ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

১৯৬৬ থেকে ২০২৬: বিশ্বকাপ মাতিয়েছে যেসব মাসকট

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম
ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের মাসকট। ছবি: সংগৃহীত

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা, এরপরই শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় আসর ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপ মানেই শুধু ফুটবলের এক মহাযজ্ঞ নয়; এটি আসলে সংস্কৃতি, আবেগ আর নানা প্রান্তের মানুষের মোহনাস্থল। স্টেডিয়ামে লাখো দর্শকের উচ্ছ্বাস যেমন টুর্নামেন্টকে প্রাণবন্ত করে তোলে, তেমনি প্রতিটি আসরের আরেকটি বড় আকর্ষণ হলো তার অফিসিয়াল মাসকট।

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তিনটি মাসকট উন্মোচন করেছে ফিফা। মূলত, বিশ্বকাপের আয়োজক ভিন্ন তিন দেশ হওয়ায় আলাদা আলাদা মাসকট উন্মোচন করা হয়েছে। যেখানে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য আর কল্পনাশক্তিকে তুলে ধরা হয়েছে বিশ্বের সামনে।

অবশ্য জেনে অবাক হবেন যে বিশ্বকাপের শুরুর দিকে এমন কোনো রীতি ছিল না। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ থেকেই প্রথমবারের মতো মাসকটের যাত্রা শুরু। তারপর থেকে প্রতিটি বিশ্বকাপ যেন নিজের আলাদা এক চরিত্র খুঁজে নেয় মাস্কটের মধ্য দিয়ে।

পাঠকদের জন্য সবগুলো বিশ্বকাপের মাসকটের বিস্তারিত তুলে ধরা হলো—

ক্লাচ, মেপল ও জায়ু (২০২৬)

২০২৬ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। ফলে তিন দেশের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতীক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে ক্লাচ, মেপল ও জায়ুকে। ক্লাচ নামের ঈগল মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি।

LIT__ON_cop_y_20250926_131204960_(1)

কানাডার প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছে মেপল মুজ নামের হরিণবিশেষ। আর জায়ু হচ্ছে মেক্সিকোর জঙ্গল থেকে আসা এক জাগুয়ার। এই তিন মাসকটকেই ফুটবলার হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে মেপল গোলকিপার, জায়ু স্ট্রাইকার ও ক্লাচ হচ্ছে মিডফিল্ডার।

লা’ইব (২০২২)

কাতার বিশ্বকাপের মাসকট ছিল ‘লা’ইব’। আরবিতে যার অর্থ অতিমাত্রায় দক্ষ খেলোয়াড়। এটি মূলত আরব সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী পুরুষদের মাথার কাপড় ‘ঘুতরা’-কে মানবসদৃশ রূপ দিয়ে তৈরি করা এক বন্ধুসুলভ চরিত্র। মাসকটটির সাদা রঙ বেছে নেওয়া হয়েছিল পবিত্রতা বা বিশুদ্ধতার প্রতীক হিসেবে।

জাবিভাকা (২০১৮)

রাশিয়া বিশ্বকাপে মাসকট ছিল ‘জাবিভাকা’ নামের এক নেকড়ে। রুশ ভাষায় যার অর্থ ‘গোলদাতা’। স্পোর্টস গগলস পরা এই নেকড়ে ছিল আত্মবিশ্বাসী আর দ্রুতগতির প্রতীক। অনলাইন ভোটে বাঘ আর বিড়ালকে হারিয়ে এটি অফিসিয়াল মাসকট হয়েছিল।

ফুলেকো (২০১৪)

২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপের মাসকট ছিল ‘ফুলেকো’—একটি ব্রাজিলিয়ান থ্রি-ব্যান্ডেড আর্মাডিলো। সাদা রঙের ‘ব্রাজিল ২০১৪’ লেখা জার্সি ও সবুজ শর্টস পরা বিশেষ প্রজাতির আর্মাডিলো শুধু ব্রাজিলেই পাওয়া যায় এবং এটি বর্তমানে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর তালিকাভুক্ত।

তাই ফুলেকোকে মাসকট হিসেবে বেছে নেওয়ার মাধ্যমে ব্রাজিল তাদের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের প্রতিও বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছিল।

জাকুমি (২০১০)

দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের মাসকট ছিল এক চিতা—‘জাকুমি’। নামের ‘জেডএ’ এসেছে সাউথ আফ্রিকার সংক্ষিপ্ত রূপ থেকে, আর ‘কুমি’ মানে দশ। পুরো নামটি ২০১০ বিশ্বকাপকেই প্রতিনিধিত্ব করেছে।

গোলেও (২০০৬)

২০০৬ সালে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের মাসকটের নাম ছিল ‘গোলেও সিক্স’। ‘গোল’ এবং ‘লিও’ শব্দ দুটির সমন্বয়ে তৈরি এই নামের সিংহটি জার্মান জাতীয় দলের রঙের পোশাক পরেছিল।

তার সঙ্গে ছিল ‘পিলে’ নামের একটি ফুটবল, যা জার্মানিতে ফুটবলের প্রচলিত কথ্য নাম হিসেবেও পরিচিত।

আতো, কাজ ও নিক (২০০২)

দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের যৌথ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো দেখা যায় কম্পিউটার জেনারেটেড মাসকট। কমলা, বেগুনি ও নীল রঙের তিনটি কম্পিউটার-নির্মিত চরিত্রের সবাই ছিল কাল্পনিক ফুটবলসদৃশ খেলা ‘অ্যাটমবল’-এর একটি দলের সদস্য।

সেখানে ‘আতো’ ছিল কোচ, আর ‘কাজ’ ও ‘নিক’ ছিল খেলোয়াড়। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এবং আয়োজক দেশগুলোর ম্যাকডোনাল্ডস আউটলেটে হওয়া ভোটের মাধ্যমে এই তিন চরিত্রের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

ফুটিক্স (১৯৯৮)

১৯৯৮ বিশ্বকাপে মাসকট হিসেবে ফরাসি ঐতিহ্যের প্রতীক মোরগকে বেছে নেয় ফ্রান্স। লাল-নীল রঙের সেই মোরগের নাম দেওয়া হয় ‘ফুটিক্স’। ‘ফুটবল’ আর বিখ্যাত কমিক চরিত্র ‘অ্যাস্টেরিক্স’-এর নাম মিলিয়েই এই নামকরণ।

স্ট্রাইকার (১৯৯৪)

১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপের মাসকট ছিল একটি কুকুর। যা আমেরিকান পরিবারগুলোর অন্যতম জনপ্রিয় পোষা প্রাণী। লাল, সাদা ও নীল রঙের ফুটবল জার্সি পরা এই কুকুরটির পোশাকে বড় করে লেখা ছিল ‘ইউএসএ ৯৪’।

চাও (১৯৯০)

ইতালিয়া ’৯০ বিশ্বকাপে এল সম্পূর্ণ নতুন এক ধারণা। ‘চাও’ ছিল জ্যামিতিক আকৃতিতে তৈরি এক বিমূর্ত ফুটবলার—যার মাথার জায়গায় ছিল ফুটবল। ইতালির পতাকার সবুজ, সাদা ও লাল রঙে সাজানো এই মাসকট ছিল আধুনিক শিল্পের এক অনন্য প্রয়োগ। এখন পর্যন্ত এটিই ছিল একমাত্র মুখবিহীন মাসকট।

পিকে (১৯৮৬)

এই বছর মেক্সিকো দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ আয়োজন করে। তবে এবার মাসকট হিসেবে নিয়ে আসে ‘পিকে’ নামের একটি মরিচ। এবারও ফিরে আসে পরিচিত সেই সোমব্রেরো টুপি। তবে এবার সেটি কোনো ছেলের মাথায় ছিল না, দেখা গেলো এক বিশাল মরিচের গায়ে।

যেহেতু মরিচের আদি নিবাস মেক্সিকো। তাই ‘পিকে’ নামের এই মাসকটের মুখে ছিল আদর্শ মেক্সিকান ঘরানার বড় গোঁফও। স্পেনের ‘নারানহিতো’ যেভাবে ফল ও সবজিভিত্তিক মাসকটের ধারা শুরু করেছিল, পিকে যেন সেই ধারাকেই আরও এগিয়ে নিয়ে গেছে।

নারানহিতো (১৯৮২)

স্পেন বিশ্বকাপে মাসকটের ডিজাইনে বড় পরিবর্তন আসে। এবার মানুষ নয়, প্রতীক হিসেবে দেখানো হয় কমলা। যার নাম ‘নারানহিতো’। স্পেনের পরিচিত ফল কমলাকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয় চরিত্রটি। নির্মাতারা ইচ্ছে করেই ষাঁড়ের মতো প্রচলিত প্রতীক এড়িয়ে গিয়েছিলেন।

