ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

অন্তরে প্রতিহিংসা জন্মালে ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে যে আমল করবেন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০২ এএম
অন্যের সাফল্য ও নিয়ামত দেখে অন্তরে হিংসা জাগলে ইসলামের শিক্ষা, কোরআনের দোয়া ও হাদিসের আলোকে জেনে নিন হিংসা থেকে মুক্ত থাকার উপায়। ছবি: সংগৃহীত

অন্যের সাফল্য, সম্পদ, সৌন্দর্য কিংবা সুখ দেখে কখনো নিজের মনে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। কিন্তু সেই অনুভূতি যখন এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে অন্যের ভালো কিছু নষ্ট হয়ে যাক—এমন কামনা জাগে, তখন তা হিংসায় পরিণত হয়। ইসলামে অন্তরের এই নেতিবাচক প্রবণতা থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে। হিংসা মানুষের সম্পর্ক নষ্ট করে, মনে অশান্তি বাড়ায় এবং অন্যের প্রতি বিদ্বেষ তৈরি করে।

তবে কারও ভালো কিছু দেখে নিজেরও তেমন ভালো কিছু পাওয়ার ইচ্ছা করা আর তার নিয়ামত নষ্ট হয়ে যাক—এমন কামনা করা এক বিষয় নয়। তাই অন্তরে হিংসা জন্মালে তা প্রশ্রয় না দিয়ে নিজের মনকে সংশোধন করা জরুরি। ইসলামের শিক্ষা ও কিছু অভ্যাস এ ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।

১. হিংসা ও বিদ্বেষ থেকে দূরে থাকুন

হিংসা মানুষের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করে এবং পারস্পরিক ভালোবাসা নষ্ট করে। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

لَا تَبَاغَضُوا، وَلَا تَحَاسَدُوا، وَلَا تَدَابَرُوا، وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إِخْوَانًا

অর্থ: “তোমরা একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না, পরস্পর হিংসা করো না এবং একে অপরের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ো না। বরং আল্লাহর বান্দা হিসেবে পরস্পর ভাই ভাই হয়ে থাকো।” (সহিহ বুখারি, হাদিস ৬০৬৫)।

এই শিক্ষার আলোকে অন্যের সাফল্যে কষ্ট না পেয়ে তার প্রতি সদয় হওয়ার চেষ্টা করা উচিত। কারও সঙ্গে মতের অমিল থাকলেও তার ক্ষতি কামনা করা থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।

২. নিজের নিয়ামতের জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন

অন্যের সম্পদ, সাফল্য কিংবা জীবনযাত্রার সঙ্গে নিজের তুলনা করতে থাকলে নিজের প্রাপ্তিগুলোও অনেক সময় ছোট মনে হয়। এতে মনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে। তাই অন্যের কী আছে, তা নিয়ে পড়ে না থেকে নিজের জীবনে আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতগুলোর কথা ভাবুন।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

انْظُرُوا إِلَى مَنْ أَسْفَلَ مِنْكُمْ، وَلَا تَنْظُرُوا إِلَى مَنْ هُوَ فَوْقَكُمْ، فَهُوَ أَجْدَرُ أَنْ لَا تَزْدَرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ

অর্থ: “তোমরা নিজেদের চেয়ে নিচের অবস্থানে থাকা মানুষের দিকে তাকাও, তোমাদের চেয়ে উঁচু অবস্থানে থাকা মানুষের দিকে তাকিয়ো না। এতে আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতকে তুচ্ছ মনে করার প্রবণতা কমবে।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস ২৯৬৩)।

নিজের সুস্থতা, পরিবার, নিরাপত্তা, জীবিকা কিংবা জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তির জন্যও কৃতজ্ঞ থাকা জরুরি। কৃতজ্ঞতা মানুষকে নিজের জীবনের ভালো দিকগুলো চিনতে সাহায্য করে।

৩. যার প্রতি হিংসা হয়, তার জন্য দোয়া করুন

কারও উন্নতি দেখে মনে হিংসা জাগলে তার ক্ষতি কামনা না করে বরং তার কল্যাণের জন্য দোয়া করার চেষ্টা করুন। এতে নিজের মনকে বিদ্বেষ থেকে সরিয়ে শুভকামনার দিকে নেওয়া সহজ হতে পারে।

পবিত্র কোরআনে মুমিনদের একটি সুন্দর দোয়া শেখানো হয়েছে—

رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِينَ سَبَقُونَا بِالْإِيمَانِ وَلَا تَجْعَلْ فِي قُلُوبِنَا غِلًّا لِّلَّذِينَ آمَنُوا رَبَّنَا إِنَّكَ رَءُوفٌ رَّحِيمٌ

