ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

মক্কার ইমামের ভুল ধরেছিলেন যে বাংলাদেশি আলেম

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০৮ পিএম
আল্লামা মুশাহিদ বায়ামপুরী (রহ.) । ছবি: সংগৃহীত

সিলেটের আল্লামা মুশাহিদ বায়ামপুরী (রহ.) ছিলেন উপমহাদেশের খ্যাতিমান আলেম ও হাদিসবিশারদ। গভীর জ্ঞান, অসাধারণ স্মৃতিশক্তি ও দ্বীনি শিক্ষায় তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল ভারতীয় উপমহাদেশের বাইরেও। ১৯৪৭ সালে হজ পালন করতে গিয়ে মক্কার ইমামের খুতবায় ভুল ধরার ঘটনা তার জীবনের অন্যতম আলোচিত অধ্যায়।

১৯০৭ সালে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার বায়ামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আল্লামা মুশাহিদ আহমদ বায়ামপুরী (রহ.)। ছোটবেলাতেই বাবাকে হারান তিনি। মায়ের কাছেই তার শিক্ষাজীবনের শুরু। মাত্র সাত বছর বয়সে কোরআন শিক্ষা লাভ করেন। পরবর্তী সময়ে কানাইঘাট ইসলামিয়া মাদরাসায় পড়াশোনা শেষে উচ্চশিক্ষার জন্য ভারত যান।

রামপুর আলিয়া মাদরাসা ও মিরাঠ আলিয়া মাদরাসায় প্রায় সাত বছর পড়াশোনা করেন তিনি। হাদিস, তাফসির, ফিকহ, আকাইদ ও দর্শনসহ বিভিন্ন বিষয়ে গভীর জ্ঞান অর্জন করেন। এরপর ১৯৩৬ সালে ভর্তি হন বিশ্বখ্যাত দারুল উলুম দেওবন্দে। সেখানে হাদিসশাস্ত্রে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেন এবং মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেন বলে জীবনীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৯৪৭ সালে হজে আলোচনায় আসেন

তিনবার হজ পালন করেছিলেন আল্লামা বায়ামপুরী (রহ.)। ১৯৪৭ সালের হজে তার জ্ঞান ও পাণ্ডিত্যের পরিচয় পেয়ে আরবের আলেমরা বিস্মিত হয়েছিলেন বলে তার জীবনীতে উল্লেখ রয়েছে। সে সময় মক্কার ইমামের খুতবায় একটি ভুল তার নজরে আসে এবং তিনি তা সংশোধনের বিষয়টি তুলে ধরেন।

তার হাদিসশাস্ত্রের জ্ঞান ও গভীর পাণ্ডিত্যে তৎকালীন সৌদি আলেমরা মুগ্ধ হন বলেও বিভিন্ন জীবনীগ্রন্থে দাবি করা হয়েছে। এমনকি সৌদি আরবের তৎকালীন বাদশাহ তাঁর সামনে রাষ্ট্রীয় সংবিধান পেশ করে কোথাও ভুল বা সংশোধনের প্রয়োজন আছে কি না দেখতে বলেছিলেন—এমন কথাও তাঁর জীবনীতে পাওয়া যায়। পরে তিনি বেশ কয়েকটি বিষয় সংশোধনের পরামর্শ দেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

দেশে ফিরে হাদিস শিক্ষায় আত্মনিয়োগ

দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে পড়াশোনা শেষ করে আল্লামা বায়ামপুরী (রহ.) ভারতে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরে সিলেটবাসীর অনুরোধে দেশে ফিরে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসায় শায়খুল হাদিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গাছবাড়ী জামিউল উলুম কামিলা মাদরাসাতেও তিনি হাদিসের পাঠদান করেন।

১৯৫৩ সালে নিজ জন্মস্থান কানাইঘাটে ফিরে এসে কানাইঘাট ইসলামিয়া মাদরাসায় যোগ দেন। পরে প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে ‘দারুল উলুম কানাইঘাট’ রাখা হয়। ১৯৫৪ সালে সেখানে দাওরায়ে হাদিস চালু করেন তিনি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও শায়খুল হাদিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তার পাঠদানের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়লে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থীরা কানাইঘাটে ছুটে আসতেন। তার গড়ে তোলা এই প্রতিষ্ঠান পরবর্তীতে সিলেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দ্বীনি শিক্ষাকেন্দ্রে পরিণত হয়।

সমাজ সংস্কারেও ছিল বড় ভূমিকা

শিক্ষাদান ও লেখালেখির পাশাপাশি মুসলিম সমাজের কুসংস্কার, অনাচার ও বিভিন্ন সামাজিক অসঙ্গতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন আল্লামা বায়ামপুরী (রহ.)। সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় তিনি ওয়াজ ও নসিহত করতেন।

রমজান মাসে সিলেটের বন্দরবাজার জামে মসজিদে তারাবির পর থেকে সাহরি পর্যন্ত তাঁর তাফসির ও আলোচনা শুনতে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হতেন। তার আলোচনা ছিল ধর্মীয় জ্ঞানের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও সমাজজীবনের বিভিন্ন বিষয়েও সমৃদ্ধ।

সিলেটের_আল্লামা_মুশাহিদ_বায়ামপুরী_(রহ.)
সিলেটের আল্লামা মুশাহিদ বায়ামপুরী (রহ.) । ছবি: সংগৃহীত

রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন

আল্লামা বায়ামপুরী (রহ.) রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন। তিনি তার শিক্ষক মাওলানা হোসাইন আহমদ মাদানী (রহ.)-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিতে যুক্ত হন।

১৯৬২ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ১৯৬৫ ও ১৯৭০ সালের নির্বাচনেও অংশ নেন। সংসদে তিনি কোরআন-সুন্নাহভিত্তিক আইন, ইসলামি শিক্ষাব্যবস্থার প্রসার এবং পূর্ব পাকিস্তানে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি তুলে ধরেন।

রেখে গেছেন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ

আল্লামা বায়ামপুরী (রহ.) ছিলেন একজন লেখকও। রাজনীতি, তাসাউফ, ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয়ে তিনি একাধিক গ্রন্থ রচনা করেন। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ফাতহুল কারীম ফি সিয়াসাতিন্নাবিয়ীল আমীন, আল-ফুরকান বাইনাল হক্বে ওয়াল বাতিল ফি ইলমিত তাসাউফে ওয়াল ইহসান, সত্যের আলো, ইসলামে ভোট ও ভোটের অধিকার এবং সেমাউল কোরআন।

১৯৭১ সালে ইন্তেকাল

আল্লামা মুশাহিদ বায়ামপুরী (রহ.) ১৩৯০ হিজরির ১০ জিলহজ, ১৯৭১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ঈদুল আজহার রাতে ইন্তেকাল করেন। পরদিন ঈদের দিন আসরের পর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার ছোট ভাই আল্লামা মুজাম্মিল (রহ.) জানাজায় ইমামতি করেন।

নিজ হাতে গড়ে তোলা দারুল উলুম কানাইঘাট মাদরাসার সামনেই তাকে দাফন করা হয়।

আল্লামা বায়ামপুরী (রহ.)-এর জীবন ছিল জ্ঞানচর্চা, হাদিস শিক্ষা, সমাজ সংস্কার ও দ্বীনি খেদমতের এক দীর্ঘ অধ্যায়। সিলেটের কানাইঘাটের এই আলেম তার শিক্ষা ও কর্মের মাধ্যমে উপমহাদেশের ধর্মীয় অঙ্গনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রেখে গেছেন।

সূত্র: শিক্ষক বাতায়ন


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গবেষণা সংস্থাগুলোর হিসাব-নিকাশ অনুযায়ী ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান মাস শুরু এবং ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য সময়সূচির তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে (Astronomical calculations Ramadan start date 2027)। 
রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
আজকের নামাজের সময়সূচি
সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ- 
আজকের নামাজের সময়সূচি
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব
সৌদি আরবে ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে আটকে রাখা ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল ফেরত পেয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। রোববার (১ নভেম্বর) হজযাত্রীদের ইন্স্যুরেন্স-বহির্ভূত চিকিৎসা ব্যয় থেকে সৌদি সরকারের অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী বলেন, পবিত্র হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দের সংবাদ আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি। ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর ইন্স্যুরেন্স কাভারেজের বাইরে চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে সৌদি কর্তৃপক্ষ যে অর্থ কেটে রেখেছিল, তা সফলভাবে ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। ফেরত পাওয়া ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী বলেন, পবিত্র হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দের সংবাদ আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি। ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর ইন্স্যুরেন্স কাভারেজের বাইরে চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে সৌদি কর্তৃপক্ষ যে অর্থ কেটে রেখেছিল, তা সফলভাবে ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, হজযাত্রীদের আর্থিক স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। ফেরত পাওয়া ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে মোট ৩৪০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ সর্বমোট ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল কেটে সংরক্ষণ করেছিল। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়া ৩১০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ১৫১ সৌদি রিয়াল এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়া ৩০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার ৯২ সৌদি রিয়াল কেটে রাখা হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ শুরু করে। সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ, তথ্য যাচাই, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন এবং গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে অর্থ ফেরত পাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয় বলেও জানান শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন। ধর্মমন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী হজ মৌসুমগুলোতে এ ধরনের অর্থ কর্তনের কোনো নজির ছিল না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথ তথ্য ও যুক্তিসহ তুলে ধরা হয়। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দার আন্তরিক প্রচেষ্টা, দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কূটনৈতিক সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতার ফলে শেষ পর্যন্ত এই অর্থ ফেরত পাওয়া সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, গত ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দার নুসুক সিস্টেমে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত জমা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, হজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের পবিত্র হজের উদ্বৃত্ত অর্থ থেকে ৪ হাজার ৩৪১ জন হজযাত্রীকে মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/টিআর
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব
আজকের নামাজের সময়সূচি
রোববার (১ নভেম্বর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ-
আজকের নামাজের সময়সূচি
বিড়ি খেলে কি অজু ভেঙে যায়
অজুর পর বিড়ি বা সিগারেট খেলে কি অজু ভেঙে যায়? নাকি সেই অজুতেই নামাজ আদায় ও পবিত্র কোরআন স্পর্শ করা যাবে? শরিয়তের দৃষ্টিতে এ বিষয়ে স্পষ্ট বিধান ও মাসআলা রয়েছে।
বিড়ি খেলে কি অজু ভেঙে যায়
আরও পড়ুন
মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সরকারের অবস্থান জানালেন শামা ওবায়েদ
সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সরকারের জরুরি বার্তা
আমিরাতের সড়কে প্রাণ হারালেন ২ বাংলাদেশি
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এমবিবিএস-বিডিএসে ভর্তির সুযোগ দিচ্ছে পাকিস্তান