ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

সাকিবকে ফেরানোর বিষয়ে যা জানালেন আসিফ আকবর

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:২৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের জাতীয় দলে ফেরার বিষয়ে চলমান আলোচনা নতুন গতি পেয়েছে। বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর এক টক শোতে জানিয়েছেন, সাকিব খেলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং বিসিবি পরিচালকদের সম্মতিক্রমে তাকে দলে ফেরানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

আসিফ আকবর বলেন, সাকিবের সঙ্গে নিয়মিত কথা হয়। সম্প্রতি আমেরিকায় গিয়েও তার সঙ্গে কথা হয়েছে। সে খেলতে চায়। আমরা তার মামলা ও আইনি বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা করেছি। তার আইনজীবী ইতিমধ্যেই বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আমরা খুব দ্রুততম সময়ে, সম্ভবত রোববার-সোমবার, কেসের ফাইলগুলো ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মাধ্যমে সরকারের কাছে পৌঁছে দেব।

বিসিবির সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ বলেন, সাকিব ক্রিকেটার হিসেবে নতুন করে বলার কিছু নেই। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে তার পারফরম্যান্স চমৎকার। যদি ফিটনেস লেভেল ঠিক থাকে, সে জাতীয় দলে ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে। সে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ব্র্যান্ড।

আরও পড়ুন

এর আগে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, সাকিব ও মাশরাফির মামলা রাষ্ট্রীয়ভাবে দ্রুত সমাধান করে তাদের দলে ফেরানোর চেষ্টা করা হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন থাকলেও চলতি মাসে সাকিব দেশে ফিরছেন না; তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে মার্চের ওয়ানডে সিরিজে তার খেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বার্সেলোনার সঙ্গে নতুন চুক্তি রাফিনিয়ার
বিশ্বকাপের পর থেকে রীতিমতো উড়ছে রাফিনিয়া। যার পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এই ব্রাজিলিয়ানের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেছে বার্সেলোনা। নতুন চুক্তি অনুসারে, ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত কাতালান ক্লাবের হয়ে মাঠ মাতাবেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) চুক্তির বিষয়টি দুই পক্ষই নিশ্চিত করেছে। নতুন চুক্তিতে দারুণ খুশি রাফিনিয়া।  ক্লাবের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বক্তব্যে ২৯ বছর বয়সী উইঙ্গার বলেছেন, ‘ক্লাবের হয়ে ব্যক্তিগত ও দলীয় যা কিছু অর্জন করেছি, তার কারণেই এখানে থাকতে চাই। আশা করি, আরো অনেক বছর এই ক্লাবে থাকতে পারব। তিনি আরও বলেন, শরীর যত দিন সায় দেবে তত দিন পারফর্ম করে যাব। ক্লাবের জন্য সব সময় নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করি। আরটিভি/এসআর  
বার্সেলোনার সঙ্গে নতুন চুক্তি রাফিনিয়ার
পর্ন তারকাকে ‘শুভেচ্ছাদূত’ করায় তোপের মুখে হামজার সাবেক ক্লাব
অনলাইন জুয়া পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ও লেস্টার সিটির জার্সির মূল স্পন্সর ‘বিসি ডট গেম’-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রাশিয়ান অ্যাডাল্ট কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ই-স্পোর্টস স্ট্রিমার ইভা এলফি। আর এই ঘটনা সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছে লেস্টার সিটির সমর্থকদের ‘ফক্সেস ট্রাস্ট’। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্পন্সর প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশিত এক প্রচারণামূলক ভিডিওতে ইভা এলফিকে এক ডেলিভারিম্যানের সামনে আবেদনময় ভঙ্গিতে হাজির হতে দেখা যায়।  