গাউচিতো (১৯৭৮)

আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের মাসকট ছিল ‘গাউচিতো’। আর্জেন্টাইন কাউবয় সংস্কৃতির প্রতীকী রূপ ছিল এই চরিত্র। আলবিসেলেস্তেদের জার্সি, গলায় হলুদ স্কার্ফ আর হাতে গাউচোদের ঐতিহ্যবাহী চাবুক—সব মিলিয়ে গাউচিতো ছিল আর্জেন্টিনার লোকজ সংস্কৃতির ফুটবল সংস্করণ।

টিপ অ্যান্ড ট্যাপ (১৯৭৪)

পশ্চিম জার্মানির বিশ্বকাপ মাসকটে ছিলো দুই শিশু— যার একজন স্বর্ণকেশী, অন্যজন কালো চুলের। জার্মান জাতীয় দলের জার্সি পরা দুই শিশুর নাম দেওয়া হয়েছিল ‘টিপ’ অ্যান্ড ‘ট্যাপ’।

দু’জনের জার্সিতে ছিল ‘ডাব্লিউএম’ এবং ‘৭৪’ লেখা। অনেকে মনে করেন, এই দুই চরিত্রের মাধ্যমে তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির ঐক্যের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল।

হুয়ানিতো (১৯৭০)

ইংল্যান্ডের সাফল্যের পর মেক্সিকোও একই পথে বানায় ‘হুয়ানিতো’। মেক্সিকোর ঐতিহ্যের অংশ সোমব্রেরো টুপি পরা ছোট্ট এক মেক্সিকান ছেলে—যার মুখে ছিল ফুটবলের আনন্দ আর উচ্ছ্বাস। বিজ্ঞাপনের গ্রাফিক ডিজাইনার হুয়ান গঞ্জালেজ মার্টিনেজ চেয়েছিলেন ফুটবলকে শিশুদের আনন্দের ভাষায় তুলে ধরতে।



ওয়ার্ল্ড কাপ উইলি (১৯৬৬)

বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম মাসকট ছিল ‘উইলি’ নামের এক সিংহ। যাকে ফাদার অব অল ওয়ার্ল্ডকাপ মাসকটও বলা হয়। ইংল্যান্ডের জাতীয় প্রতীক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল তাকে। ব্রিটিশ পতাকার রঙে সাজানো ফুটবল জার্সি পরা এই সিংহ মুহূর্তেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

