ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

যে কারণে দুজনে কেটে নিলেন বল, ঘটনা কী

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০১:০৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৯ বছরের ইতিহাসে বিরল এক কীর্তির সাক্ষী হলো লিডসের হেডিংলি। পাকিস্তানের বিপক্ষে একই ইনিংসে ইংল্যান্ডের দুই পেসার ওলি রবিনসন ও জশ টাং শুধু ফাইফারই পূর্ণ করেননি, পরপর দুই বলে পাঁচ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়ে গড়েছেন অনন্য নজির। এরপর সেই কীর্তির স্মারক বলটি দুজনের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিতে অভিনব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

পাকিস্তানকে মাত্র ১৭১ রানে অলআউট করার পথে ১০ উইকেট ভাগাভাগি করেন রবিনসন ও টাং। ইনিংসের শেষ দুই উইকেটের পতন হয় পরপর দুই বলে। ৪৮তম ওভারের প্রথম বলে খুররাম শেহজাদকে আউট করে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন রবিনসন। পরের বলেই মুহাম্মদ আব্বাসকে ফিরিয়ে ফাইফার পূর্ণ করেন টাং।

সাধারণত পাঁচ উইকেট নেওয়া বোলার ম্যাচের স্মারক হিসেবে ব্যবহৃত বলটি নিজের কাছে রেখে দেন। কিন্তু একই ইনিংসে দুজনের ফাইফার এবং সেটিও পরপর দুই বলে হওয়ায় বলটি কে রাখবেন, তা নিয়ে তৈরি হতে পারত জটিলতা। সেই সমস্যা সমাধান করেছেন দুজন নিজেরাই।

ইনিংস শেষে ইংল্যান্ড দলের ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনায় বলটি হেডিংলির মাঠকর্মীদের কাছে পাঠানো হয়। পরে তারা বলটি ঠিক মাঝ বরাবর কেটে দুই ভাগ করে দেন। ফলে ঐতিহাসিক বলটির একটি অংশ রবিনসনের কাছে এবং অন্য অংশটি টাংয়ের কাছে থাকার সুযোগ তৈরি হয়।

বিষয়টি নিয়ে রবিনসন বলেন, আমরা মাঠ ছাড়ছিলাম। তখন টাংকে বললাম, আমার মনে হয় বলটা আমাদের ভাগ করে নেওয়া উচিত। সে-ও বলল, হ্যাঁ, এটা করা যায়। আমি বললাম, এটা বেশ মজার হবে। ক্রিকেট বলের অর্ধেক অংশ তো আর খুব বেশি মানুষের কাছে থাকে না। তাই এটা এমন কিছু হবে, যা আমরা কখনও ভুলব না।

তিনি আরও বলেন, একই ইনিংসে দুজনের পাঁচ উইকেট নেওয়ার ঘটনা তো খুব বেশি ঘটে না। তাই এটা ছিল দারুণ একটা ইঙ্গিত এবং স্মরণ করে রাখার মতো কিছু।

রবিনসনের প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে টাংও বিষয়টি বেশ উপভোগ করেছেন। বিবিসি টেস্ট ম্যাচ স্পেশালে তিনি বলেন, রব্বোই (রবিনসন) বলেছিল, আমরা বলটা অর্ধেক করে নিতে পারি। মাঠকর্মীরা দারুণভাবে সেটি করে দিয়েছেন। এর আগে কখনও এমন হতে দেখিনি। নিশ্চয়ই এটা কোথাও তুলে রাখব।

এর আগে ম্যাচের প্রথম বলেই পাকিস্তানি ওপেনার আজান আওয়াইসকে ফিরিয়ে দারুণ সূচনা করেন রবিনসন। ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রায় ২০ বছর পর কোনো বোলারের টেস্টের প্রথম বলেই উইকেট নেওয়ার ঘটনা এটি। এরপর পাকিস্তানের টপ অর্ডারের প্রথম পাঁচ ব্যাটারের চারজনকেই সাজঘরে ফেরান তিনি।

