ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদে খরগোশ পাঠাচ্ছে জাপান!

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৩৭ পিএম

প্রথমবারের মতো চাঁদে মহাকাশযান পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে জাপানের বেসরকারি সংস্থা আইস্পেস। জাপানি ভাষায় মহাকাশযান অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘হাকুতো-আর’, যার অর্থ ‘সাদা রঙের খরগোশ’। এটি ২০২৩ সালের এপ্রিলে চাঁদে অবতরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা রাজ্যের কেপ ক্যানাভেরাল থেকে গত রোববার জাপানি স্টার্টআপের ডিজাইন করা একটি মহাকাশযান স্পেসএক্স রকেটে উড্ডয়ন করে। স্থানীয় সময় রাত ২টা বেজে ৩৮ মিনিটে হাকুতো-আর অভিযান শুরু হয়। এ অভিযানে স্পেসএক্স প্রতিষ্ঠানের ফ্যালকন নাইন মডেলের রকেট ব্যবহার করা হচ্ছে। এ অভিযান সফল হলে এটিই হবে জাপানের কোনো মহাকাশযানের চাঁদে প্রথম অবতরণ।

এই মহাকাশযানে রয়েছে জাপানি স্পেস সংস্থার একটি ছোট রোবট, কানাডাভিত্তিক একটি কম্পানির ফ্লাইট কম্পিউটার এবং নাসার ছোট একটি লেজার পরীক্ষার যন্ত্র।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিদেশের মাটিতে সেবা দিচ্ছে ইমরানের প্রোবফ্লাই আইটি
বর্তমানে ডিজিটাল মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে সবাই-ই এখন ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং সফটওয়্যার ব্যবহার করার দিকে ধুঁকছে। নিজেদের ব্যবসা কিংবা প্রতিষ্ঠান সব জায়গায় সবাই এখন ব্যবহার করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। আর এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা ডিজিটাল মাধ্যমকে সবাই দক্ষতার অভাবে কাজে লাগাতে ব্যর্থ। ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে শুরু করে ডিজিটাল মার্কেটিং কিংবা সাইবার সিকিউরিটি সবাই এখন দারস্থ হচ্ছে প্রফেশনালদের। মানুষদের ডিজিটাল এজেন্সির মাধ্যমে সেবা দেয়ার লক্ষ্যে আব্দুল্লাহ আল ইমরান এবং আজিজুল ইসলাম শিবলুর হাত ধরে তৈরি হয় নিজেদের ডিজিটাল এজেন্সি ‘প্রোবফ্লাই’।  ইমরান এবং শিবলুর স্টার্টআপে গড়ে ওঠা ডিজিটাল এজেন্সি ‘প্রোবফ্লাই’ ২০২১ সালে নিজেদের যাত্রা শুরু করে। বছরখানেক সময়ে পেরিয়ে গেলে ও এতটা সময়ে প্রোবফ্লাই টিকে থেকেছে শুধু নিজেদের ক্লায়েন্টকে ভালো সার্ভিস দেওয়ার মাধ্যমে। প্রোবফ্লাই আইটির ফাউন্ডার আবদুল্লাহ আল ইমরানের ভাষ্যমতে, ‘প্রোবফ্লাই এখন পর্যন্ত এক হাজারের বেশি ক্লায়েন্টেকে ভিন্ন ভিন্ন ডিজিটাল সার্ভিস দিয়েছে।’ নিজেদের প্রোবফ্লাইকে মূলত আইটি রিলেটেড বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য এবং দেশের ক্লায়েন্ট ৯টি দেশ ছাড়িয়ে নিজেদের ডিজিটাল সার্ভিস দেশের বাইরেও দিয়েছে এবং দিয়ে চ্ছে। ভারত, শ্রীলঙ্কা, আমেরিকা ছাড়া ও নানান দেশে দিয়েছে নিজেদের ডিজিটাল সার্ভিস। সাধারণত, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, থ্রিডি ভিজুলায়েজেশন, সোশ্যাল মিডিয়া, ডিজিটাল মার্কেটিং, বই ডিস্ট্রিবিউশন, সাইবার সিকিউরিটি। যেকোনো কাজে বাধা কিংবা ত্যাগ স্বাভাবিক জিনিস। এ ব্যাপারে ইমরান বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য সহজ ছিল না এই ধরনের আইটি কোম্পানি নিয়ে টিকে থাকা ও কষ্টকর ছিল আমাদের জন্য। আমরা শুধু কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং এর ফলাফল এখন আমরা পাচ্ছি।’  