ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

জুলাইযোদ্ধার স্মৃতিতে গণঅভ্যুত্থান

‘হয় বাঁচব নয় মরব, স্বৈরাচার হাসিনার পতন করবই করব’

মেহেদী হাসান জুলহাস, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ৩৬ দিন ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতন হয় তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের। ছাত্রদের মাধ্যমে ওই আন্দোলন শুরু হলেও শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে অভিনয়শিল্পীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। আন্দোলনে পুলিশের নির্বিচার গুলিতে প্রাণ হারান বহু সাধারণ মানুষ। আহত ও অঙ্গহানি হয় অনেকের। এদের মধ্যে একজন আন্দোলনকারী ছিলেন তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের সদস্য তামিম ইকবাল। যিনি সক্রিয় ছিলেন আন্দোলনের শুরু থেকে শেখ হাসিনার পতন পর্যন্ত। সে সময় তার ধারণ করা কয়েকটি ভিডিওবার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যা অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে অনেক আন্দোলনকারীদের মধ্যে।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে তামিম ইকবালের কয়েকটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়। তার এ সাক্ষাৎকার উঠে এসেছে তৎকালীন সময়ের ভয়াবহ স্মৃতি।

আমরা আজ তামিম ইকবালের স্মৃতি থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ভয়াবহতা উপলব্ধি করার চেষ্টা করব।

আমার লাশটা পরিবারের নিকট পৌঁছে দিয়েন

তামিম ইকবালের ভাষ্যে, ২১ জুলাই কারফিউর দ্বিতীয় দিন- মনে হয়েছিল আজকেই আমার জীবনের শেষদিন। সেদিন রাস্তায় বেশি মানুষ ছিল না, যেন চারদিকে এক নীরব আতঙ্ক বিরাজ করছিল। আমরা ছাত্রদলের নেতৃত্বে ৭০/৮০ জনের একটা টিম ভাটারা, বসুন্ধরা গেইটের দিকে মিছিল নিয়ে অগ্রসর হতে থাকি। হঠাৎ করেই পুলিশ এসে গুলি, টিয়ারগ্যাস ছুড়তে থাকে। টিয়ারগ্যাসের তীব্রতায় টিকটে না পেরে কিছুটা পিছু হটতে হয়। আমাদের সাথের কয়েকজন সহযোদ্ধা, বিভিন্ন গলিতে আশ্রয় নেয়। কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়ে, টিয়ারগ্যাসে আক্রান্ত হয়ে লুটিয়ে পড়ে। আমি তখন টিয়ারগ্যাসে আক্রান্ত হয়ে একটি গলিতে আশ্রয় নিই। আমার অবস্থান ছিল যমুনা ফিউচার পার্কের পকেট গেটের অপর পাশে। তবে নিরস্ত্র হলেও মনোবল হারাইনি। কিছুক্ষণ পরে এসে রাস্তায় জড়ো হওয়া মাত্রই আমাদের উদ্দেশ্য করে অনবরত গুলি করতে থাকে যা আশেপাশের দোকানের শাটার এবং ওয়ালে লাগে।
মুহুর্মুহু গুলির তীব্রতা ও ভয়াবহতা মুহূর্তেই ধ্বংস যজ্ঞে রুপ নেয়। তখন আমার মনে হয়েছিল আজকেই আমার জীবনের শেষদিন, তখন অনেকটা আতঙ্কিত হয়ে আমার পকেট থেকে মোবাইল বের করে একটি ভিডিও রেকর্ড করি। বলি যে- 'এ-ই আন্দোলনে যদি আমার মৃত্যু হয়, আমার লাশটা আমার পরিবারের নিকট পৌঁছে দিয়েন'।

তামিম ইকবাল বলেন, ৩ জুলাই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের, ভিডিওবার্তায় দেওয়া নির্দেশনায় বসুন্ধরা গেইট অভিমুখে ছাত্রদলের নেতৃত্বে অংশ নিয়েছিলাম। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রবিনের নেতৃত্বে ভাটারা, বসুন্ধরায় সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তুলি। আন্দোলনের সময় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা একটি বাসা ছিল রাত্রিযাপনের নিরাপদ জায়গা। প্রতিদিন সকাল ১০টার মধ্যে কয়েকজন কয়েকজন করে প্রগতি স্বরণীর মহাসড়কটি অবরোধ করে অবস্থান নিতাম- সন্ধ্যা হওয়ার আগেই, আমরা রাজপথ ছেড়ে দিতাম।

তিনি বলেন, ঐদিনগুলো সহজ ছিল না। নির্মম গণহত্যা ও আন্দোলনের নগরীতে পরিণত হয়েছিল বসুন্ধরা গেইট অভিমুখ। আমাদের সাথে আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেকেই আমাদের মাঝে নেই- তারা পুলিশের গুলিতে শহিদ হয়েছেন। স্কুল জীবন থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়ি। তৎকালীন স্বৈরশাসক খুনি হাসিনাকে হঠানোই ছিল আমার একমাত্র স্বপ্ন।

হয় বাঁচব নয় মরব, খুনি হাসিনার পতন করবই করব

স্মৃতিচারণ করে তামিম ইকবাল বলেন, আন্দোলন যখন তুঙ্গে ১৬ জুলাই আবু সাইদ এবং ওয়াসিম আকরাম শহিদ হওয়ার পর আমি নিজেও মৃত্যুর ভয় হারিয়ে ফেলি। মনস্থির করি হয় বাঁচব নয় মরব এ-ই খুনি হাসিনার পতন করবই করব। যে সময়টাতে লন্ডন থেকে সাবেক ছাত্রদল নেতা ইঞ্জি. সফিকুল ইসলাম রিবলু ফোন করে দিকনির্দেশনা দেন যেন আন্দোলনের মাঠ কোনোভাবেই না ছাড়ি এবং সব ধরনের সহযোগিতা করেন। রিবলু ভাই ২০১৪ সালের হাসিনা পতনের আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে বাম চোখটি হারান উনি বলেন- হাসিনাকে হটানোর এটাই তোমাদের মোক্ষম সুযোগ। এছাড়া অতীত আন্দোলনের অভিজ্ঞতা থেকে বিভিন্ন পরামর্শ দেন। উনি বলেন- রাজপথ ছেড়ে দিলে তোমাদের সব সহযোদ্ধাদের জীবন দিতে হবে। তোমাদের সফল হতেই হবে।

উনি সে সময় আন্দোলনকারীদের জন্য পানি, খাবার, আহতদের চিকিৎসার জন্য অনেক অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেন। সৌদি আরব প্রবাসী ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান সে সময় খোঁজখবর নেন এবং আন্দোলনকারীদের সহযোগিতা করেছিলেন।

আন্দোলনের পূর্ণ নেতৃত্ব চলে আসে ছাত্রদলের কাঁধে

তামিম বলেন, ধারাবাহিক আন্দোলনের এক পর্যায়ে আন্দোলন দমাতে ২৩ জুলাই কোটা সংশোধন করে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করলে অনেক আন্দোলনকারী নিজেকে গুটিয়ে নেয়। তখন আন্দোলন কিছুটা ঝিমিয়ে পড়ে। কিন্তু আমরা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রাজপথ ছেড়ে যাইনি। ২৬ জুলাই গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র হাসপাতাল থেকে তিন সমন্বয়ক নাহিদ, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া, আবু বাকের মজুমদার গ্রেপ্তার হলে আন্দোলনের পূর্ণ নেতৃত্ব চলে আসে ছাত্রদলের কাঁধে। তখন আমরা ছাত্রজনতাকে একত্রিত করে আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকি।

হঠাৎ হঠাৎ প্রচণ্ড ব্যথায় ফিজিওথেরাপিই আমার শেষ সম্বল

তিনি বলেন, ২৭ জুলাই আমি মারাত্মক আহত হই। র‍্যাবের হেলিকপ্টার থেকে গুলি ও টিয়ারগ্যাস ছুড়তে থাকলে মানুষের হুড়োহুড়িতে পড়ে গিয়ে কোমরে আঘাত পাই- তখন একজন আমাকে টেনে তোলেন। কিন্তু আমি দমে যাইনি, আমার উপলব্ধি হচ্ছিল যে আমার সহযোদ্ধারা জীবন দিচ্ছে সে জায়গায় তো আমি এখনো বেঁচে আছি।

আরও পড়ুন

আহত হওয়ার পরে ডা. শাহ আমান উল্লাহ, (বর্তমানে ড্যাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক) আমাকে দীর্ঘদিন চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তোলেন। এখনও পুরোপুরি সুস্থ হইনি। হঠাৎ হঠাৎ প্রচণ্ড ব্যথায় ফিজিওথেরাপিই আমার শেষ সম্বল। আমার পরিবার যখন জানতে পারে আমি আন্দোলনে যাচ্ছি এবং আহত হয়েছি তখন আমাকে বারণ করলেও আমি আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকি এবং সর্বশেষ ৫ আগস্টের বিজয় নিশ্চিত করি।

জুলাইয়ের আশা-আকাঙ্ক্ষা তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি

আশাবাদ ব্যক্ত করে তামিম ইকবাল বলেন, ছাত্রজনতার দীর্ঘ ৩৬ দিনের আন্দোলনে আমাদের অনেক সহযোদ্ধা শহিদ হয়েছেন, পঙ্গু হয়েছেন, চোখ হারিয়েছেন- সব ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে স্বৈরাচার হাসিনার পতন ঘটে। তবে মনে অনেক কষ্ট বয়ে বেড়াচ্ছি। এখনও জুলাইয়ের যে আশা আকাঙ্ক্ষা রয়েছে তা সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি; এখনও অনেক জুলাইযোদ্ধা হাসপাতালের বিছানায় বিনা চিকিৎসায় কাতরাচ্ছে। সর্বোপরি জুলাইয়ের অর্জনকে সবাই মিলে টিকিয়ে রাখতে পারলেই, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
ভিডিওর এই শিশুরা সবাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। যাদের এখন সহপাঠীদের সাথে ছুটোছুটি করার কথা বিদ্যালয়ের মাঠে। অথচ পানি জমে থাকায় তারা পারছে না খেলতে, কেউ আবার যেতে পারে না টয়লেটেও। আবার পানি পেরিয়ে ক্লাসে যেতে গিয়ে ভিজে যায় কারও পোশাক। বই-খাতায় লেগে যায় কাদা। অভিযোগের যেন শেষ নেই কোমলমতি এই শিশুদের। 
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথগুলো কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলেই চারপাশের খাঁ-খাঁ নীরবতা, বন্যপ্রাণীর ভয় আর ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ে ক্লান্ত পথিকের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগ। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ সেই মানবতার ঐতিহ্যকে পরম যত্নে টিকিয়ে রেখেছে। নিজ সম্পত্তির উপার্জনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এমন দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও এক বিরল মানবসেবার বার্তা দেয়।
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
আরও পড়ুন
‘শেখ হাসিনার দুপুরের খাবার খরচ ছিল সাড়ে ১০ লাখ, তারেক রহমান খান ১৫০ টাকায়’
‘শেখ হাসিনার জাদুর ট্যাবলেট খেয়ে এদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে’
যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, হাসিনাকে দায়ী করলেন জামায়াত আমির
জাতীয় তথ্যচিত্রে মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি ৯০ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস অন্তর্ভুক্তে গুরুত্বারোপ