
কেবল ফুটপাত ও রাস্তা নয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি জায়গাগুলোকেও নিজেদের সম্পত্তি বানিয়ে নিয়েছেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কিছু নেতা। রাজনৈতিক কার্যালয়ের নামে গড়ে তোলা হয়েছে ক্লাব। বাদ যায়নি সিটি করপোরেশনের টয়লেটের জায়গায়ও।
রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী বোর্ডঘাট এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় গড়ে ওঠা ছাত্রলীগের প্রধান কার্যালয় সম্পর্কে এভাবেই বর্ণনা দেন স্থানীয় লোকজন।
দলের নাম ভাঙ্গিয়ে রাস্তা ফুটপাত সরকারি জায়গা দখল বাণিজ্যের ষোল আনাই পূর্ণ করেছেন মোহাম্মদপুর থানার রায়ের বাজার আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগসহ এমন কোনও সহযোগী সংগঠন পাওয়া যায় না যার কার্যালয় গড়ে তোলা হয়নি।
সাধারণ মানুষ জানায়, এ জায়গাগুলো হচ্ছে এক থেকে তিন নম্বর। কারো মাথায় বারি দিয়ে কে খাবে- এ হলো চিন্তা ভাবনা।
প্রত্যেকটি কার্যালয়ের পাশেই আবার নার্সারি, রিকশা গ্যারেজ ভাড়া দেয়া। নামফলকে রাজনৈতিক কার্যালয় লেখা থাকলেও স্থানীয়রা এগুলোকে ক্লাব হিসেবে জানেন। কি হয় এসব ক্লাবে? আরটিভি’র ক্যামেরা দেখেই অপ্রস্তুত হয়ে গেলেন গ্যারেজে থাকা উঠতি বয়সী কয়েকজন যুবক।
ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ এর সভাপতি বলেন, এটি একটি নিয়ম হয়ে গেছে। যে যখন আসে সেই এমন কাজ করে। আমাদের দলের সহযোগী কিছু সংগঠন এমন করছে।
ঢাকা উত্তরের সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, জনগণকে কষ্ট দিয়ে ফুটপাত দখল করে কোনো রাজনৈতিক দল কোনো ক্লাব করতে পারবে না।
সরকারি জায়গা দখল নিয়েছে সরকারি দলের নামে। তারপর সেগুলোকে ভাড়া দিয়ে টাকা কামানো হচ্ছে। বহু বছর ধরে চলে আসা এমন সংস্কৃতির শেষ কোথায়?
জিএম/এমকে




