ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশে কি বিশ্বকাপ দেখা যাবে, যা জানা গেল

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপের পর্দা উঠতে আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ খ্যাত টুর্নামেন্টটির অফিশিয়াল সম্প্রচারস্বত্ব চূড়ান্ত হয়নি। যা নিয়ে সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের মনে বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে সম্প্রচার বিশেষজ্ঞ এবং বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে ‘বিশ্বকাপ ব্ল্যাকআউট’ বা খেলা দেখা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।

এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই বড় স্বস্তির খবর হলো, দেশের প্রথম বেসরকারি ক্রীড়া চ্যানেল টি-স্পোর্টস এখনও বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে আশাবাদী। স্বত্ব কেনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে জোরালো আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

একটি বিশেষ সিন্ডিকেট নিজেদের স্বার্থে ‘বাংলাদেশে খেলা সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যেতে পারে’, এমন ভীতি ছড়িয়ে সরকারি পর্যায়ে চাপ তৈরির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে সম্প্রচার বিশ্লেষকদের মতে, এই আশঙ্কার বাস্তব ভিত্তি নেই। বাংলাদেশের মতো ফুটবলপ্রেমী ও বড় দর্শক বাজারকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত করবে না ফিফা। ব্যবসায়িক ও জনপ্রিয়তার স্বার্থেই শেষ মুহূর্তে ফিফা কোনো না কোনো বিকল্প পথ বের করবে বলে মনে করছেন তারা। অতীতে ইরান বা উত্তর কোরিয়ার মতো দু-একটি দেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচারে সীমাবদ্ধতা দেখা গেলেও, সেগুলো ছিল সংশ্লিষ্ট দেশের অভ্যন্তরীণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের কারণে।

আন্তর্জাতিক বাজারে ফিফা কতটা নমনীয় হতে পারে, তার সাম্প্রতিক উদাহরণ চীন। চায়না মিডিয়া গ্রুপের (সিএমজি) কাছে ২০৩১ সাল পর্যন্ত চারটি বিশ্বকাপের স্বত্ব বিক্রির ক্ষেত্রে ফিফা শুরুতে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দাবি করলেও শেষ পর্যন্ত ৬০ মিলিয়ন ডলারে চুক্তি করেছে।

আরও পড়ুন

মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রায় ১৫ ঘণ্টা সময়ের পার্থক্যের কারণে ফিফাকে এই ছাড় দিতে হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এখনও প্রতিবেশী দেশ ভারতের সম্প্রচারস্বত্বও নিশ্চিত হয়নি, যা প্রমাণ করে দরকষাকষি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চলতে পারে।

বাংলাদেশে ব্ল্যাকআউটের ঝুঁকি না থাকলেও সম্প্রচারস্বত্ব নির্ধারণে বড় জটিলতা তৈরি হয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন বাজার ও সম্প্রচার আয়ের বাস্তবতায় এবারের স্বত্বের যৌক্তিক মূল্য হওয়া উচিত ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকার মধ্যে। বেশ কয়েকটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান এই অঙ্কে বিনিয়োগ করতে প্রস্তুতও ছিল।

বাংলাদেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের জন্য প্রাথমিক স্বত্ব পেয়েছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক মিডিয়া সংস্থা 'স্প্রিংবক'। অভিযোগ উঠেছে, এই প্রতিষ্ঠানটি ও তাদের দেশীয় সহযোগীরা অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় প্রায় ৭.২ মিলিয়ন ডলারে, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৮ কোটি টাকায় স্বত্ব কিনে বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) কাছে তা ১০ মিলিয়ন ডলারে, অর্থাৎ প্রায় ১২২ কোটি টাকায় বিক্রির প্রস্তাব দেয়।

এর বাইরে স্যাটেলাইট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে আরও ৮ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি প্রায় ৯৮ কোটি টাকা) আয়ের পরিকল্পনা ছিল তাদের। আকাশচুম্বী দামের কারণেই বিটিভি এবার স্বত্ব কেনা থেকে পিছিয়ে এসেছে।

একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ে ফিফাকে ৬০ শতাংশ অগ্রিম অর্থ পরিশোধ করতেও ব্যর্থ হয়েছে স্প্রিংবক। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই সিন্ডিকেটটি কাতার বিশ্বকাপের সময়ও সক্রিয় ছিল। সেবার ‘টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচারের আলাদা অনুমতি’ লাগবে, এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিটিভিকে প্রায় ১০০ কোটি টাকা খরচ করতে বাধ্য করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাভমোর’ এবং বাংলাদেশের একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হওয়া সেই কৃত্রিম অতিমূল্যায়নের কারণেই ফিফার কাছে বাংলাদেশের বাজারের ভুল চিত্র গেছে। যার প্রভাব পড়ছে ২০২৬ বিশ্বকাপের স্বত্ব নির্ধারণেও।

স্থানীয় প্রতিনিধি ফাহাদ করিম, সাবেক বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সাবেক ফুটবল কর্মকর্তা আবু নাঈম সোহাগ এবং আতাউল ইসলাম মানিকের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম এই চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। একটি বিশেষ মহল নিজেদের স্বার্থে ‘বিশ্বকাপ ব্ল্যাকআউট’-এর ভীতি ছড়িয়ে সরকারি পর্যায়ে চাপ তৈরির চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।

ক্রীড়া বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সিন্ডিকেটের তৈরি ব্ল্যাকআউটের ভয়কে উপেক্ষা করে এখন রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে কাতার বিশ্বকাপের আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলছেন তারা।

টি-স্পোর্টস এখনও স্বত্ব কেনার দৌড়ে সক্রিয়ভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই শেষ মুহূর্তে দেশীয় কোনো বেসরকারি টেলিভিশন বা ওটিটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেই বাংলাদেশের দর্শকরা প্রিয় দলের খেলা পর্দায় দেখতে পাবেন এমন সম্ভাবনাই জোরালো।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট, ড্রয়ের আশায় আফগানিস্তান
শুরুতেই এবাদত-হাসানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে দুই উইকেট তুলে নিলেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে চোখ রাঙাতে থাকে রহমত শাহ ও সেদিকুল্লাহ আতালের ব্যাট। আবারও সেই জুটি ভেঙে দেন এবাদত। এরপরও ড্রয়ের স্বপ্ন দেখছে আফগানিস্তান। এদিকে জিততে হলে পঞ্চম ও শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার আরও ৭ উইকেট। চতুর্থ দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৩২ রান তুলেছে আফগানিস্তান। ফলে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন ৩৪৭ রান। বাংলাদেশের দেওয়া ৪৭৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ভাঙে আফগানিস্তানের উদ্বোধনী জুটি। টাইগার পেসার এবাদত হোসেনের করা বলে কটবিহাইন্ড হন আব্দুল মালিক। আউট হওয়ার আগে করেন ২ রান। পরের উইকেটে নামা শহীদুল্লাহকে ১৪ রানে আউট করেন হাসান মাহমুদ। দ্রুত দুই উইকেট হারালেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে চাপ সামলে নেন ওপেনার সেদিকুল্লাহ আতাল ও অভিজ্ঞ রহমত শাহ। দেখে-শুনেই খেলছিলেন এই দুই ব্যাটার। তবে এই জুটি দিন শেষ করতে পারেনি আফগানরা। বাংলাদেশি পেসার এবাদত হোসেনের করা বলে কটবিহাইন্ড হন রহমত। আউট হওয়ার আগে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। তার ব্যাট থেকে আসে ১২৪ বলে ৫১ রান। এরপর হাশমতউল্লাহ শহীদিকে নিয়ে দিন শেষ করেন আতাল। ১২৬ বলে ৩৫ রানে আতাল ও ২৭ বলে ১৯ রানে হাশমত অপরাজিত থাকেন। এদিকে তৃতীয় দিন শেষ বিকেলের ঝড়ে ১১ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ৬ উইকেটে ২২৩ রানে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে তারা। ৫ রানে অপরাজিত লিটনের সঙ্গে নামেন মিরাজ, তখনও তিনি রানের খাতা খোলেননি। এই দুজনের জুটিতে দ্বিতীয় ইনিংসে দলীয় স্কোর তিনশ পার করেন এবং লিড ছাড়ায় চারশ রানের। লিটন ১৪ ও ২৬ রানে জীবন পেয়ে ৬১ বলে এক টেস্টে টানা দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের ২২তম হাফ সেঞ্চুরি করেন। একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বেশ আগ্রাসী ছিলেন তিনি। ধীরে এগোতে থাকেন মিরাজ। এর আগে দুইবার জীবন পাওয়া লিটন দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮ রান হতেই ৯ হাজার আন্তর্জাতিক রানের মাইলফলকে পৌঁছান। কায়েস আহমেদের বলেই দুইবার জীবন পান তিনি। প্রথমবার স্লিপের ফিল্ডার কামাল ক্যাচ ফেলে দেন। তারপর কায়েস নিজেই ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ হন, ব্যথায় কাতরাতে দেখা যায় তাকে। বড় লিড এনে দেওয়ার পথে বড় জুটি গড়েন লিটন-মিরাজ। সপ্তম উইকেট জুটিতে এই দুই ব্যাটার মিলে তোলেন ১৪৯ রান। তাতেই লিডের পাহাড় গড়ে সফরকারীরা। ফিফটি করেই থামেননি লিটন। ১১৫ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। এরপর আর বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। ১০২ রানে সাজঘরের পথ ধরেন। ১১৭ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ১৪টি চারে সাজানো। এদিকে ফিফটির দেখা পেয়েছেন মিরাজও। তিনি অপরাজিত থাকেন ৯৭ বলে ৫২ রানে। ৭ উইকেটে ৩৭২ রান করার পর ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যাট করতে নামবে স্বাগতিক আফগানিস্তান। এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান করে। তারপর হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আফগানিস্তানকে ২৪০ রানে অলআউট করে সফরকারী দল। আরটিভি/ এসকেডি
শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট, ড্রয়ের আশায় আফগানিস্তান
লিটনের সেঞ্চুরিতে লিডের পাহাড়ে বাংলাদেশ
আবুধাবি টেস্টের চতুর্থ দিনের প্রথম শেসনটি টাইগাররা নিজেদের করে নিয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) শেষ বিকেলে ১১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর আজ দিনের প্রথম সেশনে আফগানিস্তানের বোলারদের হতাশা উপহার দিয়েছেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। সপ্তম উইকেট জুটিতে লিড সাড়ে চারশর কাছাকাছি নিয়ে গেছেন তারা।
লিটনের সেঞ্চুরিতে লিডের পাহাড়ে বাংলাদেশ
ম্যানসিটির সমর্থকদের হাতে কলা, কেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে স্বাধীন কমিশনের রায়ের পর ক্লাবটির প্রতি সমর্থন জানাতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন সমর্থকরা। লিভারপুলের মাঠ অ্যানফিল্ডে ম্যাচের আগে আকাশে শত শত বাতাসভরা কলা উড়িয়ে পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনেন তারা।
ম্যানসিটির সমর্থকদের হাতে কলা, কেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ হাজার রানের ক্লাবে লিটন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৯ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন বাংলাদেশের উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাস।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ হাজার রানের ক্লাবে লিটন
চমক দিয়ে হংকং সিক্সেসে বাংলাদেশের দল ঘোষণা, ফিরলেন সাব্বির
হংকং সিক্সেস টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে সাত সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘোষিত স্কোয়াডে চমক হিসেবে জায়গা পেয়েছেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সাব্বির রহমান। আর দলকে নেতৃত্ব দেবেন আবু হায়দার রনি। আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত হংকংয়ের টিন কোয়াং রোড রিক্রিয়েশন গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে ছয় ওভারের এই টুর্নামেন্ট। প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে মোট ১২টি দেশ। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের ‘বি’ গ্রুপে প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা ও স্কটল্যান্ড। গ্রুপ পর্বে এই দুই দলের বিপক্ষে মাঠে নামবে রনির দল। গ্রুপের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করবে পরবর্তী পর্বে বাংলাদেশের অবস্থান। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপের শীর্ষে থাকা দলগুলো মূল প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে খেলবে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলগুলো খেলবে প্লেট প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে। আর গ্রুপে তৃতীয় হওয়া দলগুলোর জন্য থাকছে বোল প্রতিযোগিতা। হংকং সিক্সেসের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশের সাত সদস্যের স্কোয়াডে রয়েছেন অধিনায়ক আবু হায়দার রনি, সামিউন বশির, চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, আহরার আমিন, সাব্বির রহমান ও হাবিবুর রহমান সোহান। অভিজ্ঞ সাব্বির রহমানের অন্তর্ভুক্তি দল ঘোষণায় বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে গ্রুপ পর্বে ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে শিরোপার লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়া। হংকং সিক্সেসের জন্য বাংলাদেশের সাত সদস্যের স্কোয়াডে রয়েছেন অধিনায়ক আবু হায়দার রনি, সামিউন বশির, চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, আহরার আমিন, সাব্বির রহমান ও হাবিবুর রহমান সোহান। আরটিভি/এসকে
চমক দিয়ে হংকং সিক্সেসে বাংলাদেশের দল ঘোষণা, ফিরলেন সাব্বির
আরও পড়ুন
সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকতে বলেছে দূতাবাস
বুটেক্সে অনুষ্ঠিত হলো বিদেশে উচ্চশিক্ষাবিষয়ক সেমিনার
শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট, ড্রয়ের আশায় আফগানিস্তান
দেশে নিট প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে ১২.৭৮ শতাংশ