ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

খুলনায় ক্রিকেটের উন্মাদনা, পর্দা উঠলো জাতীয় ক্রিকেট লিগের

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে ঘরোয়া ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী ও বড় আসর ঘিরে পুনরায় প্রাণচাঞ্চল্য ও নতুন উদ্দীপনা ফিরে এসেছে খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। আজ থেকে পর্দা উঠলো ২৮তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে খেলার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি পরিচালক, নারী উইংয়ের ভাইস চেয়ারম্যান ও খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল আলম তুহিন।

এ সময় বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোল্লা খায়রুল ইসলাম ও শফিকুল ইসলাম হোসেনসহ বিসিবি ও ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আজ থেকে দেশের আটটি বিভাগীয় দল নিয়ে শুরু হয়েছে ৪ দিনের এই ক্রিকেট মহাযজ্ঞ। প্রথম রাউন্ডেই স্বাগতিক খুলনা বিভাগের মুখোমুখি হয়েছে বরিশাল বিভাগ। পুরো টুর্নামেন্টে প্রতিটি দল মোট ৭ টি করে ম্যাচ খেলবে। আগামী ১৭ নভেম্বর টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে।

এরআগে শুক্রবার বিকেলে খেলার সর্বশেষ প্রস্তুতি দেখতে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে বিসিবি পরিচালক মো. শফিকুল আলম তুহিনের নেতৃত্বে বিসিবি’র টেকনিক্যাল টিম।

বিসিবি পরিচালক মো. শফিকুল আলম তুহিন বাসস’কে বলেন, এনসিএলের ম্যাচ আয়োজনের মধ্যদিয়ে দীর্ঘদিন পর খুলনায় জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেট মাঠে গড়ালো। মাঠে খেলোয়াড়, ম্যাচ অফিসিয়াল ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিসিবি থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, কেবল এনসিএল নয়, আগামী ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া ‘ডি-থ্রি’ টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলোও খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে আয়োজনের জোরালো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিসিবি টিমের এই পরিদর্শনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল এনসিএল সফলভাবে সম্পন্ন করার পাশাপাশি ডি-থ্রি ও ভবিষ্যতে বিসিবি’র পরিকল্পিত বড় পরিসরের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসরের ভেন্যু হিসেবে খুলনার সক্ষমতা যাচাই করা। যদিও ভেন্যুর কিছু সংস্কার কাজ এখনও চলমান রয়েছে।

