ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান জামায়াত-এনসিপির সহ্য হচ্ছে না: আমজনতার তারেক

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

নিজের রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াও জামায়াত ও এনসিপি সহ্য করতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন আমজনতার দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আমজনতার তারেক রহমান লিখেছেন, ‘আজ প্রধানমন্ত্রী মজা করে বলছিলেন, তারেক তুমি আবার যাবা আমার সঙ্গে। ওরা জ্বলতে থাকুক।’

তিনি লেখেন, ‘জামায়াত-এনসিপি আমাকে হেয় করতে করতে এমন মানসিক অবস্থায় চলে গেছে যে, আমার একটু রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াটাও সহ্য করতে পারছে না। তারা হাঁপাচ্ছে জিহ্বাটা বের করে।’

স্ট্যাটাসে আরও লেখেন, ‘২০১৮ বা ২০২৪ এর সহযোদ্ধারা যারা রাজনীতিতে সময় দিচ্ছেন কয়েকজন বাদে বেশিরভাগকেই শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিকট হতে চেয়ে চিনতে চলতে হয়। আমিও এ ধরনের সহযোগিতা নিয়ে চলেছি কিছু দিন। কি করব, তখন না পারছিলাম কর্মে ফিরতে না পারছিলাম আন্দোলন ছেড়ে দিতে। প্রবাসী ভাইদের দেওয়া অর্থে আমি খেয়েছি, গাড়ি ভাড়া দিয়েছি, বাসা ভাড়াও দিয়েছি।’

তবে এই চক্র থেকে বের হয়ে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতে চেয়েছেন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘কিন্তু আমি এই চক্র থেকে বের হয়ে কিছু কাজ করে খেতে চেয়েছি। বাবা-মায়ের রাজনীতিতে অনাগ্রহের কারণে আমাকে অনেক ক্ষুধা-দারিদ্র্যের সম্মুখীন হতে হয়েছে। বাধ্য হয়েই ফল ব্যবসা করেছি, মধু ব্যবসা করেছি। আমি জান-প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করেছি কিছু একটা কর্ম থেকে আমার খাবার, বাসা ভাড়া জোগাড় করতে। এটা যদি অযোগ্যতার কারণ হয়, তাহলে আর কি করার আছে।’

নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘আমার অতটা পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ হয়নি। কিন্তু যখন সুযোগ পেয়েছি আল্লাহর হাতে জান সঁপে দিয়ে ইফোর্ট দিয়েছি মুক্তির লড়াইয়ে।’

তিনি দাবি করেন, ২০১৮ সালের ধারালো ফলার মতো লিফলেট, মোদীবিরোধী আন্দোলনের লিফলেট এবং ভারতীয় পণ্য বর্জনের জনপ্রিয় লিফলেট তার হাতেই তৈরি হয়েছে।

নিজের আটক, গুম ও রিমান্ডের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন আমজনতার দলের এই নেতা। তার দাবি, ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ রমনা থানায় প্রথম আটক হন তিনি। একই বছরের ১৪ জুলাই দ্বিতীয়বার গুম হন বলে উল্লেখ করেন। পরে ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর ডিবি এবং পরবর্তী সময়ে ডিজিএফআইয়ের হাতে আটক হওয়ার কথাও জানান তিনি। এ ছাড়া ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট ১০ দিনের রিমান্ডে ছিলেন বলে স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন।

এগুলোই তার কিছুটা মনে আছে এবং এর চেয়ে বেশি কিছু করার সুযোগ পাননি বলেও স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন। জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে নিজের বিরোধকে রাজনৈতিক বিরোধ হিসেবে দেখতে নারাজ তারেক রহমান।

তিনি আরও লেখেন, ‘যারা আমাকে সহ্য করতে পারছেন না, তাদের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক বিরোধ নেই। এই বিরোধ সার্বভৌমত্বের বিরোধ।’

তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা বলা যাবে না, এমন বক্তব্য দেওয়া হয়েছিল। এর বিপরীতে তিনি মুক্তিযুদ্ধকে সবচেয়ে বড় সার্বভৌমত্বের লড়াই বলে মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান আরও অভিযোগ করেন, ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তি যে কোনো মূল্যে ক্ষমতা চায়, সব বিদেশি শক্তির সঙ্গে সমঝোতা শেষে এরা গেছে ভারতের কাছে। ২৮ আগস্ট ২০২৪ মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি ভারতের সহযোগিতা কামনা করে প্রেস ব্রিফিং করে। ভারত সাড়াও দিয়েছে এদের। এরপর ভারতীয় মিডিয়ায় ফাঁস হলো, জামায়াত আমির গোপনে ভারতের র-এর সঙ্গে মিটিং করছে। ধরা খেয়ে মুখ পুরে স্বীকার করল জামায়াত আমির। এবার ভারতের র-এর নতুন করে বসছে গোলাম পরওয়ার। ধরা খেয়ে আমতা আমতা করছে। ৮ মাস হয়নি সরকারের, শকুনের দল অস্থির হয়ে গেছে ক্ষমতার জন্য।

