
আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের শেষ ষোলোর ম্যাচে বেনিনের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল মিশর। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে বেনিনকে ৩-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে মিশর। এতে গত পাঁচ আসরে তৃতীয়বারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল আফ্রিকার সবচেয়ে সফল এই দলটি।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে মারওয়ান আতিয়ার দূরপাল্লার বাঁকানো শটে ৬৮তম মিনিটে মিশর লিড নেয়। জোডেল ডসু বেনিনকে সমতায় ফেরান ৮৪তম মিনিটে। মিশরের গোলরক্ষক মোহাম্মদ এল শেনাওয়ি প্রতিপক্ষের আক্রমণ প্রতিহত করলেও বলটি ডসুর সামনে পড়ে যায় এবং তিনি খুব কাছ থেকে লক্ষ্যভেদ করে খেলাকে অতিরিক্ত সময়ে নেন।
আগাদিরে নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ ড্রয়ের পর অতিরিক্ত সময়ে ইয়াসির ইব্রাহিমের একটি দুর্দান্ত হেডার মিশরকে এগিয়ে দেয়। এরপর ১২৩ মিনিটে মোহাম্মদ সালাহ গোল করে টুর্নামেন্টের ইতিহাসের পাতায় নাম লেখেন। মিশরের তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে আফকনে দুই অঙ্কের ঘরে তার গোল পৌঁছাল।
আফ্রিকার শীর্ষ ফুটবল প্রতিযোগিতায় তার গোল এখন ১০। এই তালিকায় তার উপরে আছেন হাসান এল শাজলি (১২) ও হোসাম হাসান (১১)।
এর আগে মিশর শুরুতে ভালো সুযোগ পেলেও বেনিনের বিপক্ষে তারা শুরু থেকেই আধিপত্য ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছিল। আতিয়ার গোলের আগে মিশর দুইবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছেছিল। ওমর মারমৌশ ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটে গোলরক্ষক দানজিনৌকে একা পেয়েও সুযোগ নষ্ট করেন।
২১ মিনিটে সালাহর কাছ থেকে বল পেয়ে ম্যানচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ডের একটি প্রচেষ্টা বেনিনের গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন ইয়োহান রোচে। ম্যাচের পরবর্তী মিনিটে দুই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ তারকার সামনেই গোলের সুযোগ এসেছিল। তবে এর কিছুক্ষণ পরেই বেনিনের ফরোয়ার্ড তোসিন আইয়েগুন ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়লে গের্নট রোয়ারের দল বড় ধাক্কা খায়।
অবশেষে ৬৮ মিনিটে আল আহলি মিডফিল্ডার আতিয়া গোলমুখ খোলেন। মোহাম্মদ হানির কাটব্যাক থেকে ডিবক্সের ওপর ফাঁকায় বল পেয়ে তিনি এক বুলেট গতির শটে বেনিনের জালে বল জড়ান। তবে রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলেও সাতবারের চ্যাম্পিয়নরা লিড ধরে রাখতে পারেনি।
ডান দিক থেকে আসা বেনিনের একটি ক্রস আহমেদ আবু এল ফতুহর গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে গোলের দিকে যাচ্ছিল। এল শেনাওয়ি বলটি কোনোমতে গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দিলেও তা ডসুর পায়ে গিয়ে পড়ে, যিনি ছয় মিনিট বাকি থাকতে সমতা ফেরান।
আরটিভি/এসআর

-1790130562-405358_1790130601.jpg)
