ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

জাপানে অনুষ্ঠিত হলো ‘বিজয়ের-৫০’ 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৩১ পিএম

গত ১৯ ডিসেম্বর জাপানের ওসাকা শহরের ইকুনো কমিউনিটি সেন্টারে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামাজিক সংগঠন 'কানসাই বাংলাদেশ সোসাইটি (কেবিএস)' কর্তৃক স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান 'বিজয়ের -৫০' অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন কেবিএস সহ-সভাপতি মো. জাহিদুর রায়হান।

জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শহীদদের উদ্দেশ্যে প্রতীকী জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক দেওয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সূচনা হয়।

মূল পর্বের বিজয় দিবসের আলোচনায় সংগঠনটির উপদেষ্টা জনাব মো. আশরাফুজ্জামান রুমেল বলেন, শুধু শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবার বিস্তার নয় একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের মধ্য দিয়েই অর্জিত হবে শহীদদের স্বপ্নের সোনার বাংলা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি জাপানি সাহিত্যিক নিশিকামে মাকোতো সব মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী বীর বাঙালিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং একটি সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রত্যাশা করেন।

মেধাবী এ লেখকের বক্তব্য বাংলায় অনুবাদ করেন সংগঠনটির সহ-সভাপতি মোঃ জাকের মাহমুদ।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মনোমুগ্ধকর বাংলা গান করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার রুমি, সিম্মী জুবাইরী, ওয়াদী সহ জাপানিজ পেশাগত কয়েকজন কণ্ঠশিল্পী।

এছাড়াও দেশাত্মবোধক নৃত্য পরিবেশন করেন কারুরা ডান্স একাডেমির জাপানিজ নৃত্যশিল্পীরা।

বর্তমান প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতি নিয়ে উদ্বুদ্ধ করার জন্য অনুষ্ঠানে আরও আয়োজন করা হয় শিশু-কিশোর পর্ব।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতা করেন মমস ক্যাফে-এর কর্ণধার আপেল মাহমুদ। নানাবিধ বর্ণিল আয়োজনের এ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডা. তানিয়া তাবাসসুম নিসা।

এনএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দক্ষিণ আফ্রিকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশি খুন
দক্ষিণ আফ্রিকার পুমালাঙ্গ প্রদেশের পিটারটিপে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির হাতে নির্মমভাবে খুন হয়েছেন মঈন উদ্দিন (৫৬) নামের এক বাংলাদেশি। সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, পিটারটিপে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই ধারাল অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে এবং মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।ঘটনার পরপরই সেখানে পুলিশ আসে এবং নিহতের মরদেহ স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। মঈন উদ্দিন কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের পদুয়ারপাড় গ্রামের মৃত মনতাজ মিয়ার ছেলে। সে দীর্ঘ আট বছর ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবসা করছিলেন। তার এমন মৃত্যুতে পরিবারসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতের মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে বলে তার পরিবারকে জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থানরত প্রতিবেশী বাংলাদেশিরা। পি/এসকে  
দক্ষিণ আফ্রিকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশি খুন
দালালের খপ্প‌রে প‌ড়ে মালদ্বী‌পে কারাবন্দি ১০০ বাংলাদেশি (ভিডিও)
বন্দি বিনিময় চুক্তি না থাকায় ভাগ্য বদলে মালদ্বীপে যেয়ে কারাগারে দিন কাটছে শতাধিক বাংলাদেশির। যাদের অনেকেই প্রতারণার শিকার বলে দাবি স্বজনদের। প্রধানমন্ত্রীর সফরেই দু’দেশের মধ্যে বন্দি বিনিময় চুক্তি করার দাবি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর। উন্নত জীবনের আশায় মালদ্বীপে কাজ করতে এসে বাছরের পর বছর বন্দিজীবন কাটাচ্ছেন প্রায় একশ' বাংলাদেশি। যাদের মধ্যে কারাগারে আছেন ৭০ জন, বাকি ৩০ জন বন্দিশিবির বা ডিটেনশন সেন্টারে। বন্দিদের বেশিরভাগই মাদক মামলার আসামি। দালাল আর মাদকচক্রের খপ্পরে পড়ে বিমানবন্দর থেকে আটক হন অনেকে। পরিবারের দাবি বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার সময়ই গোপনে তাদের লাগেজে মাদক ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলায় কারাভোগের ঘটনাও রয়েছে। তবে স্বজনদের অভিযোগ, অনেক প্রবাসী একটি চক্রের কারণে জেল খাটছেন। এমনই এক কারাবন্দির মা বলেন, দালালে চক্রান্ত করে আমার ছেলেটাকে জেলখানায় ফেলেছে। অবৈধ মাল দিয়ে ২৫ বছরের জেল দিয়ে দিছে। আমি আর ধৈর্য ধরে থাকতে পারছি না। দালালদের ধরতে পারছি না।   স্বজনদের আরেকজন বলেন, আজকে সাত বছর যাবত মালদ্বীপের জেলখানায় আছে। তার ২৫ বছরের সাজা হইছে। আপনারা আমার ভাইকে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেন।  বন্দি প্রবাসীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। কারাবন্দি একজনের মা বলেন, আমার একটাই ছেলে। ছয় বছর ধরে কোনও খোঁজ খবর পাই না। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাই, আমার ছেলেকে যেন আমার কাছে ভিক্ষা দেন। ডিটেনশন সেন্টারে থাকা ব্যক্তিদের দেশে ফেরত পাঠাবে মালদ্বীপ। বাকিদের ওই দেশের আইনেই সাজা খাটতে হবে বলে জানান মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাই কমিশনার।  তিনি বলেন, ১০০ জনের কাছাকাছি বাংলাদেশি মালদ্বীপের কারাগারে আছেন। আমরা চেষ্টা করছি একটা বন্দি বিনিময় চুক্তি করতে।  প্রবাসে যেয়ে বাংলাদেশিরা যেন অপরাধে জড়িয়ে না পড়েন, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস।  এনএইচ/এসকে
দালালের খপ্প‌রে প‌ড়ে মালদ্বী‌পে কারাবন্দি ১০০ বাংলাদেশি (ভিডিও)
মালয়েশিয়ায় বন্যাদুর্গতদের পাশে প্রবাসী বাংলাদেশিরা
মালয়েশিয়ায় ভারী বর্ষণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বৃহস্পতিবার রাজধানী কুয়ালালামপুরের অদূরে শাহ আলমের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে দুর্গত মানুষের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বিতরণ করা হয়। কুয়ালালামপুর মহানগর যুবলীগের নেতৃত্বে স্থানীয়দের মাঝে এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়।  এ বিষয়ে দলটির মহানগরের সভাপতি রিসাদ বিন আবদুল্লাহ হৃদয় বলেন, যুবলীগ সবসময় মানবিক। দেশ এবং প্রবাসে সবখানেই অসহায় মানুষের পাশে রয়েছে যুবলীগ। স্মরণকালের ভয়াবহ এ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরে ভালো লাগছে।  এ সময় মহানগর যুবলীগের সহসভাপতি আনোয়ার, প্রচার ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক জুনায়েদ হোসেন কাজল, সহসম্পাদক জোনায়েদ হোসেন হৃদয়, সজিবসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।  মহানগর যুবলীগের পক্ষ থেকে স্থানীয়দের পাশাপাশি বন্যায় আটকে পড়ে খাদ্যাভাবে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও সহযোগিতা করা হয়। উল্লেখ্য, টানা বৃষ্টিতে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত পানির নিচে যায়, ঘর ছাড়তে বাধ্য হয় লক্ষাধিক মানুষ। ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় এখনও পর্যন্ত দেশটিতে মারা গেছে ২০ জনেরও বেশি মানুষ। দেশজুড়ে চলা এ দুর্যোগে বিভিন্ন স্থানের সড়ক ও মহসড়ক যান চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়ে।  বন্যা পরবর্তী সময়ে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি স্থানীয় ও প্রবাসী ব্যবসায়ীরাও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এনএইচ/টিআই