প্রোবফ্লাইয়ের আর ও এক উদ্যেগের মাঝে রয়েছে Al Digital Agency । নিজেদের প্রোবফ্লাইকে মূলত আইটি রিলেটেড বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য আর Al Digital Agency সোশ্যাল মিডিয়া-সংক্রান্ত নানারকম ডিজিটাল সার্ভিস দিয়ে থাকে।  ইমরানের ভাষ্যমতে, মূলত নিজেদের কোয়ালিটি সার্ভিসদের মাধ্যমেই ক্লায়েন্ট পাচ্ছে এবং পুরনো ক্লায়েন্টদেরকে ও সার্ভিস দিচ্ছে যার পেছনে মূল কারণ নিজেদের টিমওয়ার্ক। নিজেরা ভবিষ্যতে রোবোটিক্স, প্রোগ্রামিংয়ের বিষয়গুলো নিয়ে ও কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করে ইমরান।  ইমরানদের এই আইটি কোম্পানি, নিজেদের এই প্রতিষ্ঠানে অন্যদের জন্য ও করেছে কর্মসংস্থানের সুযোগ। প্রতিষ্ঠানটির অফিসে কর্মরত রয়েছে ১০ জন, ফ্রিল্যান্স হিসেবে কাজ ৩০ এর অধিক মানুষ এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ ও করছে মানুষ। নিজের সেবার মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশের এক নাম্বার আইটি সার্ভিস প্রতিষ্ঠানে রুপ নিতে চায় ইমরানরা।
বিদেশের মাটিতে সেবা দিচ্ছে ইমরানের প্রোবফ্লাই আইটি
নিজস্ব মহাকাশ স্টেশনে নভোচারী পাঠাল চীন
নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন তিয়ানগংয়ে চীন প্রথমবারের মতো তিনজন নভোচারী পাঠিয়েছে। সেখানে তারা ছয়মাস অবস্থান করবে। মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের গোবি মরুভূমির জিউকুয়ান স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার থেকে শেনঝো-১৫ নভোযানে করে তিন নভোচারী মহাকাশের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। খবর বিবিসির। মহাকাশে আগে থেকেই মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার আন্তর্জাতিক স্টেশন চালু রয়েছে। এবার দ্বিতীয় হিসেবে মহাকাশ স্টেশন তিয়ানগং যুক্ত হয়েছে। ২০১১ সালে নাসার মহাকাশ কার্যক্রম থেকে চীনকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর নিজস্ব স্টেশন তৈরিতে মনোযোগ দেয় দেশটি। চীনের আন্তর্জাতিক মহাকাশচারী ফেডারেশনের নির্বাহী পরিচালক ডক্টর ক্রিশ্চিয়ান ফেচিংগার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভিকে বলেন, বিশ্ব এখন চীনের ক্রমবর্ধমান মহাকাশ সামর্থ পর্যবেক্ষণ করছে। শেংঝৌ-১৫ নভোযানে যে তিন নভোচারী গেছেন তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ৫৭ বছর বয়সী ফি জাংলং। তিনি ২০০৫ সালে শেংঝৌ-৬ মিশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সেটি ছিল তার প্রথম মহাকাশ মিশন। বলা হচ্ছে আগামী এক দশকে চীন প্রতি বছর দুইবার মহাকাশে নভোচারী পাঠাবে।
নিজস্ব মহাকাশ স্টেশনে নভোচারী পাঠাল চীন
