ঢাকাকে ঢেলে সাজাতে হলে ফুটপাতগুলোকে হকার ও পথচারী বান্ধব করে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। তবে তার আগে দরকার রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে গড়ে তোলা ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, এমন মত নগরবিদদের। এদিকে দলের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের ঠাঁই আওয়ামী লীগে হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান।
একসময় গুলিস্তানকে ধরা হতো ঢাকার শেষ সীমানা। সময়ের বিবর্তনে সেই সীমানা ছড়িয়েছে বহুদূর। বেড়েছে নানাবিধ সমস্যা। তারমধ্যে অন্যতম ফুটপাত দখল বাণিজ্য।
বহু বছর ধরে এমন সংস্কৃতি এখন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে নগর উন্নয়নে। প্রশ্ন উঠে ফুটপাত কি হকারদের নাকি পথচারীদের?
পথচারীরা বলেন, হাঁটতে গেলে ফুটপাত দিয়ে হাঁটা যায় না। হাঁটার সময় আমার ব্যাগ পেছনে চলে যাবে, না হয় আমি চলে যাবো সামনে। এখন ফুটপাত নেই বলেই রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছি।
নরগবিদ ইকবাল হাবিব বলেন, ফুটপাতের হকার দিয়ে চলছে বাণিজ্য। রাস্তার ফুটপাত বিক্রি হচ্ছে দিনে দুপুরে। রাজনীতির পাণ্ডারা হাজার কোটি টাকা ব্যবসা করছে। এ সমস্ত সড়কগুলো বিক্রি করে।
তিনি বলেন, একটি নগরীর ফুটপাত শুধু পথচারীদের। এর মানে এই নয় পথচারী আর হকারের যে নিবিড় সম্পর্ক সেটি অস্বীকার করা যাবে। দুই বা তিনশ টাকার জামা কোনও দোকানে পাওয়া যাবে না। সেই কারণে সবকিছুর পরিকল্পনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
তবে ঢাকাকে আদর্শ নগরীতে রূপান্তর করতে হলে হকার ও পথচারীবান্ধব ফুটপাত গড়ে তুলতে হবে বলে বলছেন এ নগরবিদ।
রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙ্গিয়ে দখল বাণিজ্য বন্ধ হওয়া উচিত বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, যেকোনো ধরণের দখলবাজি নিজস্ব মতলব হাসিল করা। কোনও ভাবে সরকার প্রধান পছন্দ করেন না। এবং সরকারের জায়গা থেকে সেই কথাটি পাঠানো হয়েছে মেয়রদের কাছে।
জিএম/এমকে