সমর্থক গোষ্ঠীর মতে, এই ধরনের বিতর্কিত প্রচারণার সঙ্গে নিজেদের ব্র্যান্ডকে যুক্ত করে লেস্টার সিটি তাদের ঐতিহ্যবাহী ‘পারিবারিক ও সুশৃঙ্খল ক্লাব’-এর ভাবমূর্তি থেকে ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছে। কারাসাও ভিত্তিক এই অনলাইন ক্যাসিনো প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪-২৫ মৌসুমের শুরু থেকেই লেস্টার সিটির প্রধান জার্সি স্পন্সর হিসেবে যুক্ত রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির যুক্তরাজ্যে কোনো বৈধ অপারেটিং লাইসেন্স নেই। লেস্টার সিটির সমর্থক গোষ্ঠী শুরু থেকেই এই চুক্তির বিরোধিতা করে আসছিল। এক বিবৃতিতে ফক্সেস ট্রাস্ট জানিয়েছে, ক্লাব কর্তৃপক্ষ কেবল একটি জুয়া কম্পানির সঙ্গেই হাত মেলায়নি, বরং এমন একটি প্রতিষ্ঠানকে বেছে নিয়েছে যার যুক্তরাজ্যে কোনো লাইসেন্স নেই, যাদের অর্থায়নের উৎস নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং যারা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে জুয়া খেলার সুযোগ দেয়। আর এখন তার সঙ্গে যুক্ত করা হলো এমন একজনকে যিনি অ্যাডাল্ট কন্টেন্ট তৈরি করে পরিচিতি পেয়েছেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জুয়া এবং পর্নোগ্রাফি—উভয়ই মানুষের জীবনে, বিশেষ করে তরুণদের জীবনে মারাত্মক ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। এই ধরনের অংশীদারি সেই দুই জগতকে আরো বড় দর্শকদের সামনে নিয়ে আসছে এবং ক্লাবের নামের সঙ্গে তাদের যুক্ত করছে। আমরা কি সত্যিই এখন এমন ক্লাব হতে যাচ্ছি?  ‘আমাদের মৌসুম শেষের সমীক্ষায় দেখা গেছে ৭৩ শতাংশ সমর্থক এই স্পন্সরশিপ নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছেন, যেখানে মাত্র ৫ শতাংশ সমর্থক সন্তুষ্ট ছিলেন। ভক্তদের প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে, জার্সিতে ওই প্রতিষ্ঠানের লোগো ছাড়া সংস্করণটিই যেন তারা ক্রয় করেন।’ উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মে মাসে ‘কোলিশন টু এন্ড গ্যাম্বলিং অ্যাডস’ লেস্টার সিটিকে চিঠি দিয়েছিল এবং যুক্তরাজ্যের জুয়া নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ‘গ্যাম্বলিং কমিশন’-কে জুয়া পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানটির প্রচারণার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিল। তাদের দাবি ছিল, ‘বিসি ডট গেম’ যুক্তরাজ্যে লাইসেন্সপ্রাপ্ত না হলেও খুব সহজেই তাদের প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। বিতর্ক বাড়তেই লেস্টার সিটি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আমাদের প্রধান পার্টনারের সাম্প্রতিক বিষয়গুলো নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা ক্লাব অনুধাবন করছে। আমরা তাদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কথা বলেছি এবং উভয় পক্ষের জন্য গ্রহণযোগ্য একটি সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। আরটিভি/এসআর  
পর্ন তারকাকে ‘শুভেচ্ছাদূত’ করায় তোপের মুখে হামজার সাবেক ক্লাব
ইব্রাহিমের গোলে ভুটানকে হারিয়ে সাফে উড়ন্ত শুরু বাংলাদেশের
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী দিনে ভুটানের বিপক্ষে বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ দল। এদিন ঘরের মাঠে অনেকগুলো সুযোগ মিস করলেও ইব্রাহিমের গোলে জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা। সেই সঙ্গে সাফে শুভসূচনা হলো লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ভুটানকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ দল। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্বাগতিকরা। তবে গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায় হতাশা নিয়েই বিরতিতে যেতে হয়েছে টমাস ডুলির শিষ্যদের। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই ভালো একটি আক্রমণ তৈরি করে বাংলাদেশ। ডান প্রান্ত থেকে রাকিব হোসেনের ক্রস বিশ্বনাথের কাছে পৌঁছানোর আগেই বিপদমুক্ত করেন ভুটানের ডিফেন্ডাররা।  