উচ্চারণ: রব্বানাগফির লানা ওয়া লি-ইখওয়ানিনাল্লাজিনা সাবাকুনা বিলঈমানি, ওয়া লা তাজআল ফি কুলুবিনা গিল্লাল্লিল্লাজিনা আমানু, রব্বানা ইন্নাকা রাউফুর রহিম।

অর্থ: “হে আমাদের রব! আমাদের ক্ষমা করুন এবং আমাদের সেই ভাইদেরও ক্ষমা করুন, যারা ঈমানে আমাদের আগে অগ্রগামী হয়েছে। আর যারা ঈমান এনেছে, তাদের প্রতি আমাদের অন্তরে কোনো বিদ্বেষ রাখবেন না। হে আমাদের রব! নিশ্চয়ই আপনি পরম স্নেহশীল, পরম দয়ালু।” (সুরা হাশর, আয়াত ১০)।

এই দোয়ার মাধ্যমে নিজের অন্তরকে বিদ্বেষমুক্ত রাখার জন্য আল্লাহর সাহায্য চাওয়া যায়।

৪. নিজের জন্য যা চান, অন্যের জন্যও তা চান

নিজের জন্য সাফল্য, সম্মান ও সুখ কামনা করা স্বাভাবিক। কিন্তু অন্যের জন্যও একই ধরনের কল্যাণ কামনা করতে পারা উত্তম চরিত্রের পরিচয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

لَا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى يُحِبَّ لِأَخِيهِ مَا يُحِبُّ لِنَفْسِهِ

অর্থ: “তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য তা-ই পছন্দ করে, যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে।” (সহিহ বুখারি, হাদিস ১৩)।

তাই অন্যের ভালো কিছু দেখে মনে কষ্ট হলে নিজেকে প্রশ্ন করুন—আমি কি নিজের জন্য যেমন সাফল্য চাই, তার জন্যও তেমন সাফল্য চাইতে পারি? এই মনোভাব চর্চা করলে অন্যের প্রতি শুভকামনা বাড়তে পারে।

৫. হিংসার ভয়াবহতা সম্পর্কে সতর্ক থাকুন

সুনান আবু দাউদে একটি বর্ণনায় হিংসাকে আগুনের সঙ্গে তুলনা করে বলা হয়েছে, আগুন যেমন জ্বালানি পুড়িয়ে ফেলে, হিংসাও তেমনি নেক আমল ধ্বংস করে। তবে এই বর্ণনাটিকে মুহাদ্দিস আলবানী দুর্বল বলেছেন। তাই এটিকে নিঃশর্তভাবে সহিহ হাদিস বলা ঠিক নয়।

তবে হিংসা ও বিদ্বেষ থেকে দূরে থাকার নির্দেশ সহিহ বুখারির হাদিসেও রয়েছে। হিংসা মানুষকে অন্যের ক্ষতি কামনা, অপবাদ দেওয়া কিংবা সম্পর্ক নষ্ট করার দিকে ঠেলে দিতে পারে। তাই এমন অনুভূতি তৈরি হলে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা জরুরি।

৬. হিংসুকের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় চান

অন্যের হিংসা বা অনিষ্টের আশঙ্কা হলে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া যায়। পবিত্র কোরআনের সুরা ফালাকে আল্লাহ তাআলা শিক্ষা দিয়েছেন—

وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ

অর্থ: “আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে।” (সুরা ফালাক, আয়াত ৫)।

এই আয়াতের শিক্ষা হলো, হিংসুকের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া। একই সঙ্গে নিজের অন্তরেও যেন অন্যের প্রতি হিংসা ও বিদ্বেষ বাসা না বাঁধে, সেদিকেও খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

অন্তরে হিংসা জাগলে তাৎক্ষণিক করণীয়

ইস্তিগফার করুন: নিজের ভুল অনুভূতি বুঝতে পারলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান। বলতে পারেন—

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ

উচ্চারণ: আসতাগফিরুল্লাহ।

অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন: নিজের প্রাপ্তির কথা মনে করে বলুন—

الْحَمْدُ لِلَّهِ

উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লাহ।

অর্থ: সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

অন্যের কল্যাণ কামনা করুন: যার প্রতি হিংসা হচ্ছে, তার জন্য ভালো কিছু কামনা করুন এবং তার নিয়ামতে বরকতের দোয়া করুন।

তুলনা কমিয়ে নিজের উন্নতিতে মন দিন: অন্যের সাফল্যে মন খারাপ না করে নিজের লক্ষ্য ঠিক করুন। কীভাবে নিজের দক্ষতা ও জীবনমান উন্নত করা যায়, সেদিকে মনোযোগ দিন।