রবিনসনের পর পাকিস্তানের ইনিংসের বাকি অংশে ধস নামান টাং। শেষ পর্যন্ত ১৭১ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। আর ইনিংসের শেষ দুই উইকেট পরপর দুই বলে তুলে নিয়ে রবিনসন ও টাং নিজেদের নাম লেখান টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে বিরল এক রেকর্ডে।

রবিনসনের জন্য ম্যাচটি আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত একটি কারণেও। গত সপ্তাহেই তার দ্বিতীয় কন্যা ইভার জন্ম হয়েছে। সেই আনন্দের স্মৃতিও ম্যাচের পারফরম্যান্সকে আরও বিশেষ করে তুলেছে ইংলিশ এই পেসারের কাছে।

আরও পড়ুন

রবিনসন বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ২টায় আমাদের নবজাতক এসেছে। তাই লিডসের হোটেলে আসার পর থেকে ঘুমটা কিছুটা পুষিয়ে নিচ্ছি। অসাধারণ একটা সপ্তাহ গেছে। আবার বাবা হওয়া, এরপর তাদের রেখে যখন মাঠে এসে পারফর্ম করতে পারেন, তখন দিনটা আরও মধুর হয়ে ওঠে। তারা এখানে নেই, বাড়িতে আছে, কিন্তু পুরো সময়ই তাদের কথা মনে পড়ছিল।