ফিরতি বলে জামাল ভূঁইয়ার জোরালো শটও আটকে যায় প্রতিপক্ষের রক্ষণে। ১৮তম মিনিটে আবারও সুযোগ তৈরি হয় বাংলাদেশের। রাকিবের ক্রস থেকে হেড নিয়েছিলেন বিশ্বনাথ। তবে বল চলে যায় পোস্টের বাইরে দিয়ে। সাত মিনিট পর আরও একটি সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন তিনি। প্রায় ফাঁকায় বল পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি বাংলাদেশের এই ফুটবলার। ৩৯তম মিনিটেও গোলের দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন বিশ্বনাথ। সামনে শুধু ভুটানের গোলরক্ষক থাকলেও কোনাকুনি শট লক্ষ্যে রাখতে ব্যর্থ হন তিনি। ফলে আবারও হতাশ হতে হয় বাংলাদেশের সমর্থকদের। পরের মিনিটেই প্রথমবার বাংলাদেশের গোলমুখে শট নেয় ভুটান। তবে সহজেই বল ধরে ফেলেন গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ। বিরতির আগে ৪৪তম মিনিটে আরও একটি সুযোগ পায় বাংলাদেশ। জামালের ফ্রি কিক থেকে হেডে বল বাড়িয়েছিলেন শমিত সোম। কিন্তু গোলমুখে থাকা জিদান ইউসুফ ও সাদ উদ্দিন কেউই বলের নাগাল পাননি। ফলে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তেও গোলের অপেক্ষা শেষ হয়নি স্বাগতিকদের। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪ মিনিটে বদলি ফুটবলার হিসেবে নামেন ইব্রাহিম। চার মিনিটের মধ্যে বাংলাদেশকে লিড এনে দেন এই ফরোয়ার্ড। জায়ান আহমেদের ক্রসে ভুটানের বক্সে দুই দফা হেড ঘুরে ভলিতে গোল করেন ইব্রাহিম। গ্যালারিতে সবাই উল্লাসে মেতে উঠে। এরপর গোল শোধ করতে সফরকারীরা মরিয়া হয়ে উঠলেও চাপ সামলে পাল্টা আক্রমণ করেছে স্বাগতিকরা। তবে শেষ পর্যন্ত ব্যবধান ধরে রেখে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ দল। আরটিভি/এসআর  
ইব্রাহিমের গোলে ভুটানকে হারিয়ে সাফে উড়ন্ত শুরু বাংলাদেশের
২৩ বছরের রূপকথা, আন্তর্জাতিক ফুটবলে রোনালদোর যত রেকর্ড
কিছুদিন আগেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন সময়ের অন্যতম সেরাটা ফুটবলার লিওনেল মেসি। এবার তার দেখানো পথেই হাঁটলেন আরেক ফুটবল কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।  আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে একের পর এক রেকর্ড গড়েছেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা। পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোল ও সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড—দুটিই তার দখলে। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ বা ইউরো এবং ফিফা বিশ্বকাপেও রয়েছে তার একাধিক অনন্য কীর্তি।  আন্তর্জাতিক ফুটবলে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর যাত্রা শুরু ২০০৩ সালের ২০ আগস্ট। কাজাখস্তানের বিপক্ষে পর্তুগালের জার্সিতে অভিষেকের পর দুই দশকের বেশি সময় ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন তিনি। এই দীর্ঘ সময়ে গোল, ম্যাচ, বড় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ এবং ধারাবাহিকতার বিচারে গড়েছেন একের পর এক রেকর্ড। উয়েফার ২০২৬ সালের ৭ অক্টোবর পর্যন্ত হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পর্তুগালের হয়ে রোনালদোর আন্তর্জাতিক ম্যাচ ২৩৪টি, গোল ১৪৬টি। পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে এই দুই বিভাগেই তিনি বিশ্বরেকর্ডের অধিকারী। তার পরের অবস্থানে আছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি—২০৮ ম্যাচে ১২৬ গোল। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোল পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতা রোনালদো। ২০২১ সালের ১ সেপ্টেম্বর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে জোড়া গোল করে তিনি ইরানের সাবেক স্ট্রাইকার আলী দাইয়ের ১০৯ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে যান। দাইয়ে ১৯৯৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ইরানের হয়ে ১০৯ গোল করেছিলেন। রোনালদো ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে নিজের গোলসংখ্যা নিয়ে যান ১৪৬-এ। অর্থাৎ দ্বিতীয় স্থানে থাকা মেসির চেয়ে ২০ গোল এগিয়ে তিনি। ১০০ আন্তর্জাতিক গোলের মাইলফলকও স্পর্শ করেন রোনালদো—পুরুষদের ফুটবলে আলী দাইয়ের পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে। জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ গোলের মতো ম্যাচ খেলার রেকর্ডও রোনালদোর দখলে। ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ লিশটেনস্টাইনের বিপক্ষে মাঠে নেমে পর্তুগালের হয়ে নিজের ১৯৭তম ম্যাচ খেলেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে কুয়েতের বদর আল-মুতাওয়ার ১৯৬ ম্যাচের বিশ্বরেকর্ড ছাড়িয়ে যান।  এরপর ২০২৩ সালের জুনে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নেমে প্রথম ফুটবলার হিসেবে আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা ২০০-তে নিয়ে যান। ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তার ম্যাচসংখ্যা ২৩৪। দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলার এই নজিরও তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। বিশ্বকাপেও বাজিমাত রোনালদোর বিশ্বকাপের ইতিহাসেও রোনালদোর একটি অনন্য রেকর্ড রয়েছে। ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬—ছয়টি বিশ্বকাপ আসরেই গোল করেছেন তিনি। পুরুষদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে ছয়টি ভিন্ন আসরে গোল করা প্রথম খেলোয়াড় রোনালদো।   ২০০৬ সালে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ইরানের বিপক্ষে প্রথম বিশ্বকাপ গোল করেন তিনি। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, রাশিয়া, কাতার ও ২০২৬ সালের আসরেও গোলের দেখা পান। ফিফার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপে রোনালদোর ম্যাচ ২৭টি এবং গোল ১১টি। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার তালিকায় তিনি দ্বিতীয় অবস্থানে। পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি। ইউরোতে সর্বোচ্চ ম্যাচ ও গোল ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ বা ইউরোতে রোনালদোর রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ। টুর্নামেন্টটির চূড়ান্ত পর্বে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার পাশাপাশি সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডও তার।  উয়েফার হিসাবে, ইউরোর চূড়ান্ত পর্বে রোনালদোর ম্যাচ ৩০টি এবং গোল ১৪টি। বাছাইপর্বসহ ইউরোতে তার ম্যাচ ৭৪টি, গোল ৫৫টি। ইউরোর ইতিহাসে কোনো খেলোয়াড়ের এত বেশি গোল নেই। ২০০৪ সালে নিজের প্রথম ইউরো আসরে খেলেন রোনালদো। এরপর ২০০৮, ২০১২, ২০১৬, ২০২০ ও ২০২৪—সব মিলিয়ে ছয়টি আসরে অংশ নিয়েছেন। ছয় আসরে খেলার রেকর্ডও তার।  ২০০৪ সালে পর্তুগাল ফাইনালে উঠলেও গ্রিসের কাছে হেরে যায়।  ২০১৬ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ইউরো শিরোপা জেতে পর্তুগাল। ফাইনালে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হলেও দলের শিরোপা জয়ের মুহূর্তে অধিনায়ক রোনালদো ছিলেন মাঠের বাইরে থেকে দলের প্রেরণা।   বাছাইপর্বেও গোলের বিশ্বরেকর্ড বিশ্বকাপ ও ইউরো—দুই প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বেই গোলের রেকর্ড গড়েছেন রোনালদো। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তার গোল ৪১টি। পুরুষদের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ। ইউরো বাছাইপর্বেও তার গোল ৪১টি। ইউরোর চূড়ান্ত পর্বে ১৪ গোল যোগ করলে প্রতিযোগিতাটিতে তার মোট গোল দাঁড়ায় ৫৫। ইউরোর বাছাইপর্ব ও চূড়ান্ত পর্ব মিলিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনিই। টানা ২৩ বছর গোল দীর্ঘ সময় ধরে গোল করার ধারাবাহিকতাও রোনালদোর বড় অর্জন। ২০০৩ সালে পর্তুগালের হয়ে অভিষেক হলেও প্রথম দুই ম্যাচে গোল পাননি। ২০০৪ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক গোল করার পর ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা ২৩ বছর জাতীয় দলের হয়ে গোল করেছেন তিনি। উয়েফার তথ্য অনুযায়ী, পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে টানা এত বছর গোল করার রেকর্ডও রোনালদোর। এর আগে আয়ারল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার রবি কিন ১৯৯৮ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত টানা ১৯ বছর গোল করেছিলেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১০ হ্যাটট্রিক পর্তুগালের হয়ে রোনালদোর হ্যাটট্রিকের সংখ্যাও অনন্য। উয়েফার রেকর্ড