
আসন্ন ২০২৬-২৭ মৌসুমের দলবদলের বাজারে রীতিমতো বোমা ফাটালো বসুন্ধরা কিংস। বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের রাজত্ব ধরে রাখতে এবার তারা দলে ভেড়াচ্ছে ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক খেলোয়াড় তিয়াগো মানুয়েল দিয়াস কোরিয়াকে।
সব ঠিক থাকলে আগামী মৌসুমে কিংস অ্যারেনায় দেখা যাবে এই পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত তারকাকে। এবারের দলবদলে এটিকে দেশের ফুটবলের সবচেয়ে হাই-প্রোফাইল সাইনিং হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
পর্তুগিজ ক্লাব ভিক্টোরিয়া এসসি থেকে তাকে ৭ মিলিয়ন পাউন্ডের বিশাল অঙ্কে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে নিয়ে এসেছিলেন কিংবদন্তি কোচ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন।
যদিও ফার্গুসনের সেই তারকাসমৃদ্ধ ‘ড্রিম টিমে’ নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি তিনি। ফলে রেড ডেভিলদের হয়ে খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ তার হয়নি। পরবর্তীতে ম্যানইউ তাকে ধারে পর্তুগাল ও তুরস্কের বিভিন্ন ক্লাবে টানা চার মৌসুম খেলার জন্য পাঠায়।
ইউরোপিয়ান ক্লাব ক্যারিয়ারে ‘বেবে’ সবচেয়ে বেশি থিতু হয়েছিলেন স্পেনে। স্প্যানিশ ক্লাব রায়ো ভায়োকানোর জার্সিতে দীর্ঘ সময় মাঠ মাতিয়েছেন তিনি। সেখান থেকেই তার বর্তমান ঠিকানা স্প্যানিশ প্রিমিয়ার ডিভিশন গ্রুপ-১ এর দল ইউনিয়ন দেপোর্তিভা ইবিজা।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বেবের পথচলা বেশ ঘটনাবহুল। পর্তুগালে জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই তারকা একসময় স্বপ্ন দেখতেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সতীর্থ হিসেবে পর্তুগালের জাতীয় দলে খেলার।
পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে ৬টি ম্যাচ খেললেও সিনিয়র দলে তার আর জায়গা হয়নি। পরবর্তীতে নিজের শেকড়ের টানে ২০২২ সালে কেপ ভার্দে জাতীয় দলে যোগ দেন তিনি।
২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে দলটির হয়ে দারুণ পারফরম্যান্স করে বিশ্ব ফুটবলের নজর কাড়েন বেবে। এখন পর্যন্ত কেপ ভার্দের জার্সিতে ২৬ ম্যাচ খেলে ৬টি গোল রয়েছে তার নামের পাশে। সব মিলিয়ে ইউরোপিয়ান ফুটবলের এতটা অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন খেলোয়াড়ের আগমন বসুন্ধরা কিংসের আক্রমণভাগকে যে আরও ধারালো করবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
আরটিভি/এসআর




