জোটের রাজনীতি মূলত ভোটের কৌশল, ক্ষমতার অঙ্ক। যে কৌশলে ডান-বাম-মধ্যপন্থা আশ্রয় নেয় এক ছাতার নিচে। তাই, জোটের রাজনীতির ইতিহাস এদেশে বেশ পুরনো। জাতীয় নির্বাচন এলেই ভোটের ছক কষতে গিয়ে শুরু হয় জোটের খেলা। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়।
রাজনৈতিক দলগুলো এখন প্রধানত দুটি শক্তিশালী মেরুতে বিভক্ত। একদিকে দীর্ঘদিনের মাঠের আন্দোলনের সঙ্গী বিএনপি জোট, অন্যদিকে জামায়াত জোট। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবারের নির্বাচন কার্যত এই দুই বৃহৎ জোটের শক্তি পরীক্ষার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।
বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে যুক্ত হয়েছে মোট নয়টি দল। যাদের মধ্যে রয়েছে নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বিজেপি, এনপিপি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের একাংশ।
বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ও এলডিপি এই ১০ দল জোট হয়েছে শক্তির পরীক্ষা দিতে।
দুই জোটেই সম্মিলন ঘটেছে ডান-বাম-মধ্যপন্থার। বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনকে ঘিরে জোটের রাজনীতি আদর্শগত নয়; মূলত ভোটের কৌশল। তবে, এর ফলে কখনও কখনও ভোটাররা দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েন।
তারা মনে করেন, সময় এখনও শেষ হয়নি, এখনও জোটে নতুন কেউ যুক্ত হওয়া কিংবা জোট থেকে বের হওয়ার সম্ভাবনা বিরাজমান।
আরটিভি/আরএ




