ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মাশরাফিকে জানানোই হয়নি ধর্মঘটের ব্যাপারে

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:৪৬ পিএম
মাশরাফি বিন মুর্তজা

মাশরাফি বিন মুর্তজা এখনও অবসরে যাননি জাতীয় দল থেকে। তিনি এখনও নেতৃত্ব দিচ্ছেন ওয়ানডে দলকে। অথচ আজ তারই অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড প্রাঙ্গণে হয়ে গেল সাকিব, তামিম, রিয়াদ, মুশফিকসহ প্রায় ১০০ ক্রিকেটার নিয়ে ১১ দফা দাবি উপস্থাপন।

অথচ দিন শেষে ১১ দফা দাবি ছাপিয়ে কেন্দ্রবিন্দুতে মাশরাফি কেন ছিলেন না আজ!

আরটিভি অনলাইন মাশরাফির ঘনিষ্ঠজনের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পেরেছে, আজকে ক্রিকেটারদের সংবাদ সম্মেলনের ব্যাপারে মাশরাফিকে কিছু জানায়নি সাকিব-তামিমরা। মাশরাফি জানতেন না আজ এমন কিছু হবে। তিনিও জেনেছেন সংবাদ সম্মেলনের সময়।

আজ মিরপুরের ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ক্রিকেটারদের পক্ষে সাকিব আল হাসান সংবাদ সম্মেলন করেন।

সাকিব বলেন, ‘অনূর্ধ্ব ১৯ দল বাদে সবাই এটার মধ্যে রয়েছে। বয়সভিত্তিক দলগুলোতে অনূর্ধ্ব ১৭, ১৫ এগুলো বাদে প্রথম শ্রেণী, জাতীয় দলের প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটসহ সব ধরনের ক্রিকেট না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’


এক নজরে ক্রিকেটারদের ১১ দাবি

১. আমাদের খেলোয়াড়দের উন্নয়নের যে অ্যাসোসিয়েশন আছে (ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-কোয়াব) আমরা কখনও দেখিনি তারা আমাদের পক্ষে কথা বলেছেন। অতএব কোয়াবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক যারা আছেন তাদের অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। আমাদের প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি কে হবেন সেটা আমরা প্লেয়াররা নির্বাচনের মাধ্যমে ঠিক করব।

২.বেশ কয়েকবছর ধরে আপনারা জানেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের অবস্থাটা কি। যেভাবে প্রিমিয়ার লিগ হচ্ছে তাতে সব খেলোয়াড়রই অসন্তোষ প্রকাশ করছে। পারিশ্রমিকের একটা মানদণ্ড বেধে দেয়া হচ্ছে এবং অনেক সীমাবদ্ধতা এখানে আছে। আমরা যেভাবে আগে প্রিমিয়ার লিগ খেলতাম এবং খেলোয়াড়রা যেভাবে ক্লাব অফিসিয়ালদের সঙ্গে ডিল করত তা এখন আর নেই। আমাদের দাবী হচ্ছে আগে যেভাবে প্রিমিয়ার লিগটা চলত সেভাবে যেন আমরা পাই।

৩. আমাদের তৃতীয় দাবি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) নিয়ে।আপনারা জানেন এবারের বিপিএল অন্য নিয়মে হচ্ছে। কিন্তু আমাদের যেটা মূল দাবী সেটা হলো বিপিএল যেন আগের নিয়মে চলে আসে এবং আমাদের স্থানীয় খেলোয়াড়দের ন্যায্য মূল্যটা যেন বিদেশি খেলোয়াড়দের সঙ্গে থাকে। আমরা দেখি যে বিপিএলে বিদেশি খেলোয়াড়রা আসে এবং তাদের অনেক পারিশ্রমিক দেয়া হয়। কিন্তু স্থানীয়রা সেটা পায় না। বিসিবিকে সেই নিশ্চয়তা দিতে হবে। আপনারা যদি খেয়াল করে দেখন বিশ্বের অন্যান্য ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতে যে যে খেলোয়াড় তারা নিলামেই নিশ্চিত করে যে কোন গ্রেডে থাকবে। আমার মনে হয় আমাদেরও সেই সম্মানটা দেয়া উচিত।