সূর্যের মৃত্যু কবে জানালেন গবেষকরা
৪৬০ কোটি বছর আগে তৈরি হয়েছিল সৌরমন্ডলের প্রাণ খ্যাত নক্ষত্র সূর্য। বহুবছর ধরেই মহাশক্তিশালী এই গ্রহের জন্ম-মৃত্যু ও শক্তির উৎস নিয়ে গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানভিত্তিক সাময়িকী সায়েন্স অ্যালার্টে প্রকাশিত এক প্রবন্ধে সম্প্রতি সূর্যের মৃত্যু সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। ওই প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ৫০০ কোটি বছর পর সূর্য একটি বিশাল লাল রঙের দানব নক্ষত্রে পরিণত হবে। সেটি হবে সূর্যের মৃত্যুর প্রাথমিক স্তর। এই স্তরে সূর্যের মধ্যভাগের অংশটি সংকুচিত হবে এবং বাইরের অংশটি অভিকর্ষবল হারিয়ে নানা দিকে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করবে। তরল সেই আগ্নেয় পদার্থের স্রোত পৌঁছাবে মঙ্গলগ্রহ পর্যন্ত। সেই হিসেবে সূর্যের মৃত্যুর প্রাথমিক স্তরেই বুধ, শুক্র, পৃথিবী ও মঙ্গলগ্রুহ ধ্বংস হয়ে যাবে। সূর্যের ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার কিলোমিটার যা পৃথিবীর ব্যাসের ১০৯ গুণ। আর সূর্যের ভর পৃথিবীর ভরের ৩ লক্ষ ৩০ হাজার গুণ। যা সৌরজগতের মোট ভরের শতকরা ৯৯ দশমিক ৮৬ ভাগ। সূর্যের মোট ভরের তিন চতুর্থাংশই হাইড্রোজেন। হাইড্রোজেনের পরেই সবচেয়ে প্রাচুর্য্যময় মৌল হিলিয়াম। হিলিয়ামের চেয়ে ভারী মৌল সূর্যের মাত্র ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ ভরের জন্য দায়ী, তারপরও এদের সম্মিলিত ভর পৃথিবীর ভরের ৫,৬২৮ গুণ। এসব ভারী মৌলগুলোর মধ্যে রয়েছে অক্সিজেন, কার্বন, নিয়ন, লোহাসহ অন্যান্য পদার্থ। জ্যোতিপদার্থবিদ অ্যালবার্ট জিজলস্ট্রা বলেছেন, যখন একটি তারার মৃত্যু হতে থাকে, তখন সেটি থেকে বিপুল পরিমাণ গ্যাস ও বস্তুকণা নির্গত হয়ে সৌরজগতে ছড়িয়ে পড়ে। যা অনেক ক্ষেত্রে ওই নক্ষত্রের ভরের অর্ধেকও হয়। এনভেলপ নির্গত হওয়ার মাধ্যমে নক্ষত্রের অন্তর্গত মূল অংশটি প্রকাশ্যে আসে, যেটি মূলত সেই নক্ষত্রের শক্তির উৎস। তিনি আরও বলেন, একটি নক্ষত্রের মৃত্যুর অর্থ হলো, সেটির জ্বালানির মজুত শেষ হয়ে গেছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নক্ষত্রটির ক্ষয় হতে থাকে এবং একপর্যায়ে তার চুড়ান্ত মৃত্যু ঘটে।
সূর্যের মৃত্যু কবে জানালেন গবেষকরা
বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় বাংলাদেশের ২ শিক্ষক
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের  তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন বাংলাদেশের ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির (আইইউবিএটি) দুই শিক্ষক। তালিকায় স্থান পাওয়া এই দুই গবেষক হলেন আইইউবিএটি এর অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ার ড. গোলাম রাসুল এবং সিভিল ইঞ্জিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সুভাষ চন্দ্র পাল। গবেষকদ্বয় চলতি বছরের বিশ্বখ্যাত গবেষণা প্রকাশনা সংস্থা ‘এলসেভিয়ের’ ও যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি’র ২০২১-২২ সালের বিশ্বসেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন।   