ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্রেভিসের ঝড়ে উড়ে গেল জিম্বাবুয়ে

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। টি-টোয়েন্টি ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে জিম্বাবুয়ের দেওয়া ১৪৫ রানের লক্ষ্য মাত্র ১৩.৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে পেরিয়ে যায় প্রোটিয়ারা। ৩৮ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন ব্রেভিস। মাত্র ৩২ বলে ৭৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন এই তরুণ ব্যাটার।

১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে দক্ষিণ আফ্রিকা। লুয়ান-ড্রে প্রিটোরিয়াস ও জর্ডান হারম্যানের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৩২ রান। তবে দ্রুত রান তোলার পথে দুই ওপেনারই বিদায় নেন।

জর্ডান হারম্যান ১৩ বলে চারটি চারে ২০ রান করে তৃতীয় ওভারে আউট হন। এরপর লুয়ান-ড্রে প্রিটোরিয়াস ১৩ বলে চারটি চারে ২২ রান করে ব্র্যাড ইভান্সের শিকার হন। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে তার বিদায়ের সময় দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ছিল ৬১ রান।

দুই ওপেনার ফিরে গেলেও দক্ষিণ আফ্রিকার রান তোলার গতি কমেনি। ক্রিজে থাকা ব্রেভিস এরপর ম্যাচকে কার্যত একপেশে করে দেন। টনি ডি জর্জির সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৪৬ রানের জুটি গড়েন তিনি। ডি জর্জি ১৭ বলে ১৫ রান করে ১১তম ওভারের শেষ বলে ব্লেসিং মুজারাবানির শিকার হন। তখন দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ১০৭।

এরপর রুবিন হারম্যানকে সঙ্গে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন ব্রেভিস। মাত্র ১৬ বলে প্রয়োজনীয় আরও ৩৯ রান তুলে ফেলেন তারা। ব্রেভিসের ব্যাট থেকে আসে ৭টি চার ও ৬টি ছক্কা। ৩২ বলের ইনিংসে তার স্ট্রাইক রেট ছিল ২৩৪.৩৮।

রুবিন হারম্যান ৭ বলে দুটি চারে অপরাজিত ১১ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ১৩.৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪৬ রানে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলে ৭ উইকেটের সহজ জয় নিশ্চিত হয় তাদের।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪৪ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। শুরুতে বেন কারানের দ্রুতগতির ব্যাটিং দলকে ভালো শুরু এনে দেয়। ১২ বলে চারটি চার ও একটি ছক্কায় ২৪ রান করেন তিনি। তবে পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে ডুয়ান ইয়ানসেনের শিকার হয়ে বিদায় নেন কারান। দলীয় ৪৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।

এরপর ব্রায়ান বেনেট ও ডিওন মায়ার্স ইনিংস এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। মায়ার্স ১৭ বলে ১৭ রান করে বিয়র্ন ফর্টুইনের বলে আউট হন। এরপর বেনেট ৩৫ বলে চারটি চার ও একটি ছক্কায় ৩৪ রান করে প্রেনেলান সুব্রায়েনের শিকার হন।

৮০ রানে তৃতীয় উইকেট হারানোর পর জিম্বাবুয়ের ইনিংসে ধস নামে। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ১৭ বলে ১০ রান করে এথান বোশের বলে বিদায় নেন। রায়ান বার্লও ৭ বলে ৪ রান করে সুব্রায়েনের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন। ১৫.১ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৯৪ রান।

তবে শেষদিকে তাদিওয়ানাশে মারুমানির ঝড়ো ব্যাটিং জিম্বাবুয়েকে লড়াই করার মতো সংগ্রহ এনে দেয়। মাত্র ১৩ বলে একটি চার ও তিনটি ছক্কায় ৩০ রান করেন তিনি। তার দ্রুতগতির ইনিংসের সুবাদে ১৪০ রানের কাছাকাছি পৌঁছে যায় জিম্বাবুয়ে।

১৯তম ওভারের শেষ বলে মারুমানি আউট হওয়ার সময় জিম্বাবুয়ের রান ছিল ১৩৭। পরের বলেই ওয়েসলি মাধেভেরেকে হারায় তারা। শেষ ওভারে ব্র্যাড ইভান্সও ডুয়ান ইয়ানসেনের শিকার হন। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১৪৪ রানেই থামে জিম্বাবুয়ের ইনিংস।