মালয়েশিয়ায় বন্যাদুর্গতদের পাশে প্রবাসী বাংলাদেশিরা
হুন্ডিতে টাকা পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন মালদ্বীপ প্রবাসীরা (ভিডিও)
বৈধ উপায় না থাকায় হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠাতে বাধ্য হচ্ছে মালদ্বীপ প্রবাসী অধিকাংশ বাংলাদেশি। এতে রেমিট্যান্স হারাচ্ছে দেশ। প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফরে ব্যাংকের বিষয়ে আলোচনা ও এই সমস্যার সমাধানের উপায় খুঁজে বের করা হবে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। গেল কয়েক দশক ধরে ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপের শ্রমবাজার বাংলাদেশিদের দখলে। পাঁচ লাখের বেশি অধিবাসীর এই দেশে এক লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি। তবে ৫০ হাজার অনিয়মিত বাংলাদেশিদের ভোগান্তির শেষ নেই এখানে। দেশটিতে একটা সমস্যা হচ্ছে কর্মীদের বেতন ধরা হয় ডলারে। কিন্তু পরিশোধের সময় দেওয়া হয় স্থানীয় মুদ্রা রুপিয়াতে। এখানেই বড় একটি ফাঁকি রয়েছে বলে অভিযোগ বাংলাদেশি কর্মীদের। সরকারিভাবে ১ ডলারে পাওয়া যায় ১৫ রুপিয়া। কোম্পানিগুলো সরকারি দরেই রুপিয়া দিয়ে কর্মীদের বেতন পরিশোধ করে। কিন্তু দেশে পাঠানোর জন্য তাদের আবার ডলার কিনতে হয়। আর কেনার সময় ১৯ রুপিয়া দিয়ে এক ডলার কিনতে হয়। এতে প্রতি ডলারে তিন থেকে চার রুপিয়া বঞ্চিত হন বাংলাদেশি কর্মীরা; যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ টাকা। বছর শেষে তাদের এই বঞ্চনার অঙ্কটা বিশাল আকারে দাঁড়ায়। এই বঞ্চনার হাত থেকে বাঁচতে দ্রুতই মালদ্বীপে একটি বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা স্থাপনের জোর দাবি প্রবাসীদের। ব্যাংক না থাকায় অধিকাংশ বাংলাদেশি হুন্ডির মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠাচ্ছেন। ফলে বড় অঙ্কের রেমিট্যান্স হারাচ্ছে বাংলাদেশ। একজন প্রবাসী বাংলাদেশি বলেন, সরকারের কাছে আমাদের আবেদন হচ্ছে, সরকার এ একটা ব্যাংক স্থাপন করুক যেন আমরা বৈধ উপায়ে টাকাটা দেশে পাঠাতে পারি।  মালদ্বীপের প্রবাসীদের রেমিটেন্স পাঠানোর জন্য ব্যাংককের শাখা খোলার বিষয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মালদ্বীপ থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য প্রক্রিয়া চলমান আছে। সেখানে ব্যাংক একটা হওয়ার জন্য কথাবার্তা হচ্ছে। সেটা সরকারি বা বেসরকারি যা-ই হোক, আমরা উৎসাহিত করি। দেশে টাকা পাঠাতে মালদ্বীপের কর্মীদের জন্য সহজ উপায় খুঁজে বের করা হবে বলে জানান তিনি। এনএইচ/টিআই
হুন্ডিতে টাকা পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন মালদ্বীপ প্রবাসীরা (ভিডিও)
মালয়েশিয়া যেতে যেসব সুবিধা পাচ্ছেন বাংলাদেশি কর্মীরা
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রায় তিন বছর পর ফের উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। এ স্মারকের আওতায় মালয়েশিয়া যেতে বাংলাদেশি শ্রমিকরা বেশকিছু সুবিধা পাবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।  রোববার (১৯ ডিসেম্বর) প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশি কর্মীদের মালয়েশিয়া প্রান্তের সব খরচ নিয়োগকর্তা বহন করবেন। যেমন রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি নিয়োগ, মালয়েশিয়ায় নিয়ে যাওয়া, তাঁদের আবাসন, কর্মে নিয়োজিত করা এবং কর্মীর নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর খরচ বহন করবেন। নিয়োগকর্তা নিজ খরচে মালয়েশিয়ান রিক্রুটিং এজেন্ট নিযুক্ত করতে পারবেন। মালয়েশিয়ায় আসার পর বাংলাদেশি কর্মীর ইমিগ্রেশন ফি, ভিসা ফি, স্বাস্থ্য পরীক্ষার খরচ, ইনস্যুরেন্স–সংক্রান্ত খরচ, করোনা পরীক্ষার খরচ, কোয়ারেন্টিন–সংক্রান্ত খরচসহ সব ব্যয় মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তা বা কোম্পানি বহন করবে। নিয়োগকর্তা কর্মীর মানসম্মত আবাসন, বিমা, চিকিৎসা ও কল্যাণ নিশ্চিত করবেন। এতে বাংলাদেশি কর্মীদের অভিবাসন খরচ অনেক কমে যাবে বলে আশা মন্ত্রণালয়ের।  এর আগে দীর্ঘ তিন বছর বন্ধ থাকার পর গত ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ থেকে সব খাতে কর্মী নিতে অনুমোদন দেয় মালয়েশিয়া সরকার। বিশেষ করে গৃহকর্মী, বাগান, কৃষি, উৎপাদন, পরিষেবা, খনি ও খনন এবং নির্মাণ খাতে বাংলাদেশি কর্মী নেবে দেশটি। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে আজ রোববার (১৯ ডিসেম্বর) মালয়েশিয়ার পক্ষে দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি এম সারাভানান এবং বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমদ সমঝোতা স্মারকে সই করেন। এনএইচ 
মালয়েশিয়া যেতে যেসব সুবিধা পাচ্ছেন বাংলাদেশি কর্মীরা
আরও পড়ুন
‘পার্টনার অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা করল মাইক্রোসফট বাংলাদেশ
বড় দুই ভাইকে হারিয়ে ছোট ভাই বিজয়ী 
নির্বাচন কর্মকর্তাকে মারধর করায় বিজয়ী চেয়ারম্যান আটক
টাঙ্গাইলে ২০ ইউপির ১১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী