ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

খেলা ও পড়াশোনার সমন্বয়ের বার্তা নিয়ে নাফীসের বই ‘প্লে, স্টাডি, উইন দ্য রেস্ট’

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের প্রথম অধিনায়ক শাহরিয়ার নাফীস। একসময় ঝাঁকড়া চুলে ব্যাট হাতে মাঠে নেমে শেন ওয়ার্ন কিংবা মুত্তিয়া মুরালিধরনের মতো বিশ্বসেরা বোলারদের বিপক্ষে নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি। ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অপারেশন্স বিভাগের দায়িত্বের পাশাপাশি কোচিংয়ের সঙ্গেও যুক্ত আছেন সাবেক এই ওপেনার।

এবার ভিন্ন পরিচয়ে সামনে এলেন নাফীস। খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রকাশ করেছেন গবেষণাভিত্তিক বই ‘প্লে, স্টাডি, উইন দ্য রেস্ট’। বইটি যৌথভাবে লিখেছেন শাহরিয়ার নাফীস ও তার বন্ধু শিক্ষক আতিফ আকিফ।

শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সংবাদ সম্মেলন কক্ষে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে দুই লেখকের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন নাফীসের শৈশবের কোচ ওয়াহিদুল গনি।

নাফীস জানান, বইটি তৈরির জন্য প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন বছর ধরে দেশ-বিদেশের ক্রীড়াবিদ ও অ্যাথলেটদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন তারা। প্রায় ৩৫ জনের বেশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খেলোয়াড় ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে সেগুলো বইয়ে গল্পের আকারে তুলে ধরা হয়েছে।

বইটির মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে নাফীস বলেন, মূল উদ্দেশ্য ছিল একটাই ছোটবেলা থেকে আমরা শুনে আসছি, পড়াশোনা করে যে, গাড়ি-ঘোড়া চড়ে সে।” কিন্তু সেই ধারণাটাকে একটু ভিন্নভাবে তুলে ধরা। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা করে যে, গাড়ি-ঘোড়া চড়ে সে।

তিনি বলেন, খেলাধুলা ও পড়াশোনাকে কীভাবে একই জায়গায় নিয়ে আসা যায়, সেই ভাবনা থেকেই বইটির পরিকল্পনা করা হয়েছে। আর সেই ধারণার প্রতিফলনই ঘটেছে বইয়ের নামেও ‘প্লে, স্টাডি, উইন দ্য রেস্ট’।

বইটির আরেক লেখক আতিফ আকিফ বলেন, নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনার গুরুত্ব বোঝানোই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

আতিফ বলেন, ‘আমরা চাই, অন্তত এই প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটি তুলে ধরতে। আমাদের প্রজন্মের যারা খেলাধুলার সঙ্গে আসছে, তারা যেন পড়াশোনায় পিছিয়ে না যায়।’

২০২২ সালে বইটির পরিকল্পনা শুরু হয়েছিল বলে জানান নাফীস। পরে দীর্ঘ সময় ধরে গবেষণা ও তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে বইটিকে প্রকাশের পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়।

নাফীস বলেন, ‘আমরা এই বইয়ের কাজ শুরু করেছিলাম ২০২২ সালে। ওই বছরই আমরা বইটি নিয়ে ভাবনা-চিন্তা ও পরিকল্পনা শুরু করি। এরপর বইটি মূলত একটি গবেষণাভিত্তিক বই।’

বইটিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রিকেটার, ফুটবলার, কোচ ও বিভিন্ন ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের গল্প স্থান পেয়েছে। পাশাপাশি এমন অনেকের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হয়েছে, যারা একসময় সম্ভাবনাময় ক্রীড়াবিদ ছিলেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত খেলাধুলায় কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেননি।

তবে খেলাধুলার ক্যারিয়ার সফল না হলেও তাদের জীবনে পড়াশোনা কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, সেই অভিজ্ঞতাও উঠে এসেছে বইটিতে।

নাফীস বলেন, ‘ঠিক তেমনি এমন কিছু মানুষের গল্পও আছে, যারা অনেক সম্ভাবনাময় ক্রিকেটার বা ক্রীড়াবিদ ছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত খেলাধুলায় কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে যেতে পারেননি। তবে তাদের জীবনে পড়াশোনা কতটা কাজে এসেছে, সেই বিষয়টি তারা সুন্দরভাবে আমাদের কাছে ব্যাখ্যা করেছেন।’