শিল্পী রেগ হয়ের তৈরি এই চরিত্রটি শুধু শিশুদের কাছেই নয়, পুরো ফুটবল দুনিয়ার কাছেই নতুন এক আকর্ষণ হয়ে দাঁড়ায়। সেই বিশ্বকাপেই ইংল্যান্ড জেতে তাদের একমাত্র বিশ্বকাপ।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইব্রাহিমের গোলে ভুটানকে হারিয়ে সাফে উড়ন্ত শুরু বাংলাদেশের
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী দিনে ভুটানের বিপক্ষে বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ দল। এদিন ঘরের মাঠে অনেকগুলো সুযোগ মিস করলেও ইব্রাহিমের গোলে জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা। সেই সঙ্গে সাফে শুভসূচনা হলো লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ভুটানকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ দল। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্বাগতিকরা। তবে গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায় হতাশা নিয়েই বিরতিতে যেতে হয়েছে টমাস ডুলির শিষ্যদের। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই ভালো একটি আক্রমণ তৈরি করে বাংলাদেশ। ডান প্রান্ত থেকে রাকিব হোসেনের ক্রস বিশ্বনাথের কাছে পৌঁছানোর আগেই বিপদমুক্ত করেন ভুটানের ডিফেন্ডাররা।  ফিরতি বলে জামাল ভূঁইয়ার জোরালো শটও আটকে যায় প্রতিপক্ষের রক্ষণে। ১৮তম মিনিটে আবারও সুযোগ তৈরি হয় বাংলাদেশের। রাকিবের ক্রস থেকে হেড নিয়েছিলেন বিশ্বনাথ। তবে বল চলে যায় পোস্টের বাইরে দিয়ে। সাত মিনিট পর আরও একটি সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন তিনি। প্রায় ফাঁকায় বল পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি বাংলাদেশের এই ফুটবলার। ৩৯তম মিনিটেও গোলের দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন বিশ্বনাথ। সামনে শুধু ভুটানের গোলরক্ষক থাকলেও কোনাকুনি শট লক্ষ্যে রাখতে ব্যর্থ হন তিনি। ফলে আবারও হতাশ হতে হয় বাংলাদেশের সমর্থকদের। পরের মিনিটেই প্রথমবার বাংলাদেশের গোলমুখে শট নেয় ভুটান। তবে সহজেই বল ধরে ফেলেন গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ। বিরতির আগে ৪৪তম মিনিটে আরও একটি সুযোগ পায় বাংলাদেশ। জামালের ফ্রি কিক থেকে হেডে বল বাড়িয়েছিলেন শমিত সোম। কিন্তু গোলমুখে থাকা জিদান ইউসুফ ও সাদ উদ্দিন কেউই বলের নাগাল পাননি। ফলে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তেও গোলের অপেক্ষা শেষ হয়নি স্বাগতিকদের। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪ মিনিটে বদলি ফুটবলার হিসেবে নামেন ইব্রাহিম। চার মিনিটের মধ্যে বাংলাদেশকে লিড এনে দেন এই ফরোয়ার্ড। জায়ান আহমেদের ক্রসে ভুটানের বক্সে দুই দফা হেড ঘুরে ভলিতে গোল করেন ইব্রাহিম। গ্যালারিতে সবাই উল্লাসে মেতে উঠে। এরপর গোল শোধ করতে সফরকারীরা মরিয়া হয়ে উঠলেও চাপ সামলে পাল্টা আক্রমণ করেছে স্বাগতিকরা। তবে শেষ পর্যন্ত ব্যবধান ধরে রেখে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ দল। আরটিভি/এসআর  
ইব্রাহিমের গোলে ভুটানকে হারিয়ে সাফে উড়ন্ত শুরু বাংলাদেশের
২৩ বছরের রূপকথা, আন্তর্জাতিক ফুটবলে রোনালদোর যত রেকর্ড
কিছুদিন আগেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন সময়ের অন্যতম সেরাটা ফুটবলার লিওনেল মেসি। এবার তার দেখানো পথেই হাঁটলেন আরেক ফুটবল কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।  আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে একের পর এক রেকর্ড গড়েছেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা। পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোল ও সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড—দুটিই তার দখলে। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ বা ইউরো এবং ফিফা বিশ্বকাপেও রয়েছে তার একাধিক অনন্য কীর্তি।  আন্তর্জাতিক ফুটবলে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর যাত্রা শুরু ২০০৩ সালের ২০ আগস্ট। কাজাখস্তানের বিপক্ষে পর্তুগালের জার্সিতে অভিষেকের পর দুই দশকের বেশি সময় ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন তিনি। এই দীর্ঘ সময়ে গোল, ম্যাচ, বড় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ এবং ধারাবাহিকতার বিচারে গড়েছেন একের পর এক রেকর্ড। উয়েফার ২০২৬ সালের ৭ অক্টোবর পর্যন্ত হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পর্তুগালের হয়ে রোনালদোর আন্তর্জাতিক ম্যাচ ২৩৪টি, গোল ১৪৬টি। পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে এই দুই বিভাগেই তিনি বিশ্বরেকর্ডের অধিকারী। তার পরের অবস্থানে আছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি—২০৮ ম্যাচে ১২৬ গোল। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোল পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতা রোনালদো। ২০২১ সালের ১ সেপ্টেম্বর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে জোড়া গোল করে তিনি ইরানের সাবেক স্ট্রাইকার আলী দাইয়ের ১০৯ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে যান। দাইয়ে ১৯৯৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ইরানের হয়ে ১০৯ গোল করেছিলেন। রোনালদো ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে নিজের গোলসংখ্যা নিয়ে যান ১৪৬-এ। অর্থাৎ দ্বিতীয় স্থানে থাকা মেসির চেয়ে ২০ গোল এগিয়ে তিনি। ১০০ আন্তর্জাতিক গোলের মাইলফলকও স্পর্শ করেন রোনালদো—পুরুষদের ফুটবলে আলী দাইয়ের পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে। জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ গোলের মতো ম্যাচ খেলার রেকর্ডও রোনালদোর দখলে। ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ লিশটেনস্টাইনের বিপক্ষে মাঠে নেমে পর্তুগালের হয়ে নিজের ১৯৭তম ম্যাচ খেলেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে কুয়েতের বদর আল-মুতাওয়ার ১৯৬ ম্যাচের বিশ্বরেকর্ড ছাড়িয়ে যান।  এরপর ২০২৩ সালের জুনে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নেমে প্রথম ফুটবলার হিসেবে আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা ২০০-তে নিয়ে যান। ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তার ম্যাচসংখ্যা ২৩৪। দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলার এই নজিরও তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। বিশ্বকাপেও বাজিমাত রোনালদোর বিশ্বকাপের ইতিহাসেও রোনালদোর একটি অনন্য রেকর্ড রয়েছে। ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬—ছয়টি বিশ্বকাপ আসরেই গোল করেছেন তিনি। পুরুষদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে ছয়টি ভিন্ন আসরে গোল করা প্রথম খেলোয়াড় রোনালদো।   ২০০৬ সালে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ইরানের বিপক্ষে প্রথম বিশ্বকাপ গোল করেন তিনি। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, রাশিয়া, কাতার ও ২০২৬ সালের আসরেও গোলের দেখা পান। ফিফার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপে রোনালদোর ম্যাচ ২৭টি এবং গোল ১১টি। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার তালিকায় তিনি দ্বিতীয় অবস্থানে। পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি। ইউরোতে সর্বোচ্চ ম্যাচ ও গোল ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ বা ইউরোতে রোনালদোর রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ। টুর্নামেন্টটির চূড়ান্ত পর্বে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার পাশাপাশি সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডও তার।  উয়েফার হিসাবে, ইউরোর চূড়ান্ত পর্বে রোনালদোর ম্যাচ ৩০টি এবং গোল ১৪টি। বাছাইপর্বসহ ইউরোতে তার ম্যাচ ৭৪টি, গোল ৫৫টি। ইউরোর ইতিহাসে কোনো খেলোয়াড়ের এত বেশি গোল নেই। ২০০৪ সালে নিজের প্রথম ইউরো আসরে খেলেন রোনালদো। এরপর ২০০৮, ২০১২, ২০১৬, ২০২০ ও ২০২৪—সব মিলিয়ে ছয়টি আসরে অংশ নিয়েছেন। ছয় আসরে খেলার রেকর্ডও তার।  ২০০৪ সালে পর্তুগাল ফাইনালে উঠলেও গ্রিসের কাছে হেরে যায়।  ২০১৬ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ইউরো শিরোপা জেতে পর্তুগাল। ফাইনালে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হলেও দলের শিরোপা জয়ের মুহূর্তে অধিনায়ক রোনালদো ছিলেন মাঠের বাইরে থেকে দলের প্রেরণা।   বাছাইপর্বেও গোলের বিশ্বরেকর্ড বিশ্বকাপ ও ইউরো—দুই প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বেই গোলের রেকর্ড গড়েছেন রোনালদো। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তার গোল ৪১টি। পুরুষদের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ। ইউরো বাছাইপর্বেও তার গোল ৪১টি। ইউরোর চূড়ান্ত পর্বে ১৪ গোল যোগ করলে প্রতিযোগিতাটিতে তার মোট গোল দাঁড়ায় ৫৫। ইউরোর বাছাইপর্ব ও চূড়ান্ত পর্ব মিলিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনিই। টানা ২৩ বছর গোল দীর্ঘ সময় ধরে গোল করার ধারাবাহিকতাও রোনালদোর বড় অর্জন। ২০০৩ সালে পর্তুগালের হয়ে অভিষেক হলেও প্রথম দুই ম্যাচে গোল পাননি। ২০০৪ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক গোল করার পর ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা ২৩ বছর জাতীয় দলের হয়ে গোল করেছেন তিনি। উয়েফার তথ্য অনুযায়ী, পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে টানা এত বছর গোল করার রেকর্ডও রোনালদোর। এর আগে আয়ারল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার রবি কিন ১৯৯৮ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত টানা ১৯ বছর গোল করেছিলেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১০ হ্যাটট্রিক পর্তুগালের হয়ে রোনালদোর হ্যাটট্রিকের সংখ্যাও অনন্য। উয়েফার রেকর্ড অনুযায়ী, পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ১০টি হ্যাটট্রিক করেছেন তিনি। এর মধ্যে দুটি ম্যাচে চারটি করে গোল করেছেন। এ ছাড়া ২৮টি ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন। প্রতিপক্ষ হিসেবে লুক্সেমবার্গের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি ১১টি গোল করেছেন রোনালদো। হাঙ্গেরির বিপক্ষে তার গোল ৯টি। আর্মেনিয়া, লিথুয়ানিয়া ও সুইডেনের বিপক্ষে করেছেন সাতটি করে গোল। ছয় বিশ্বকাপ ও ছয় ইউরো একজন ফুটবলারের ক্যারিয়ার সাধারণত সীমিত সময়ের। কিন্তু রোনালদো দুই দশকের বেশি সময় ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলে একাধিক প্রজন্মের সতীর্থদের সঙ্গে মাঠে নেমেছেন। ছয়টি বিশ্বকাপ ও ছয়টি ইউরো আসরে অংশ নেওয়া তাঁর দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রমাণ। ২০২৬ বিশ্বকাপের পর ফিফাকে দেওয়া বক্তব্যে রোনালদো জানান, বিশ্বকাপের মঞ্চে সেটিই ছিল তার শেষ অংশগ্রহণ। তবে জাতীয় দল থেকে অবসরের বিষয়ে ২০২৬ সালের ৫ নভেম্বর রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতির পর পর্তুগালের জাতীয় দলকে বিদায় জানানোর পরিকল্পনার কথা তিনি জানিয়েছেন। সে সময় তার আন্তর্জাতিক ম্যাচ ছিল ২৩৪টি এবং গোল ১৪৬টি। আরটিভি/এসআর  
২৩ বছরের রূপকথা, আন্তর্জাতিক ফুটবলে রোনালদোর যত রেকর্ড
জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে সিলেটে উড়ন্ত শুরু ওয়েস্ট ইন্ডিজের, হতাশ টাইগাররা
মিরপুর টেস্টে হেরে ব্যাকফুটে রয়েছে বাংলাদেশ দল। ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে সিলেট টেস্টে মাঠে নেমেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। কিন্তু প্রথমদিনে হতাশা নিয়ে ফিরতে হয়েছে তাদের। জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ভর করে দ্বিতীয় টেস্টে উড়ন্ত শুরু পেয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ ৭০ ওভারে ৪ উইকেটে ২৩৫ রান। আলোর স্বল্পতার কারণে শেষ সেশনে দ্বিতীয়বার খেলা বন্ধ হওয়ার পর আম্পায়াররা দিনের খেলার আগেভাগে সমাপ্তি ঘোষণা করেন।  জাঙ্গু ১১১ রানে অপরাজিত আছেন। অন্য প্রান্তে গ্রিভস অপরাজিত ৩৫ রানে। দিনের শুরুটা অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। শুরুতেই আঘাত হানেন তাসকিন। ব্র্যান্ডন কিংকে ৯ রানে বোল্ড করেন তিনি।  তার পর কাভেম হজকে বোল্ড করেন হাসান। জশুয়া ডা সিলভাকে দ্রুত সময়ে তাসকিন এলবিডাব্লিউ করলে ২৭ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট হারিয়ে ব্যাক ফুটে চলে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তার পর কেভিন উইকহ্যাম ও আমির জাঙ্গুর ব্যাটে ম্যাচে ফেরে তারা।  চাপ সামাল দিতে জাঙ্গুর সঙ্গে জুটি বাঁধেন অভিষিক্ত কেভিন উইকহ্যাম। চতুর্থ উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ১৩১ রানের দারুণ জুটি। অভিষেক টেস্টে আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে ৬১ রান করেন উইকহ্যাম। দ্বিতীয় সেশনে শেষ পর্যন্ত তাকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন হাসান মাহমুদ। তবে সেটিই ছিল দিনের বাকি সময়ে বাংলাদেশের শেষ সাফল্য। এক প্রান্ত আগলে রেখে তার পর জাঙ্গু তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। অন্য প্রান্তে দৃঢ়তার সঙ্গে ব্যাটিং করেন গ্রিভস। পঞ্চম উইকেটে দুজনের অবিচ্ছিন্ন ৭৭ রানের জুটিতে আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তিন স্পিনার নিয়েও এরপর আর কোনো উইকেটের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। পতন হওয়া ৪ উইকেটের মধ্যে হাসান নিয়েছেন দুটি। বাকি দুটি নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ।  আরটিভি/এসআর
জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে সিলেটে উড়ন্ত শুরু ওয়েস্ট ইন্ডিজের, হতাশ টাইগাররা
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন রোনালদো
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পর্তুগালের হয়ে রেকর্ড গড়া ক্যারিয়ারের ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন ৪১ বছর বয়সী এই মহাতারকা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত দীর্ঘ এক ভিডিওতে সমর্থকদের উদ্দেশে চিঠি পড়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন রোনালদো। তিনি বলেন, ‘আমি কখনোই ভাবিনি জার্সিটি শুধু আমার একার। তবে ২৩ বছর ধরে এটি পরার সৌভাগ্য ও দায়িত্ব পেয়েছি। সময় এসেছে জাতীয় দলের ৭ নম্বর জার্সিটি ফিরিয়ে দেওয়ার।’ পর্তুগালের হয়ে রেকর্ড ২৩৪টি ম্যাচ খেলেছেন রোনালদো। আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার গোলসংখ্যাও রেকর্ড ১৪৬টি। এ দুই কীর্তি নিয়েই দেশের হয়ে বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের সমাপ্তি টানলেন পাঁচবারের ব্যালন ডি'অরজয়ী এই ফুটবলার। আরটিভি/এসআর
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন রোনালদো
ইংল্যান্ডের বর্ষসেরা ক্রিকেটার রবিনসন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অসাধারণ প্রত্যাবর্তনের স্বীকৃতিস্বরূপ ইংল্যান্ডের বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন ডান-হাতি পেসার ওলি রবিনসন।  ২০২১ সালে টেস্ট দিয়ে অভিষেকের পর ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সর্বশেষ টেস্ট খেলেন রবিনসন। তবে দুই বছর চার মাস পর আবারও ইংল্যান্ড দলে সুযোগ পান রবিনসন। ২০২৬ সালের জুনে দলে ফিরেই বল হাতে চমক দেখান তিনি।   নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডস টেস্টের দুই ইনিংসে যথাক্রমে- ৫ ও ২ উইকেট নেন রবিনসন। এরপর ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন টেস্টের ছয় ইনিংসে ২১ উইকেট শিকার করেন। চলতি বছর চার টেস্টে অসাধারণ বোলিং পারফরমেন্সের স্বীকৃতিস্বরূপ লর্ডসে আয়োজিত ‘ভাইটালিটি ক্রিকেট মিডিয়া ক্লাব অ্যাওয়ার্ড’-এ বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে রবিনসনের নাম ঘোষণা করা হয়।  ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক বব উইলিসের নামে এই ট্রফি দেওয়া হয়। ট্রফি জয়ের পর নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে ৩২ বছর বয়সী রবিনসন বলেন, এই পুরস্কার পাওয়াটা অনেক বড় সম্মানের। দীর্ঘ সময় ইংল্যান্ড দলের বাইরে থাকার পর ফিরে এসে এবারের গ্রীষ্মে যে পারফরমেন্স দেখাতে পেরেছি, তা আমার কাছে বিশেষ কিছু। তিনি আরও বলেন, এই যাত্রাপথে কিছু কঠিন মুহূর্তও ছিল, এ কারণে এমন স্বীকৃতি পাওয়ার গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। ইংল্যান্ডের হয়ে আবারও খেলতে পারাটা দারুণ উপভোগ করেছি এবং আশা করি সামনে আরও অনেক কিছু অর্জন করার সুযোগ পাব। এদিকে, বর্ষসেরা তরুণ ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন মিডলসেক্সের পেসার নাভিয়া শর্মা। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে ৯ ম্যাচে ৩৫ উইকেট নিয়ে মিডলসেক্সের ওয়ানডে কাপ জয়ে অবদান রাখেন তিনি। বর্তমানে ইংল্যান্ড লায়ন্স দলের হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে আছেন ২১ বছর বয়সী এই পেসার। আরটিভি/এসআর
ইংল্যান্ডের বর্ষসেরা ক্রিকেটার রবিনসন
আরও পড়ুন
বিশ্বকাপে একদিনে বাংলাদেশের দুই জয়
ওয়েলসকে রুখে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের
ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ খেলতে বাকুতে পৌঁছেছে বাংলাদেশ
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগোলো বাংলাদেশ