অনুযায়ী, পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ১০টি হ্যাটট্রিক করেছেন তিনি। এর মধ্যে দুটি ম্যাচে চারটি করে গোল করেছেন। এ ছাড়া ২৮টি ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন। প্রতিপক্ষ হিসেবে লুক্সেমবার্গের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি ১১টি গোল করেছেন রোনালদো। হাঙ্গেরির বিপক্ষে তার গোল ৯টি। আর্মেনিয়া, লিথুয়ানিয়া ও সুইডেনের বিপক্ষে করেছেন সাতটি করে গোল। ছয় বিশ্বকাপ ও ছয় ইউরো একজন ফুটবলারের ক্যারিয়ার সাধারণত সীমিত সময়ের। কিন্তু রোনালদো দুই দশকের বেশি সময় ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলে একাধিক প্রজন্মের সতীর্থদের সঙ্গে মাঠে নেমেছেন। ছয়টি বিশ্বকাপ ও ছয়টি ইউরো আসরে অংশ নেওয়া তাঁর দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রমাণ। ২০২৬ বিশ্বকাপের পর ফিফাকে দেওয়া বক্তব্যে রোনালদো জানান, বিশ্বকাপের মঞ্চে সেটিই ছিল তার শেষ অংশগ্রহণ। তবে জাতীয় দল থেকে অবসরের বিষয়ে ২০২৬ সালের ৫ নভেম্বর রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতির পর পর্তুগালের জাতীয় দলকে বিদায় জানানোর পরিকল্পনার কথা তিনি জানিয়েছেন। সে সময় তার আন্তর্জাতিক ম্যাচ ছিল ২৩৪টি এবং গোল ১৪৬টি। আরটিভি/এসআর  
২৩ বছরের রূপকথা, আন্তর্জাতিক ফুটবলে রোনালদোর যত রেকর্ড
জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে সিলেটে উড়ন্ত শুরু ওয়েস্ট ইন্ডিজের, হতাশ টাইগাররা
মিরপুর টেস্টে হেরে ব্যাকফুটে রয়েছে বাংলাদেশ দল। ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে সিলেট টেস্টে মাঠে নেমেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। কিন্তু প্রথমদিনে হতাশা নিয়ে ফিরতে হয়েছে তাদের। জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ভর করে দ্বিতীয় টেস্টে উড়ন্ত শুরু পেয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ ৭০ ওভারে ৪ উইকেটে ২৩৫ রান। আলোর স্বল্পতার কারণে শেষ সেশনে দ্বিতীয়বার খেলা বন্ধ হওয়ার পর আম্পায়াররা দিনের খেলার আগেভাগে সমাপ্তি ঘোষণা করেন।  জাঙ্গু ১১১ রানে অপরাজিত আছেন। অন্য প্রান্তে গ্রিভস অপরাজিত ৩৫ রানে। দিনের শুরুটা অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। শুরুতেই আঘাত হানেন তাসকিন। ব্র্যান্ডন কিংকে ৯ রানে বোল্ড করেন তিনি।  তার পর কাভেম হজকে বোল্ড করেন হাসান। জশুয়া ডা সিলভাকে দ্রুত সময়ে তাসকিন এলবিডাব্লিউ করলে ২৭ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট হারিয়ে ব্যাক ফুটে চলে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তার পর কেভিন উইকহ্যাম ও আমির জাঙ্গুর ব্যাটে ম্যাচে ফেরে তারা।  চাপ সামাল দিতে জাঙ্গুর সঙ্গে জুটি বাঁধেন অভিষিক্ত কেভিন উইকহ্যাম। চতুর্থ উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ১৩১ রানের দারুণ জুটি। অভিষেক টেস্টে আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে ৬১ রান করেন উইকহ্যাম। দ্বিতীয় সেশনে শেষ পর্যন্ত তাকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন হাসান মাহমুদ। তবে সেটিই ছিল দিনের বাকি সময়ে বাংলাদেশের শেষ সাফল্য। এক প্রান্ত আগলে রেখে তার পর জাঙ্গু তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। অন্য প্রান্তে দৃঢ়তার সঙ্গে ব্যাটিং করেন গ্রিভস। পঞ্চম উইকেটে দুজনের অবিচ্ছিন্ন ৭৭ রানের জুটিতে আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তিন স্পিনার নিয়েও এরপর আর কোনো উইকেটের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। পতন হওয়া ৪ উইকেটের মধ্যে হাসান নিয়েছেন দুটি। বাকি দুটি নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ।  আরটিভি/এসআর
জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে সিলেটে উড়ন্ত শুরু ওয়েস্ট ইন্ডিজের, হতাশ টাইগাররা
আরও পড়ুন
মাহবুবুল খালিদের কথা-সুরে গাইলেন আসিফ আকবর
সাকিবের ঘূর্ণিতে লণ্ডভণ্ড লডারডেল
বিপিএলের লাভ-ক্ষতির হিসাব চান আসিফ আকবর
সাকিব আল হাসান একজন নষ্ট ও পচে যাওয়া মানুষ: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা