষড়যন্ত্র করে এখানে নির্বাচন দেওয়া হয়নি। ডা. শফিকুর বলেন,​যে সমস্ত জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন হয়েছে, সব জায়গা থেকে সারা জীবনের জন্য গণরুম বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। ​এখন ছাত্র-ছাত্রীরা শান্তিতে, মেধার ভিত্তিতে— তারা হলে সম্মানের সহিত নিরাপত্তা ও গৌরবের সাথে থাকতে পারে। এখন তারা লেখাপড়ায় মনোযোগ দেয়, কারণ মিছিলে যাইতে কাউকে বাধ্য করা হয় না। শফিকুর রহমান বলেন, সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চাই যেখানে সুশিক্ষা হাতে নিয়ে আমাদের সন্তানেরা একদিন এক মুহূর্তও বেকারের দুঃখ বুঝবে না, বরঞ্চ দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করবে— সেই শিক্ষাটাই আমরা আমাদের সন্তানদেরকে দিতে চাই।​যারা এটা চায় না, তারাই গণভোটের পুনরাবৃত্তি মানতেও চায় না। অন্যায় ও আধিপত্যবাদের কাছে তারা কখনো মাথা নত করবেন না এবং মাথা সোজা করেই এ জাতি সামনে এগিয়ে দাঁড়াবে। আরটিভি/এসআর  
শিক্ষাঙ্গনগুলো জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার কেন্দ্রে পরিণত হোক: ডা. শফিকুর
‎জামায়াত ছাড়লেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।  শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এ ঘোষণা দেন তিনি। অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ‎চট্টগ্রাম দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী। তিনি পেকুয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রোকন সদস্য এবং রাজাখালী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি ছিলেন।  ২০১৬ ও ২০২১ সালের রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি দুইবার জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ‎ফেসবুক পোস্টে হুমায়ুন কবির লেখেন, ‘আজকে থেকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বিদায় নিলাম। রাজাখালী জামায়াতে ইসলামী ন্যায়-ইনসাফ টাকার বিনিময়ে প্রতিষ্ঠা করেছে। টাকার বিনিময়ে বিক্রি হওয়া ব্যক্তিরা ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবে।’ ‎  ‎জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বলেন, দলীয় রাজনীতির কঠিন সময়ে যখন অনেকে ভয়ে নিজেদের জামায়াত পরিচয় প্রকাশ করতেও অনাগ্রহী ছিলেন, তখন ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে সংগঠনের হয়ে মাঠে সক্রিয় ছিলাম। ওই সময়ে আমাকে সামনে রেখেই রাজাখালীতে জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে। আজ আমাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। তাই স্বেচ্ছায় জামায়াতের রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছি। ‎  ‎তিনি আরও বলেন, আমি জনগণের মনোনীত রাজাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইনশাআল্লাহ। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি। ‎‎অন্যদিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, হুমায়ুন কবিরের দল ছাড়ার বিষয়টি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হতে পারে। সংগঠনের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জেলা আমির অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী এবং সাংগঠনিক সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসাইন ও আল আমিন মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ, অর্থ বা প্রভাবের কোনো বিষয় নেই। ‎ ‎ তিনি বলেন, ‘সংগঠনের পক্ষ থেকে যোগ্যতা, সাংগঠনিক অবস্থান, জনসম্পৃক্ততা ও নির্বাচনী সার্বিক সক্ষমতাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করেই প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নিয়ে কারও কোনো অভিযোগ বা বক্তব্য থাকার কথা নয়।’ আরটিভি/এসআর
‎জামায়াত ছাড়লেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির
আরও পড়ুন
নতুন দুই গ্যাসকূপ খনন করবে সরকার, চলবে ১০ বছর
সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সরকারের জরুরি বার্তা
২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন
এবার বেসরকারি শিক্ষকদের পে-স্কেল নিয়ে নতুন খবর