ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ফুটবলের উন্মাদনায় ট্রল ও আত্মহত্যা নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩০ পিএম
আলোচিত ইসলামী বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ। ফাইল ছবি

পুরো পৃথিবীর মতো বাংলাদেশও এখন বুঁদ হয়ে আছে বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায়। এ উন্মাদনায় ট্রলের শিকার হয়ে, বিশেষ করে ব্রাজিল বিদায় নেওয়ার পর এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে দেশে।

উদ্বেগজনক এ বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি এক অনলাইন লাইভ প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠানে প্রশ্ন করা হয়েছে আলোচিত ইসলামী বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহকে। সেখানে বলা হয়, ফুটবল বিশ্বকাপ উন্মাদনায় এ বছর ১০ থেকে ১২ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। কুষ্টিয়ায় একজন আত্মহত্যা করেছেন প্রতিপক্ষের ট্রোলিং বা বোলিংয়ের কারণে। এসব মৃত্যুর জন্য আসলে কে বা কারা দায়ী?

নিজের ইউটিউব চ্যানেলের ওই লাইভ অনুষ্ঠানে সেই প্রশ্নের উত্তরে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, এটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক একটা বাস্তবতা যে, আমাদের দেশে প্রতিবছরই খেলাকে কেন্দ্র করে মানুষের প্রাণ ঝরে। একজন ইমানদারের জীবন এতটা সস্তা হয়ে গেল কীভাবে যে কোথাকার কোন দেশের খেলোয়াড়রা হারলো নাকি জিতলো, তার জন্য আমরা নিজেরা মারামারিতে লিপ্ত হয়ে যাব, এমনকি খুন পর্যন্ত করে ফেলব! এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে পানিতে চুবিয়ে মেরে ফেলেছে। এই উন্মাদনা যারা তৈরি করছেন এবং এই উন্মাদনাকে যারা মাত্রাহীনভাবে সীমানার বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন, তারা কোনোভাবেই এর দায় এড়াতে পারেন না।

খেলাধুলা মানুষের জীবনের অংশ হতে পারে, বিনোদনও জীবনের অংশ হতে পারে; শরীয়তের সীমানার মধ্যে থেকে সেটা করতে শরিয়ত নিষেধ করে না। কিন্তু সীমালঙ্ঘনকারীকে আল্লাহ তাআলা পছন্দ করেন না। আল্লাহ তাআলার বেঁধে দেওয়া সীমানা ক্রস করে গেলে সেখানে আজ হোক বা কাল অকল্যাণ আসবেই। মানুষ একটা সময় হয়তো এটা বুঝবে, কিন্তু ততদিন হয়তো অনেক দেরি হয়ে যাবে।

কুষ্টিয়ায় বিশেষ করে যে ঘটনা ঘটেছে, গণমাধ্যম থেকে যেটুকু জানা গেল তা হলো, ওই ব্যক্তির পছন্দের দল হেরে যাওয়ায় তিনি মন খারাপ করেছিলেন। এর মধ্যে তার প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকদের অতিমাত্রার বুলিং বা ট্রোলিং তিনি সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার মতো পথ বেছে নিয়েছেন। অথচ তার স্ত্রী আছেন, ছোট ছোট সম্ভবত দুইটা বাচ্চাও আছে। এটা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায়?

আরও পড়ুন

এর চেয়ে বড় ট্রাজেডি আর কী হতে পারে যে, একটা দেশে ১০-১২ জন মানুষ মারা যাচ্ছে এমন একটা খেলা নিয়ে, যে খেলায় সেই দেশের কোনো অংশগ্রহণই নেই। কোথাকার কোন দেশের খেলা, আর আমরা এমন সব দেশকে সাপোর্ট করছি যারা রাষ্ট্রীয়ভাবে রীতিমত ঘোষণা দিচ্ছে যে তারা ইহুদিবাদীদের সাথে আছে, ফিলিস্তিনের বিপরীতে অবস্থান করছে এবং তাদের সমর্থকরা গ্যালারিতে ইজরাইলের পতাকার প্রদর্শন করছে। আর মুসলমানের সন্তান তাদের জন্য এমন পাগলপারা হয়ে যাচ্ছে যে নিজের জীবন পর্যন্ত দিয়ে দিচ্ছে! এর চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয় আর কী হতে পারে। আল্লাহ তাআলা আমাদের এই ভাইদেরকে হেদায়েত দান করুন, আমীন।

আপনাদের যাদের সুযোগ আছে, তারা সুস্থ থাকার জন্য শারীরিক কসরত করবেন, ব্যায়াম করবেন—শরীর সুস্থ রাখার জন্য এটি খুবই দরকার। নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, দুর্বল ইমানদারের চাইতে আল্লাহ তাআলার কাছে সবল ইমানদার বেশি প্রিয়। আর সবল ইমানদার থাকার জন্য আপনার খাদ্য, আপনার ঘুম এবং আপনার সবকিছু পরিমিত হওয়া দরকার, স্বাস্থ্যসম্মত হওয়া দরকার এবং হিসেব-নিকেশ করে হওয়া দরকার। খাদ্যের পুষ্টিগুণ বা ফুড ভ্যালু বিবেচনা করে আমাদের খাবার গ্রহণ করা উচিত, যা শরীরের জন্য উপকারী।