এদিকে, এনসিএলের এই ম্যাচ শুরুর মধ্যদিয়ে খুলনায় আবারও নিয়মিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট ফেরানোর দুয়ার উন্মুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় ক্রীড়ামোদী ও আয়োজকরা।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অনুমতি ছাড়া অন্য শহরে ভ্রমণ, শাস্তির মুখে বাংলাদেশের ৩ ক্রিকেটার
এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে ব্যর্থতার পর এবার শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে শাস্তির মুখে পড়ছেন বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটার।
অনুমতি ছাড়া অন্য শহরে ভ্রমণ, শাস্তির মুখে বাংলাদেশের ৩ ক্রিকেটার
দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন সালাউদ্দিন
এশিয়ান গেমসে ফাইনালে খেলার লক্ষ্য নিয়ে জাপানে গিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তবে সেমিফাইনালে পাকিস্তান ও ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে পদক ছাড়াই ফিরতে হচ্ছে লিটন দাসের দলকে। দলের এমন ব্যর্থতায় দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। শনিবার নিশিনে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭.৩ ওভারে মাত্র ১০২ রানেই অলআউট হয় বাংলাদেশ। ফলে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় টাইগারদের। ম্যাচ শেষে নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন সালাউদ্দিন। তিনি স্বীকার করেন, দলের কাছে দেশবাসীর যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণ করতে পারেননি তারা। সালাউদ্দিন বলেন, সত্যিকার অর্থে আমরা দেশবাসীর কাছে লজ্জিত। কোচ হিসেবেও মনে করি আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আমাদের কাছে দেশবাসীর যে প্রত্যাশা ছিল, সেটা পূরণ করতে পারিনি। খুবই হতাশাজনক এবং পুরো দেশবাসীর কাছে আমরা লজ্জিত ও ক্ষমাপ্রার্থী। এশিয়ান গেমসে যাওয়ার আগে ফাইনালে খেলার প্রত্যাশা জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্সে সেই লক্ষ্যের প্রতিফলন দেখা যায়নি। সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হারের পর ব্রোঞ্জের ম্যাচেও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অসহায় আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশের বোলাররা। মাত্র ২১ রানে প্রতিপক্ষের চার উইকেট তুলে নেয় দল। তবে সেখান থেকে থারিন্দু রাত্নায়েকের ৩২ বলে ৬৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ১৬৫ রান সংগ্রহ করে তারা। বাংলাদেশের হারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সালাউদ্দিন দায়ী করেন বোলিংয়ের কয়েকটি খারাপ ওভার এবং পাওয়ার প্লেতে ব্যাটিং বিপর্যয়কে। তিনি বলেন, এই উইকেটে বোলাররা কয়েক ওভার খুব বাজে বল করেছে। যারা টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট তারাই বেশি রান দিয়েছে। ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতে বেশি উইকেট হারিয়েছি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মোস্তাফিজুর রহমানের বোলিংও আলোচনায় এসেছে। তিন ওভারে ৪৩ রান দিয়েছেন বাঁহাতি এই পেসার। আগের ম্যাচেও নিজের সেরা ছন্দে ছিলেন না তিনি। তবে মোস্তাফিজের ওপর আস্থা রাখার কথা জানিয়েছেন সালাউদ্দিন। বাংলাদেশ কোচ বলেন, আসলে মোস্তাফিজ অনেকদিন ধরে ইনজুরিতে ছিল এবং সে আমাদের গত ১০ বছরে সেরা খেলোয়াড়দের একজন। খেলার মধ্যে নতুন কোনো ইন্সট্রাকশন পাঠানো হয় না। বিশেষ করে সে ডেড ওভার স্পেশালিস্ট। ফলে তার ওপর আমাদের ভরসা রাখতেই হবে। অধিনায়ক লিটন দাসের পারফরম্যান্সও ছিল হতাশাজনক। পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচ মিলিয়ে মাত্র ২ রান করেছেন তিনি। ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে শূন্য রানে ফেরেন লিটন। অধিনায়কসহ দলের ব্যাটারদের ব্যর্থতা নিয়ে সালাউদ্দিন বলেন, আমি সব সময় বলব তারা দেশের জন্য লড়ে। তারা ফেইল করছে, সেটা নিয়ে আমরা অবশ্যই লজ্জিত। টু বি অনেস্ট আমরা টোটাল টিম হিসেবে ভালো পারফর্ম করিনি। শ্রীলঙ্কার রান তাড়ায় শুরুতেই ধসে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান ও লিটন দাস তিনজনই রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে যান। মাত্র ৪ রানে তিন উইকেট হারানোর পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দল। ক্রিকেটারদের শরীরী ভাষা ও মানসিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে খেলোয়াড়দের চেষ্টার ঘাটতি দেখছেন না প্রধান কোচ। তার মতে, পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে না পারা এবং দ্রুত উইকেট হারানোই পরাজয়ের অন্যতম কারণ। সালাউদ্দিন বলেন, প্লেয়াররা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে, কিন্তু আমার মনে হয় আমরা গেমপ্ল্যান ঠিকমতো বাস্তবায়ন করতে পারিনি। ব্যাটিংয়ে দ্রুত উইকেট পড়ে যাওয়ায় ম্যাচটি বের করা সম্ভব হয়নি। এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের প্রত্যাশা নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের এমন বিদায় স্বাভাবিকভাবেই হতাশার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে জাতীয় দলের একাধিক নিয়মিত ক্রিকেটার নিয়েও প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় দলের প্রস্তুতি, পরিকল্পনা ও পারফরম্যান্স নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন। আরটিভি/এসকে
দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন সালাউদ্দিন
এশিয়ান গেমস / কপালে ব্রোঞ্জও জুটল না বাংলাদেশের
এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটে ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়েও হতাশ হতে হলো বাংলাদেশকে। ব্যাটিং বিপর্যয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে হেরে পদক ছাড়াই অভিযান শেষ করেছে লিটন দাসের দল।
কপালে ব্রোঞ্জও জুটল না বাংলাদেশের
গেইলের বিশ্বরেকর্ড ভেঙে টি-টোয়েন্টিতে নতুন ইতিহাস গড়লেন প্রিটোরিয়াস
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের বিশ্বরেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণ ব্যাটার লুয়ান-দ্রে প্রিটোরিয়াস। মাত্র ২০ বছর বয়সে ৭৯ বলে অপরাজিত ১৮৮ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিস গেইলকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।
গেইলের বিশ্বরেকর্ড ভেঙে টি-টোয়েন্টিতে নতুন ইতিহাস গড়লেন প্রিটোরিয়াস
জাতীয় দলে নতুন সহকারী কোচ 
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সহকারী কোচ হিসেবে ম্যালিবংওয়ে মেকেতাকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
407139
আরও পড়ুন
এনসিএলে আট বিভাগের দল ঘোষণা, অধিনায়ক যারা