
মুজিববর্ষ ফিফা আন্তর্জাতিক ফুটবল সিরিজ ২০২০ এ মাঠে নামতে চলেছে বাংলাদেশ-নেপাল। ম্যাচ দুটি বসবে আগামী ১৩ ও ১৭ নভেম্বর। সিরিজটি নিয়ে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন।
রোববার দুপুরে ঢাকার মতিঝিলের ফেডারেশন ভবনে বাফুফে প্রধানকে নানা প্রশ্ন করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম ছিল মাঠে নেমে জয়ের ব্যাপারে কতটা আশাবাদী তিনি।
কাজী সালাউদ্দিন জানান, তাদের পক্ষ থেকে খেলোয়াড়দের সব রকম সুযোগ সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এখন সময় এসেছে ফল পাওয়ার।
‘সব খেলোয়াড় খেলতে যায় জয়ের জন্য। কোনও ফেডারেশনের সভাপতি-কমিটি ম্যাচ জেতাতে পারে না। খেলতে হবে খেলোয়াড়দের। জিততেও হবে খেলোয়াড়দের। তাদের কি দেয়া হয়, নিজ চোখে দেখেছেন। এটা গল্পের বই লেখা না। এর পরে যেহেতু তারা খেলছে, সেহেতু আপনারা তাদের কাছে প্রশ্ন করবেন। বিদেশি কোচ থেকে শুরু করে সব কিছু তাদের দেয়া হয়েছে। এখন আমি মনে করি, সময় এসেছে বলার, ফুটবলদেরই খেলতে হবে।’
সত্তর-আশির দশকে বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠ মাতিয়েছেন সালাউদ্দিন। অতীত-বর্তমান তুলনা করেছেন চারবারের বাফুফে সভাপতি।
তিনি বলেন, ‘আমি মাঠে গিয়েছিলাম। আমি বোকা হয়ে গেছি একটা জিনিস দেখে। হিংসা লেগেছে, খুশিও হয়েছি। আমি জাতীয় দলের হয়ে খেলেছি দশ-বারো বছর। খেলোয়াড়রা যেই কোয়ালিটির জার্সি পরে অনুশীলন করছে, আমরা ম্যাচও খেলতে পারিনি। আমাদের একটা জার্সি দিতো। সেটা রাতে ধুয়ে পরদিন খেলতাম। মাঠে বল থাকতো দুইটা। একটা বল দিয়ে ৩০ জন অনুশীলন করতাম। আরেকটা বল দিয়ে অনুশীলন ম্যাচ খেলতাম। আজকে হাজার হাজার বল মাঠে। তিন ডলার ছিল অ্যালাউন্স। সেটায় বিভিন্ন খাতে খরচ করে ফেলা হতো।’
ফুটবলারদের সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে, তাই মাঠ থেকে তাদেরও জয় তুলতে হবে এমনটাই জানিয়েছেন সালাউদ্দিন।
ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান বলেন, ‘আমি বলতে চাই, জেতার জন্য খেলতে এসেছি। ফেডারেশনে এত বছর সময় দিয়েছি জেতার জন্য। ফেডারেশনের ভুল থাকলে আপনারা ধরিয়ে দিবেন। কিন্তু আমরা কাজ করলে বিনিময়ে তাদেরও জয় দিতে হবে।’
ওয়াই/পি




