ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

আরাফাত রহমান কোকোর দর্শনে দেশজুড়ে প্রতিভা অন্বেষণের পরিকল্পনা

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

তৃণমূল পর্যায়ের ক্রিকেট পুনরুজ্জীবিত করা এবং বাংলাদেশের খেলোয়াড় তৈরীর পাইপলাইন পুনর্গঠনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ও ১০টি আঞ্চলিক ক্রিকেট একাডেমি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেছে আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল ট্রাস্ট। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) দায়িত্ব পালনকালে কোকো যে মডেল চালু করেছিলেন, সেই আদলেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে প্রস্তাাবিত টুর্নামেন্ট ও একাডেমিগুলোর লক্ষ্য হলো তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য একটি সুশৃঙ্খল উন্নয়নপথ তৈরি করা, যাতে তারা তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিযোগিতা থেকে ঘরোয়া ক্রিকেটের উচ্চতর পর্যায় এবং শেষ পর্যন্ত জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পেতে পারেন।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো ২০০২ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বিসিবির গেমস ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তার দায়িত্বকালে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটকে শক্তিশালী করা এবং দেশের খেলোয়াড়দের সার্বিক উন্নয়ন এবং খেলোয়ার পাইপলাইন তৈরীতে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিসিবির প্রতিভা অন্বেষণ ও খেলোয়াড় তৈরির ধারাবাহিক প্রক্রিয়া গড়ে তুলতেও তিনি ভূমিকা রাখেন। পরবর্তী সময়ে তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো ক্রিকেটাররা বাংলাদেশের ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

নিজেও একজন ক্রিকেটার হিসেবে কোকো ক্রিকেটকে আরও পেশাদার রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের ক্রিকেটকে পূর্ণকালীন পেশা হিসেবে গ্রহণ করার সুযোগ তৈরিতে সহায়তা করেন তিনি।

ক্রিকেট উন্নয়নের বৃহত্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটারদের দক্ষতা বাড়াতে বিসিবির হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) কর্মসূচি চালু করা হয়। কোকো তৃণমূল পর্যায়ের উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দেন। এর অংশ হিসেবে ৬৪ জেলায় কোচ নিয়োগ এবং স্কুল ক্রিকেটের পাশাপাশি নিয়মিত জেলা লিগ আয়োজনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল।

এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের ক্রিকেটে প্রতিভা অন্বেষণ ও খেলোয়াড় তৈরির ভিত্তি শক্তিশালী করতে সহায়তা করেছিল।

পরবর্তীতে সেই ধারার সুফল পায় বাংলাদেশের ক্রিকেট। বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল ও তাঁর সতীর্থদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বাংলাদেশ ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল এবং ২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

এ সময় বাংলাদেশ একাধিকবার এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলেছে। পাশাপাশি ২০১৯ বিশ্বকাপের আগে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপাও জিতেছে।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জেলা পর্যায়ের ক্রিকেট আগের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি। ফলে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট ক্রমেই ঢাকাকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। রাজধানীর বাইরে ক্রিকেট খেলার সুযোগ কমে যাওয়ায় জাতীয় দলের প্রতিভার গভীরতা এবং প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড়দের মানসম্পন্ন বিকল্প তৈরি করার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

তিন সংস্করণের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের তুলনামূলকভাবে অল্প কয়েকজন ক্রিকেটারের ওপর নির্ভরশীলতার প্রভাব স্পষ্ট।

অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড ও ভারতের মতো শীর্ষ ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর দলে বিকল্প খেলোয়াড়ের সংখ্যা বেশি। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে একই সময়ে সূচি থাকলেও তারা টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য আলাদা দল মাঠে নামাতে পারে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ প্রায়ই তিন সংস্করণে পাঁচ-ছয়জন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের ওপর নির্ভর করে। এতে তাঁদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ পড়ে, বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সুযোগ সীমিত হয়ে যায়, চোটের ঝুঁকি বাড়ে এবং দলের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়।

