
বর্তমান সময়ের সেরা রাইটব্যাকদের একজন আশরাফ হাকিমি গড়লেন ইতিহাস। ৫২ বছর পর প্রথম কোনো ডিফেন্ডার হিসেবে জিতলেন আফ্রিকার বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার। শেষবার ১৯৭৩ সালে ডিআর কঙ্গোর সেন্টারব্যাক বোয়াঙ্গা শিমেন এই অর্জন করেছিলেন।
২০২৫ বছরটি হাকিমির জন্য ছিল স্বপ্নের মতো। পিএসজির হয়ে তিনি জিতেছেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, লিগ ওয়ান, কোপা দে ফ্রান্স ও উয়েফা সুপার কাপ চারটি বড় শিরোপা। পাশাপাশি জাতীয় দলের হয়ে মরক্কোকে টানা ১৮ ম্যাচ জয়ের ধারায় ভর করে ২০২৬ বিশ্বকাপের মূলপর্বে তোলার কৃতিত্বও রয়েছে তার।
বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচনে হাকিমি ভোটে হারিয়েছেন দুই তারকা মিশরের মোহামেদ সালাহ এবং দুর্দান্ত ফর্মে থাকা নাইজেরিয়ার ভিক্টর ওসিমেনকে।
পুরস্কার গ্রহণ করতে অনুষ্ঠানে ওয়াকারের সাহায্য নিয়ে হাজির হন বর্তমানে ইনজুরিতে থাকা হাকিমি। পুরস্কার জিতে তিনি বলেন, এটি শুধু আমার অর্জন নয়, বরং আফ্রিকার প্রতিটি স্বপ্নবাজ ছেলে-মেয়ের জন্য একটি অনুপ্রেরণা। ছোটবেলা থেকে যারা আমার উপর বিশ্বাস রেখেছেন, তাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা।
মরক্কোর আরও সাফল্য
আফ্রিকার ফুটবলের এই বাৎসরিক অনুষ্ঠানে মরক্কো জিতেছে আরও দুটি বড় পুরস্কার—
ইয়াসিন বুনো–বর্ষসেরা গোলরক্ষক (আল হিলাল)
গিজলেন চিবাক–নারী ফুটবলের বর্ষসেরা খেলোয়াড়।
নাইজেরিয়ার চিয়ামাকা নাদোজি টানা তৃতীয়বার নারী বিভাগে বর্ষসেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জিতেছেন। সম্প্রতি তিনি ইংলিশ ক্লাব ব্রাইটনের হয়ে ওমেন্স সুপার লিগে যোগ দিয়েছেন।
২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো মূলপর্বে ওঠা কেপ ভার্দে জাতীয় দলের কোচ বুবিস্তা হয়েছেন আফ্রিকার বর্ষসেরা কোচ। হাকিমির এই অর্জন শুধু মরক্কো নয়, আফ্রিকান ফুটবলের ইতিহাসেও যোগ করল নতুন এক গৌরবময় অধ্যায়।
আরটিভি/এসকে