কোরআনে আল্লাহ তাআলা আমাদের হালাল ও তায়্যিব খাবার খেতে বলেছেন। এখানে তায়্যিব শব্দের আক্ষরিক অর্থ পবিত্র হলেও তাফসিরের ইমামগণ এর কয়েক ধরনের ব্যাখ্যা করেছেন। তার মধ্যে একটি ব্যাখ্যা হলো, যে খাবার মানুষের দুনিয়া এবং আখেরাতে কোনো ক্ষতির কারণ হবে না, সেটাই তায়্যিব। ইমাম ইবনে আশুর রহিমাহুল্লাহ তার তাফসিরে একই কথা লিখেছেন যে, তায়্যিব মানে হলো যে খাবারে মানুষের দুনিয়াতেও ক্ষতির কারণ হবে না এবং আখেরাতেও ক্ষতির কারণ হবে না।

জাঙ্ক ফুড, অতিরিক্ত তেলজাতীয় বা তেলে ভাজা অস্বাস্থ্যকর খাবার যা আপনার স্বাস্থ্য নষ্ট করবে, এসিডিটি তৈরি করবে এবং শরীরের জন্য ক্ষতিকর হবে—এ রকম খাবার খেতে কিন্তু ইমানদারকে আল্লাহ উৎসাহিত করেন নাই। একজন ইমানদারের উচিত সবসময় সুস্থ থাকার চেষ্টা করা এবং তার লাইফস্টাইলকে সেভাবেই সাজানো। পুরোপুরি অর্গানিক খাবার না পেলেও অন্তত প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ার চেষ্টা করা এবং আর্টিফিশিয়াল, প্রসেসড কিংবা মানুষের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো থেকে বেঁচে থাকা।

সুস্থ থাকতে হবে কারণ আল্লাহর ইবাদত করতে হবে, এমন কি প্রয়োজন হলে জিহাদ করার জন্য নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হবে। মুমিন সুস্থ থাকার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এক্সারসাইজ বা ব্যায়াম করবে এবং শরিয়তের সীমানার মধ্যে থেকে খেলাধুলাও করবে, কিন্তু এভাবে খেলার উন্মাদনায় মত্ত হওয়া মুমিনের কাজ হতে পারে না। যে উন্মাদনার কারণে আমরা ১০-১২ টা মানুষের জীবন হারালাম।

যে পরিবারগুলো তাদের স্বজনদের হারিয়েছে, কেবল তারাই এই কষ্টের গভীরতা জানে। এই উন্মাদনাকে যারা লাগামহীনভাবে সৃষ্টি করেছে, আমার মনে হয় তাদের উচিত এটার জন্য অনুতপ্ত হওয়া এবং এই লাগামহীন উন্মাদনাকে কোনোভাবেই এপ্রিশিয়েট বা প্রশ্রয় না দেওয়া।

আমি আবারও বলছি, ইসলাম বিনোদনকে নিরুৎসাহিত বা নিষেধ করে না, কিন্তু প্রত্যেকটা জিনিসের একটা সুনির্দিষ্ট সীমারেখা আছে। যে কাজের পেছনে দুনিয়া বা আখেরাতের কোনো লাভ নেই, এমন অনর্থকতা ইসলাম সমর্থন করে না। আপনি খেলাধুলা করলে শরীরে ব্যায়াম হবে, ঘাম ঝরবে এবং সুস্থ থাকবেন—সেটি আপনি করুন। কোনো কিছু যদি আপনার আনন্দের কারণ হয় এবং তা শরিয়তের সীমার মধ্যে থাকে, তবে তা করতে পারেন, কিন্তু সীমার বাইরে গিয়ে নয়। আল্লাহ তাআলা সীমালঙ্ঘনকারীকে পছন্দ করেন না।