৪. আমাদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের বেতন ১ লাখ টাকা হওয়া উচিত। আমরা এই দাবিটা অবশ্যই জানাচ্ছি। আমাদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের খেলোয়াড়দের বেতন অনেক কম। সেটা নূন্যতম ৫০ ভাগ বাড়াতে হবে। অনুশীলন সুবিধা বাড়াতে হবে। জিম, ইনডোর, মাঠ সব কিছুর সুবিধা বাড়াতে হবে। ১২ মাস কোচ, ফিজিও, ট্রেনার নিয়োগ দিতে হবে। আমরা চাই এটা আসছে মৌসুমের আগেই নিশ্চিত করতে হবে। আমরা চাই না প্রতিটি অনুশীলনই ঢাকাতে হোক। ঢাকার বাইরে বরিশাল তাদের হোম ভেন্যুতে, খুলনা তাদের হোম ভেন্যুতে অনুশীলন করবে তাইলেই ক্রিকেটের প্রসার বৃদ্ধি পাবে।
আমরা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে যে বল দিয়ে খেলি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেই বল দিয়ে খেলা হয় না। ফলে আমাদের নতুন করে বলের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হয়। এই জিনিসটা যেন আমাদের না করতে হয়।
ডেইলি অ্যালাওন্স বাবদ আমাদের ১৫শ টাকা দেয়া হয়। আমার মনে হয় না এটা আমাদের জন্য পর্যাপ্ত। যে ফিটনেস লেভেল বিসিবি খেলোয়াড়দের থেকে দাবি করে মনে হয় না সেটা ১৫শ টাকায় সম্ভব। স্বাভাবিক ভাবেই তাদের স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে এবং ভালো হোটেলে থাকতে হবে। সেটা বিবেচনা করে যে টাকা দিলে ভাল হয় বিসিবি সেটা যেন করে।
ভ্রমণ, এটা বড় একটি ইস্যু। ভ্রমণ বাবদ যে টাকা দেয়া হয় সেটা পর্যাপ্ত না। আমাদের ২৫শ টাকা দেওয়া হচ্ছে এক বিভাগ থেকে আরেক বিভাগে ভ্রমণ বাবদ। আপনারা বলতে পারেন ২৫ শ টাকায় বাসা ছাড়া অন্য কোন ভাবে সে পৌঁছাতে পারে? অতএব বিসিবি থেকে যেন বিমান ভাড়া দেওয়া হয় সেই নিশ্চয়তা দিতে হবে।
হোটেলে জিম এবং সুইমিং পুল অবশ্যই থাকতে হবে। কারণ চার দিনের ম্যাচ শেষে প্রতিটি খেলোয়াড়ের অনেক কষ্ট হয়। তো এখানে অবশ্যই রিকভারির জায়গা থাকতে হবে। টু স্টার বা থ্রি স্টার হোটেলে প্লেয়ারদের থাকা সম্ভব নয়।
বাস: আপনারা দেখেন আমরা কি বাসে চলা ফেরা করি। এটা প্লেয়ারদের জন্য একবারেই আরামদায়ক নয়। অতএব একটা এসি বাস অবশ্যই যেন থাকে।

৬. জাতীয় দলের চুক্তিবদ্ধ প্লেয়ারদের সংখ্যা বাড়াতে হবে। বিশ্বব্যাপী যদি আপনারা চিন্তা করেন আমার মনে হয় আমাদের চুক্তিভুক্ত প্লেয়ারদের সংখ্যা কম। আমার মনে হং চুক্তিভুক্ত প্লেয়ারদের সংখ্যা ৩০ জন করা উচিত। এবং করতে হবে। শুধু তাই নয়, আমাদের বেতন বাড়াতে হবে তিন বছর যাবত আমাদের বেতন বাড়নো হয় না। অতএব বেতনও বাড়াতে হবে।

৭. আমাদের গ্রাউন্ডস ম্যান,কোচ মাস শেষে অনেক কম টাকা বেতন পায়। বিদেশি প্লেয়াররা যে বেতন পায় সে তুলনায় আমাদের স্থানীয়দের বেতন খুব পায়। আমাদের আম্পায়ার, ফিজিও ও ট্রেনারদের ও একই অবস্থা। অতএব তাদের বেতনও বাড়ানো উচিত।