বিসিবি পরিচালক ও আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সমন্বয়ক শরফরাজ আহমেদ মনে করেন, জাতীয় দল নির্বাচনের জন্য খেলোয়াড়ের সংখ্যা বাড়ানোর মাধ্যমে কোকোর উন্নয়ন মডেল এসব সমস্যা সমাধানে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

শরফরাজ বলেন, আমরা বেশ কয়েকটি পরিকল্পনা দেয়া সত্বেও গত ১৭ বছরে আমাদের ট্রাস্টের মাধ্যমে ক্রিকেট নিয়ে কাজ করার কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি।

তিনি জানান, ট্রাস্টের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার হলো দেশব্যাপী একটি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজন এবং আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোতে ক্রিকেট একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা। বিসিবির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এসব উদ্যোগের লক্ষ্য উদীয়মান খেলোয়াড়দের দক্ষতা বিকাশের আরও বেশি সুযোগ তৈরি করা।

প্রস্তাবিত টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টটি ১০টি আঞ্চলিক পর্বে আয়োজন করা হবে। এতে দেশের আটটি প্রশাসনিক বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি ফরিদপুর ও কুমিল্লাকে পৃথক অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করা হবে। প্রতিটি অঞ্চলের চ্যাম্পিয়ন দল ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। সেখানে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।

শরফরাজ বলেন, আমাদের দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অনেক ক্রিকেটার রয়েছেন, যারা খেলার সুযোগ পান না। এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে তারা ভালো মানের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

এই প্রতিযোগিতায় খেলোয়াড়দের জন্য নির্দিষ্ট কোনো শ্রেণিভিত্তিক বিধিনিষেধ থাকবে না। জাতীয় দল, প্রিমিয়ার লিগ, প্রথম বিভাগ ও অন্যান্য পর্যায়ের ক্রিকেটাররা টুর্নামেন্ট চলাকালে তাঁদের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবেন।

অন্তর্ভুক্ত জেলার সংখ্যা বিবেচনায় রাখা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম সহজ করার লক্ষ্যে ১০টি আঞ্চলিক পর্বের কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে।

শরফরাজ জানান, বিসিবির জন্য বৃহত্তর প্রতিভাবান খেলোয়াড়ের ভান্ডার গড়ে তোলাই হবে এ উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। পুরো প্রতিযোগিতাটি ট্রাস্টের উদ্যোগেই আয়োজন করা হবে।

তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণভাবে আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে। এর আয়োজক আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল ট্রাস্ট।

টুর্নামেন্টের পাশাপাশি উদীয়মান ক্রিকেটারদের জন্য পরিকল্পিত কোচিং ও উন্নত প্রশিক্ষণসুবিধা নিশ্চিত করতে ১০টি ক্রিকেট একাডেমি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে ট্রাস্টের।

শরফরাজ বলেন, দেশে আটটি বিভাগে আমাদের ১০টি আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এসব অঞ্চলের উদীয়মান ক্রিকেটারদের বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা দিতে আমরা ১০টি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

কোকোর সময় গড়ে ওঠা ক্রিকেট উন্নয়ন-দর্শন পুনরুজ্জীবিত করা এবং ঢাকা ও জেলাগুলোর মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য কমানোর উচ্চাকাঙ্খা থেকেই ট্রাস্টের এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এ উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে ধারাবাহিক কোচিং, নিয়মিত প্রতিযোগিতা এবং উদীয়মান ক্রিকেটারদের উন্নতির সুস্পষ্ট সুযোগ তৈরির ওপর।