তিনি বলেন, বিএনপির মাঝে কারও পদায়নে যদি জামায়াত খুশি হয়, আল্লাহর অস্তে তার বিষয়ে যেন খোঁজ-খবর নেয় বার বার। নিজের বিরুদ্ধে হয়রানির ঘটনায় বিচলিত নন জানিয়ে তিনি জুলাইয়ের মামলায় কারাগারে থাকা কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযুদ্ধের সম্মানে জামিন দেওয়ার জন্য আদালতের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি লেখেন, জামিনে থাকার সময় কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তাকে আবার গ্রেপ্তার করা যাবে। আর আমি এদের হয়রানিতে একদম বিচলিত না। আজ একটা দাবি জানাই, জুলাইয়ের মামলায় কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা যদি জেলে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের সম্মানে তাকে যেন জামিন দেন আদালত। পরবর্তীতে জামিনে থাকাকালে দোষী প্রমাণিত হলে তাকে আবার গ্রেফতার করবে।

তারেক রহমান বলেন, ‘এটাই জুলাইয়ের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের দূরত্ব কমানোর একমাত্র উপায়।’ স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি লেখেন, সবশেষে বাংলাদেশপন্থি দল, যাদের বিদেশে কোনো শাখা নেই, জাতীয়তাবাদী দল ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সহযোদ্ধাদের কৃতজ্ঞতা জানাই আমার পাশে থাকার জন্য। আর ভালোবাসা জানাই আমার প্রধানমন্ত্রীকে আমাকে তার সঙ্গে রাখার জন্য।


আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আশুলিয়ায় প্রধান শিক্ষকের নাচের ভিডিও ভাইরাল
ঢাকার আশুলিয়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নাচের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিতে নাচের দৃশ্যের পাশাপাশি পাশের একটি টেবিলে মদের বোতলসদৃশ বস্তু দেখা যাওয়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিনভর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে উপজেলার ১১০ নম্বর শ্রীখণ্ডিয়া সালেহা ইদ্রিস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানোয়ার মাস্টারকে এক ব্যক্তির সঙ্গে আনন্দচিত্তে নাচতে দেখা যায়। তবে ভিডিওটিতে থাকা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মদ্যপানের অভিযোগের সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর প্রধান শিক্ষক সানোয়ার মাস্টারের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে শিক্ষকের এক নিকটাত্মীয় দাবি করেছেন, ভিডিওটি সাম্প্রতিক নয়, বরং প্রায় সাত থেকে আট মাস আগে একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে এটি ধারণ করা হয়েছিল। কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে এখন ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে, তা তাদের জানা নেই। এ বিষয়ে সাভার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিদ্যালয়টি তার দাপ্তরিক আওতাধীন নয়। ওই স্কুলটির দায়িত্বে রয়েছেন আশুলিয়ার শিক্ষা কর্মকর্তা ঝর্ণা রানী পাল। তার বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির সত্যতা, দৃশ্য ধারণের সঠিক সময় ও স্থান কিংবা টেবিলে থাকা বোতলের তরল পদার্থের প্রকৃতি সম্পর্কে স্বাধীনভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আরটিভি/এসআর
আশুলিয়ায় প্রধান শিক্ষকের নাচের ভিডিও ভাইরাল
এবার ক্ষমা চাইলেন মাসুদের ‘শ্যালিকা’, কান ধরে তওবা করলেন শ্বশুর!
দেশজুড়ে আলোচনা সমালোচনা পর এবার নওগাঁয় আপন শ্যালিকাকে বিয়ে করা মাসুদের দ্বিতীয় স্ত্রী পুর্নিমা ও শ্বশুর মান্নান সাপুরে গ্রামবাসীর সামনে ক্ষমা চেয়েছেন এবং তওবা করেছেন। এ ছাড়া মাসুদও কান ধরে ক্ষমা চান।
এবার ক্ষমা চাইলেন মাসুদের ‘শ্যালিকা’, কান ধরে তওবা করলেন শ্বশুর!
গোলাম পরওয়ার ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছেন: রাশেদ খাঁন
‘গোলাম পরওয়ার ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছেন’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।  বুধবার (২৮ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক নিয়ে জামায়াতের বিবৃতি ও গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের সমালোচনা করে এ মন্তব্য করেন তিনি। পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘জামায়াতের এই বিবৃতির ভাষা কি প্রমাণ করে না যে, মিয়া গোলাম পরওয়ার গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাথে বৈঠক করেছেন? বিবৃতিতে কোথাও বৈঠক না হওয়ার বিষয়ে অস্বীকার করে নাই এবং বিবৃতিতে কোথাও ভারত শব্দটা পর্যন্ত আনে নাই! কেন?  ‘শোনেন, মিয়া গোলাম পরওয়ার ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছে, জামায়াত তাকে রক্ষা করতে গেলে পুরো দলকে এর দায় নিতে হবে। আর এখন থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা দিল্লি না ঢাকা স্লোগান দিলে জনগণ উত্তর দিবে মুনাফেক মুনাফেক! দিল্লি না ঢাকা.... মুনাফেক, মুনাফেক!’ তিনি লেখেন, গতকাল নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, সাংবাদিক যে সময় বলছিলো মিয়া গোলাম পরওয়ার ভাইয়ের কাছে প্রশ্ন করতে চাইলো, তিনি বা পাশ থেকে কেউ বললেন, না আজকে অন্য প্রশ্ন না! আবার তিনি তড়িঘড়ি করে গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাথে বৈঠক সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়ে অন্য প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য চলে গেলেন! তিনি যদি ঐদিন অন্য প্রশ্ম না নিবেন, তবে কেনো প্রথম প্রশ্নের যথাযথ উত্তর না দিয়ে দ্বিতীয় প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিলেন? তিনি আরও লেখেন, এর মূল কারণ হলো, প্রথম প্রশ্নে তিনি ইতস্তত অনুভব করছিলেন যে, টুপি মাথায় দিয়ে আর কতো মিথ্যা বলা যায়! আমিও অবাক হলাম, জামায়াত যে ইসলামের কথা বলে! তাদের ইসলাম মানে কি টুপি মাথায় দিয়ে সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্য বানানো? আরটিভি/এসআর
গোলাম পরওয়ার ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছেন: রাশেদ খাঁন
ভারতীয় গোয়েন্দার সঙ্গে গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠকের অভিযোগ, ভিডিও প্রকাশ করলেন রাশেদ খাঁন
ভারতীয় উচ্চপর্যায়ের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠকের অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।  এ অভিযোগের পক্ষে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে ভিডিওটি কবে ধারণ করা হয়েছে এবং এতে থাকা গাড়িতে কারা ছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি রাশেদ খাঁন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ভিডিওটি প্রকাশ করেন রাশেদ খাঁন। ভিডিওর সঙ্গে দেওয়া পোস্টে তিনি দাবি করেন, ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক শেষে মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ জামায়াতের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ওই গাড়িতে করে বেরিয়ে আসেন। পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক শেষে এই গাড়ি করে বের হয়ে আসে মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ জামায়াতের প্রতিনিধি দল। আমি আবারও বলছি, মিয়া গোলাম পরওয়ার চাইলে আমার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে পারেন। এর আগে সোমবার (২৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসেও একই অভিযোগ তোলেন রাশেদ খাঁন। তার দাবি, গত ১৬ অক্টোবর মাগরিবের পর রাজধানীর বারিধারার একটি বাড়িতে ভারতীয় উচ্চপর্যায়ের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, জামায়াত নেতা এটিএম মাছুমসহ তিনজন। যারা প্রকাশ্যে ভারতের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন, তারা কোন স্বার্থে ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে গোপন বৈঠকে অংশ নিয়েছেন- এমন প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তার ভাষ্য, ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক করা এবং দেশটির উচ্চপর্যায়ের গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করা এক বিষয় নয়। জামায়াত নেতাদের উদ্দেশে রাশেদ খাঁন বলেন, মিয়া গোলাম পরওয়ার নৈতিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করলে কথিত বৈঠকের বিষয়টি স্পষ্ট করবেন বলে তিনি আশা করেন। তা না হলে জামায়াত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত- এমন ধারণা তৈরি হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়া আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়ে জামায়াত আন্দোলনের পরিকল্পনা করছে বলেও অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন। আরটিভি/এসআর
ভারতীয় গোয়েন্দার সঙ্গে গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠকের অভিযোগ, ভিডিও প্রকাশ করলেন রাশেদ খাঁন
জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন মুখে ‘চুন-কালি লাগা’ সেই মাসুদ
প্রথম স্ত্রীকে সঙ্গে রেখেই তার আপন ছোট বোনকে (শালী) বিয়ে করে দেশজুড়ে সমালোচনার জন্ম দেওয়া টিকটকার ও আইনজীবীর সহকারী মো. মাসুদ রানা অবশেষে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। এছাড়া তিনি তার নতুন স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন মুখে ‘চুন-কালি লাগা’ সেই মাসুদ
আরও পড়ুন
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতের সমর্থন ছাড়ার ঘোষণা, ভিডিও ভাইরাল
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক, বিপাকে জামায়াত নেতা
আ.লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই: জামায়াত আমির
ছাত্রদলেই আমার রাজনৈতিক শিক্ষা: আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর আমজনতার তারেক