৮. ঘরোয়া ক্রিকেটে আমরা দুই ধরণের লঙ্গার ভার্সন খেলি বিসিএল ও এনসিএল। কিন্তু ওয়ানডেতে আমরা একটা মাত্র ভার্সন খেলি। এই সংখ্যাটি আরও বাড়ানো উচিত। টি-টোয়েন্টিতে আমরা বিপিএল নামক মাত্র একটা একটি লিগ খেলি। আমার মনে হয় বিপিএলে আরও ভালো করতে অন্তত আরও একটি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট খেলা উচিত। আগে জাতীয় লিগে আমরা আগে একটি ওয়ানডে খেলতাম। যা এখন আমরা পাই না। সেটা বাড়ানো হোক।
৯. ঘরোয়া ক্রিকেটের জন্য একটি নির্ধারিত ক্যালেন্ডার থাকতে হবে। এটা হলে আমরা আগে থেকে আমরা থেকে প্রস্তুতি নিতে পারি।

১০. প্রিমিয়ার লিগে যে বকেয়া সেটা যেন ক্লিয়ার করা হয়। প্রতিবছর যে সময়টা দেয়া থাকে তার মধ্যে যেন ক্লিয়ার করা হয়।

১১. ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে একটি নিয়ম করে দেয়া হয়েছে যে দুই জনের বেশি খেলতে পারব না। সেই জায়গায় আমাদের যদি জাতীয় দলের বাইরে যদি ফ্রি থাকি এবং আমাদের যদি ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে আমরা কয়েকটি ম্যাচ বেশি খেলতে পারব।

এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শক্তিশালী রাজশাহীকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় রংপুরের
এ নিয়ে টানা দুই হার রাজশাহী রয়ালসের। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় জয় রংপুর রেঞ্জার্সের। আন্দ্রে রাসেলের নেতৃত্বে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলে আসছে দলটা। কিন্তু নিজেদের সপ্তম ম্যাচে ঢাকা প্লাটুনের বিপক্ষে ৭৪ রানে হারের পর আজ হেরেছে রংপুর রেঞ্জার্সের কাছে। প্রথম দুই ম্যাচ খেলার পর তৃতীয় ম্যাচে জায়গা হারান, চতুর্থ ম্যাচে আবারও ফেরেন একাদশে। তিন ম্যাচে উইকেট শূন্য থাকায় পঞ্চম, ষষ্ঠ আর সপ্তম ম্যাচেও দলে জায়গা হয়নি তাসকিন আহমেদের। অথচ এই তাসকিন গত বিপিএলে ১২ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়ে হয়েছিলেন টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি! টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না রংপুর রেঞ্জার্সের। তাসকিন দলে ফিরেই হারিয়ে দিলেন শক্তিশালী রাজশাহী রয়ালসকে। টস জিতে ফিল্ডিং করাটা যেন নিয়ম করে ফেলেছে রাজশাহী। আজও ঘটেনি ব্যতিক্রম। ঢাকায় তৃতীয় পর্বে শেষ দিনের শেষ ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে পাঠায় রংপুর রেঞ্জার্সকে। ব্যাট করতে নেমে রংপুরের ওপেনার শেন ওয়াটসন হতাশ করলেন এই ম্যাচেও। তার ব্যাটে রান যেন সোনার হরিণ। আজ মাত্র ৭ রানেই সাজঘরে ফেরেন আফিফ হোসেনের বলে ক্যাচ দিয়ে। আরেক ওপেনার নাঈম শেখ ধরে রেখেছেন ধারাবাহিকতা। ৪৭ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলে ক্যাচ এন্ড বোল্ড হয়ে বিদায় নেন কামরুল ইসলাম রাব্বির বলে। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ক্যামেরুন ডেলপোর্টের ১৭ বলে ৩১, লুইস গ্রেগরির ১৭ বলে ২৮ আর শেষদিকে জহুরুল ইসলাম অমির ৮ বলে ১৯ রানে ভর করে ৬ উইকেটে ১৮২ রান তুলে ফেলে রংপুর। রাজশাহীর হয়ে ২টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ ইরফান ও আফিফ। ১টি করে উইকেট নেন রাব্বি ও ফরহাদ রেজা। পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা রংপুর আজ যেন ফুলকির মতো জ্বলে উঠলেন। বল হাতে দুর্দান্ত তাসকিন, সঙ্গে মোস্তাফিজের আঁটসাঁট বোলিং কাবু করে ফেলে রাজশাহীর ব্যাটারদের। রাজশাহীর হয়ে অলোক কাপালির ব্যাটে আসে সর্বোচ্চ ৩১ (২৮) রান। এছাড়া রাবি বোপারার ২৮, নাহিদুল ইসলামের ১৯ রানের সঙ্গে বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হোন আন্দ্রে রাসেল। ৭ বলে ১৭ রানের ইনিংস খেলে রান আউটে কাটা পড়েন রয়ালস অধিনায়ক। ততোক্ষণে রাজশাহীর জয়ের স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায়। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান পর্যন্ত তুলতে পারে রয়ালসরা। ৪৭ রানের জয়ে মাঠ ছাড়ে রংপুর। তাসকিন নেন ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট। মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ১ মেডেন নিয়ে দেন মাত্র ১৬ রান। লুইস গ্রেগরি নেন ২ উইকেট, মোহাম্মদ নাবী নেন ১ উইকেট। এমআর/ এমকে
শক্তিশালী রাজশাহীকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় রংপুরের
আত্মবিশ্বাসই ম্যাচ জিতিয়েছে: আবু হায়দার
ডেভিড মালানের ৫১ বলে ৭৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংসকেও ছাপিয়ে গেছে আবু হায়দার রনির ৮ বলে ১২ রান। রনির এই ১২ রানের জাদুকরি ইনিংসে ভর করেই আসরের তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ২৭তম ম্যাচে টস হেরে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স আগে ব্যাট করে ১৬০ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায় ওয়ারিয়র্সদের সামনে। ব্যাটিংয়ে নেমে ৫১ বলে ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন কুমিল্লার অধিনায়ক ডেভিড মালান। টিকে থাকেন শেষ ওভারের পঞ্চম বল পর্যন্ত। মূলত মালানের ব্যাটে ভর করেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা। লিয়াম প্লাঙ্কেটের করা ইনিংসের শেষ ওভারে কুমিল্লার প্রয়োজন ১৬ রান। প্রথম বলে ১ রান নিয়ে স্ট্রাইকে গিয়েই বাউন্ডারি হাঁকান আবু হায়দার রনি। পরের বলে আর বাউন্ডারি নয়, লং-অনে ওভার বাউন্ডারি আসে রনির ব্যাটে। চার নম্বর বলে প্রান্ত বদল করে স্ট্রাইকে যান মালান। পঞ্চম বলে দুই রান নিতে গিয়েই ঝামেলা বাঁধান অধিনায়ক। দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে ফেরেন সাজঘরে। তার ব্যাটে আসে ৫১ বলে ৭৪ রান। শেষ বলে ৩ রান লাগে। নতুন ব্যাটসম্যান মুজিব উর রহমানের বাউন্ডারিতে ২ উইকেটের (সানজামুলের রিটায়ার্ড হার্ট) জয় নিশ্চিত করে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স।  