ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

ফুটবল বিশ্বের সেরা সেলফি!

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০১৭, ০৯:২০ পিএম

আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার (ফিফা) বর্ষসেরা একাদশ ঘোষণা করা হয়েছে।

লন্ডনে ফিফার বর্ষসেরা খেলোয়াড় ঘোষণা করার আগে এ দলটি ঘোষণা করা হয়। ঘোষণা আসার পরপরই সেরা এ খেলোড়দের সঙ্গে সেলফি তুলে উদযাপন করেন আয়োজনের সঞ্চালক ব্রিটিশ অভিনেতা ইদ্রিশ এলবা।

একাদশের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়টি হচ্ছে লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও নেইমার রয়েছেন এতে।

অ্যাটাকিংয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বিশ্বের সেরা এ ফুটবলারদের।

২০১৬-১৭ সেশনের ম্যাচগুলোর পারফরমেন্স থেকে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে থাকা ২৪ হাজার প্রফেশনাল ফুটবলাররা ভোট দিয়ে নিজেদের সেরা একাদশটি নির্বাচিত করেন। ৪-৩-৩ ফরমেটে একাদশটি সাজানো হয়েছে।

তবে এতে জায়গা হয়নি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের তারকা পল পগবা ও বার্সেলোনার ফরওয়ার্ড লুইজ সুয়ারেজের।

দলটিতে রিয়াল মাদ্রিদের একক আধিপত্য দেখা গেছে। এই স্প্যানিশ ক্লাব থেকেই স্থান পেয়েছেন মোট পাঁচজন ফুটবলার।

গেলো বছরের একাদশে তিনটি পরিবর্তন এসেছে। গোলরক্ষক হিসেবে ম্যানুয়েল নয়্যারের জায়গায় এসেছেন জুভেন্টাসের জিয়ানলুইজি বুফন, বার্সেলোনার জেরার্ড পিকের জায়গায় এসেছেন এসি মিলানের লিওনার্দো বনোচি এবং লুইস সুয়ারেজের জায়গায় স্থান পেয়েছেন নেইমার।

বর্ষসেরা একাদশ-২০১৭ :

গোলকিপার:

জিয়ানলুইজি বুফন; (জুভেন্টাস/ইতালি)

ডিফেন্স:

দানি আলভেজ (জুভেন্টাস/পিএসজি/ব্রাজিল), মার্সেলো (রিয়াল মাদ্রিদ/ব্রাজিল), সার্জিও রামোস (রিয়াল মাদ্রিদ/ ব্রাজিল), লিওনার্দো বনোচি (জুভেন্টাস/এসি মিলান/ইতালি)

মিডফিল্ড:

লুকা মডরিচ (রিয়াল মাদ্রিদ/কোস্টারিকা), টনি ক্রুস (রিয়াল মাদ্রিদ/জার্মানি) ও আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা (বার্সেলোনা/স্পেন)

অ্যাটাক:

লিওলেন মেসি (বার্সেলোনা/আর্জেন্টিনা), নেইমার (বার্সেলোনা/পিএসজি/ব্রাজিল) ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (রিয়াল মাদ্রিদ/পর্তুগাল)।

ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, কোচ হয়েছেন জিনেদিন জিদান।