বইটির জন্য বাংলাদেশের ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বেশ কয়েকজন পরিচিত ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের সঙ্গে কথা বলেছেন লেখকরা। তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক কোচ অ্যালান ডোনাল্ড ও স্টুয়ার্ট ল। এছাড়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ের আরও বেশ কয়েকজন কোচ ও অ্যাথলেটের অভিজ্ঞতাও বইয়ে স্থান পেয়েছে।

নাফীস জানান, দীর্ঘ সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং যাদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়েছে, তাদের অভিজ্ঞতাই বইটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

খেলাধুলা ও শিক্ষার মধ্যে কোনো বিরোধ নেই বরং দুটিকে সমন্বয় করেই একজন তরুণের পূর্ণাঙ্গ বিকাশ সম্ভব। নতুন প্রজন্মের সামনে সেই বার্তাই তুলে ধরতে চান শাহরিয়ার নাফীস ও আতিফ আকিফ। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই তাদের গবেষণাভিত্তিক বই ‘প্লে, স্টাডি, উইন দ্য রেস্ট’।


আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট, ড্রয়ের আশায় আফগানিস্তান
শুরুতেই এবাদত-হাসানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে দুই উইকেট তুলে নিলেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে চোখ রাঙাতে থাকে রহমত শাহ ও সেদিকুল্লাহ আতালের ব্যাট। আবারও সেই জুটি ভেঙে দেন এবাদত। এরপরও ড্রয়ের স্বপ্ন দেখছে আফগানিস্তান। এদিকে জিততে হলে পঞ্চম ও শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার আরও ৭ উইকেট। চতুর্থ দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৩২ রান তুলেছে আফগানিস্তান। ফলে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন ৩৪৭ রান। বাংলাদেশের দেওয়া ৪৭৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ভাঙে আফগানিস্তানের উদ্বোধনী জুটি। টাইগার পেসার এবাদত হোসেনের করা বলে কটবিহাইন্ড হন আব্দুল মালিক। আউট হওয়ার আগে করেন ২ রান। পরের উইকেটে নামা শহীদুল্লাহকে ১৪ রানে আউট করেন হাসান মাহমুদ। দ্রুত দুই উইকেট হারালেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে চাপ সামলে নেন ওপেনার সেদিকুল্লাহ আতাল ও অভিজ্ঞ রহমত শাহ। দেখে-শুনেই খেলছিলেন এই দুই ব্যাটার। তবে এই জুটি দিন শেষ করতে পারেনি আফগানরা। বাংলাদেশি পেসার এবাদত হোসেনের করা বলে কটবিহাইন্ড হন রহমত। আউট হওয়ার আগে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। তার ব্যাট থেকে আসে ১২৪ বলে ৫১ রান। এরপর হাশমতউল্লাহ শহীদিকে নিয়ে দিন শেষ করেন আতাল। ১২৬ বলে ৩৫ রানে আতাল ও ২৭ বলে ১৯ রানে হাশমত অপরাজিত থাকেন। এদিকে তৃতীয় দিন শেষ বিকেলের ঝড়ে ১১ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ৬ উইকেটে ২২৩ রানে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে তারা। ৫ রানে অপরাজিত লিটনের সঙ্গে নামেন মিরাজ, তখনও তিনি রানের খাতা খোলেননি। এই দুজনের জুটিতে দ্বিতীয় ইনিংসে দলীয় স্কোর তিনশ পার করেন এবং লিড ছাড়ায় চারশ রানের। লিটন ১৪ ও ২৬ রানে জীবন পেয়ে ৬১ বলে এক টেস্টে টানা দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের ২২তম হাফ সেঞ্চুরি করেন। একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বেশ আগ্রাসী ছিলেন তিনি। ধীরে এগোতে থাকেন মিরাজ। এর আগে দুইবার জীবন পাওয়া লিটন দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮ রান হতেই ৯ হাজার আন্তর্জাতিক রানের মাইলফলকে পৌঁছান। কায়েস আহমেদের বলেই দুইবার জীবন পান তিনি। প্রথমবার স্লিপের ফিল্ডার কামাল ক্যাচ ফেলে দেন। তারপর কায়েস নিজেই ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ হন, ব্যথায় কাতরাতে দেখা যায় তাকে। বড় লিড এনে দেওয়ার পথে বড় জুটি গড়েন লিটন-মিরাজ। সপ্তম উইকেট জুটিতে এই দুই ব্যাটার মিলে তোলেন ১৪৯ রান। তাতেই লিডের পাহাড় গড়ে সফরকারীরা। ফিফটি করেই থামেননি লিটন। ১১৫ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। এরপর আর বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। ১০২ রানে সাজঘরের পথ ধরেন। ১১৭ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ১৪টি চারে সাজানো। এদিকে ফিফটির দেখা পেয়েছেন মিরাজও। তিনি অপরাজিত থাকেন ৯৭ বলে ৫২ রানে। ৭ উইকেটে ৩৭২ রান করার পর ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যাট করতে নামবে স্বাগতিক আফগানিস্তান। এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান করে। তারপর হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আফগানিস্তানকে ২৪০ রানে অলআউট করে সফরকারী দল। আরটিভি/ এসকেডি
শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট, ড্রয়ের আশায় আফগানিস্তান
লিটনের সেঞ্চুরিতে লিডের পাহাড়ে বাংলাদেশ
আবুধাবি টেস্টের চতুর্থ দিনের প্রথম শেসনটি টাইগাররা নিজেদের করে নিয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) শেষ বিকেলে ১১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর আজ দিনের প্রথম সেশনে আফগানিস্তানের বোলারদের হতাশা উপহার দিয়েছেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। সপ্তম উইকেট জুটিতে লিড সাড়ে চারশর কাছাকাছি নিয়ে গেছেন তারা।
লিটনের সেঞ্চুরিতে লিডের পাহাড়ে বাংলাদেশ
ম্যানসিটির সমর্থকদের হাতে কলা, কেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে স্বাধীন কমিশনের রায়ের পর ক্লাবটির প্রতি সমর্থন জানাতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন সমর্থকরা। লিভারপুলের মাঠ অ্যানফিল্ডে ম্যাচের আগে আকাশে শত শত বাতাসভরা কলা উড়িয়ে পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনেন তারা।
ম্যানসিটির সমর্থকদের হাতে কলা, কেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ হাজার রানের ক্লাবে লিটন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৯ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন বাংলাদেশের উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাস।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ হাজার রানের ক্লাবে লিটন
চমক দিয়ে হংকং সিক্সেসে বাংলাদেশের দল ঘোষণা, ফিরলেন সাব্বির
হংকং সিক্সেস টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে সাত সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘোষিত স্কোয়াডে চমক হিসেবে জায়গা পেয়েছেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সাব্বির রহমান। আর দলকে নেতৃত্ব দেবেন আবু হায়দার রনি। আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত হংকংয়ের টিন কোয়াং রোড রিক্রিয়েশন গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে ছয় ওভারের এই টুর্নামেন্ট। প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে মোট ১২টি দেশ। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের ‘বি’ গ্রুপে প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা ও স্কটল্যান্ড। গ্রুপ পর্বে এই দুই দলের বিপক্ষে মাঠে নামবে রনির দল। গ্রুপের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করবে পরবর্তী পর্বে বাংলাদেশের অবস্থান। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপের শীর্ষে থাকা দলগুলো মূল প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে খেলবে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলগুলো খেলবে প্লেট প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে। আর গ্রুপে তৃতীয় হওয়া দলগুলোর জন্য থাকছে বোল প্রতিযোগিতা। হংকং সিক্সেসের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশের সাত সদস্যের স্কোয়াডে রয়েছেন অধিনায়ক আবু হায়দার রনি, সামিউন বশির, চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, আহরার আমিন, সাব্বির রহমান ও হাবিবুর রহমান সোহান। অভিজ্ঞ সাব্বির রহমানের অন্তর্ভুক্তি দল ঘোষণায় বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে গ্রুপ পর্বে ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে শিরোপার লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়া। হংকং সিক্সেসের জন্য বাংলাদেশের সাত সদস্যের স্কোয়াডে রয়েছেন অধিনায়ক আবু হায়দার রনি, সামিউন বশির, চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, আহরার আমিন, সাব্বির রহমান ও হাবিবুর রহমান সোহান। আরটিভি/এসকে
চমক দিয়ে হংকং সিক্সেসে বাংলাদেশের দল ঘোষণা, ফিরলেন সাব্বির