এতে নায়ক বনে যান আবু হায়দার রনি। উপস্থিত হোন সংবাদ সম্মেলনেও। এমন ব্যাটিংয়ের রহস্যটাও জানালেন তিনি। তার মতে, আত্নবিশ্বাসই এমন ব্যাটিং করার রহস্য। ৮ বলে ১২ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংসটাকে অবিশ্বাস্য মনে করছেন না এই বোলার। ‘হ্যাঁ, আমার আত্মবিশ্বাস ছিল কারণ আমি পাওয়ার ব্যাটিং নিয়ে বেশ কিছুদিন যাবত কাজ করছি। এইরকম অবস্থায় কিভাবে কাজ করা যায় সেটা জেনেছি। আর মালান ছিল। একটা সাহস ছিল যে পারব আমরা।’ তবে রনির পরিকল্পনায় ছিল মালানকে কিভাবে স্ট্রাইক দেয়া যায়। কেন না, সেট ব্যাটসম্যান হিসেবে মালানের পক্ষে কাজটা যত সহজ ছিল রনির পক্ষে ততোটা না। ‘আমার পরিকল্পনা ছিল মালানকে কিভাবে স্ট্রাইক দেওয়া যায়। শেষ ওভারে যখন খেলা চলে এসেছে এক দেয়ার অবস্থা ছিল না। কারণ রান ছিল ১৬। আমিও চেষ্টা করেছি মেরে রান নেয়ার।’ এমআর/ওয়াই                                                                                                       
আত্মবিশ্বাসই ম্যাচ জিতিয়েছে: আবু হায়দার
কাউকে অনুকরণ করার ইচ্ছা নেই: শান্ত
  অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকেই নির্বাচকদের নজরে নাজমুল হোসেন শান্ত। এরইমধ্যে জাতীয় দলের হয়েও অভিষেক ঘটেছে ২১ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যানের। পুরাদস্তুর ব্যাটসম্যান হলেও দলের প্রয়োজনে করেন বোলিংও। দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে আর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন দুটি। এই কটা ম্যাচে কতই বা আর তুলে ধরতে পেরেছেন নিজেকে। তরুণ শান্ত তাই শেখার দিকেই দিয়েছেন পুরোপুরি মনোযোগ। এবারের বঙ্গবন্ধু বিপিএলে খেলছেন খুলনা টাইগার্সের হয়ে। দলের হয়ে সব ম্যাচেই খেলেছেন। যদিও আশানুরূপ ব্যাটিংটা করতে পারেননি এখনও। ছয় ম্যাচে নেই একটিও পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস। সবশেষ ম্যাচে সিলেট থান্ডারের বিপক্ষে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে শতরানের ওপেনিং জুটি গড়লেও করতে পেরেছিলেন মাত্র ৪১ রান। এর আগের পাঁচ ম্যাচে করেছেন ৪, ০, ১, ০ আর ৩০ রান। তবে কি টি-টোয়েন্টির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে কষ্ট হচ্ছে শান্তর?  ‘না আমার কাছে ওইরকম মনে হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত ৪০-৫০টা ম্যাচের মতো খেলেছি। এ বছরের শুরুর দিকের কয়েকটা ম্যাচ যদি দেখেন, প্রথম কয়েকটি ম্যাচে আমি দ্রুত আউট হয়ে গেছি। এক-দুই বলের মধ্যেই, তাই সেভাবে ইনিংসটা সাজানোর সুযোগই পাইনি। তো আমার কাছে ওইরকম কিছু মনেই হচ্ছে না। শেষ দুইটা ম্যাচে ভালো শুরু পেয়েছে, বাকি ম্যাচগুলোতে যদি এটা করতে পারি তাহলে বড় রান করার প্রত্যাশা করছি।’ বয়সভিত্তিক দল থেকে জাতীয় দল, এই সময়টায় সেভাবেই গড়ে তোলা হয়েছে তাকে। তাই প্রত্যাশাটাও বেশি। শান্ত বলছেন, প্রত্যাশা না থাকাটাই ভালো। ‘আসলে প্রত্যাশা না থাকা ভালো। সকলেরই প্রত্যাশা থাকে, নিজের থাকে, পরিবারের থাকে। এটা নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি না করে প্রক্রিয়াটা মেনে চললেই আমার মনে হয় ভালো করা সম্ভব। ভালো করলে এমনেই প্রত্যাশা পূরণ হবে।’ খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলছেন রিলে রুশো, রাবি ফ্রাইলিঙ্কের মতো ক্রিকেটাররা। শান্ত শিখছেন তাদের থেকেও। ‘আলাদাভাবে ওইরকম কোনও কথা হয়নি। তবে রুশো খুব ভালো টাচে আছে। শেষ দুই তিন বছর বিপিএলে খুব ভালো খেলছেন। তাকে দেখে অনেক কিছু শেখা যায়। অনেক সময় অনুশীলনে দেখা হয়, কথা হয়। অভিজ্ঞতা শেয়ার করে, যা আমার জন্য ভালো।’ জাতীয় দল কিংবা বিপিএল। বড় সব ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলে তাদের থেকে কিছু শেখার চেষ্টা করছেন বলেও জানান এই ওপেনার। তবে অনুকরণ করেন না বলেও জানান তিনি। ‘আমি সবার খেলা দেখেই কিছু না কিছু নেয়ার চেষ্টা করি। আমার নিজের একটা ধরন আছে খেলার, সেটার সঙ্গে মিল রেখেই কাজ করি। নির্দিষ্ট করে কাউকে অনুকরণ করার ইচ্ছা নেই।’ এমআর/ওয়াই