আরও পড়ুন

দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন ডুয়ান ইয়ানসেন। ৪ ওভারে ৪৫ রান খরচ করেন তিনি। প্রেনেলান সুব্রায়েন ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে নেন দুটি উইকেট। এথান বোশ ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে একটি উইকেট শিকার করেন এবং ১৪টি ডট বল করেন। বিয়র্ন ফর্টুইন ও কোয়েনা মাফাকা নেন একটি করে উইকেট।

শেষ পর্যন্ত ব্রেভিসের ব্যাটিং তাণ্ডবের সামনে ১৪৪ রানের সংগ্রহ কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি জিম্বাবুয়ে। মাত্র ১৩.৪ ওভারেই লক্ষ্য ছুঁয়ে দাপুটে জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।


আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট, ড্রয়ের আশায় আফগানিস্তান
শুরুতেই এবাদত-হাসানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে দুই উইকেট তুলে নিলেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে চোখ রাঙাতে থাকে রহমত শাহ ও সেদিকুল্লাহ আতালের ব্যাট। আবারও সেই জুটি ভেঙে দেন এবাদত। এরপরও ড্রয়ের স্বপ্ন দেখছে আফগানিস্তান। এদিকে জিততে হলে পঞ্চম ও শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার আরও ৭ উইকেট। চতুর্থ দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৩২ রান তুলেছে আফগানিস্তান। ফলে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন ৩৪৭ রান। বাংলাদেশের দেওয়া ৪৭৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ভাঙে আফগানিস্তানের উদ্বোধনী জুটি। টাইগার পেসার এবাদত হোসেনের করা বলে কটবিহাইন্ড হন আব্দুল মালিক। আউট হওয়ার আগে করেন ২ রান। পরের উইকেটে নামা শহীদুল্লাহকে ১৪ রানে আউট করেন হাসান মাহমুদ। দ্রুত দুই উইকেট হারালেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে চাপ সামলে নেন ওপেনার সেদিকুল্লাহ আতাল ও অভিজ্ঞ রহমত শাহ। দেখে-শুনেই খেলছিলেন এই দুই ব্যাটার। তবে এই জুটি দিন শেষ করতে পারেনি আফগানরা। বাংলাদেশি পেসার এবাদত হোসেনের করা বলে কটবিহাইন্ড হন রহমত। আউট হওয়ার আগে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। তার ব্যাট থেকে আসে ১২৪ বলে ৫১ রান। এরপর হাশমতউল্লাহ শহীদিকে নিয়ে দিন শেষ করেন আতাল। ১২৬ বলে ৩৫ রানে আতাল ও ২৭ বলে ১৯ রানে হাশমত অপরাজিত থাকেন। এদিকে তৃতীয় দিন শেষ বিকেলের ঝড়ে ১১ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ৬ উইকেটে ২২৩ রানে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে তারা। ৫ রানে অপরাজিত লিটনের সঙ্গে নামেন মিরাজ, তখনও তিনি রানের খাতা খোলেননি। এই দুজনের জুটিতে দ্বিতীয় ইনিংসে দলীয় স্কোর তিনশ পার করেন এবং লিড ছাড়ায় চারশ রানের। লিটন ১৪ ও ২৬ রানে জীবন পেয়ে ৬১ বলে এক টেস্টে টানা দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের ২২তম হাফ সেঞ্চুরি করেন। একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বেশ আগ্রাসী ছিলেন তিনি। ধীরে এগোতে থাকেন মিরাজ। এর আগে দুইবার জীবন পাওয়া লিটন দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮ রান হতেই ৯ হাজার আন্তর্জাতিক রানের মাইলফলকে পৌঁছান। কায়েস আহমেদের বলেই দুইবার জীবন পান তিনি। প্রথমবার স্লিপের ফিল্ডার কামাল ক্যাচ ফেলে দেন। তারপর কায়েস নিজেই ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ হন, ব্যথায় কাতরাতে দেখা যায় তাকে। বড় লিড এনে দেওয়ার পথে বড় জুটি গড়েন লিটন-মিরাজ। সপ্তম উইকেট জুটিতে এই দুই ব্যাটার মিলে তোলেন ১৪৯ রান। তাতেই লিডের পাহাড় গড়ে সফরকারীরা। ফিফটি করেই থামেননি লিটন। ১১৫ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। এরপর আর বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। ১০২ রানে সাজঘরের পথ ধরেন। ১১৭ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ১৪টি চারে সাজানো। এদিকে ফিফটির দেখা পেয়েছেন মিরাজও। তিনি অপরাজিত থাকেন ৯৭ বলে ৫২ রানে। ৭ উইকেটে ৩৭২ রান করার পর ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যাট করতে নামবে স্বাগতিক আফগানিস্তান। এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান করে। তারপর হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আফগানিস্তানকে ২৪০ রানে অলআউট করে সফরকারী দল। আরটিভি/ এসকেডি
শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট, ড্রয়ের আশায় আফগানিস্তান
লিটনের সেঞ্চুরিতে লিডের পাহাড়ে বাংলাদেশ
আবুধাবি টেস্টের চতুর্থ দিনের প্রথম শেসনটি টাইগাররা নিজেদের করে নিয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) শেষ বিকেলে ১১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর আজ দিনের প্রথম সেশনে আফগানিস্তানের বোলারদের হতাশা উপহার দিয়েছেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। সপ্তম উইকেট জুটিতে লিড সাড়ে চারশর কাছাকাছি নিয়ে গেছেন তারা।
লিটনের সেঞ্চুরিতে লিডের পাহাড়ে বাংলাদেশ
ম্যানসিটির সমর্থকদের হাতে কলা, কেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে স্বাধীন কমিশনের রায়ের পর ক্লাবটির প্রতি সমর্থন জানাতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন সমর্থকরা। লিভারপুলের মাঠ অ্যানফিল্ডে ম্যাচের আগে আকাশে শত শত বাতাসভরা কলা উড়িয়ে পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনেন তারা।
ম্যানসিটির সমর্থকদের হাতে কলা, কেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ হাজার রানের ক্লাবে লিটন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৯ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন বাংলাদেশের উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাস।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ হাজার রানের ক্লাবে লিটন
চমক দিয়ে হংকং সিক্সেসে বাংলাদেশের দল ঘোষণা, ফিরলেন সাব্বির
হংকং সিক্সেস টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে সাত সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘোষিত স্কোয়াডে চমক হিসেবে জায়গা পেয়েছেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সাব্বির রহমান। আর দলকে নেতৃত্ব দেবেন আবু হায়দার রনি। আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত হংকংয়ের টিন কোয়াং রোড রিক্রিয়েশন গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে ছয় ওভারের এই টুর্নামেন্ট। প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে মোট ১২টি দেশ। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের ‘বি’ গ্রুপে প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা ও স্কটল্যান্ড। গ্রুপ পর্বে এই দুই দলের বিপক্ষে মাঠে নামবে রনির দল। গ্রুপের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করবে পরবর্তী পর্বে বাংলাদেশের অবস্থান। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপের শীর্ষে থাকা দলগুলো মূল প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে খেলবে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলগুলো খেলবে প্লেট প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে। আর গ্রুপে তৃতীয় হওয়া দলগুলোর জন্য থাকছে বোল প্রতিযোগিতা। হংকং সিক্সেসের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশের সাত সদস্যের স্কোয়াডে রয়েছেন অধিনায়ক আবু হায়দার রনি, সামিউন বশির, চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, আহরার আমিন, সাব্বির রহমান ও হাবিবুর রহমান সোহান। অভিজ্ঞ সাব্বির রহমানের অন্তর্ভুক্তি দল ঘোষণায় বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে গ্রুপ পর্বে ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে শিরোপার লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়া। হংকং সিক্সেসের জন্য বাংলাদেশের সাত সদস্যের স্কোয়াডে রয়েছেন অধিনায়ক আবু হায়দার রনি, সামিউন বশির, চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, আহরার আমিন, সাব্বির রহমান ও হাবিবুর রহমান সোহান। আরটিভি/এসকে
চমক দিয়ে হংকং সিক্সেসে বাংলাদেশের দল ঘোষণা, ফিরলেন সাব্বির
আরও পড়ুন
দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নিজ দেশ জিম্বাবুয়েতে ফিরেও কাটছে না দুর্ভোগ 
গেইলের বিশ্বরেকর্ড ভেঙে টি-টোয়েন্টিতে নতুন ইতিহাস গড়লেন প্রিটোরিয়াস
দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক দুই বন্দুক হামলায় নিহত ২৭
দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১১