ড. গোলাম রাসুল দীর্ঘ সময় ধরে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেইন ডেভলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি) এর প্রধান অর্থনীতিবিদ হিসাবে যুক্ত ছিলেন। অন্যদিকে  ড. সুভাষ চন্দ্র পাল আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন গবেষণা সাময়িকীতে ৮০টির অধিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন।
বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় বাংলাদেশের ২ শিক্ষক
শিশুদের নিয়ে দেশে ‘স্পেস রোবটিক্স ওয়ার্কশপ’
শিশুদের নিয়ে প্রথমবারের মতো দেশে ‘স্পেস রোবটিক্স ওয়ার্কশপ’ হয়েছে। হাতে কলমে তারা স্পেস রোবটিক্সের বিভিন্ন ধরনের অ্যাক্টিভিটি এবং সাম্প্রতিক উদ্ভাবিত রোবটগুলো কী ধরনের কার্যক্রম প্লানেটে গিয়ে করছে, বিশেষ করে মঙ্গলগ্রহে কী কী করছে তা দেখতে পায়। শনিবার (২২ অক্টোবর) আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাসার সাবেক সিস্টেম অ্যাডমিন আজাদুল হক। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আজকের এই বাচ্চাদের যে রোবটিক্স ওয়ার্কশপ হচ্ছে এটা দিয়ে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির একটা বীজ বপন হয়েছে। এই প্রজন্ম এই ওয়ার্কশপটির মাধ্যমে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে আগ্রহী হচ্ছে এবং তারাই এক সময় আমাদের দেশকে আরোও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আজকের শুরুর মাধ্যমে ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এর আউটকাম আসা শুরু হবে বলে আশা করেন তিনি।  ওয়ার্কশপটি আয়োজন সম্পর্কে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের প্রেসিডেন্ট আরিফুল হাসান অপু বলেন, আমাদের এই ওয়ার্কশপে শিশুদেরকে মূলত স্পেস রোবটিক্সের বিভিন্ন ধরনের অ্যাক্টিভিটি এবং সাম্প্রতিক উদ্ভাবিত রোবটগুলো কী ধরনের কার্যক্রম প্লানেটে গিয়ে করছে, বিশেষ করে মঙ্গলগ্রহে কী কী করছে তা দেখানো হবে। অপু আরও বলেন, ওয়ার্কশপে শিশুরা রোবট বানাবে। তাদের বানানো রোবট দিয়ে ১০ ধরনের অ্যাক্টিভিটি করবে। এভাবে তারা শিখবে টিমওয়ার্ক এবং কীভাবে একটা প্রবলেম সলভ করা যায়। আমরা মনে করি আজকের প্রজন্ম আগামী দিনের বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণার কাণ্ডারি। আয়োজনে ভেন্যু পার্টনার ছিল আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। সহযোগিতায় ছিল বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম, ইজেনারেশন লিমিটেড, ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউট, ব্রেইন স্টেশন-২৩সহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
শিশুদের নিয়ে দেশে ‘স্পেস রোবটিক্স ওয়ার্কশপ’
আরও পড়ুন
মেট্রোরেল সেবায় ঢাকার চেহারা বদলে যাবে : কিমিনিরো
বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহযোগিতা করবে জাপান : রাষ্ট্রদূত
বিশ্বে করোনায় বেড়েছে মৃত্যু ও শনাক্ত
জাপানে ব্যাপক তুষারপাতে ১৭ জনের মৃত্যু