কাউকে অনুকরণ করার ইচ্ছা নেই: শান্ত
বিজয় দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী রুপান্তর ও বাজার২৪ ডটকম মহান বিজয় দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরুষ বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নারী বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আনসার।  মঙ্গলবার শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে প্রতিযোগিতায় পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দল পেয়েছে ৪টি স্বর্ণ, ৪টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক।  প্রথম রানার আপ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)  পেয়েছে ৪টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৯টি পদক।  দ্বিতীয় রানার আপ দল আনসার পেয়েছে ১টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৭টি পদক।  এদিকে নারী বিভাগে চ্যাম্পিয়ন দল বাংলাদেশ আনসার পেয়েছে ৬টি স্বর্ণ ও ৪টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক। প্রথম রানার আপ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীপেয়েছে ৪টি স্বর্ণ, ৪টি রৌপ্যসহ মোট ৮টি পদক। দ্বিতীয় রানার আপ বাংলাদেশ পুলিশ পেয়েছে ৬টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৮টি পদক।  প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে পুরস্কার বিতরণ করেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ড. কাজী এরতেজা হাসান।  এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান ও যুগ্ম সম্পাদক মেসবাহ উদ্দিন আজাদসহ অন্যান্যরা।  ওয়াই
বিজয় দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
রাজশাহীর বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করছে রংপুর
দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে রয়্যালসের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে রংপুর রেঞ্জার্স। মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জেতার পর রংপুরকে ব্যাট করতে পাঠায় রাজশাহীর অধিনায়ক আন্দ্রে রাসেল। ৭ খেলায় ১০ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার চার নম্বরে অবস্থান করছে রয়্যালসরা। বলতে গেলে সুবিধাজনক স্থানেই রয়েছে লিটন দাস-আফিফ হোসেনরা। সমান ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে রেঞ্জার্সদের অবস্থান ষষ্ঠ। তাই জয়ের বিকল্প নেই শেট ওয়াটসন নেতৃত্বাধীন দলটির সামনে। দিনের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াইয়ে তিন উইকেটের জয় পেয়েছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। রংপুর রেঞ্জার্স শেন ওয়াটসন (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নাঈম, ক্যামেরন ডেলপোর্ট, লুইস গ্রেগরি, ফজলে মাহমুদ, মোহাম্মদ নবী, জহুরুল ইসলাম অমি, আল আমিন হোসেন জুনিয়র, আরাফাত সানি, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ। রাজশাহী রয়্যালস  লিটন দাস, আফিফ হোসেন ধ্রুব, শোয়েব মালিক, অলক কাপালি, রবি বোপারা, আন্দ্রে রাসেল (অধিনায়ক), নাহিদুল ইসলাম, ফরহাদ রেজা, তাইজুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম রাব্বি ও মোহাম্মদ ইরফান।  ওয়াই
রাজশাহীর বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করছে রংপুর
আরও পড়ুন
‘আমি মাশরাফি ১১ দফার পক্ষে’
সাদামাটা মাশরাফির জন্মদিনটাও কাটল সাদামাটা
মাশরাফি বাংলাদেশের জীবন্ত কিংবদন্তী, ক্রিকেটের সফলতম নায়ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও)
সপরিবারে গৃহপরিচারিকার বাড়িতে মাশরাফি