ওয়াই/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নতুন বছরে বায়ার্নের বাংলায় শুভেচ্ছা
আর কিছুক্ষণ পরই বিদায় নিবে ২০১৭। আগমন ঘটবে নতুন বছরের। এমন মাহেন্দ্রক্ষণে বাংলাদেশকে ভুলে যায়নি জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ। নতুন বছরে বাংলাদেশের সমর্থকদের জন্য বাংলায় শুভেচ্ছা জানিয়েছে ক্লাবটি।  বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বায়ার্ন মিউনিখের অগণিত ভক্ত-সমর্থক। এই দৌড়ে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমীরাও। তাইতো অন্যান্য ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষাতেও নতুন দিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। বায়ার্ন মিউনিখ এদিন তাদের ফেসবুকের ভেরিফাইড পেইজে এভাবে লিখে “Dear FC Bayern fans in Bangladesh, thank you very much for your great support in 2017!“ পরে পুরো দলের উল্লাসের ছবির সঙ্গে নিচে ‘ধন্যবাদ’ জানায় দলটি। এর আগে বাংলাদেশের সমর্থকদের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন সময়ে বার্সেলোনা, রিয়াল মাদ্রিদ বাংলায় অভিনন্দন জানায়।  স্পেনের ক্লাব বার্সেলোনা টুইটারে ১৫টি ভাষায় বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছিল। যার মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে বাংলা ভাষাও। এর আগে গেল মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে প্যারিস সেন্ট জার্মেইকে ৬-৫ গোলে হারানোর পর ফেসবুকে বাংলা লিখে পোস্ট করেছিল বার্সেলোনা।  সেই ম্যাচে মেসির উদযাপনের একটি ছবি পোস্ট করে বাংলাদেশি ভক্তদের কাছে কাতালান ক্লাবটির জিজ্ঞাসা ছিল, ‘আজ কেমন বোধ করছ?’ বাংলায় বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছিল স্পেনের আরেক ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদও। নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ভক্ত-সমর্থকদের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ভিডিও আপলোড করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। চার মিনিটের ভিডিওর শেষে লিখিতভাবে ১৪টি ভাষায় ক্রিসমাসের শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। এর মধ্যে বাংলা অক্ষরে ‘শুভ বড়দিন’ লেখা শুভেচ্ছাটিও ছিল। যা কিনা সারা বিশ্বের ৩০ কোটি বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জন্য গর্বের বিষয়। বিশেষ করে বাংলাদেশি রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকরা এতে যারপরনাই খুশি। ভিডিওতে রিয়াল সভাপতি ফ্লরেন্তিনা পেরেজ, কোচ জিদান, সার্জিও রামোস ও মার্সেলোর বক্তব্য থাকলেও সুপারস্টার রোনালদোর কোনো বক্তব্য ছিল না। শুভেচ্ছা বার্তায় গত মৌসুমের সফলতা ধরে রেখে ২০১৮ সালেও ভালো খেলার প্রত্যয় ব্যাক্ত করা হয়েছে। এএ
নতুন বছরে বায়ার্নের বাংলায় শুভেচ্ছা
উড়ন্ত ফিনিক্স পাখি ফিলিপস!
ব্যাটসম্যান-বোলারদের দাপটে পুরো টি-টোয়েন্টির আলো থাকে তাদের ওপর। মাঝে মাঝে ঝলক দেখান ফিল্ডাররা। যেন তারা বুঝিয়ে দিতে চান এ লড়াইয়ে তারাও আছেন। আইপিএলে কলিন মুনরোর ক্যাচ বা বিগ ব্যাশে কেন উইলিয়ামসনের ক্যাচ ফিল্ডিংকে নিয়ে গিয়েছে আরেক উচ্চতায়।  