ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচের জন্য নতুন বলের উন্মোচন

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপের পর্দা নামতে আর বেশি সময় বাকি নেই। টুর্নামেন্ট এখন পৌঁছে গেছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে। এই সময়টিকে আরও বিশেষ করে তুলতে সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনালের জন্য নতুন অফিসিয়াল ম্যাচ বল উন্মোচন করেছে ক্রীড়া সামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস। নতুন বলটির নাম ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’। বিশ্বকাপের শেষ চারটি ম্যাচেই ব্যবহার করা হবে এই বল।

গত বছরের অক্টোবরে উন্মোচিত ট্রিওন্ডা অফিসিয়াল ম্যাচ বলের উন্নত সংস্করণ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে ট্রিওন্ডা ফাইনাল। আগের বলের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও পারফরম্যান্স অপরিবর্তিত রাখা হলেও এর নকশায় আনা হয়েছে নতুন মাত্রা। বিশ্বকাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোর মর্যাদা তুলে ধরতেই আলাদা ডিজাইনের এই বল তৈরি করেছে অ্যাডিডাস।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম টুর্নামেন্টের শেষ চার ম্যাচের জন্য শুধু রঙ পরিবর্তন করে নতুন বল প্রকাশের প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। ট্রিওন্ডা ফাইনালের নকশায় বিশ্বকাপ জয়ের প্রতীকী যাত্রাকে তুলে ধরা হয়েছে। কালো রঙের ভিত্তির ওপর সোনালি অলংকরণে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতিচ্ছবি, যা বলটিকে দিয়েছে স্বতন্ত্র ও আকর্ষণীয় রূপ।

নকশার আরেকটি বিশেষ দিক হলো, এতে স্থান পেয়েছে এবারের বিশ্বকাপের ১৬টি স্বাগতিক শহর। সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনালের আয়োজক ডালাস, আটলান্টা, মায়ামি ও নিউ জার্সিকে প্রধানভাবে তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি বোস্টন, গুয়াদালাহারা, হিউস্টন, কানসাস সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেস, মেক্সিকো সিটি, মনতেরে, ফিলাডেলফিয়া, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, সিয়াটল, টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারের নামও ত্রিভুজাকৃতির গ্রাফিক উপাদানের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তিন স্বাগতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজন এবং বিশ্বকাপের ভৌগোলিক বিস্তৃতিকে প্রতিফলিত করা হয়েছে।

image

নতুন বল উন্মোচন উপলক্ষে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচের জন্য ট্রিওন্ডা ফাইনাল বল নিয়ে আসতে পেরে তারা আনন্দিত। তার ভাষ্য, পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ট্রিওন্ডা প্রতিটি গোলের মুহূর্তে দর্শকদের আনন্দ দিয়েছে। নতুন এই বল কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র এই তিন স্বাগতিক দেশের ঐক্য এবং ফুটবলের প্রতি তাদের সম্মিলিত আবেগের প্রতীক হিসেবেও কাজ করবে।

