ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

মক্কা-মদিনাকে নিয়ে মিজানুর রহমান আজহারী ফেসবুক পোস্ট

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
মিজানুর রহমান আজহারী। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্র সৌদি আরবের পবিত্র ভূমিতে হামলা এবং সেখানে থাকা নিরপরাধ ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।

রোববার (১১ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারী লিখেছেন, মক্কা ও মদিনা স্রেফ ভৌগলিক কোনো স্থান নয়— এই দুই নগরী সমগ্র মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ের স্পন্দন।

তিনি লেখেন, পবিত্র এই ভূমিতে হামলা এবং নিরপরাধ উমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনা গভীর উদ্বেগজনক ও বেদনাদায়ক। নিশ্চয়, আল্লাহর কাছে যে ভূমি বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত, তার পবিত্রতা ও সম্মান ক্ষুণ্ন করার পরিণতি ভয়াবহ।

তিনি আরও লেখেন, হে কাবার মালিক! মক্কা-মদিনাকে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করো।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কায়দা করে বাঁচার জন্য আ.লীগ-ছাত্রলীগ এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে: রাশেদ খাঁন
অপরাধের শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য কায়দা করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অনেকে এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
কায়দা করে বাঁচার জন্য আ.লীগ-ছাত্রলীগ এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে: রাশেদ খাঁন
মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি: আসিফ নজরুল
অনেকের মতো আমিও মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি বলে মন্তব্য করেছেন বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।
মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি: আসিফ নজরুল
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘গাঁজাখোর’ বললেন রাশেদ খাঁন!
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘গাঁজাখোর’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘গাঁজাখোর’ বললেন রাশেদ খাঁন!
প্রশ্নফাঁসের জন্য আমাকে কোনোভাবে ফাঁসিয়ে দেয়া যায় না: আসিফ মাহমুদ
পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন চাকরিপ্রার্থীরা। প্রশ্নফাঁস ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে পরীক্ষার্থীরা এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। এতে মিরপুর রোডসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা। নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভে রাজধানীর সড়কে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।  এদিকে, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ঘিরে আলোচনার মধ্যে আসিফ মাহমুদের বক্তব্য, ‘প্রশ্নফাঁসের জন্য আমাকে কোনোভাবে ফাঁসিয়ে দেওয়া যায় না।’ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এই নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। শনিবার দুপুর ১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশ্নফাঁসের জন্য আমাকে ফাঁসিয়ে দেওয়া যায় না কোনোভাবে? মে ২০২৬ এর পদোন্নতির জন্য তো আমার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছেই। আবারও প্রশ্নফাঁস ও নিয়োগ বাণিজ্যের যুগ শুরু হলো!’ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা ১১টার দিকে পূর্বনির্ধারিত এই নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হয়। তবে পরীক্ষা শুরুর অল্প সময়ের ব্যবধানে তা স্থগিতের ঘোষণা এলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন প্রার্থীরা। এর প্রতিবাদে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে এসে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও টেকনিক্যাল মোড়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সড়ক অবরোধ করেন। সড়ক অবরোধের কারণে মোহাম্মদপুরের আসাদ অ্যাভিনিউ, মিরপুর সড়ক এবং সংলগ্ন এলাকাগুলোতে যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়ে এবং ভোগান্তিতে পড়েন কর্মজীবীসহ সাধারণ মানুষ। আরটিভি/এসকে
প্রশ্নফাঁসের জন্য আমাকে কোনোভাবে ফাঁসিয়ে দেয়া যায় না: আসিফ মাহমুদ
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১ মাসের ক্ষমতা চাইলেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব
দেশের বহুল আলোচিত রেলওয়ে খাতে টিকিট কালোবাজারি স্থায়ীভাবে বন্ধ এবং ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে মাত্র এক মাসের জন্য পূর্ণ প্রশাসনিক ক্ষমতা ও কাজের স্বাধীনতা চেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন। কোনো পদ-পদবি, আলাদা সুযোগ-সুবিধা বা পারিশ্রমিক ছাড়াই শুধু যাতায়াতের জন্য একটি গাড়ি দেওয়ার বিনিময়ে এই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে মাহবুব কবীর মিলন এসব কথা বলেন। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, মাত্র এক মাসের জন্য তাকে ক্ষমতা দেওয়া হলে ঢাকা–কক্সবাজার ও ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে রেলের টিকিট কালোবাজারি বন্ধ করে দেখাবেন। এ কাজের জন্য কোনো পদ-পদবি, আলাদা চেয়ার-টেবিল কিংবা বেতন-ভাতা প্রয়োজন হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। শুধু যাতায়াতের জন্য একটি গাড়ি এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগে তার নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষমতা চান। টিকিট কালোবাজারি বন্ধে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মাহবুব কবীর মিলন বলেন, চুক্তিভিত্তিক কিছু অবসরপ্রাপ্ত টিকিট পরীক্ষক নিয়োগ করা হবে। পাশাপাশি চাকরিরত ও অবসরপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মকর্তাকে কাজে যুক্ত করা হবে। এ কাজে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ পুলিশি নিরাপত্তারও প্রয়োজন হবে বলে জানান তিনি। তার প্রস্তাব অনুযায়ী, ট্রেনের প্রতিটি যাত্রীর টিকিট পরীক্ষা না করে প্রতি কোচ থেকে দৈবচয়নের ভিত্তিতে যাত্রীদের পরিচয় যাচাই করা হবে। টিকিটে উল্লিখিত ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য কেউ ভ্রমণ করলে দ্বিগুণ জরিমানার ব্যবস্থা রাখার কথাও বলেন তিনি। অপ্রাপ্তবয়স্ক যাত্রীদের টিকিটের সঙ্গে বাবা বা মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য যুক্ত করার প্রস্তাব দেন তিনি। এ ছাড়া টিকিট পরীক্ষক, চেকার ও গার্ডদের শরীরে ধারণযোগ্য ক্যামেরা রাখার কথা উল্লেখ করেন মাহবুব কবীর মিলন। তার মতে, ‘টিকিট যার, ভ্রমণ তার’ নীতি শতভাগ বাস্তবায়ন করা গেলে অনিয়ম ও কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে যাত্রার তিন থেকে পাঁচ দিন আগে টিকিট ইস্যুর ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। অন্যায়কারীদের পক্ষে কেউ তদবির বা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করলে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) কার্যক্রম নিয়েও নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মাহবুব কবীর মিলন। তিনি বলেন, বাহিনীটির আইনগত ক্ষমতা ও দায়িত্ব যথাযথভাবে কার্যকর করতে নির্বাহী আদেশ জারির উদ্যোগ নেওয়া হবে। বাহিনীটিকে রেল অধিদপ্তরের পরিবর্তে সরাসরি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রস্তাবও দেন তিনি। তার দাবি, বাহিনীটির আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে একে আধুনিক ও কার্যকর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এ ছাড়া ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। পরীক্ষামূলকভাবে নির্ধারিত দুই রুটে সফল হলে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য রেলপথেও এসব ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দেন এই অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মাহবুব কবীর মিলন লেখেন, এক মাসের জন্য তাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। এ সময়ে নেওয়া পদক্ষেপ ও অগ্রগতি জনগণকে জানানো হবে বলেও জানান তিনি। ব্যর্থ হলে যেকোনো শাস্তি মেনে নেওয়ার অঙ্গীকার করে তার প্রস্তাবটি বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। উল্লেখ্য, মাহবুব কবীর মিলন বিভিন্ন সময়ে সরকারি সেবা, ভোক্তা অধিকার ও অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় এসেছেন। এবার রেলের টিকিট কালোবাজারি বন্ধে এক মাসের জন্য দায়িত্ব চেয়ে দেওয়া তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আরটিভি/টিআর
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১ মাসের ক্ষমতা চাইলেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব
আরও পড়ুন
ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে নতুন যে নিষেধাজ্ঞা দিলো মেটা
মৌলভীবাজারে এনসিপির ২ নেতাকে বহিষ্কার
যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সিনেটর
ফেসবুকে ধর্ম নিয়ে কটূক্তি, যুবক কারাগারে