ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

মুখ খুললেন ব্যারিস্টার সুমন (ভিডিও)

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২১, ০১:০২ পিএম
আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২১, ০১:২১ পিএম
ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন

যুবলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার পরদিন মুখ খুলেছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। তিনি ফেসবুক লাইভে বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, দল যখন সিদ্ধান্ত নেয় তখন দলের ভালো হবে এই চিন্তা করেই সিদ্ধান্ত নেয়। আমার এই সিদ্ধান্তে কোনো দ্বিমত নেই।’

রোববার (৮ আগস্ট) দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পেজ থেকে এক ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন তিনি।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, বাংলাদেশ, জয় বাংলা এবং বঙ্গবন্ধু ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যারা জয় বাংলা এবং বঙ্গবন্ধুকে বিশ্বাস করে না, তাদের নৈতিকভাবে কোনো অধিকারই থাকে না এই দেশে থাকার।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হচ্ছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক। আমি শুধু এই কথা বলার চেষ্টা করেছি, এটি বুকে ধারণ করতে হয়। জয় বাংলা ও জয় বঙ্গবন্ধু এই স্লোগান হবে বাংলাদেশের স্বার্থে, আওয়ামী লীগের স্বার্থে, আপামর মানুষের স্বার্থে।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, যারা আমার দল করেন তারা যদি আমার কথায় কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে আমি ক্ষমা প্রার্থী। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমি জয় বাংলার লোক, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের লোক।

শনিবার (৭ আগস্ট) যুবলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয় ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে।

যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল শনিবার (৭ আগস্ট) রাতে আরটিভি নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সংগঠনের গঠনতন্ত্র বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

গত ৪ আগস্ট রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদ শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে শরীয়তপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি দলীয় কর্মসূচিতে স্লোগান দিয়েছিলেন সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন। "শুভ শুভ দিন শেখ কামালের জন্মদিন। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু" ওই স্লোগানের ২৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। প্রকাশ্যে রাজনৈতিক প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে স্লোগান দেয়ায় ওসি সরকারি বিধিমালা ১৯৭৯ লঙ্ঘন করেছেন এমন কথাও বলেন কেউ কেউ।

এই ঘটনার পর যুবলীগ নেতা ব্যারিস্টার সুমন সবচেয়ে বেশি সমালোচনা করেন। ৬ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে ওসির এই স্লোগানের নিন্দা জানান ব্যারিস্টার সুমন।