ইনফান্তিনো আরও বলেন, বিশ্বকাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের পায়ে থাকবে এই বল। প্রতিটি স্পর্শ, পাস, শট, সেভ ও গোলের সঙ্গে টুর্নামেন্টের ১৬টি স্বাগতিক শহরের অবদানও বিশ্বকাপের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শুধু নকশাতেই নয়, প্রযুক্তিগত দিক থেকেও ট্রিওন্ডা ফাইনালে যুক্ত হয়েছে আধুনিক সুবিধা। এতে ব্যবহার করা হয়েছে অ্যাডিডাসের কানেক্টেড বল প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে বলের গতিবিধি ও বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। এই প্রযুক্তি ভিডিও সহকারী রেফারি (ভিএআর) ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সহায়তা করবে, অফসাইড বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দ্রুত নিতে রেফারিদের সহায়ক হবে এবং ম্যাচ-পরবর্তী বিশ্লেষণেও নতুন মাত্রা যোগ করবে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভ্যালেন্সিয়ার মাঠে জয় পেতে শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা রিয়াল মাদ্রিদের
চলতি মৌসুমের শুরুটা ভালো করতে না পারলেও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগায় বার্সেলোনাকে হারানোর পর চ্যাম্পিয়নস লিগে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন দেখিয়ে এমবাপ্পে-বেলিংহ্যামদের আত্মবিশ্বাস এখন আকাশে। তাদের সামনে এখন লা লিগায় শীর্ষস্থান দখলের লড়াই। সেই লক্ষ্য শনিবার (৭ নভেম্বর) স্পেনের মেসতালা স্টেডিয়ামে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে লস ব্লাঙ্কোসরা। বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হবে ম্যাচটি। এই ম্যাচকে সামনে রেখে শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করেছে কোচ হোসে মরিনহো। এই ম্যাচে জয় পেলে দ্বিতীয়স্থান দখল করবে রিয়াল মাদ্রিদ। বর্তমানের ১১ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয়স্থানে রয়েছে ভিনিরা। সমান ম্যাচ খেলে ১ পয়েন্ট বেশি নিয়ে দ্বিতীয় স্থানের রয়েছে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। আর ৩০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। ফলে লা লিগায় শিরোপার লড়াইয়ে টিকিটে থাকতে হলে প্রতিটি ম্যাচই মহাগুরুত্বপূর্ণ লস ব্লাঙ্কোসদের সামনে। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভিনিসিয়ুসকে ছাড়ায় মাঠে নামতে হবে তাদের। লাল কার্ডের কারণে ৪ ম্যাচ নিষিদ্ধ হওয়া ব্রাজিলিয়ানকে ছাড়াই জয় তুলতে হবে তাদের। ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে রিয়াল মাদ্রিদের স্কোয়াড গোলরক্ষক: কোর্তোয়া, লুনিন এবং মেস্ত্রে। ডিফেন্ডার: এদের মিলিতাও, হুইসেন, ট্রেন্ড আলেকজন্ডার, কোনাতে, কুকুরেলা, আ, ক্যারাস, রুডিগার, ডামফ্রিস।  মিডফিল্ডার: জুড বেলিংহ্যাম, কামাভিঙ্গা, ভেদে ভালভার্দে, চৌয়ামেনি, আর্দা গুলার, বার্নার্ডো সিলভা এবং থিয়াগো। ফরোয়ার্ড: এন্ড্রিক, এমবাপ্পে, সি. এসপি, ব্রাহিম দিয়াজ এবং ইয়ান ডিওমান্ডে। আরটিভি/এসআর  
ভ্যালেন্সিয়ার মাঠে জয় পেতে শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা রিয়াল মাদ্রিদের
রাতে মাঠে নামছে রিয়াল মাদ্রিদ, ফ্রিতে যেভাবে দেখবেন খেলা
চলতি মৌসুমের শুরুটা ভালো করতে না পারলেও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগায় বার্সেলোনাকে হারানোর পর চ্যাম্পিয়নস লিগে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন দেখিয়ে এমবাপ্পে-বেলিংহ্যামদের আত্মবিশ্বাস এখন আকাশে। তাদের সামনে এখন লা লিগায় শীর্ষস্থান দখলের লড়াই। সেই লক্ষ্য শনিবার (৭ নভেম্বর) স্পেনের মেসতালা স্টেডিয়ামে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে লস ব্লাঙ্কোসরা। বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হবে ম্যাচটি। এই ম্যাচে জয় পেলে দ্বিতীয়স্থান দখল করবে রিয়াল মাদ্রিদ। বর্তমানের ১১ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয়স্থানে রয়েছে ভিনিরা। সমান ম্যাচ খেলে ১ পয়েন্ট বেশি নিয়ে দ্বিতীয় স্থানের রয়েছে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। আর ৩০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। যেখাবে দেখবেন খেলা বাংলাদেশ থেকে দর্শকরা রাত ২টায় ম্যাচটি সরাসরি বিগিন অ্যাপের মাধ্যমে উপভোগ করতে পারবেন। অন্যান্য অনলাইন উপায়: yalla1shoot ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক-ইউটিউবে সার্চ অপশনে ‘Real Madrid vs Valencia live match today’ লিখে খোঁজ করলে কিছু চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার দেখা যেতে পারে। আন্তর্জাতিক অনলাইন স্ট্রিমিং বিকল্পসমূহ স্ট্রিমিং সার্ভিসগুলোর মধ্যে রয়েছে: FawaNews, Tabii, ScoreBat.com, SportyTv, SonyLIV app, 1xBet, Score808.com, DAZN Canada, Optus Sport, Sling TV, RaiPlay, Yeacin Tv। বিশেষ টিপস: আপনার ভৌগোলিক অবস্থান থেকে ম্যাচটি দেখা না গেলে, VPN (Virtual Virtual Private Network) ব্যবহার করে আপনি বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে স্ট্রিমিং পরিষেবাগুলো অ্যাক্সেস করতে পারবেন। আরটিভি/এসআর  