অন্যের ভালো কিছু নষ্ট হয়ে যাক—এমন কামনা করে কারও লাভ হয় না; বরং এতে নিজের মনেই অশান্তি বাড়ে। তাই অন্যের অর্জনে কষ্ট না পেয়ে নিজের প্রাপ্তির জন্য কৃতজ্ঞ থাকা, অন্যের কল্যাণ কামনা করা এবং অন্তরকে বিদ্বেষমুক্ত রাখার চেষ্টা করা উচিত। আল্লাহ আমাদের অন্তরকে হিংসা ও বিদ্বেষ থেকে পবিত্র রাখুন। আমিন।

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজকের নামাজের সময়সূচি
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ-
আজকের নামাজের সময়সূচি
মসজিদুল হারামে এক ইমামের পেছনে নামাজের প্রচলনের ১০০ বছর পূর্ণ
সৌদি আরবের পবিত্র মসজিদুল হারামে একজন ইমামের নেতৃত্বে এক জামাতে নামাজ আদায়ের প্রচলনের ১০০ বছর পূর্ণ হয়েছে।
মসজিদুল হারামে এক ইমামের পেছনে নামাজের প্রচলনের ১০০ বছর পূর্ণ
ভালো মৃত্যুর ১৩ আলামত
মৃত্যু অবধারিত এ বিশ্বাস সব ধর্মের মানুষের মধ্যেই রয়েছে। তবে কেউই অপ্রত্যাশিত মৃত্যু কামনা করেন না। প্রত্যেক মুমিনের আকাঙ্ক্ষা, তার মৃত্যু যেন ইমানি অবস্থায় এবং ভালোভাবে হয়। কারণ, জীবনের শেষ সময়টি আল্লাহ তাআলার কাছে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘শেষ আমলই গ্রহণযোগ্য।’ (ইবনে হিব্বান: ৩৪০) অন্য এক হাদিসে তিনি (সা.) সাহাবিদের জানিয়েছেন, ‘আল্লাহ যদি কোনো বান্দার কল্যাণ চান, তখন তাকে (ভালো) কাজে লাগান।’ সাহাবায়ে কেরাম জানতে চাইলেন, কীভাবে আল্লাহ বান্দাকে (ভালো) কাজে লাগান? উত্তরে তিনি (সা.) বলেন, ‘মৃত্যুর আগে তাকে ভালো কাজ করার তাওফিক দেন।’ (তিরমিজি: ২১৪২) ফকিহদের মতে, হাদিসে ভালো মৃত্যুর বেশ কিছু আলামতের কথা উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু লক্ষণ কেবল মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তি নিজেই উপলব্ধি করতে পারেন। আবার কিছু লক্ষণ অন্য মানুষের পক্ষেও দেখা বা বোঝা সম্ভব। ভালো মৃত্যুর ১৩টি আলামত তুলে ধরা হলো মৃত্যুর সময় কালেমা পাঠ করা নবীজি (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তির শেষ কথা হবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’, তিনি জান্নাতে প্রবেশ করবেন। (আবু দাউদ: ৩১১৬) মৃত্যুর সময় কপাল ঘেমে যাওয়া কোনো ইমানদার ব্যক্তির মৃত্যুর সময় তার কপাল ঘেমে গেলে, এটিকে সুন্দর মৃত্যুর একটি আলামত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে কারও কপাল না ঘামলে তাকে জাহান্নামি মনে করা যাবে না। (নাসাঈ: ১৮২৮)  জুমার রাতে বা দিনে মৃত্যুবরণ করা নবীজি (সা.) বলেছেন, কোনো মুসলিম বৃহস্পতিবার সূর্যাস্তের পর থেকে শুক্রবার সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মৃত্যুবরণ করলে আশা করা যায়, আল্লাহ তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করবেন। (তিরমিজি: ১০৭৪)  শহীদ হিসেবে মৃত্যুবরণ করা রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের প্রশ্ন করেছিলেন, ‘তোমরা তোমাদের মধ্যকার কাদেরকে শহীদ বলে গণ্য করো?’ তাঁরা উত্তর দিয়েছিলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে জীবন দেয় সে তো শহীদ।’ তখন নবীজি (সা.) বললেন, ‘তবে তা আমার উম্মাতের শহীদের সংখ্যা অতি অল্প হবে।’ সাহাবিরা জানতে চাইলেন, ‘তাহলে তারা কারা হে আল্লাহর রাসুল?’ মহানবী (সা.) বললেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর রাহে (জিহাদে) নিহত হয়, সে শহীদ। যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে (সৎকাজে) বের হয়ে রাস্তায় মারা যায়, সেও শহীদ। যে ব্যক্তি প্লেগ রোগে মারা যায়, সেও শহীদ এবং যে ব্যক্তি পেট খারাপের রোগে মারা যায়, সেও শহীদ।’ (মুসলিম: ৪৮৩৫) কোনো কিছু ধসে পড়ে মৃত্যু রাসুল (সা.) বলেছেন, তাঁর উম্মতের কোনো ব্যক্তি দেয়াল কিংবা অন্য কোনো কিছু ধসে তার ওপর পড়ে মারা গেলে আল্লাহ তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করেন। (বোখারি: ৬৫২)  গর্ভবতী অবস্থায় নারীর মৃত্যু রাসুল (সা.) বলেছেন, তাঁর উম্মতের কোনো নারী গর্ভে সন্তান থাকা অবস্থায় অথবা সন্তান প্রসবের সময় মারা গেলে আল্লাহ তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করেন। (ইবনে মাজা: ২৮০৩) বিষফোড়ার কারণে মৃত্যু নবীজি (সা.) বলেছেন, তাঁর উম্মতের কেউ বিষফোড়ার আঘাতে মারা গেলে আল্লাহ তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করেন। (নাসাঈ: ১৮৪৬) আগুনে পুড়ে মৃত্যু বিশ্বনবী (সা.) বলেছেন, তাঁর উম্মতের কোনো ব্যক্তি আগুনে পুড়ে মারা গেলে আল্লাহ তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করেন। (নাসাঈ: ১৮৪৬) নিজের সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যু রাসুল (সা.) বলেছেন, তাঁর উম্মতের কেউ নিজের সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে মারা গেলে আল্লাহ তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করেন। (বোখারি: ২৮৪০) দ্বীন রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হওয়া রাসুল (সা.) বলেছেন, ইসলাম রক্ষা করতে গিয়ে তাঁর উম্মতের কেউ নিহত হলে আল্লাহ তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করেন। (নাসাঈ: ৪০৯৫) জুলুম প্রতিহত করতে গিয়ে মৃত্যু রাসুল (সা.) বলেছেন, জুলুম প্রতিহত করতে গিয়ে তাঁর উম্মতের কেউ নিহত হলে আল্লাহ তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করেন। (নাসাঈ: ৪০৯৬) আল্লাহর পথে প্রহরীর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মৃত্যু রাসুল (সা.) বলেছেন, আল্লাহর পথে পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব পালনকালে কেউ মারা গেলে আল্লাহ তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করবেন। কেয়ামত পর্যন্ত তার আমলও বাড়তে থাকবে। (তিরমিজি: ১৬৬৫) সদকা করার পরপরই মৃত্যু রাসুল (সা.) বলেছেন, কোনো ব্যক্তি সদকা করার কিছুক্ষণ পর মারা গেলে আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। একইভাবে, কেউ নফল রোজা রাখা অবস্থায় মারা গেলেও আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করবেন। (মুসনাদে আহমদ: ২৩৩৭২) আরটিভি/এসআর
ভালো মৃত্যুর ১৩ আলামত
আজকের নামাজের সময়সূচি
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম একটি হলো নামাজ। পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে এটি দ্বিতীয়। সে কারণে নামাজ নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা জরুরি। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ- জোহর- ১১:৪৬ মিনিট আসর- ০৩:৪৪ মিনিট মাগরিব- ০৫:২৮ মিনিট এশা- ০৬:৪২ মিনিট ফজর (আগামীকাল)- ০৪:৪৬ মিনিট উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো- যোগ করতে হবে: খুলনা: ০৩ মিনিট রাজশাহী: ০৭ মিনিট রংপুর: ০৮ মিনিট বরিশাল: ০১ মিনিট বিয়োগ করতে হবে: চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট সিলেট: ০৬ মিনিট আরটিভি/টিআর
আজকের নামাজের সময়সূচি
স্ত্রী থাকার পরেও কি শ্যালিকাকে বিয়ে করা যাবে?
ইসলামে স্ত্রীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল থাকা অবস্থায় তার আপন বোনকে বিয়ে করা সম্পূর্ণ হারাম। একই সময়ে দুই বোনকে একজন পুরুষের বিবাহবন্ধনে রাখা ইসলামী শরিয়তে নিষিদ্ধ। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
স্ত্রী থাকার পরেও কি শ্যালিকাকে বিয়ে করা যাবে?
আরও পড়ুন
ভালো মৃত্যুর ১৩ আলামত
জুমার দিন বেশি সওয়াব পেতে যে আমলগুলো করবেন
মানুষের চোখে ছোট, আল্লাহর কাছে বড় ৭ আমল
জুমার দিন দুই খুতবার মাঝে দোয়া ও ক্ষমা প্রার্থনায় যা পড়বেন