ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

কোরবানির পশু বাছাইয়ে ইসলামে যে নির্দেশনা আছে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১০:০১ এএম
ছবি: সংগৃহীত

আর ক’দিন পরই পালিত হবে ঈদুল আজহা ও কুরবানি। সামথ্যবানরা নিজেদের কোরবানি আদায় করবেন। কোরবানি আদায়ে তারা কেমন পশু বাছাই করবেন। এ বিষয়ে ইসলামের দিকনির্দেশনাই বা কী?

কোরবানির পশু নির্বাচন: ইখলাস, সৌন্দর্য ও শরিয়তের পূর্ণ অনুসরণ

কোরবানি কেবল একটি আনুষ্ঠানিক ইবাদত নয়— এটি আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা, ত্যাগ ও আনুগত্যের এক অনন্য প্রকাশ। তাই এই ইবাদত কবুল হওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত হলো— সঠিক, সুস্থ ও নিখুঁত পশু নির্বাচন। সামর্থ্য অনুযায়ী উত্তম পশু আল্লাহর নামে উৎসর্গ করাই একজন প্রকৃত মুমিনের ইমানি পরিচয়।

ইসলাম কোরবানির জন্য নির্দিষ্ট প্রাণী ও শর্ত নির্ধারণ করে দিয়েছে, যাতে এই ইবাদত হয় শুদ্ধ, সুন্দর এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উপযোগী।

কোরবানির পশুর ধরন—

কোরবানি দিতে হবে কেবল চতুষ্পদ জন্তু (بَهِيمَةُ الْأَنْعَامِ) দিয়ে। এগুলো হলো—

> উট

> গরু/মহিষ

> ছাগল/ভেড়া/দুম্বা

এর বাইরে অন্য কোনো প্রাণী দিয়ে কোরবানি করা শরিয়তসম্মত নয়।

আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَلِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنسَكًا لِّيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَىٰ مَا رَزَقَهُم مِّن بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ

‘আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য কোরবানির নিয়ম নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা আল্লাহর নাম স্মরণ করে সেই চতুষ্পদ জন্তুর ওপর যা তিনি তাদের দিয়েছেন।’ (সুরা হজ: আয়াত ৩৪)

কুরবানির পশুর ধরন ও বয়স

ইসলাম প্রতিটি পশুর জন্য নির্দিষ্ট বয়স নির্ধারণ করেছে—

> উট: বয়স কমপক্ষে পূর্ণ ৫ বছর

> গরু ও মহিষ: বয়স কমপক্ষে পূর্ণ ২ বছর

> ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা: বয়স কমপক্ষে পূর্ণ ১ বছর

আরও পড়ুন

বিশেষ ছাড়—

ভেড়া বা দুম্বা যদি ৬ মাস বয়সেও এতটা হৃষ্টপুষ্ট হয় যে দেখতে এক বছরের মতো লাগে, তবে তা দিয়েও কোরবানি জায়েজ। তবে ছাগলের ক্ষেত্রে অবশ্যই পূর্ণ এক বছর হতে হবে। সাধারণভাবে পশুর বয়স নির্ধারণে নিচের সামনের স্থায়ী দাঁত দেখে অনুমান করা হয়।

সুস্থ ও নিখুঁত পশু নির্বাচনের শর্ত

রাসুলুল্লাহ (সা.) কোরবানির পশু সম্পর্কে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। চার ধরনের পশু দিয়ে কোরবানি করা বৈধ নয়—

أربع لا تجزئ في الأضاحي: العوراء البيّن عورها، والمريضة البيّن مرضها، والعرجاء البيّن عرجها، والعجفاء التي لا تُنقي

‘চার ধরনের পশু কোরবানিতে গ্রহণযোগ্য নয়— স্পষ্ট দৃষ্টিহীন, স্পষ্ট অসুস্থ, স্পষ্ট খোঁড়া এবং অতি দুর্বল (হাড্ডিসার)।’ (আবু দাউদ ২৮০২, তিরমিজি ১৪৯৭)

এছাড়া আরও যেসব ত্রুটি থাকলে কোরবানি হবে না—

> লেজ বা কানের অর্ধেকের বেশি কাটা

> শিং গোড়া থেকে ভেঙে মস্তিষ্কে ক্ষতি

> মারাত্মক শারীরিক বিকৃতি বা রোগ

সুস্থ গরু বা পশু চেনার ব্যবহারিক উপায়

হাটে বা বাজারে পশু কেনার সময় কিছু বাস্তব লক্ষণ দেখে সুস্থ পশু চেনা যায়—

> চঞ্চলতা

সুস্থ পশু চঞ্চল হবে, কান খাঁড়া থাকবে এবং লেজ-কান দিয়ে মশা তাড়াবে।

> খাবার গ্রহণ

মুখের সামনে খাবার দিলে দ্রুত জিহ্বা দিয়ে টেনে নেবে এবং জাবর কাটবে।

> নাকের অবস্থা

নাক ভেজা ও ঘামযুক্ত থাকবে—এটি সুস্থতার লক্ষণ।

> দেহের গঠন

কুঁজ টানটান ও মোটা থাকবে। শরীরে আঙুল চাপ দিলে গর্ত দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে। যদি গর্ত দীর্ঘক্ষণ থেকে যায়, তাহলে বুঝতে হবে কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করা হয়েছে।

করণীয় বিষয়সমূহ—

> সামর্থ্য অনুযায়ী উত্তম পশু নির্বাচন করা

> সুস্থ ও নিখুঁত পশু যাচাই করে কেনা

> শরিয়তের নির্ধারিত বয়স নিশ্চিত করা

> প্রতারণামূলক বা অসুস্থ পশু এড়িয়ে চলা

> কোরবানিকে কেবল ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করা, প্রদর্শনী নয়