রাতে মাঠে নামছে রিয়াল মাদ্রিদ, ফ্রিতে যেভাবে দেখবেন খেলা
হৃদয়ের অপরাজিত ২৪২, লিড নিয়ে ৩৮৬ রানে থামল বাংলাদেশ
মাত্র দুই ম্যাচ আগেই টেস্টে অভিশেষ করেছেন তাওহীদ হৃদয়। নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মিরপুরে মাঠে নেমেই ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হয়ে দলে বিপদে ফেলেছিলেন তিনি। যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন তিনি। তবে তৃতীয় ম্যাচেই অসাধ্য সাধন করে সমালোচকদের কঠিন জবাব দিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে এতদিন সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত টেস্ট ইনিংস ছিল মুশফিকুর রহিমের, অপরাজিত ২১৯ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। হৃদয় আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে মুশফিককে ছাড়িয়ে গেছেন। ২৪২ রানের অপরাজিত থেকে দলকে লিড এনে দেন তিনি।  সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনের চা-বিরতিতে যাওয়ার সময় হৃদয়ের নামের পাশে ১৯০ রান। সঙ্গে লোয়ার অর্ডার ব্যাটার তাসকিন আহমেদ। সাদমান ইসলাম ইনজুরিতে পড়ায় তাসকিনই কার্যত বাংলাদেশের ইনিংসে শেষ ব্যাটার। আউট হলেই শেষ। সেই তাসকিনকে নিয়েই মহাকাব্যিক এক ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকালেন হৃদয়। এক প্রান্ত ধরে ধরে ৩০৪ বলে এই ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন ডানহাতি ব্যাটার। ২০০ রান ছোঁয়ার পথে খেলার পথে ১৯টি চার আর ৭টি ছক্কা হাঁকান হৃদয়।  হৃদয়ের ইনিংসে বিরাট অবদান রেখেছেন তাইজুল ইসলাম। দু’জনের ১১৭ রানের জুটিতেই ৩০০ পার করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই জুটির ইতি টানেন জোমেল ওয়ারিকেন। এরপর তাসকিন ১২ রান করে আউট হলে ৩৮৬ রানের থামে বাংলাদেশ। ৩২ রানের লিড পায় টাইগাররা। দিনের চতুর্থ শিকারে তাইজুলকে ব্যক্তিগত ২২ রানে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন ওয়ারিকেন। ৩০১ রানে ৮ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তৃতীয় দিনের শুরুতে মুশফিকুর রহিম ও লিটন কুমার দাসের বিদায়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ৩৪ রান করে মুশফিক জোমেল ওয়ারিকেনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে ক্যাচ আউট হয়েছেন। এরপর লিটনও ফিরেছেন মাত্র ৮ রান করে। মুশফিকের মতো ওয়ারিকেনের বলে সহজ ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। হৃদয়কে সঙ্গ দেওয়ার প্রচেষ্টায় উইকেট বিলিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ ব্যক্তিগত ১৬ রানে। তাতে ভাঙে ৪১ রানের জুটি। তার বিদায়ে ষষ্ঠ উইকেটের পতন হয় বাংলাদেশের। ১ রানের বেশি করতে পারেননি হাসান মাহমুদ। ওয়ারিকেনের তৃতীয় শিকার হন লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে। আরটিভি/এসআর
হৃদয়ের অপরাজিত ২৪২, লিড নিয়ে ৩৮৬ রানে থামল বাংলাদেশ
প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিতেই ইতিহাস গড়লেন তাওহীদ হৃদয়
টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লিখলেন তাওহীদ হৃদয়। চতুর্থ বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে টেস্টে দ্বিশতকের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ২৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।
প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিতেই ইতিহাস গড়লেন তাওহীদ হৃদয়
একই সুরে বিদায়, মেসি-রোনালদো-নেইমারের শেষ গোলের অদ্ভুত মিল
ফুটবল বিশ্বে তিন মহাতারকা। তিনটি দেশ, তিন রকমের ফুটবলশৈলী। অথচ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ গোলের গল্পে অদ্ভুত এক মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও নেইমারের মধ্যে। তিনজনই জাতীয় দলের হয়ে নিজেদের শেষ গোলটি করেছেন পেনাল্টি থেকে।
একই সুরে বিদায়, মেসি-রোনালদো-নেইমারের শেষ গোলের অদ্ভুত মিল