ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

গোল্ডেন শু জিতে এবার ব্যালন ডি’অরের স্বপ্নে কেইন

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৪ পিএম
ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন। ছবি: সংগৃহীত

ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু জয়ের পর এবার ব্যালন ডি’অরের স্বপ্ন দেখছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন। নিজের ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম কাটানোর পর ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারটির অন্যতম দাবিদার বলেই মনে করছেন বায়ার্ন মিউনিখের এই তারকা স্ট্রাইকার।

ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ গোলদাতাকে দেওয়া গোল্ডেন শু পুরস্কার বুধবার মিউনিখে কেইনের হাতে তুলে দেওয়া হয়। গত মৌসুমে বুন্দেসলিগায় ৩১ ম্যাচে ৩৬ গোল করেন তিনি। জার্মানির শীর্ষ লিগের এক মৌসুমে এটি ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ গোল।

২০২৩-২৪ মৌসুমেও বায়ার্ন মিউনিখে নিজের প্রথম মৌসুমেই ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু জিতেছিলেন কেইন। তবে দ্বিতীয়বারের এই অর্জনকে আরও বিশেষ বলেই মনে করছেন ইংলিশ অধিনায়ক।

কেইন বলেন, এই পুরস্কারের স্বাদ প্রথমটির চেয়েও ভালো। গত মৌসুমে দলীয় ও ব্যক্তিগতভাবে যা অর্জন করেছি, সে কারণে এটি আমার কাছে আরও বিশেষ।

গত মৌসুমে বায়ার্নের হয়ে বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপ জিতে ঘরোয়া জোড়া শিরোপা পূর্ণ করেন কেইন। চ্যাম্পিয়নস লিগেও দলকে সেমিফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। তবে শেষ চারের লড়াইয়ে অল্প ব্যবধানে চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের কাছে হেরে যায় জার্মান ক্লাবটি।

জাতীয় দলের হয়েও দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন কেইন। বিশ্বকাপে ছয় গোল করে প্রতিযোগিতাটিতে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন তিনি। বিশ্বকাপে তার মোট গোল এখন ১৪টি। তার নেতৃত্বে ইংল্যান্ড সেমিফাইনালেও উঠেছিল, যদিও আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরে শেষ হয় তাদের অভিযান।

ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে গত মৌসুমে কেইনের গোলসংখ্যা ছিল ৭৩। এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ব্যালন ডি’অর জয়ের আশা করতেই পারেন ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

তবে পুরস্কার নিয়ে খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য করতে চাননি কেইন।

তিনি বলেন, অবশ্যই বিষয়টি আমার হাতে নেই। অক্টোবর পর্যন্ত এটি নিয়ে অনেক আলোচনা হবে, সেটি আমি জানি। শেষ পর্যন্ত গত মৌসুমে যা করার, আমি সবই করেছি। অনেক ব্যবধানে এটি আমার সেরা মৌসুম ছিল। যেসব দলের হয়ে খেলেছি, তাদের সঙ্গে অনেক কিছু অর্জন করেছি।

ব্যালন ডি’অর নিয়ে আলোচনাকে স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন কেইন। তার ভাষায়, এটি আপনাদের ও সমর্থকদের বিতর্কের বিষয়। ব্যালন ডি’অরকে বিশেষ করে তোলে এমন আলোচনাই। অনেক খেলোয়াড়ই দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়েছে।

ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু জয়ের সংখ্যায় কেইনের চেয়ে এগিয়ে আছেন শুধু লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। বার্সেলোনার হয়ে ছয়বার এই পুরস্কার জিতেছেন মেসি। আর রোনালদো জিতেছেন চারবার তিনটি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে এবং একটি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে।