> নিয়তকে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য খাঁটি রাখা

আল্লাহর সাহায্য চাওয়ার দোয়া

رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

উচ্চারণ: ‘রাব্বানা তাক্বাব্বাল মিন্না ইন্নাকা আংতাস সামিউল আলিম।’

অর্থ: ‘হে আমাদের রব! আমাদের (ইবাদত) কবুল করুন, নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।’ (সুরা বাকারা: আয়াত ১২৭)

কোরবানি শুধু পশু জবাই নয়; এটি ইখলাস, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার বাস্তব প্রমাণ। তাই কোরবানির পশু নির্বাচনেও থাকতে হবে সততা, সচেতনতা ও শরিয়তের পূর্ণ অনুসরণ। যদি আমরা কোরবানিকে নিছক একটি সামাজিক রীতি না ভেবে আল্লাহর ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করি, তবে তা আমাদের জন্য হয়ে উঠবে আত্মশুদ্ধি ও নৈকট্য লাভের মাধ্যম। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হালাল, সুন্দর ও কবুলযোগ্য কুরবানি করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশে আসছেন মাওলানা হানিফ জালান্ধরি
রাজধানীর দক্ষিণখান কেন্দ্রীয় কবরস্থান সংলগ্ন মধুবাগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক বৃহৎ ‘ঈসালে সওয়াব মাহফিল’। আগামী ২২ নভেম্বর (রোববার) এই মাহফিলে প্রধান আলোচক হিসেবে বয়ান করবেন পাকিস্তানের বিখ্যাত আলেম মাওলানা মুহাম্মদ হানিফ জালান্ধরি। মাহফিল পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার দক্ষিণখান কেন্দ্রীয় কবরস্থান (ওয়ার্ড-৪৮, মধুবাগ, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০) প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এই মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।  উক্ত অনুষ্ঠানে মাগরিব নামাজের পর প্রধান আলোচক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান করবেন মাওলানা কারি মুহাম্মদ হানিফ জালান্ধরি। এছাড়া মাহফিলে বিশেষ আলোচক হিসেবে বাদ আছর বয়ান করবেন জাগ্রত কবি মাওলানা মুহিব খান। সকাল ১০টা থেকেই দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরামের দ্বীনি আলোচনা শুরু হবে।    আয়োজকদের পক্ষ থেকে মুফতি বখতিয়ার হোসাইন সরদার সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মাহফিলে উপস্থিত হয়ে আখিরাতের সওয়াব হাসিল এবং মৃত স্বজনদের ঈসালে সওয়াবের উদ্দেশে কুরআন শরিফ ও কালিমার খতম পাঠ করে দোয়ায় অংশ নেয়ার আহ্বান জানান।  আরটিভি/এসআর  
বাংলাদেশে আসছেন মাওলানা হানিফ জালান্ধরি
আজকের নামাজের সময়সূচি
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ-
আজকের নামাজের সময়সূচি
রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গবেষণা সংস্থাগুলোর হিসাব-নিকাশ অনুযায়ী ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান মাস শুরু এবং ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য সময়সূচির তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে (Astronomical calculations Ramadan start date 2027)। 
রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
আজকের নামাজের সময়সূচি
সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ- 
আজকের নামাজের সময়সূচি
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব
সৌদি আরবে ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে আটকে রাখা ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল ফেরত পেয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। রোববার (১ নভেম্বর) হজযাত্রীদের ইন্স্যুরেন্স-বহির্ভূত চিকিৎসা ব্যয় থেকে সৌদি সরকারের অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী বলেন, পবিত্র হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দের সংবাদ আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি। ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর ইন্স্যুরেন্স কাভারেজের বাইরে চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে সৌদি কর্তৃপক্ষ যে অর্থ কেটে রেখেছিল, তা সফলভাবে ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। ফেরত পাওয়া ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী বলেন, পবিত্র হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দের সংবাদ আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি। ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর ইন্স্যুরেন্স কাভারেজের বাইরে চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে সৌদি কর্তৃপক্ষ যে অর্থ কেটে রেখেছিল, তা সফলভাবে ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। ফেরত পাওয়া ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে মোট ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ সর্বমোট ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল কেটে সংরক্ষণ করেছিল। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়া ৩১০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ১৫১ সৌদি রিয়াল এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়া ৩০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার ৯২ সৌদি রিয়াল কেটে রাখা হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ শুরু করে। সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ, তথ্য যাচাই, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন এবং গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে অর্থ ফেরত পাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয় বলেও জানান শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন। ধর্মমন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী হজ মৌসুমগুলোতে এ ধরনের অর্থ কর্তনের কোনো নজির ছিল না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথ তথ্য ও যুক্তিসহ তুলে ধরা হয়। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দার আন্তরিক প্রচেষ্টা, দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কূটনৈতিক সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে শেষ পর্যন্ত এই অর্থ ফেরত পাওয়া সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, গত ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দার নুসুক সিস্টেমে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত জমা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, হজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের পবিত্র হজের উদ্বৃত্ত অর্থ থেকে ৪ হাজার ৩৪১ জন হজযাত্রীকে মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/টিআর
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব
আরও পড়ুন
যে সড়কে প্রাণ গেল মাইশার, সেই সড়কেই জানাজা
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু, ঘটনাস্থলেই জানাজা পড়লেন সহপাঠী ও শিক্ষকরা 
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