ব্যাটসম্যান-বোলারদের এই ক্রিকেট ফরমেটকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলেছে ফিল্ডাররা। তেমনই অবিশ্বাস্য এক ক্যাচ নিয়ে হৈচৈ ফিলে দিলেন নিউজিল্যান্ডের উইকেটরক্ষক গ্লেন ফিলিপস। শুক্রবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল নিউজিল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করে ১৮৭ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ক্রিস গেইলের উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। গেইলের উইকেট নেন শেঠ র‌্যান্স। তবে উইকেটটি র‌্যান্স নিলেও গেইলকে প্যাভিলিয়নে ফেরানোর মূল কারিগর কিউই উইকেটকিপার গ্লেন ফিলিপস। র‌্যান্সের বল পুল করলে ব্যাটের কানায় লেগে সেই শট উইকেটরক্ষকের পিছনে যায়। উসাইন বোল্টের গতিতে দৌড়ে প্রায় বাউন্ডারির লাইনের সামনে থেকে কার্যত উড়ে গিয়ে সেই বলকে তালুবন্দি করেন গ্লেন। ফেসবুকে এই ক্যাচের ভিডিও ছড়িয়ে পরা মাত্রই তা ভাইরাল হয়ে যায়। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ক্যাচও এটাকে বলতে শুরু করেছেন অনেকে। ম্যাচটি ৪৭ রানে জিতে নেয় নিউজিল্যান্ড। এএ
উড়ন্ত ফিনিক্স পাখি ফিলিপস!
দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে নাটকীয় বছর
চলতি বছর নয়টি টেস্ট খেলে বাংলাদেশ। শততম টেস্টে জয়, চ্যাম্পিয়ননস ট্রফিতে সেমিফাইনাল খেলা, অস্ট্রেলিয়া বধের মতো সুখস্মৃতি রয়েছে। অন্যদিকে মাশরাফি বিন মর্তুজার টি-টোয়োন্টি থেকে অবসর, টেস্ট থেকে সাকিব আল হাসানের সাময়িক অবসর আর কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের পদত্যাগ দিয়ে শেষ হয়েছে নাটকীয় এই বছর। গত বছরের ডিসেম্বরেই নিউজিল্যান্ড সফর করে বাংলাদেশ দল। বছর শুরুতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টির প্রত্যেকটিতে হারতে হয় সাকিব-তামিমদের। ১২ জানুয়ারি শুরু হয় কিউইদের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ। ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ৫৩৯ রান করে টাইগাররা। অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে ৩৫৯ রানের বিশাল জুটি গড়েন সাকিব আল হাসান। দ্বিতীয় দিনে ক্যারিয়ারের প্রথম ও টাইগারদের হয়ে তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন সাকিব। অন্যদিকে মুশফিকের ব্যাট থেকে আসে ১৫৯ রানের চমৎকার একটি ইনিংস। যদিও সিরিজের দুটি ম্যাচেই হারতে হয় সফরকারীদের। ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলতে ভারত সফর করে মুশফিক বাহিনী। একপেশে ম্যাচটিতে ২০৮ রানের জয় পায় টিম ইন্ডিয়া। সেই ম্যাচে মুশফিকের লড়াকু সেঞ্চুরি ছাড়া বলার মতো আর কিছুই ছিল না। পরের মাসে প্রথম দিকে শ্রীলঙ্কা সফরে যায় দল। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে ২৫৯ রানে বিশাল ব্যবধানে হারলেও পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ায় টাইগাররা। নিজেদের শততম ম্যাচে চার উইকেটে জয় পায় মুশফিক বাহিনী। লঙ্কানদের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জয় পায় বাংলাদেশ। শেষটিতে স্বাগতিকরা। বৃষ্টির কারণে দ্বিতীয় ম্যাচ পরিত্যক্ত হবার কারণে সিরজটি ড্র হয়। এপ্রিলের শুরুতে লঙ্কানদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্ট সিরিজে দুটি ম্যাচ হয়। একটিতে স্বাগতিক ও অপরটিতে সফরকারীরা জয় পায়। মজার বিষয় হচ্ছে টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি সব সিরিজই ড্র হয়।  