আরও পড়ুন

এদিকে দুর্দান্ত মৌসুমের পর বায়ার্ন মিউনিখে নিজের ভবিষ্যৎ আরও দীর্ঘ করতে চান কেইন। ২০২৭ সালে শেষ হবে তার বর্তমান চুক্তি। নতুন চুক্তির বিষয়ে শিগগিরই জার্মান ক্লাবটির সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন বলেও জানিয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শ্রীলঙ্কার ত্রিদেশীয় সিরিজের দলে বড় চমক, বাদ আসালাঙ্কা
পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডকে নিয়ে হতে যাওয়া ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের জন্য ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট। কুশল মেন্ডিসকে অধিনায়ক করে ঘোষিত এই দলে জায়গা হয়নি সাবেক অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কার। চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন অলরাউন্ডার ভানিন্দু হাসারাঙ্গাও। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজে ব্যাট হাতে ব্যর্থ ছিলেন আসালাঙ্কা। তিন ম্যাচে তার সংগ্রহ যথাক্রমে ১, ১১ ও ৭ রান। বাজে পারফরম্যান্সের প্রভাব পড়েছে দল নির্বাচনে। অন্যদিকে, হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে আসন্ন সিরিজে খেলতে পারবেন না হাসারাঙ্গা। এই দুই ক্রিকেটারের পরিবর্তে দলে ফিরেছেন আভিষ্কা ফার্নান্দো ও সাহান আরাচ্চিগে। তবে দলে জায়গা পেলেও ফিটনেস পরীক্ষার বাধা পেরোতে হবে পাথুম নিশাঙ্কাকে। চোটের কারণে ইংল্যান্ড সফরের পর তার ফিটনেস নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন এই ব্যাটার। আগামী ১৮ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডিতে স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের অভিযান শুরু করবে শ্রীলঙ্কা। এরপর ২২ অক্টোবর ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে লঙ্কানরা। লাহোরে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচগুলো শেষে ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে শেষ লিগ ম্যাচ। আর টুর্নামেন্টের ফাইনাল মাঠে গড়াবে ৩১ অক্টোবর। শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে দল: কুশল মেন্ডিস (অধিনায়ক), পাথুম নিশাঙ্কা, আভিষ্কা ফার্নান্দো, কামিল মিশারা, পাভান রত্নায়েকে, সাহান আরাচ্চিগে, কামিন্দু মেন্ডিস, জানিথ লিয়ানাগে, দাসুন শানাকা, দুনিথ ভেল্লালাগে, মাহিশ থিকশানা, সাচিন্দু কলম্বাগে, দুসমান্থা চামিরা, আসিথা ফার্নান্দো, দিলশান মাদুশাঙ্কা ও ইশান মালিঙ্গা। আরটিভি/এসকে
শ্রীলঙ্কার ত্রিদেশীয় সিরিজের দলে বড় চমক, বাদ আসালাঙ্কা
ক্রীড়াবিদ বাছাইয়ে সংখ্যার চেয়ে মানকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ক্রীড়াবিদদের তালিকা নির্দিষ্ট সংখ্যায় পূরণ করার চেয়ে যোগ্য ও সম্ভাবনাময় ক্রীড়াবিদ বাছাইকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
ক্রীড়াবিদ বাছাইয়ে সংখ্যার চেয়ে মানকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
মেসির শেষ ম্যাচ কবে, কখন ও কোথায়?
আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। বুয়েনস আইরেসের ঐতিহাসিক মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা রয়েছে আর্জেন্টাইন মহাতারকার। বাংলাদেশ সময় ৭ অক্টোবর ভোর ৫টায় শুরু হবে ম্যাচটি।
মেসির শেষ ম্যাচ কবে, কখন ও কোথায়?
ব্রাজিল কেন ঘুরে ঘুরে বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলে?
বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি সমর্থক ব্রাজিলের। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলটির খেলা দেখতে মুখিয়ে থাকেন ফুটবলপ্রেমীরা। সেই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রীতি ম্যাচ খেলে থাকে ব্রাজিল। তবে এর পেছনে রয়েছে বড় অঙ্কের আর্থিক হিসাব, স্পন্সরশিপ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের ব্র্যান্ডের বিস্তারের কৌশল। শনিবার (৩ অক্টোবর) ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামে ব্রাজিল। ম্যাচটির মধ্য দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে খেলার তালিকায় যুক্ত হয় কলকাতার নাম। দেশের বাইরে গিয়ে প্রীতি ম্যাচ খেলা ব্রাজিলের জন্য নতুন কিছু নয়; বরং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটি দলটির নিয়মিত রুটিনে পরিণত হয়েছে। গত এক দশকে দেশের বাইরে ৪৩টি ম্যাচ খেলেছে ব্রাজিল। বিপরীতে নিজেদের মাটিতে খেলেছে মাত্র চারটি ম্যাচ। ২০১৭ সাল থেকে ব্রাজিলের মোট প্রীতি ম্যাচের ৯১.