সূত্র: বাসস

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এনএইচটিকে হারিয়ে চট্টগ্রাম ফ্র্যাঞ্চাইজ লিগে চ্যাম্পিয়ন রাইয়ান স্পোর্টস
রোমাঞ্চকর ফাইনালে এনএইচটি স্পোর্টসকে ২৬ রানে হারিয়ে ‘চট্টগ্রাম ফ্র্যাঞ্চাইজ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট লিগ ২০২৬’-এর শিরোপা জিতেছে রাইয়ান স্পোর্টস।  শনিবার (৩১ অক্টোবর) চট্টগ্রামের সিরাজ ফোর এইচ স্পোর্টস কমপ্লেক্স মাঠে অনুষ্ঠিত হয় টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও সমাপনী পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় রাইয়ান স্পোর্টস। দলের অধিনায়ক ও ওপেনার মো. রনি ২১ বলে ৩৬ রান করে ভালো সূচনা এনে দেন। এরপর তানজীর মিজবাহুল হক ও তালহা জুবায়েরের ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ পায় দলটি।  তানজীর ৩৪ বলে ৮টি ছক্কা ও ৫টি চারের সাহায্যে ৮২ রান করেন। তালহা ৩৭ বলে করেন ৬৪ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২২৫ রান সংগ্রহ করে রাইয়ান স্পোর্টস। এনএইচটি স্পোর্টসের জায়েদ উল্লাহ ৩০ রানে ৩টি এবং সাইজিবুল আলম ৩৯ রানে ২টি উইকেট নেন। জবাবে ২২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে চাপে পড়ে এনএইচটি স্পোর্টস। তবে সজিবুল আলমের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে দলটি। ৩৬ বলে ৯টি ছক্কা ও ৩টি চারের সাহায্যে ৭৬ রান করেন সজিবুল। মিনহাজ সৌরভ ১৮ বলে ৩৬ এবং অধিনায়ক সাখাওয়াত সাইমন ২৬ রান যোগ করেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রানে থামে এনএইচটি স্পোর্টসের ইনিংস। রাইয়ান স্পোর্টসের হয়ে তানভির ইসলাম ২৯ রানে ৩টি, শহীদুল ইসলাম ১৯ রানে ২টি এবং শাহাদাত হোসেন ৬০ রানে ২টি উইকেট নেন। ফলে ২৬ রানের জয় নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় রাইয়ান স্পোর্টস। ফাইনাল শেষে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীরসহ ক্রীড়া ও ব্যবসায়িক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা বিজয়ী ও কৃতী খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার ও স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন।বাংলাদেশ সংবাদ ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন রাইয়ান স্পোর্টসের তানজীর মিজবাহুল হক। ৩৪ বলে ৮২ রানের ইনিংসের জন্য তিনি পান ৩ হাজার টাকা ও স্মারক ক্রেস্ট। ফাইনালের গেম চেঞ্জার অব দ্য ম্যাচ হন একই দলের তালহা জুবায়ের। টুর্নামেন্টের সেরা ব্যাটসম্যান নির্বাচিত হন তালহা জুবায়ের। পুরো আসরে তাঁর সংগ্রহ ১৮০ রান। এ স্বীকৃতির জন্য তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার টাকা, স্মারক ক্রেস্ট ও অরেঞ্জ ক্যাপ। ১২ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সেরা বোলার হয়েছেন রাইয়ান স্পোর্টসের শহীদুল ইসলাম। তিনিও পেয়েছেন ৭ হাজার টাকা, স্মারক ক্রেস্ট ও পার্পল ক্যাপ। অন্যদিকে, ১৩৫ রান ও ৬ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন এনএইচটি স্পোর্টসের সজিবুল আলম। পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছেন ১৫ হাজার টাকা ও স্মারক ক্রেস্ট। অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন রাইয়ান স্পোর্টস ও রানার্সআপ এনএইচটি স্পোর্টসের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি ম্যাচ অফিসিয়ালদের হাতে ট্রফি ও মেডেল তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া টুর্নামেন্টের টাইটেল স্পন্সর ফোর এইচ গ্রুপের পক্ষে এনাম আহমেদ এবং কো-স্পন্সর রিলায়েন্স স্মার্ট ট্রান্সপোর্ট সলিউশনস, সিকো এরিনা, এনএইচটি হোল্ডিংস, চৌধুরী গ্রুপ, স্পোর্টস বাস্কেট, রিজিক ফ্যাশন ও রূপসী বাংলাসহ অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। আয়োজক প্রতিষ্ঠান স্পোর্টিফাই ইভেন্টসের স্বত্বাধিকারী ফজলে দায়িয়ান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। আরটিভি/এসআর
এনএইচটিকে হারিয়ে চট্টগ্রাম ফ্র্যাঞ্চাইজ লিগে চ্যাম্পিয়ন রাইয়ান স্পোর্টস
মিরপুর টেস্টে লজ্জার হার বাংলাদেশের, লিড নিলো ক্যারিবিয়ানরা
ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলার স্বপ্ন দেখছিল টাইগাররা। তবে স্বপ্ন আর বাস্তবতা মাঝে যে যোজন যোজন পার্থক্য রয়েছে তা হাড়েহাড়ে টের পেয়েছে বাংলাদেশ দল। মিরপুর টেস্টে ক্যারিবিয়ানদের কাছে রীতিমতো বিধ্বস্ত হয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।  মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে সফরকারীরা। এতে ১-০ তে লিড নিয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। এদিন ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে ১১২ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৫৫ বলে ৪৯ রান করা জন ক্যাম্পবেলকে বোল্ড করে বিদায় করেন শরিফুল ইসলাম। এরপর ত্যাগনারায়ন চন্দরপলকে (১) দ্রুত বিদায় করেন হাসান মাহমুদ। এর আগে ৩৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশ দলকে টেনেছেন আট নম্বরে ব্যাট করতে নামা নাঈম হাসান। টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক তুলে নিয়ে তার ব্যাটে ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৭০ রানের লক্ষ্য দিয়েছে স্বাগতিকরা। তৃতীয় দিন শেষে ছয় উইকেটে ৭৯ রান নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনের শুরুতে জাকের আলির দিকে তাকিয়ে থাকলেও ২২ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। এরপর একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান নাঈম। ৯১ বলে চারটি চার মেরে ৫২ রান করে শেষ পর্যন্ত রস্টন চেজের শিকার হন তিনি। এর আগে টেস্টে নাঈমের সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল অপরাজিত ৩৫ রান। আফগানিস্তানের বিপক্ষে আবুধাবিতে সেই ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। এবার বল হাতে প্রথম ইনিংসে চার উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতেও দলের প্রয়োজনে অবদান রাখলেন ডানহাতি এই স্পিনার। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান তাঁরই। প্রথম ইনিংসে ২৭২ রান করেছিল বাংলাদেশ। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৪৫ রানে গুটিয়ে দিয়ে ২৭ রানের লিড পেয়েছিল স্বাগতিকরা। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৮.৪ ওভারে মাত্র ১৪২ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস।  ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন অধিনায়ক চেজ। জোমেল ওয়ারিক্যানের শিকার চার উইকেট। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি চেজের পঞ্চম পাঁচ উইকেট। আরটিভি/এসআর
মিরপুর টেস্টে লজ্জার হার বাংলাদেশের, লিড নিলো ক্যারিবিয়ানরা
যে তালিকায় মেসি-রোনালদোকে পেছনে ফেললেন গিল
বাণিজ্যিক আকর্ষণ ও বিপণনযোগ্যতার বিচারে ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে পেছনে ফেলেছেন ভারতের ক্রিকেট অধিনায়ক শুভমান গিল।
যে তালিকায় মেসি-রোনালদোকে পেছনে ফেললেন গিল
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৬ বলে ৬ ছক্কা হাঁকাল বাংলাদেশ
হংকং সিক্সেসে দারুণ ব্যাটিং নৈপুণ্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। বোল সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এক ওভারেই ৬ ছক্কা হাঁকিয়েছেন বাংলাদেশের দুই ব্যাটার হাবিবুর রহমান সোহান ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৬ বলে ৬ ছক্কা হাঁকাল বাংলাদেশ
ক্যারিবীয়দের ১৭০ রানের লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ
মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের চূড়ান্ত রূপ দেখিয়েছিল বাংলাদেশ। ৩৫ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর ৬ উইকেটে ৭৯ রান নিয়ে আলোকস্বল্পতায় আগেভাগে দিন শেষ করেছিল।
ক্যারিবীয়দের ১৭০ রানের লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ
আরও পড়ুন
লংগদুতে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন 
আরাফাত রহমান কোকোর স্মরণে দেশব্যাপী টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজিত হবে
কোকোর নামে বগুড়ায় ২০ একর জমিতে জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স হবে: আমিনুল হক
কোকোর উদ্যোগের ওপর দাঁড়িয়েই আজকের ক্রিকেট: আমিনুল হক