ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

জনপ্রিয় টিকটকারকে হত্যা, সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৩:২৯ পিএম
আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের জনপ্রিয় টিকটক তারকা শামসো বিবি গুলিতে নিহত হয়েছেন। গত ১৪ আগস্ট দেশটির স্বাধীনতা দিবসে রাওয়ালপিন্ডির তক্ষশীলায় এ ঘটনা ঘটে। ২৮ বছর বয়সী এই কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে তার পরিবার, ভক্ত ও পাকিস্তানের বিনোদন অঙ্গনে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আয়েশা গিলামানা নামে পরিচিত ছিলেন শামসো। টিকটকে তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল ১৩ লাখের বেশি। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন ভাই নিয়ামাতুল্লাহ।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন কাশিফ নামের এক ব্যক্তির ফোন পেয়ে ভাই নিয়ামাতুল্লাহ ও বোন আসিমাকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন শামসো। কিছুক্ষণ পর একটি পেট্রোল পাম্পের কাছে তাদের লক্ষ্য করে মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি গুলি চালায়।

গুলিতে শামসোর ঘাড়ে আঘাত লাগে এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের দাবি। এ সময় তার বোন আসিমাও গুরুতর আহত হন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার কথা বলা হয়েছে। তবে ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় সামনে এসেছে আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধের তথ্যও। শামসোর পরিবারের দাবি, কাউসার ও জাভেদ নামের দুই ব্যক্তির কাছে আর্থিক পাওনা নিয়ে আগে থেকেই হুমকি পাচ্ছিলেন তিনি। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ওই দুজনের সম্পৃক্ততার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

রাওয়ালপিন্ডি পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে। ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে হামলাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন

এদিকে, জনপ্রিয় এই টিকটকার হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন শামসোর পরিবার ও ভক্তরা।

সূত্র: আনন্দবাজার

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে মারধর ও চুল কর্তন
পূর্ব বিরোধের জের ধরে সুনামগঞ্জে মধ্যবয়সী এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে মারধর ও জোর করে মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। চুল কর্তন ও নির্যাতনের শিকার কনটেন্ট ক্রিয়েটরের নাম সোনা মিয়া ওরফে সোনাই পাগলা (৫০)। 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে মারধর ও চুল কর্তন
চেয়ারম্যান হলে ফ্রি গাঁজা-ইয়াবা বিতরণের ঘোষণা যুবকের! যা জানা যাচ্ছে
‘আমি চেয়ারম্যান হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা টাকায় গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’ এমন ঘোষণা সম্বলিত পোস্টারে ছেয়ে গেছে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়ন।
চেয়ারম্যান হলে ফ্রি গাঁজা-ইয়াবা বিতরণের ঘোষণা যুবকের! যা জানা যাচ্ছে
বিশ্বকাপের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে টাইগারদের ভারতে না পাঠানোর জন্য তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলকে দায়ী করে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। যা এখন আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে। এর মাঝেই তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে মুখ খুলেছেন সাবেক এই উপদেষ্টা। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে ভারতে দল না পাঠানোর ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। আরটিভির পাঠকদের জন্য পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো— টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: কেন ভারতে যাইনি? ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলতে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি তখনকার ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে মূলত আমারই ছিল। আমি নিজেই এ কথা একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছি। তাই এতোদিন পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিষয়টি তদন্ত করে তা প্রকাশের কি এমন কারণ ঘটলো বুঝলাম না।  ঘটনার সূত্রপাত উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের চাপের মুখে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে অপমানজনকভাবে বাদ দেওয়া থেকে। এর পরপরই আমরা নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা এবং বাংলাদেশের প্রতি অবমাননার প্রতিবাদে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার বিষয়ে অনীহা জানাই। আমাদের আশঙ্কা যে অমূলক ছিল না, আইসিসির প্রথম রিপোর্টেই তার স্বীকৃতি ছিল। সেখানে ভারতে নিরাপত্তা-আশঙ্কার তিনটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছিল—বিশ্বকাপের দলে মোস্তাফিজ থাকলে, বাংলাদেশের সমর্থকরা মুক্তভাবে ঘোরাফেরা করলে এবং বাংলাদেশে নির্বাচন এগিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে। বিবিসি বাংলা ওই রিপোর্টের হুবহু বাংলা অনুবাদও প্রকাশ করেছিল। এই পরিস্থিতিতে আমরা ভারতে খেলতে যাব কেন? আমরা শেষ পর্যন্ত অন্য কোনো ভেন্যুতে বিশ্বকাপ খেলার জন্য বহু চেষ্টা করেছি। কোনো কোনো দেশ থেকে সমর্থনও পেয়েছিলাম। কিন্তু সম্ভবত আইসিসির নেতৃত্বে ভারতীয়দের আধিপত্যে থাকার কারণে শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমাদেরকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। আমাদের সিদ্ধান্তের পেছনে তিনটি বিষয় ছিল অত্যন্ত পরিষ্কার—দেশের মর্যাদা, আমাদের ক্রিকেটার-সাংবাদিক-সমর্থকদের নিরাপত্তা এবং আগামী নির্বাচনের আগে দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা। সে সময় বলা হয়েছিল, বিশ্বকাপ না খেললে বিদেশি দলগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের খেলা বন্ধ হয়ে যাবে। আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের নানা উদ্যোগে সেই আশঙ্কাও শেষ পর্যন্ত দূর হয়েছিল। আমি মনে করি, আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। একটি ছোট দেশ বলে কেউ আমাদের ইচ্ছেমতো অপমান করবে, আর আমরা সবসময় তা মুখ বুঝে মেনে নিবো এমন প্রত্যাশা করা ঠিক নয়। আমি সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সাথে বন্ধুত্বে বিশ্বাসী । মাথা নত করে সব মেনে নেয়াতে না। এদিকে তদন্ত কমিটির দাবি, তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলই এককভাবে সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করেন। এ ক্ষেত্রে অন্য কারও মতামত নেওয়ার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। এমনকি ক্রিকেটারদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও তিনি শুধু নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কোনো একক ব্যক্তির ইচ্ছায় নেওয়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করে, ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ এবং দেশের কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর প্রত্যাশাকে সামনে রেখে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন বলেও মত দিয়েছে কমিটি। আরটিভি/এসআর  
বিশ্বকাপের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
কক্সবাজারে হচ্ছে ব্লু ইকোনমি বিশ্ববিদ্যালয়
কক্সবাজারে ‘ইউনিভার্সিটি অব ব্লু ইকোনমি সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি (ইউবিইএসটি)’ নামে একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
কক্সবাজারে হচ্ছে ব্লু ইকোনমি বিশ্ববিদ্যালয়
ভবিষ্যৎমুখী আইন প্রণয়নই বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত
ভবিষ্যৎমুখী আইন প্রণয়নই বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার মূল চাবিকাঠি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
ভবিষ্যৎমুখী আইন প্রণয়নই বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত
আরও পড়ুন
রংপুরে ৪ খুন: গ্রেপ্তার দুই আসামির ডোপ টেস্টে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
চার ব্র্যান্ডের দামি গাড়ি আমদানি নিয়ে সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
টিকটকারের হানি ট্র্যাপে পড়ে ‘বড় মাশুল’ গুনলেন ফ্রিল্যান্সার
যেভাবে হত্যা করা হয় শিক্ষক পরিবারের চারজনকে