৫ শতাংশই অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বাইরে। বিশ্বকাপজয়ী দলগুলোর মধ্যে বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলার ক্ষেত্রে সবার ওপরে রয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এ তালিকায় ব্রাজিলের পরেই রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দুই দেশ উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনা। ২০১৭ সাল থেকে উরুগুয়ে তাদের ৮৫.৭ শতাংশ প্রীতি ম্যাচ খেলেছে দেশের বাইরে। আর আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে এই হার ৮০.৫ শতাংশ। ব্রাজিলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বোলাভিআইপি প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে এসব তথ্য। ইউরোপের বিশ্বকাপজয়ী দলগুলোর চিত্র অবশ্য কিছুটা ভিন্ন। ২০১৭ সাল থেকে ইতালি তাদের ৬৫.২ শতাংশ প্রীতি ম্যাচ খেলেছে দেশের বাইরে। স্পেনের ক্ষেত্রে এই হার ৩৬ শতাংশ, জার্মানির ৩৪.২ শতাংশ এবং ইংল্যান্ডের ২৫ শতাংশ। তালিকার সর্বনিম্নে রয়েছে ফ্রান্স, যাদের মাত্র ১৭.২ শতাংশ প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বাইরে। কেন বিদেশের মাটিতে বেশি খেলে ব্রাজিল? এর প্রধান কারণ অর্থনীতি। ব্রাজিলের মতো জনপ্রিয় দলের খেলা দেখতে ইউরোপ, এশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। এসব অঞ্চলে টিকিট বিক্রি, সম্প্রচারস্বত্ব, বাণিজ্যিক চুক্তি ও স্পন্সরশিপ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ আয়ের সুযোগ থাকে। ফলে বিদেশের বিভিন্ন শহরে ব্রাজিলের ম্যাচ আয়োজন করতে আগ্রহী থাকে আয়োজক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রাজিলের ফুটবল ব্র্যান্ডের জনপ্রিয়তা ধরে রাখা এবং নতুন দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রেও বিদেশ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে এশিয়ার বাজারে ব্রাজিলের ম্যাচ আয়োজন স্থানীয় সমর্থকদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি বাণিজ্যিক অংশীদারদের জন্যও বাড়তি সুযোগ তৈরি করে। অন্যদিকে ইউরোপের জাতীয় দলগুলোর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সূচি বড় একটি বিষয়। উয়েফা নেশনস লিগ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্ব এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতার ব্যস্ত সূচির কারণে ইউরোপের দলগুলো তুলনামূলকভাবে কম প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়। ফলে ব্রাজিলের মতো ঘন ঘন বিদেশ সফরের প্রবণতা তাদের মধ্যে ততটা দেখা যায় না। বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলার হার ২০১৭ সাল থেকে বিশ্বকাপজয়ী দলগুলোর দেশের বাইরে প্রীতি ম্যাচ খেলার শতকরা হার— ব্রাজিল-৯১.৫% উরুগুয়ে-৮৫.৭% আর্জেন্টিনা-৮০.৫% ইতালি-৬৫.২% স্পেন-৩৬% জার্মানি-৩৪.২% ইংল্যান্ড-২৫% ফ্রান্স-১৭.২% বিদেশ সফরের এই ধারাবাহিকতা আগামী দিনেও বজায় রাখার পরিকল্পনা রয়েছে ব্রাজিলের। নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতিতেও দেশের বাইরে খেলবে দলটি। সূচি অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরে ১৪ নভেম্বর জাপানের মুখোমুখি হওয়ার কথা ব্রাজিলের। এর তিন দিন পর স্বাগতিক সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। সব মিলিয়ে, ব্রাজিলের বিদেশ সফর কেবল মাঠের ফুটবলে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাণিজ্যিক স্বার্থ, বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার কৌশল।   আরটিভি/এসকে
ব্রাজিল কেন ঘুরে ঘুরে বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলে?
ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রতি চার মাস পরপর ক্রীড়াবিদদের মূল্যায়ন করে তালিকা হালনাগাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
আরও পড়ুন
ব্যালন ডি’অর নিয়ে কুকুরেয়ার মজার মন্তব্য
ইয়ামালের খোঁচার জবাব দিলেন কেইন
কেইন-এমবাপ্পে নয়, ব্যালন ডি’অর মেসিরই পাওয়া উচিত: বেকহ্যাম
ব্যালন ডি’অর জিতবেন ইয়ামাল, দাবি হোর্হে মেন্দেজের