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থেকে দল ও মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা স্লোগানের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখানোর কারণে ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এসআর/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া ছাড়া বিকল্প নেই’
দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া ছাড়া বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।   আজ মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সংলাপ শেষে এ কথা জানান তিনি।  স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছেন রাষ্ট্রপতি। সংলাপের পঞ্চম দিনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা শেষে রাশেদ খান মেনন বলেন, প্রয়োজনে একদিনেও আইন প্রণয়ন করা যায়। ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন তো আমরা একদিনেই করেছি। আইন প্রণয়নের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্য আছে এখন সেটা করার উদ্যোগ নেওয়া দরকার। মেনন বলেন, নতুন বছরে শুরুর অধিবেশনে আইন প্রণয়ন করা যেতে পারে। আইন করতে হবে, প্রয়োজনে একদিনেও আইন প্রণয়ন করা যায়। সার্চ কমিটি গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, সার্চ কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কার্যকরী কমিটির পরামর্শ দিয়েছি। দুইজন নারী সদস্য রাখার প্রস্তাব দিয়েছি। গণতন্ত্রে সংলাপ খুব গুরুত্বপূর্ণ জানিয়ে তিনি বলেন, সংলাপ নিয়ে যারা সমালোচনা করছে তাদের জনমত গঠন করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাই। এর আগে বিকেল চারটায় বঙ্গভবনে এ সংলাপ শুরু হয়। এতে দলের সভাপতি রাশেদ খান মেননসহ সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেন। এসএস/এসকে
‘দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া ছাড়া বিকল্প নেই’
ভাঙচুর মামলায় জামায়াত নেতা শাহজাহানসহ ১৮ জনের বিচার শুরু 
মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের পর চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার চরতি ইউনিয়নে বৌদ্ধ বিহার ভাঙচুর ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় চট্টগ্রামের শীর্ষ জামায়াতে নেতা ও সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরীসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত।  সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন্নাহার রুমির আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। আদালত আগামী ৩০ মার্চ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন বলে জানিয়েছেন আদালতের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা।  এদিন অভিযোগ গঠনের শুনানিতে জামায়াতের দলীয় সাবেক সাংসদ শাহজাহান চৌধুরী আদালতে হাজির ছিলেন। শাহজাহানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। ১৮ জন আসামির মধ্যে ১৩ জন পলাতক রয়েছে। এই মামলায় শাহজাহান চৌধুরী জামিনে রয়েছে।   আদালত সূত্রে জানা যায়, জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের পর সাতকানিয়া থানার চরতি ইউনিয়নে বৌদ্ধ বিহার ভাঙচুর ঘটনায় সাতকানিয়া থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে চট্টগ্রামের শীর্ষ জামায়াত নেতা ও সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরীসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেন। এ মামলায় শাহজাহান চৌধুরীসহ ১৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আগামী ৩০ মার্চ থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ছিলেন। ২০১০ সালের ২ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।  ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য সাঈদীর ফাঁসির রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ফাঁসির রায়ের পর ঢাকা-চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক এবং সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, সীতাকুণ্ডসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় সহিংস তাণ্ডব শুরু করে জামায়াত ইসলামীর নেতা-কর্মীরা।  এমএন/এসকে
ভাঙচুর মামলায় জামায়াত নেতা শাহজাহানসহ ১৮ জনের বিচার শুরু 
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে তরিকত ফেডারেশন (ভিডিও)
নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে আজ সংলাপে অংশ নিয়েছে তরিকত ফেডারেশন। সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে বঙ্গভবনে প্রথমে তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারির নেতৃত্ব ৭ সদস্যের প্রতিনিধিদল। আইন প্রয়োগের ওপর জোর দিয়ে চার দফা প্রস্তাবনা জানিয়েছে তরিকত ফেডারেশন। সময় সাপেক্ষে আলোচনায় তা করা হতে পারে বলে মত দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। তবে এবার সংলাপে রাজনৈতিক দলের বাইরে সুশীল সমাজের সঙ্গে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করে তরিকত। বিতর্কিত ব্যক্তি নয়, সার্চ কমিটিতে কারা থাকতে পারে, তারও প্রস্তাবও দেওয়া হয় বলে জানান চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি।  এদিন সন্ধ্যায় অংশ নেবে খেলাফত মজলিস। এর আগে ২০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া সংলাপে অংশ নেয় জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)। আগামীকাল (মঙ্গলবার) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, ২৯ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) এবং একই দিন সন্ধ্যা ৬টায় ইসলামী ঐক্যজোট রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেবে।    এ ছাড়া ২ জানুয়ারি গণফোরাম ও বিকল্পধারা এবং ৩ জানুয়ারি গণতান্ত্রিক পার্টি ও বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি সংলাপে অংশ নেবে। কেএম নুরুল হুদার নেতৃত্বে বর্তমান ইসির মেয়াদ ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে। সংবিধান অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি নতুন কমিশন গঠন করবেন। ওই কমিশনের অধীনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এনএইচ/এসকে
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে তরিকত ফেডারেশন (ভিডিও)
যে কারণে সংলাপে যায়নি বাসদ
নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে বসেনি বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রি দল-বাসদ। রোববার (২৬ ডিসেম্বর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অনুষ্ঠিত সংলাপে সন্ধ্যা ৬টায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল বাসদের। কিন্তু তারা এই সংলাপে অংশ নেয়নি। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ না নেওয়া বিষয়ে বাসদের সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে এর আগে দু’বার সংলাপে অংশ নিয়েছি। সেই সংলাপে দলের পক্ষ থেকে বেশকিছু প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো এখনও প্রাসঙ্গিক। এখন ফের সংলাপে গিয়ে কী লাভ? এদিকে আজ রোববার আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয়।  ন্যাপের সঙ্গে সংলাপ শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, সংলাপে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি স্বাধীন, কার্যকরী গ্রহণযোগ্য ইসি গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সাত দফা দাবি পেশ করেন। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য একটি আইন প্রণয়ন করা। ইসি গঠনের ক্ষেত্রে যোগ্য, দক্ষ, নির্মোহ, সৎ ও জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের নিয়োগ দেওয়া। জবাবদিহিমূলক নির্বাচন কমিশন গঠন করা। স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা। বিকাল ৪টায় বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন ন্যাপের প্রতিনিধি দল। এ সময় রাষ্ট্রপতি তাদেরকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠন একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনই সংলাপের আলোচনার মূল লক্ষ্য। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন পর্যায়ক্রমে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে একটি দক্ষ, শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন করা সম্ভব হবে। তিনি এ সময় ইসি গঠনে সব রাজনৈতিক দলগুলোর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। প্রসঙ্গত, গত ২০ ডিসেম্বর সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপ করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।  ২২ ডিসেম্বর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।  এফএ/এসকে
যে কারণে সংলাপে যায়নি বাসদ
রাষ্ট্রপতিকে ন্যাপের ৭ প্রস্তাব 
নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে চলমান সংলাপের তৃতীয় দিনে সাত প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)। রোববার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সংলাপে এসব প্রস্তাব দেন ন্যাপের নেতারা। ন্যাপের দায়িত্বপ্রাপ্ত কার্যকরী সভাপতি আইভি আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সংলাপে অংশ নেন। সংলাপ শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, সংলাপে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি স্বাধীন, কার্যকরী অগ্রহণযোগ্য ইসি গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সাত দফা দাবি পেশ করেন। প্রস্তাবগুলোর উল্লেখযোগ্য হলো- সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য একটি আইন প্রণয়ন করা, ইসি গঠনে ক্ষেত্রে যোগ্য, দক্ষ, নির্মোহ, সৎ ও জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের নিয়োগ দেওয়া, জবাবদিহিমূলক নির্বাচন কমিশন গঠন করা এবং স্বাধীনতার  চেতনা বিরোধী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা। প্রেস সচিব জানান, রাষ্ট্রপতি  বঙ্গভবনে ন্যাপের প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠন একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনই সংলাপের আলোচনার মূল লক্ষ্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন পর্যায়ক্রমে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনার ভিত্তিতে একটি দক্ষ, শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন করা সম্ভব হবে। রাষ্ট্রপ্রধান দেশের ইসি গঠনে সকল রাজনৈতিক দলগুলোর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সংলাপে অংশ নেওয়া ন্যাপের প্রতিনিধিরা হলেন-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান, কাজী সিদ্দিকুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আহমেদ খান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক পার্থসারথি চক্রবর্তী ও সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য অনিল চক্রবর্তী রাষ্ট্রপতির সাথে আলোচনায় অংশ নেন। সূত্র: বাসস এনএইচ 
রাষ্ট্রপতিকে ন্যাপের ৭ প্রস্তাব 
আরও পড়ুন
ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গ্যারেজে, যুবক নিহত
পাবনায় যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা
আ.লীগের ৫ নেতা বহিষ্কার, দুই নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থার সুপারিশ
কক্সবাজারে দলবেঁধে ধর্ষণ : আসামি জয় গ্রেপ্তার