এভাবেই এক ম্যাচে অনন্য বোলিং কীর্তির পাশাপাশি ক্রিকেট ইতিহাসে নিজেদের জন্য রেখে দিলেন স্মারক বলের দুই অর্ধেক রবিনসন ও টাং।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শেষ উইকেটে বিশ্বরেকর্ড গড়ে পাকিস্তানকে জয় উপহার দিলো শাদাব খান
অসম্ভবকে সম্ভব করে ওয়ানডে ক্রিকেটে ইতিহাস গড়ল পাকিস্তান। খাদের কিনারা থেকে দলের দায়িত্ব নিয়ে শাদাব খানের প্রথম সেঞ্চুরি এবং শেষ উইকেটে হারিস রউফের সঙ্গে অবিশ্বাস্য এক জুটিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা। একই সঙ্গে সফল রান তাড়ায় দশম উইকেটে সর্বোচ্চ জুটির নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন এই দুই ব্যাটার।  রোববার (১৪ অক্টোবর) লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে ২৪২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চরম বিপর্যয়ে পড়েছিল পাকিস্তান। স্কোরবোর্ডে ১৫৪ রান তুলতেই ৯ উইকেট হারিয়ে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে চলে যায় দলটি। জয়ের জন্য তখনও প্রয়োজন ছিল ৮৮ রান। তবে শেষ উইকেটে হাল ধরে ম্যাচের গতিপথ পুরোপুরি বদলে দেন শাদাব খান ও হারিস রউফ। এই দুজন অবিচ্ছিন্ন ৮৯ রানের জুটি গড়ে ৪৭.১ ওভারেই দলের জয় নিশ্চিত করেন। চলতি ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এটি পাকিস্তানের দ্বিতীয় জয়। ৯৬ বলে ১৩টি চার ও ৫টি ছক্কার সাহায্যে ১১৩ রানের দুর্দান্ত এক অপরাজিত ইনিংস খেলেন শাদাব খান। অন্যদিকে, শেষ ব্যাটার হিসেবে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে ৭ রানে অপরাজিত থাকেন হারিস রউফ। সফল রান তাড়ায় দশম উইকেটে এটিই ওয়ানডে ইতিহাসের সর্বোচ্চ জুটির নতুন বিশ্বরেকর্ড। শাদাব ও হারিস পেছনে ফেলেছেন ১৯৭৫ বিশ্বকাপে গড়া ৬৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটির রেকর্ড। সেবার বার্মিংহামে পাকিস্তানের বিপক্ষেই এই কীর্তি গড়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডেরিক মারে ও অ্যান্ডি রবার্টস। প্রায় পাঁচ দশক পর সেই রেকর্ড নিজেদের করে নিলেন শাদাব ও হারিস। এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বেন ডাকেটের সেঞ্চুরিতে (১০৫ রান) ২৪১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে শেষ পর্যন্ত শাদাব-হারিসের রূপকথার ইনিংসে ভর করে লাহোরে পাকিস্তানের এই জয় ক্রিকেট ইতিহাসে একটি স্মরণীয় প্রত্যাবর্তনের গল্প হয়ে রইল। আরটিভি/এসআর
শেষ উইকেটে বিশ্বরেকর্ড গড়ে পাকিস্তানকে জয় উপহার দিলো শাদাব খান
ডি-থ্রি ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচ ও ফাইনাল বরিশালে
দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন সংযোজন ডি-থ্রি ট্রফি। তিন সংস্করণের এই টুর্নামেন্টের প্রথম আসর শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি দিয়ে। উদ্বোধনী ম্যাচ থেকে শুরু করে ফাইনালসহ প্লে-অফের সব ম্যাচ হবে বরিশালের কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়ামে।  রোববার (২৫ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগামী ১৫ ডিসেম্বর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৩১ ডিসেম্বর। তবে ফাইনালের জন্য ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারিকে রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে হিসেবে। ৬টি দল নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ চার দল খেলবে প্লে-অফে। প্রতিযোগিতার কাঠামো হবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) আদলে। পয়েন্ট তালিকার প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে থাকা দল মুখোমুখি হবে প্রথম কোয়ালিফায়ারে। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা দল খেলবে এলিমিনেটর। প্রথম কোয়ালিফায়ারে জয়ী দল সরাসরি ফাইনালে উঠবে। পরাজিত দলটির সামনে অবশ্য আরেকটি সুযোগ থাকবে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে এলিমিনেটরের জয়ী দলের মুখোমুখি হবে তারা। এই ম্যাচের বিজয়ী দল পাবে ফাইনালের টিকিট। বরিশালের কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়ামের পাশাপাশি মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামেও হবে গ্রুপ পর্বের সাতটি ম্যাচ। ডি-থ্রি ট্রফিতে থাকছে তিনটি সংস্করণ। টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতার পর জানুয়ারিতে হবে চার দিনের টুর্নামেন্ট। এরপর মে মাসে মাঠে গড়াবে ৫০ ওভারের আসর। টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের খেলোয়াড় নিলাম হবে সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার একটি হোটেলে। নিলামের শীর্ষ ক্যাটাগরিতে রয়েছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও সাদা বলের অধিনায়ক লিটন দাসসহ ২২ জন ক্রিকেটার। সব মিলিয়ে নিলামে উঠবেন ২৬৩ জন খেলোয়াড়। আরটিভি/এসআর