যারা খেলার নামে এই উন্মাদনার মধ্যে লিপ্ত হচ্ছেন এবং এর পেছনের অনাচারগুলো খেয়াল করছেন না, তাদের উচিত এই উন্মাদনা অনতিবিলম্বে পরিহার করা। একজন মুসলমানের ইসলাম তখন সুন্দর হবে, যখন সে অহেতুক ও অনর্থক কাজ পরিহার করবে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মাঝ আকাশে বিমানে দুই বাংলাদেশি যাত্রীর তুমুল মারামারি
যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে বাংলাদেশে ফেরার পথে মাঝআকাশে একটি বিমানে দুই বাংলাদেশি যাত্রীর তুমুল মারামারির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফ্লাইট চলাকালে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই যাত্রী হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।
মাঝ আকাশে বিমানে দুই বাংলাদেশি যাত্রীর তুমুল মারামারি
কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে মারধর ও চুল কর্তন
পূর্ব বিরোধের জের ধরে সুনামগঞ্জে মধ্যবয়সী এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে মারধর ও জোর করে মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। চুল কর্তন ও নির্যাতনের শিকার কনটেন্ট ক্রিয়েটরের নাম সোনা মিয়া ওরফে সোনাই পাগলা (৫০)। 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে মারধর ও চুল কর্তন
চেয়ারম্যান হলে ফ্রি গাঁজা-ইয়াবা বিতরণের ঘোষণা যুবকের! যা জানা যাচ্ছে
‘আমি চেয়ারম্যান হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা টাকায় গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’ এমন ঘোষণা সম্বলিত পোস্টারে ছেয়ে গেছে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়ন।
চেয়ারম্যান হলে ফ্রি গাঁজা-ইয়াবা বিতরণের ঘোষণা যুবকের! যা জানা যাচ্ছে
বিশ্বকাপের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে টাইগারদের ভারতে না পাঠানোর জন্য তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলকে দায়ী করে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। যা এখন আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে। এর মাঝেই তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে মুখ খুলেছেন সাবেক এই উপদেষ্টা। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ভারতে দল না পাঠানোর ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। আরটিভির পাঠকদের জন্য পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো— টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: কেন ভারতে যাইনি? ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলতে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি তখনকার ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে মূলত আমারই ছিল। আমি নিজেই এ কথা একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছি। তাই এতোদিন পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিষয়টি তদন্ত করে তা প্রকাশের কি এমন কারণ ঘটলো বুঝলাম না।  ঘটনার সূত্রপাত উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের চাপের মুখে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে অপমানজনকভাবে বাদ দেওয়া থেকে। এর পরপরই আমরা নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা এবং বাংলাদেশের প্রতি অবমাননার প্রতিবাদে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার বিষয়ে অনীহা জানাই। আমাদের আশঙ্কা যে অমূলক ছিল না, আইসিসির প্রথম রিপোর্টেই তার স্বীকৃতি ছিল। সেখানে ভারতে নিরাপত্তা-আশঙ্কার তিনটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছিল—বিশ্বকাপের দলে মোস্তাফিজ থাকলে, বাংলাদেশের সমর্থকরা মুক্তভাবে ঘোরাফেরা করলে এবং বাংলাদেশে নির্বাচন এগিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে। বিবিসি বাংলা ওই রিপোর্টের হুবহু বাংলা অনুবাদও প্রকাশ করেছিল। এই পরিস্থিতিতে আমরা ভারতে খেলতে যাব কেন? আমরা শেষ পর্যন্ত অন্য কোনো ভেন্যুতে বিশ্বকাপ খেলার জন্য বহু চেষ্টা করেছি। কোনো কোনো দেশ থেকে সমর্থনও পেয়েছিলাম। কিন্তু সম্ভবত আইসিসির নেতৃত্বে ভারতীয়দের আধিপত্যে থাকার কারণে শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমাদেরকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। আমাদের সিদ্ধান্তের পেছনে তিনটি বিষয় ছিল অত্যন্ত পরিষ্কার—দেশের মর্যাদা, আমাদের ক্রিকেটার-সাংবাদিক-সমর্থকদের নিরাপত্তা এবং আগামী নির্বাচনের আগে দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা। সে সময় বলা হয়েছিল, বিশ্বকাপ না খেললে বিদেশি দলগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের খেলা বন্ধ হয়ে যাবে। আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের নানা উদ্যোগে সেই আশঙ্কাও শেষ পর্যন্ত দূর হয়েছিল। আমি মনে করি, আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। একটি ছোট দেশ বলে কেউ আমাদের ইচ্ছেমতো অপমান করবে, আর আমরা সবসময় তা মুখ বুঝে মেনে নিবো এমন প্রত্যাশা করা ঠিক নয়। আমি সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সাথে বন্ধুত্বে বিশ্বাসী । মাথা নত করে সব মেনে নেয়াতে না। এদিকে তদন্ত কমিটির দাবি, তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলই এককভাবে সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করেন। এ ক্ষেত্রে অন্য কারও মতামত নেওয়ার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। এমনকি ক্রিকেটারদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও তিনি শুধু নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কোনো একক ব্যক্তির ইচ্ছায় নেওয়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করে, ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ এবং দেশের কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর প্রত্যাশাকে সামনে রেখে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন বলেও মত দিয়েছে কমিটি। আরটিভি/এসআর  
বিশ্বকাপের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
কক্সবাজারে হচ্ছে ব্লু ইকোনমি বিশ্ববিদ্যালয়
কক্সবাজারে ‘ইউনিভার্সিটি অব ব্লু ইকোনমি সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি (ইউবিইএসটি)’ নামে একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
কক্সবাজারে হচ্ছে ব্লু ইকোনমি বিশ্ববিদ্যালয়
আরও পড়ুন
১০ গোলের পর এবার ৬ গোল হজম বাংলাদেশের
ঘরের মাঠে আর্জেন্টিনার ৩ ম্যাচের সূচি প্রকাশ
লংগদুতে ৩৭ বিজিবির জোন কাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন গাউসপুর সিটি এফসি
বাংলাদেশের জালে উত্তর কোরিয়ার ১০ গোল