সবাইকে অবাক করে শেষ টি-টোয়েন্টি শুরু হবার কিছুক্ষণ আগে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন রঙিন পোশাকের কাণ্ডারি ম্যাশ। দায়িত্বটি দেয়া হয় সাকিব আল হাসানকে। তবে ওয়ানডে দল এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে জানান তিনি। মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে আয়ারল্যান্ডে ত্রি-দেশীয় ওয়াননেড সিরিজে খেলতে যায় টাইগাররা। মুখোমুখি হয় আইরিশ ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে। সব মিলিয়ে চমৎকার পারফরমেন্স করলেও বৃষ্টির কারণে কপাল পুড়ে মাশরাফির দলের। দুই পয়েন্ট কম হবার কারণে পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে থাকতে হয় তাদের। জুন মাসের প্রথম দিন চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারতে হয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। দ্বিতীয় ম্যাচে বৃষ্টি আইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে জয় পায়। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে সাকিব ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ২২৪ রানের বিশাল জুটি গড়েন। দুজনই তুলে নেন সেঞ্চুরি। পাঁচ উইকেটে জয় নিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে যায় টাইগার বাহিনী। তবে সেমিতে ভারতের বিপক্ষে নয় উইকেটে হারতে হয় তাদের। আগস্টের শেষ সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটি ঢাকায় শুরু হয়। ওই ম্যাচে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়াকে ২০ রানে হারায় হাথুরুসিংহের শিষ্যরা। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে সাতে উইকেটে জয় নিয়ে বাংলাদেশ ছাড়ে স্টিভেন স্মিথের দল। সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে টেস্ট থেকে স্বেচ্ছায় ছয় মাসের অবসরে যাবার ঘোষণা দেন সাকিব। ওই মাসের শেষ থেকে অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দুই টেস্ট, তিন ওয়ানডে ও দুই টি-টোয়েন্টি খেলে বাংলাদেশ দল। প্রত্যেকটি ম্যাচেই শোচনীয় হারের লজ্জা নিয়ে দেশে ফিরে আসে তারা। প্রশ্নের মুখে পড়ে মুশফিকের টেস্ট অধিনায়কত্ব। নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর চাউর হয়, বাংলাদেশ দল থেকে পদত্যাগ করছেন কোচ হাথুরু। পাড়ি জমাচ্ছেন নিজ দেশ শ্রীলঙ্কায়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের(বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানান, ১৫ অক্টোবরের আগেই পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। তার বদলে নতুন কাউকে খুঁজছে বোর্ড। সব শেষে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে মুশফিককে সরিয়ে টেস্ট দলের দায়িত্ব দেয়া হয় সাকিব আল হাসানকে। আর তার ডেপুটি হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয় মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে। এদিকে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে লঙ্কান শিবিরের হাল ধরেন হাথুরু। নতুন বছরের জানুয়ারিতে তার অধীনে থাকা শ্রীলঙ্কা দলের বিপক্ষে নামবে টাইগাররা। ১৫ জানুয়ারি থেকে জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রি-দেশীয় সিরিজ। আর ৩১ তারিখ থেকে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজর প্রথমটি নামবে বাংলাদেশ। তবে প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে সাবেক গুরুর বিপরীতে কেমন পারফরম করবে শিষ্যরা? ওয়াই/কে
দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে নাটকীয় বছর
মোহাম্মদ নবী-রশিদ খানদের দায়িত্বে সিমন্স
