
এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের হারের বৃত্ত যেন ভাঙছেই না। প্রথম ম্যাচে উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষেও ৬-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ।
দুই ম্যাচে ১৬ গোল হজম করলেও উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে হারের তুলনায় দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ব্যবধান কিছুটা কমিয়েছে আফিদা খন্দকারের দল।
জাপানের ওসাকার নাগাই স্টেডিয়ামে শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ঋতুপর্ণা চাকমা, তহুরা খাতুন ও মনিকা চাকমার মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের একাদশে না রাখায় সমালোচিত হয়েছিলেন ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলার। দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য অভিজ্ঞদের নিয়েই একাদশ সাজান তিনি।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে দক্ষিণ কোরিয়া। তবে প্রথমার্ধে তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত ফুটবল উপহার দেয় বাংলাদেশ। ১৭ মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া বলে লাফিয়ে হেড করে দক্ষিণ কোরিয়াকে এগিয়ে দেন কিম মিন-জি।
প্রথম গোলের পরও বাংলাদেশের ওপর চাপ অব্যাহত রাখে কোরিয়া। ৪২ মিনিটে বিতর্কিত এক গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে তারা। গোলটি অফসাইড ছিল কি না, তা নিয়ে তৈরি হয় সংশয়। ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
প্রথমার্ধে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ কিছুটা স্থির থাকলেও গোলরক্ষক রূপনা চাকমা ছিলেন দলের অন্যতম ভরসা। একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে ব্যবধান আরও বড় হতে দেননি তিনি। আক্রমণভাগে ঋতুপর্ণাও নজর কাড়েন।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে আর প্রতিরোধ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে একের পর এক আক্রমণ চালায় দক্ষিণ কোরিয়া। ৬৫ মিনিটের পর থেকে শেষ বাঁশি পর্যন্ত আরও চারবার বাংলাদেশের জালে বল পাঠায় তারা।
বাংলাদেশ অবশ্য ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল। সুইডেনপ্রবাসী আনিকা রানিয়া সিদ্দিকীর দূরপাল্লার শট গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।
শেষ পর্যন্ত ৬-০ গোলের হার নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
এশিয়ান গেমসে গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ আগামী ২১ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের বিপক্ষে।
আরটিভি/এসকে


