ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

শবে বরাতেও আল্লাহ যাদের ক্ষমা করেন না

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

শবে বরাত মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত একটি রাত। এই রাতে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের ব্যাপকভাবে ক্ষমা করে থাকেন। তবে হাদিস শরিফ ও কোরআন থেকে জানা যায়, কিছু বিশেষ পাপ এবং গুণাহ এমন রয়েছে, যাদের জন্য এই রাতেও আল্লাহর ক্ষমার দরজা বন্ধ থাকে।

শবে বরাতে আল্লাহ যাদের ক্ষমা করেন না:

১. শিরককারী
যারা আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করে, অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছে সাহায্য চায় বা মাজারকে সেজদা করে, তারা এই রাতেও আল্লাহর ক্ষমা থেকে বঞ্চিত হয়। কারণ শিরক সবচেয়ে বড় পাপ এবং আল্লাহ তা এ ধরনের পাপ ক্ষমা করবেন না।

২. হিংসুক ব্যক্তি
যারা অন্যের উন্নতি সহ্য করতে পারেন না, ঈর্ষা ও হিংসার বশে জ্বলে-মরে, তারা আল্লাহর রহমত থেকে দূরে থাকে এবং ক্ষমা পায় না।

৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী
যারা রক্তের সম্পর্ক নষ্ট করে, আত্মীয়দের সাথে যোগাযোগ ও সহানুভূতি বজায় রাখতে পারে না, তারা আল্লাহর অসন্তুষ্টির অধিকারী হয়। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ (সহিহ্ বুখারি)

৪. মুসলিম ভাইয়ের প্রতি শত্রুতা পোষণকারী
যারা মুসলিম ভাইদের প্রতি বিদ্বেষ, শত্রুতা ও বিভেদ সৃষ্টি করে, তারা আল্লাহর ক্ষমা থেকে বঞ্চিত হয়। ইসলাম ভ্রাতৃত্ব ও ভালোবাসার শিক্ষা দেয়।

৫. অন্যান্য বড় গুনাহী
মদ্যপানকারী, পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, ব্যভিচারী, খুনী, টাখনুর নিচে কাপড় পরিধানকারী ইত্যাদি যারা জঘন্য পাপ করে, তারা এই রাতে ক্ষমা পায় না যদি না তারা সত্যিকারের তওবা করে।

আরও পড়ুন

অতএব, শবে বরাতের এই বরকতময় রাতে প্রতিটি মুসলমানের উচিত, এই পাপগুলো থেকে মনোপুর্বক তওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। আল্লাহ তাআলা রহমতাকারী, তিনি সত্যিকারের মন থেকে আসা তওবাকেই গ্রহণ করেন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্ত্রীকে ‘বোন’ বা স্বামীকে ‘ভাই’ ডাকলে কি বিয়ে ভেঙে যায়?
স্বামী স্ত্রীকে ‘বোন’ কিংবা স্ত্রী স্বামীকে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করলে কি বৈবাহিক সম্পর্কের অবসান ঘটে? এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই রয়েছে।
স্ত্রীকে ‘বোন’ বা স্বামীকে ‘ভাই’ ডাকলে কি বিয়ে ভেঙে যায়?
আজকের নামাজের সময়সূচি
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম একটি হলো নামাজ। পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে এটি দ্বিতীয়। সে কারণে নামাজ নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা জরুরি।
আজকের নামাজের সময়সূচি
কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআন যা বলেছে
কন্যাসন্তানের জন্মকে অপমান নয়, সুসংবাদ হিসেবে উল্লেখ করেছে কোরআন। মেয়ের প্রতি অবহেলা, উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং বিয়েতে মতামত উপেক্ষা করার বিষয়ে রয়েছে ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা।
কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআন যা বলেছে
যেভাবে এলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
কালেমার পর ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ হলো নামাজ। নামাজ আদায়ের ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে ৮২ বার বলা হয়েছে। তাই দৈনিক  পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ওয়াক্তমতো আদায় করা প্রাপ্তবয়স্ক, বুদ্ধি-জ্ঞানসম্পন্ন নারী ও পুরুষের ফরজ করা হয়েছে। কিন্তু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কীভাবে এলো সে বিষয়ে জানবো।
যেভাবে এলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
মানুষের চোখে ছোট, আল্লাহর কাছে বড় ৭ আমল
মানুষের চোখে সাধারণ মনে হলেও আল্লাহর কাছে মূল্যবান হতে পারে ছোট ছোট কিছু নেক আমল। হাসিমুখে কথা বলা, রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া কিংবা গোপনে কারও জন্য দোয়া করার মতো কাজও হতে পারে সওয়াব অর্জনের মাধ্যম।
মানুষের চোখে ছোট, আল্লাহর কাছে বড় ৭ আমল
আরও পড়ুন
শবে বরাতের রোজা ভেঙে ফেললে কি কাজা আদায় করতে হবে
শবে বরাতে হালুয়া-রুটির প্রচলন যেভাবে এলো
শবে বরাতে যে কাজগুলো থেকে বিরত থাকবেন
শবে বরাতে দেশ ও জাতির কল্যাণে প্রার্থনার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার