
‘এ’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের বিরুদ্ধে ৩-২ গোলে হেরেও শেষ আট নিশ্চিত করল শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। গ্রুপের অপর দল পুলিশ এফসির সঙ্গে সমান পয়েন্ট থাকার পরও স্বপক্ষ গোল বেশি থাকায় ধানমন্ডি দলটি কোয়ার্টার ফাইলে পৌঁছে গেল।
বুধবার ফেডারেশন কাপে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শেখ রাসেলের হয়ে একটি করে গোল করেন সিওভুস আশরোরভ, ওবি মোনেকে ও তকলিস আহমেদ। অন্যদিকে শেখ জামালের হয়ে জোড়া গোল করেন সোলোমন কিং।
দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় শেখ রাসেল। ডান দিক থেকে বখতিয়ার দুসোবেকুবের কর্নার থেকে হেডের মাধ্যমে বল গোল তুলেন তাজিক ডিফেন্ডার আশরোরভ।
১৯তম মিনিটে এসে প্রথম আক্রমণ করে শেখ জামাল। তবে বল গোলবারের উপর দিয়ে হাওয়ায় ভেসে গ্যালারিতে গিয়ে পৌছায়। ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ঢুকে অসাধারণ এক গোল করে তুলে ব্যবধান বাড়ান শেখ রাসেলের নাইজেরিয়ান মিডফিল্ডার মোনেকে।
বিরতিতে থেকে ফিরেই পেনাল্টি পায় শেখ জামাল। উজবেক মিডফিল্ডার ভালি জোনোভকে শেখ রাসেলের দিদারুল ইসলাম ফাউলের শিকার হন। শট নিয়ে গোল তুলে নেন সোলোমন কিং।
৫৯তম মিনিটে তৃতীয় গোল পায় শেখ রাসেল। দলটির হয়ে গোল আদায় করেন বদলি হিসেবে নামা তকলিস আহমেদ। বখতিয়ারের নেয়া কর্নার থেকে হেড করেন গিয়ানকার্লো রদ্রিগেজ। বল পেয়ে অসাধারণ শটে গোল আদায় করেন তকলিস।
পরের রাউন্ডে যেতে হলে আরেকটি গোল করতে হতো শেখ জামালকে। নির্ধারিত সময়ের মাত্র ১ মিনিট বাকি থাকতে শেখ রাসেলের ডি-বক্সের ভেতর গোলরক্ষক আশরাফুল রানা ফাউল করেন ওমর জোবেকে। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। আবারও গোল করে ব্যবধান ৩-২ করেন সোলোমন।
শেষ পর্যন্ত গ্রুপের অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টারে জায়গা করে নেয় শেখ রাসেল। অন্যদিকে শেখ জামালের বিপক্ষে মুখোমুখি দেখায় পুলিশের একটি আত্মঘাতী গোল ছিল। নক-আউট পর্বে জায়গা পেতে নিজেদের শেষ ম্যাচে জয় অথবা কম গোলের ব্যবধানে হারতে হতো শেখ জামালকে। পুলিশ ও জামাল দুই দলই শেখ রাসেলের কাছে হেরেছে। অন্যদিকে নিজেদের দেখায় ২-২ গোলে ড্র করে দুই দল। তাই স্বপক্ষের গোল ব্যবধানে পরের রাউন্ডে পৌঁছল শফিকুল ইসলাম মানিকের শিষ্যরা।
আগামী ১ জানুয়ারি সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ‘সি’ গ্রুপ রানার-আপ চট্টগ্রাম আবাহনীকে পাচ্ছে শেখ রাসেল। ৩ জানুয়ারি ‘সি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে খেলবে শেখ জামাল।
ওয়াই




