
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে প্রথমার্ধে গোল পায়নি কোনো দলই। তবে ম্যাচ শুরুর আগে টিকিট নিয়ে ‘বিতর্কিত’ তদন্তের জেরে ৬৮৫টি সিজন টিকিট বাতিলের ঘটনায় ওল্ড ট্রাফোর্ডের বাইরে ক্লাবের মালিকানার বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ মিছিল করে ক্ষুব্ধ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সমর্থকরা।
ডার্বির আগে ওল্ড ট্রাফোর্ডের কাছে বিশপস ব্লেইজ পাবের সামনে জড়ো হয়ে গ্লেজার পরিবার ও স্যার জিম র্যাটক্লিফের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন তারা।
টিকিট কালোবাজারি ঠেকাতে দীর্ঘ তদন্তের পর সম্প্রতি ৬৮৫ জন সমর্থকের সিজন টিকিট বাতিলের ঘোষণা দেয় ইউনাইটেড। তবে তদন্তের পদ্ধতি নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছেন সমর্থকরা।
কই ঘটনায় আরও ৪৬৪ জনকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা অথবা কম শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ১ হাজার ৬১৭টি অ্যাকাউন্টকে আরও তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিহ্নিত করেছে ক্লাব।
টিকিট বাতিলের কারণ ব্যাখ্যা করে ইউনাইটেড জানিয়েছে, ‘আর্থিক লাভের জন্য টিকিট ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য অপব্যবহার’ যেখানে পাওয়া গেছে, সেখানেই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে ছিল ‘সংগঠিত টিকিট নেটওয়ার্ক পরিচালনা, যেখানে শত শত অ্যাকাউন্ট থেকে টিকিট নিয়ন্ত্রণ, বিক্রি ও বিতরণ করা হতো।’
ক্লাবের ব্যাখ্যার পরও অবশ্য সমর্থকদের ক্ষোভ কমেনি। তদন্তের পদ্ধতি নিয়েই মূলত আপত্তি তাদের। অনেক সমর্থকের ধারণা, তাদের অন্যায্যভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। সেই ক্ষোভই এবার ডার্বির আগে রাস্তায় প্রতিবাদের রূপ নিয়েছে।
গ্লেজার পরিবার ২০০৫ সালে ক্লাবের মালিকানা নেওয়ার পর থেকেই ইউনাইটেড সমর্থকদের প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। তবে এবার সেই তালিকায় প্রকাশ্যে যুক্ত হয়েছেন র্যাটক্লিফ ও নতুন আইএনইওএস মালিকানাও। ক্লাবের মালিকানার বিরুদ্ধে এতটা প্রকাশ্য প্রতিবাদে র্যাটক্লিফকে লক্ষ্য করা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
শুধু বিশপস ব্লেইজের সামনেই নয়, স্ট্রেটফোর্ড এন্ডেও প্রতিবাদের প্রস্তুতি নিয়েছে আরেক সমর্থকগোষ্ঠী দ্য রেড আর্মি। ম্যাচ শুরুর আগে নিয়মিত পতাকা প্রদর্শন না করে সেখানে একটি ব্যানার টাঙানোর ঘোষণা দিয়েছে তারা। ব্যানারে লেখা থাকবে, ‘আপনারা আমাদের সঙ্গে যে আচরণ করেন, তা লজ্জাজনক।’
আরটিভি/এসআর




