ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

স্বপ্নে মৃত ব্যক্তিকে দেখার ব্যাখ্যা কী, ইসলামি দৃষ্টিকোণ ও নির্দেশনা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ মে ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত

জীবন-মৃত্যু আল্লাহর নির্ধারিত বাস্তবতা। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে…” (সুরা আল ইমরান, আয়াত ১৮৫)। মৃত্যুর পর মানুষের চূড়ান্ত গন্তব্য হয় জান্নাত বা জাহান্নাম, যা তার আমলের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।

এ প্রসঙ্গে একটি হাদিসে উল্লেখ আছে, মৃত্যুর পর মৃত ব্যক্তিকে তার মূল ঠিকানা জান্নাত বা জাহান্নাম দেখানো হয় এবং তাকে বলা হয়, এটিই তোমার অবস্থান। (তিরমিজি, হাদিস: ১০৭২)

অনেক মানুষ বাস্তব জীবনে স্বপ্নে মৃত বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজন বা পরিচিতদের দেখতে পান। এ বিষয়ে ইসলামি আলেমরা জানান, এমন স্বপ্নের বিভিন্ন ব্যাখ্যা থাকতে পারে এবং এটি সবসময় নিশ্চিত কোনো বার্তা নয়।

ইসলামি আলোচনায় শায়খ আহমাদুল্লাহর মতে, মৃত ব্যক্তিকে স্বপ্নে দেখার ক্ষেত্রে সাধারণত দুটি দিক থাকতে পারে একটি ইতিবাচক এবং অন্যটি অস্বস্তিকর।

যদি কেউ স্বপ্নে মৃত ব্যক্তিকে কষ্টে বা অস্বস্তিকর অবস্থায় দেখেন, তাহলে তার জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত। পাশাপাশি মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে দোয়া করা, সদকা করা এবং তার কল্যাণে নেক আমল করা উত্তম।

অন্যদিকে, যদি মৃত ব্যক্তিকে স্বপ্নে শান্ত, হাস্যোজ্জ্বল বা ভালো অবস্থায় দেখা যায়, তবে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি সান্ত্বনামূলক ইঙ্গিত হিসেবে ধরা হয়। এ ক্ষেত্রে শুকরিয়া আদায় করা এবং মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করা উত্তম।

তবে ইসলামি স্কলাররা সতর্ক করে বলেন, স্বপ্ন কখনোই শরিয়তের চূড়ান্ত দলিল নয়। তাই কোনো খারাপ স্বপ্ন দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়। বরং সব অবস্থায় মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করা, ভালো কাজ করা এবং ইতিবাচক ধারণা রাখা ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী উত্তম।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআন যা বলেছে
কন্যাসন্তানের জন্মকে অপমান নয়, সুসংবাদ হিসেবে উল্লেখ করেছে কোরআন। মেয়ের প্রতি অবহেলা, উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং বিয়েতে মতামত উপেক্ষা করার বিষয়ে রয়েছে ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা।
কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআন যা বলেছে
যেভাবে এলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
কালেমার পর ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ হলো নামাজ। নামাজ আদায়ের ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে ৮২ বার বলা হয়েছে। তাই দৈনিক  পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ওয়াক্তমতো আদায় করা প্রাপ্তবয়স্ক, বুদ্ধি-জ্ঞানসম্পন্ন নারী ও পুরুষের ফরজ করা হয়েছে। কিন্তু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কীভাবে এলো সে বিষয়ে জানবো।
যেভাবে এলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
মানুষের চোখে ছোট, আল্লাহর কাছে বড় ৭ আমল
মানুষের চোখে সাধারণ মনে হলেও আল্লাহর কাছে মূল্যবান হতে পারে ছোট ছোট কিছু নেক আমল। হাসিমুখে কথা বলা, রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া কিংবা গোপনে কারও জন্য দোয়া করার মতো কাজও হতে পারে সওয়াব অর্জনের মাধ্যম।
মানুষের চোখে ছোট, আল্লাহর কাছে বড় ৭ আমল
আজকের নামাজের সময়সূচি
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ-
আজকের নামাজের সময়সূচি
যেসব অবস্থায় আজানের জবাব দেওয়া নিষেধ
ইসলামে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের জন্য আজান দেওয়ার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। নামাজের প্রতি আহ্বান জানাতে মুয়াজ্জিন আজান দিয়ে থাকেন।
যেসব অবস্থায় আজানের জবাব দেওয়া নিষেধ
আরও পড়ুন
হঠাৎ ঝড়ে লণ্ডভণ্ড ১১০০ বিঘার ফসল, ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিতে দিশেহারা কৃষক
আজ স্বপ্ন দেখার দিন
স্বপ্নে নিজের বিয়ে দেখা কী মৃত্যুর ইঙ্গিত?
স্বপ্নে দুধ দেখা বা পান করা যে সুসংবাদের ইঙ্গিত