ডিসেম্বরেই টাইগারদের কোচ হওয়ার জন্য বিসিবির কাছে সাক্ষাৎকার দিয়ে গিয়েছিলেন ফিল সিমন্স। চন্ডিকা হাথুরুসিংহে চলে যাওয়ার পর বাংলাদেশ দলের কোচ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন তিনি ও রিচার্ড পাইবাস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অলরাউন্ডার সিমন্স সেই সাক্ষাৎকারে ৪০ মিনিটেই তুলে ধরেছিলেন বাংলাদেশ দল নিয়ে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষ কর্তাদের কথাতেই বোঝা গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ডের সাবেক কোচের এখানে জায়গা হচ্ছে না।  আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সবচেয়ে উঠতি দল আফগানিস্তান তাই সুযোগটা হারাতে চায়নি। তারা তাদের প্রধান কোচের পদে দায়িত্ব দিয়েছেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তী সিমন্সকে। রোববার জাতীয় দলের নতুন হেড কোচ হিসেবে তার নাম ঘোষণা করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)।  আগামী ৮ জানুয়ারি দুবাইয়ে মোহাম্মদ নবী-রশিদ খানদের দায়িত্ব নেবেন ৫৪ বছর বয়সী সাবেক এ ক্রিকেটার। তিনি প্রধান কোচের দায়িত্ব পেয়েছেন লালচাঁদ রাজপুতের খালি জায়গায়। মাস তিনেক হলো দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হয়েছে রাজপুতের। আর ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আফগানিস্তানের দায়িত্ব পেয়েছেন সিমন্স। ফেব্রুয়ারিতে শারজায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান। এ সিরিজ সামনে রেখে সিমন্স দুবাইয়ে যোগ দেবেন তার শিষ্যদের সঙ্গে।  সিমন্সকে নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি জানিয়ে আফগানিস্তান বোর্ডের প্রধান নির্বাহী শফিক স্তানিকজাই বলেছেন, ফিল সিমন্স আমাদের দলটাকে বোঝেন বলেই তাকে বেছে নেয়া হয়েছে। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড দলের বিপক্ষেই আফগানিস্তান খেলবে।' বাংলাদেশ দলের কোচ হওয়ার দৌড়ে অংশ নেয়ার পাশাপাশি এসিবিতেও যোগাযোগ করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ২৬ টেস্ট এবং ১৪২ ওয়ানডে খেলা সিমন্স। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড দলের কোচ হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। এ ছাড়া গত বছর আফগান জাতীয় দলেরই কোচিং কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছেন সিমন্স। এএ
মোহাম্মদ নবী-রশিদ খানদের দায়িত্বে সিমন্স
ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে ছিলেন নেইমার!
নিজের সবচেয়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা সাবেক ক্লাব বার্সেলোনার সতীর্থ জেরার্ড পিকেকে বলছিলেন ব্রাজিলিয়ান সেনসেশন নেইমার।  বার্সেলোনা ছেড়ে গেলেও স্মৃতিগুলো তাকে পুরনো ক্লাবে ফিরতে বাধ্য করে। তাইতো সেই স্মৃতির টানেই ফিরে আসেন পুরনো ক্লাবে। কথার ফাঁকে ওঠে আসে নিজের অতীত-বর্তমানের অনেক কথাই।  কিছুদিন আগেই বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের ব্যতিক্রমী সংবাদমাধ্যম ‘দ্য প্লেয়ার্স ট্রিবিউন’-এ বার্সেলোনার একসময়ের সতীর্থ জেরার্ড পিকেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে নিজের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলেন তিনি। খেলার জগতের পেশাদার তারকারা এখানে কলাম লেখা ছাড়াও খোলামনে সাক্ষাৎকার দিয়ে থাকেন। বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলারটি তার সাক্ষাৎকারে সবকিছু খুলে বলেছেন গত বিশ্বকাপের সেই মারাত্মক চোট প্রসঙ্গে। ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিল-কলম্বিয়ার মধ্যকার কোয়ার্টার ফাইনালে ২-১ গোলের জয়ে ব্রাজিল উঠেছিল সেমিফাইনালে, কিন্তু মাঠের বাইরে রেখে আসতে হয়েছিল দলের প্রাণভোমরা নেইমারকে। কোয়ার্টার ফাইনালের ৮৮ মিনিটে বল দখল করতে গিয়ে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের পিঠে হাঁটু দিয়ে আঘাত করেছিলেন কলম্বিয়ান উইং-ব্যাক হুয়ান জুনিগা। মাঠে কাতরাতে থাকা নেইমারের বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যায় ওখানেই। পিএসজি ফরোয়ার্ড সেই চোট নিয়ে মুখ খুললেন এতদিন পর। মাঠে ব্যথায় কাতরানোর সময় মার্সেলো ‘...ডাক্তার, ডাক্তার’ বলে চিৎকার করছিলেন। নেইমার জানতেন, ডাক্তার এলে ম্যাচের বাকি সময় আর মাঠে থাকতে পারবেন না। ব্রাজিল তখন ম্যাচে ২-১ গোলে এগিয়ে। এদিকে গোল না পাওয়ায় মার্সেলোর কাছে তার আর্তি ছিল, না, না, আমি খেলতে চাই। কিন্তু সতীর্থরা তা শুনবে কেন? পড়িমরি করে মাঠে ছুটে এলেন দলের ডাক্তার। নেইমারকে তার জিজ্ঞাসা, কেমন লাগছে? মাটিতে মুখ গুঁজে ব্রাজিল তারকা তখনো বলে যাচ্ছেন, না, না, আমি খেলা চালিয়ে যেতে চাই। নেইমার মাঠে থাকতে চাইলেও পা নাড়াতে পারছিলেন না। তার পায়ে কোনো অনুভূতিই ছিল না! মাঠ ছেড়েছিলেন কাঁদতে কাঁদতে। স্টেডিয়ামের মধ্যেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। তখন নেইমারের পা দুটি ভাঁজ করা ছিল। বিছানায় শুয়ে পা দুটি যেই ছাড়ানোর চেষ্টা করলেন, অমনি...। পিকে শেষ করলেন তার অব্যক্ত কথাটা, অবিশ্বাস্য ব্যথা, তাই না? নেইমারের জবাব, হ্যাঁ, অবিশ্বাস্যই। তখন বুঝতে পারলাম, খেলা সম্ভব নয়। স্টেডিয়ামের হাসপাতাল থেকে নেইমারকে নেয়া হয়েছিল বাইরের এক হাসপাতালে। সেখানে নানা রকম পরীক্ষা শেষে ডাক্তার তাকে যা বলেছিলেন, সেটা তুলে ধরা হলো নেইমারের ভাষায়, আমার জন্য দুটি খবর আছে। একটি ভালো, আরেকটি খারাপ। নেইমার খারাপ খবরটি আগে জানতে চাইলেন। জবাব আসল, বিশ্বকাপ খেলতে পারবে না। তোমার জন্য এটা শেষ হয়ে গেছে। ভালো খবরটি জানতে চাইলে ডাক্তার বলেছিলেন, সুস্থ হয়ে ওঠার পর তুমি হাঁটতে পারবে। তবে আঘাতটা দুই সেন্টিমিটার এদিক-ওদিক হলেই ফুটবল ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যেত। সেই চোটের পর নেইমার কিন্তু হাসপাতালে আর থাকেননি। ফিরেছিলেন দলীয় ক্যাম্পে। সতীর্থ আর দলীয় ডাক্তারের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ শেষে বাড়ি ফিরেছিলেন হেলিকপ্টারে করে। তা ছাড়া উপায় ছিল না, নেইমার তখন হাঁটা দূরে থাক, পা নড়াচড়াও করাতে পারতেন না! বাসায় হুইলচেয়ারে বসে দেখেছিলেন সেমিফাইনাল। পিকে সেই ম্যাচের প্রসঙ্গ তুলতেই নেইমার তাকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, ‘সেমিফাইনাল...সেমিফাইনাল...না...কী, ঘটেছিল ঠিক মনে নেই।’ নেইমার তো বটেই, ব্রাজিলের যেকোনো সমর্থকই ম্যাচটা ভুলে থাকতে চাইবেন। দলের সেরা খেলোয়াড়টিকে ছাড়া সেই ম্যাচে ব্রাজিল জার্মানির কাছে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়েছিল ৭-১ গোলে। ১৯৫০ বিশ্বকাপে ‘মারাকানাজ্জো’র (মারকানা ট্র্যাজেডি) পর ব্রাজিলিয়ানদের মনে এ ম্যাচটি ‘মিনেইরাজ্জো’ হিসেবে দাগ কেটে আছে। তবে ব্রাজিলের অনেক সমর্থকই আজো মনকে সান্ত্বনা দেন এই ভেবে, নেইমার থাকলে হয়তো ম্যাচটি অন্য রকম হতো! এএ
ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে ছিলেন নেইমার!
আরও পড়ুন
নতুন বছরে বায়ার্নের বাংলায় শুভেচ্ছা
ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে ছিলেন নেইমার!
দিবালায় জুভেন্টাসের বর্ষবরণ উদযাপন
পিএসজি ছাড়ার কোনো পরিকল্পনা নেই