
ফুটবলে সবই ঘরে তুলেছিল ব্রাজিল। শুধু অলিম্পিক ফুটবলে সোনাটা অধরা ছিল। সেই স্বপ্নও পূরণ হয়েছে। ২০১৬ অলিম্পিক ফুটবলে নেইমারের নেতৃত্বগুণে সাধের সোনার সাধ নেয় ব্রাজিলিয়ানরা। ওই সময় তার আচরণে ভীষণ মুগ্ধ হন দলটির অন্যতম সদস্য গ্যাব্রিয়েল জেসুস। এতটাই মুগ্ধ যে, তার কাছে নেইমারের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ ভাইয়ের মতো মনে হয়েছে।
দ্য প্লেয়ার্স ট্রিবিউনকে জেসুস বলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন, ওই টুর্নামেন্টের আগে আমি নেইমারের পাঁড় ভক্ত ছিলাম। তিনি অবিশ্বাস্য ফুটবলার। এটা সর্বজনস্বীকৃত। তবে ওই সময় তার মধ্যে তারকাখ্যাতির ছিঁটেফোটা দেখিনি। তিনি যেভাবে আমাদের সঙ্গে মিশতেন তাতে আশ্চর্য না হয়ে পারিনি। একদম ভাইয়ের মতো মিশতেন সবার সঙ্গে।’
নিউ ব্রাজিলিয়ান ফুটবল সেনসেশন বলেন, ‘মাস্কারাদো ছাড়া আমাদের ওই দলের কারোরই তেমনভাবে নেইমারের সঙ্গে আগে পরিচয় ছিল না। তবে তার সঙ্গে চলাফেরায় আমাদের মোটেও সমস্যা হয় না। আমাদের মানিয়ে নিতে সহায়তা করেন তিনি। দ্রুত দলের মধ্যে কম্বিনেশন গড়ে উঠে। আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খেলি। একে অন্যের জন্য খেলি। আমি মনে করি, এ কারণেই ইতিহাস রচনা করা সম্ভব হয়। অধরা সোনা ধরা দেয় হাতে।’
অলিম্পিকের ওই আসরে দলকে সামন থেকে নেতৃত্ব দেয়ার পাশাপাশি দুর্দান্ত পারফরম করেন নেইমার। ফাইনালে টাইব্রেকারে জার্মানিকে ৫-৪ গোলে হারিয়ে সোনা জিতে ব্রাজিল। সোনা নির্ধারক শটটা ছিল তারই। পুরো টুর্নামেন্টে অনন্য নৈপুণ্য প্রদর্শন করায় সেরার স্বীকৃতি পান ২৫ বছর বয়সী ফুটবলার।
ডিএইচ/ওয়াই