ডি-থ্রি ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচ ও ফাইনাল বরিশালে
বিনামূল্যে যেভাবে দেখবেন এল ক্লাসিকোর লড়াই
ক্লাব ফুটবলের জনপ্রিয় ম্যাচগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো এল ক্লাসিকো। যেখানে নিজেদের সম্মান ও আধিপত্যের জন্য লড়াই করে থাকে দুই স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ। এই ম্যাচটি দেখতে বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলভক্ত অপেক্ষা করে থাকেন। এবার তাদের অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) ক্যাম্প ন্যুতে মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোতে বার্সেলোনার মুখোমুখি হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টায়। প্রথম ৯ ম্যাচের সব কয়টিতে জিতে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে কাতালান ক্লাবটি। অন্যদিকে দুটি ম্যাচে হেরে পিছিয়ে পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচটির আগে দুই দলের ব্যবধান ছয় পয়েন্ট। যেখাবে দেখবেন খেলা বাংলাদেশ থেকে দর্শকরা রাত ৯:১৫ মিনিটে ম্যাচটি সরাসরি বিগিন অ্যাপের মাধ্যমে উপভোগ করতে পারবেন। অন্যান্য অনলাইন উপায়: yalla1shoot ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক-ইউটিউবে সার্চ অপশনে ‘Real Madrid vs Barcelona live match today’ লিখে খোঁজ করলে কিছু চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার দেখা যেতে পারে। আন্তর্জাতিক অনলাইন স্ট্রিমিং বিকল্পসমূহ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে রিয়াল মাদ্রিদ বনাম বার্সেলোনার এই এল ক্লাসিকোটি স্ট্রিম করা হবে। স্ট্রিমিং সার্ভিসগুলোর মধ্যে রয়েছে: FawaNews, Tabii, ScoreBat.com, SportyTv, SonyLIV app, 1xBet, Score808.com, DAZN Canada, Optus Sport, Sling TV, RaiPlay, Yeacin Tv। বিশেষ টিপস: আপনার ভৌগোলিক অবস্থান থেকে ম্যাচটি দেখা না গেলে, VPN (Virtual Virtual Private Network) ব্যবহার করে আপনি বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে স্ট্রিমিং পরিষেবাগুলো অ্যাক্সেস করতে পারবেন। আরটিভি/এসআর আরটিভি/ এসআর
বিনামূল্যে যেভাবে দেখবেন এল ক্লাসিকোর লড়াই
লিড নিয়েও পর্তুগালের কাছে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ
ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে এখন পর্যন্ত জয়ের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। গতকাল ওয়েলসের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করার পর আজ পর্তুগালের কাছে ৩-১ গোলে হেরেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। রোববার (২৪ অক্টোবর) পর্তুগালের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুটা দারুণ করেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় মিনিটেই বায়েজিদের গোলে এগিয়ে যায় দল। তবে সেই লিড ধরে রাখতে পারেনি তারা। পরে তিন গোল করে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় পর্তুগাল। এবারই প্রথম অনূর্ধ্ব-১৫ পর্যায়ের ফুটবল ফেস্টিভ্যালকে বৈশ্বিক আয়োজনে রূপ দিয়েছে ফিফা। এতে ১৯১টি দেশ ৩২টি গ্রুপে অংশ নিচ্ছে। প্রতিটি ম্যাচ হচ্ছে এইট-এ-সাইড পদ্ধতিতে, যেখানে দুই অর্ধে ২০ মিনিট করে মোট ৪০ মিনিট খেলা হয়। এই আসরের জন্য দল গঠনে আগে থেকেই কাজ করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। ২০২৪ সালের শেষদিকে শুরু হওয়া অ-১৫ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রতিভাবান ফুটবলার খোঁজা হয়। সেখান থেকে খেলোয়াড় বাছাই করে ক্যাম্প আয়োজন করা হয়। পরে ওপেন ট্রায়ালের মাধ্যমে চূড়ান্ত দল গঠন করা হয়। সব মিলিয়ে দুই মাসের কিছু বেশি সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে আজারবাইজানে খেলতে গেছে বাংলাদেশের কিশোররা। অভিজ্ঞতা ও ফুটবলের মানে ওয়েলস-পর্তুগাল বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে থাকলেও তাদের বিপক্ষে ড্র এবং লিড নিয়ে খেলার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক। পরের ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে প্রথম জয়ের খোঁজে নামবে বাংলাদেশ। আরটিভি/এসআর
লিড নিয়েও পর্তুগালের কাছে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ
এল ক্লাসিকো / রিয়ালের প্রতিশোধ নাকি বার্সেলোনার আধিপত্য
চ্যাম্পিয়নস লিগে আধিপত্য ধরে রাখলেও লা লিগায় বার্সেলোনার থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এসবের মাঝেই মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোতে আজ রাতে বার্সেলোনার মুখোমুখি হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ। ফুটবলের অন্যতম মহাযুদ্ধ দেখতে মরিয়া হয়ে আছে কোটি কোটি ভক্তরা। লা লিগায় রীতিমতো উড়ছে বার্সেলোনা। ৯ ম্যাচের প্রতিটিতেই জয়ের দেখা পেয়েছে তারা। ফলে এই ম্যাচে ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নামবে কাতালানরা। সেই সঙ্গে গত মৌসুমে রিয়ালকে ৫ বার হারানোর অভিজ্ঞতা বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে ইয়ামাল-রাফিনিয়াদের। রোববার (২৫ অক্টোবর) স্প্যানিশ লা লিগার দশম রাউন্ডের ম্যাচটি হবে বার্সেলোনার মাঠ স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যুতে। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টায়। এই ম্যাচে জয় পেতে আত্মবিশ্বাসী দুই কোচ হান্সি ফ্লিক ও হোসে মরিনহো। সংবাদ সম্মেলনে জার্মান কোচ বলেন, এল ক্লাসিকো একেবারেই আলাদা। আমাদের খেলায় এটি সেরা ম্যাচগুলোর একটি। সবাই এই ম্যাচ দেখে। এটি অসাধারণ। আমরা অবশ্যই তিন পয়েন্টের জন্য খেলছি, কিন্তু ম্যাচটির গুরুত্ব তার চেয়েও বেশি। এই লড়াইয়ের অংশ হতে পেরে আমি খুশি। আমরা প্রস্তুত এবং নিজেদের দলের ওপর আমাদের প্রবল আস্থা আছে।  বার্সেলোনার আত্মবিশ্বাসের পেছনে রয়েছে লিগে তাদের দুর্দান্ত সূচনা। প্রথম ৯ ম্যাচের সব কয়টিতে জিতে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে কাতালান ক্লাবটি। অন্যদিকে দুটি ম্যাচে হেরে পিছিয়ে পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচটির আগে দুই দলের ব্যবধান ছয় পয়েন্ট। চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির কাছে হারের পর বার্সেলোনার জন্য ম্যাচটি আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে বার্সেলোনার ঐ পরাজয়কে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিতে চান না রিয়াল কোচ হোসে মরিনিও।  সংবাদ সম্মেলনে মরিনিওর বক্তব্যে ছিল আত্মবিশ্বাস, সমালোচনার জবাব এবং কৌশল গোপন রাখার প্রবণতা। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ ভালো খেললে প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। তবে অন্যরা বার্সেলোনাকে নিয়ে কী বলছে, তা তাকে বিচলিত করে না। নিজের দলকে এখনো পূর্ণতা পাওয়া একটি দল হিসেবে দেখছেন না মরিনিও। তার মতে, ফুটবলে একটি দলকে পুরোপুরি প্রস্তুত করে তোলা কঠিন। বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের লড়াইয়ের শিকড় আজকের ফুটবলে নয়। দুই দলের প্রথম মুখোমুখি দেখা ১৯০২ সালের ১৩ মে। মাদ্রিদের লা কাস্তেয়ানা হিপোড্রোমে কোপা দে লা করোনাসিওন প্রতিযোগিতায় সেই ম্যাচে ৩-১ গোলে জিতেছিল বার্সেলোনা। ‘এল ক্লাসিকো’ শব্দটির অর্থ স্প্যানিশ ভাষায় 'দ্য ক্লাসিক' বা ধ্রুপদি দ্বৈরথ। ষাটের দশকে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে শব্দটির ব্যবহার দেখা যায়।  বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার পেছনে রয়েছে স্পেনের ইতিহাস ও রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রভাব। বার্সেলোনা কাতালান পরিচয় ও আঞ্চলিক স্বাতন্ত্র্যের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে রিয়াল মাদ্রিদকে ঘিরে স্প্যানিশ জাতীয়তাবাদের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্কের আলোচনা দীর্ঘদিনের। পরিসংখ্যানেও দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রায় সমানে সমান। প্রতিযোগিতামূলক এল ক্লাসিকোয় বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ দুই দলই জিতেছে ১০৬টি করে ম্যাচ। ড্র হয়েছে ৫২টি। শুধু লা লিগার মুখোমুখি লড়াইয়ের হিসাব ধরলে এগিয়ে রয়েছে রিয়াল। এই প্রতিযোগিতায় তাদের জয় ৮০টি, বার্সেলোনার ৭৭টি। ড্র হয়েছে ৩৫টি ম্যাচে। আরটিভি/ এসআর
রিয়ালের প্রতিশোধ নাকি বার্সেলোনার আধিপত্য
আরও পড়ুন
পাকিস্তান-ইংল্যান্ডের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
৮৫৯ রানের ম্যাচে অবিশ্বাস্য জয় শ্রীলঙ্কার
শ্রীলঙ্কা-ইংল্যান্ড ম্যাচে রেকর্ডের ছড়াছড়ি
আর্থিক বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে ইংল্যান্ডের ৯৪ শতাংশ ক্লাব, দেখে নিন তালিকা